ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পাশের হার ৯৭.৫২ শতাংশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষা-২১এর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ৩০ হাজার ৮৬৩ জন, এরমধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৬১৮ জন। পাশের হার ৯৭ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং জিপিএ ৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হচ্ছে ১০ হাজার ৯২ জন। শতভাগ কৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩১৬টি। শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা জিরো।ময়মনসিংহ বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান গাজী হাসান কামাল এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান, ১ লাখ ২৭ হাজার ৬১৮ জনের মধ্যে ছাত্র পাস করেছে ৬৪ হাজার ৭৫৩ জন, পাশের হার ৯৬ দশমিক ৮১। ছাত্রী পাস করেছে ৬২ হাজার ৮৬৫, পাসের হার ৯৮ দশমিক ২৭। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হচ্ছে ১০ হাজার ৯২ জন। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্র সংখ্যা ৪ হাজার ৩৮৫ জন। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ছাত্রীর সংখ্যা ৫ হাজার ৭০৭ জন। মোট ১ হাজার ২৯২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। কেন্দ্র ছিল ১৪৭টি। এর মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় পাশের হার ৯৭ দশমিক ৯০। মানবিক শাখা বিভাগে ৯৭ দশমিক ৮৮ জন ও ব্যবসায় শিক্ষায় ৯৩ দশমিক ৭০ শতাংশ। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪টি জেলায় পাসের হার নেত্রকোনা ৯৮ দশমিক ৪৯। জামালপুর ৯৭ দশমিক ৪৩, ময়মনসিংহ ৯৭ দশমিক ৩৩ শেরপুর ৯৭%।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল ইসলাম জানান ফলাফল প্রকাশের পরের দিন থেকে সাত দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত মোবাইলে ফোন টেলিটক সিম থেকে এসএমএস মাধ্যমে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের পর কোন অবস্থাতে পুনঃনিরীক্ষার আবেদন বোর্ড কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে না।

শ্রীলঙ্কার সাথে বাংলাদেশের উদাহরণ অযৌক্তিক ও বেমানান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশ তার নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয় শ্রীলঙ্কার না। তাই শ্রীলঙ্কার অভ্যন্তরীণ সংকটের সাথে আমাদের দেশের উদাহরণ দেয়া অযৌক্তিক এবং বড়ই বেমানান।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত দুইদিন ব্যাপী Bangladesh Delta Plan 2100 International Conference: 'Issues and Challenges of Implementation' এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রীর জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বগুণে দেশে অনেক উন্নত দেশ ও বিদেশী সংস্থা বিনিয়োগ করছে। তাই কোনো দেশ যদি সে দেশের অভ্যন্তরীণ পলিসির কারণে অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে এবং একই অবস্থা অন‌্য একটি দেশের হবে এটা বলা অনভিপ্রেত ও অযৌক্তিক এবং এরকম হওয়ার কোনো সম্ভাবনাও নেই।

মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ‘বাংলাদেশ বদ্বীপ মহাপরিকল্পনা’। এই মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারের ডেল্টা মহাপরিকল্পনা শুধু কাগজে কলমে সীমাবদ্ধ নেই এবং থাকবেও না। বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ ও একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে রুপান্তরিত করাই ডেল্টা প্ল্যানের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নের ফলে আগামী প্রজন্ম একটি উন্নত দেশে পাবে। এই দেশ টেকসই হবে।

মন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডসের ব-দ্বীপ পরিকল্পনার আলোকে সেদেশের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনাটি প্রণীত হয়েছে। ডেল্টা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা প্রয়োজন। এসময় তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি‌ এবং জাইকাসহ উন্নয়ন সহযোগী দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পাশে থাকার আহ্বান জানান।

মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গতকাল (বৃহস্পতিবার) নেদারল্যান্ডস সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মধ্যে লেটার অফ ইনটেন্ট (এলওআই) স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত লেটার অব ইনটেন্টের মাধ্যমে ডাস সরকার জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় প্রাথমিকভাবে চট্টগ্রামের রাউজান এবং যশোরের কেশবপুর পৌরসভায় পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তীতে শতাধিক পৌরসভায় জলবায়ুর ঝুঁকি মোকাবেলায় কাজ করা হবে।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। গত কয়েক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার হয়েছে। করোনাকালীন সময়ে অনেক দেশ পিছিয়ে গেছে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। বিশ্বব্যাপি ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিয়েছে। কিন্তু আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে।

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, এসডিজি-২০৩০, ভিশন-২০৪১ সহ নানা মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে সরকার দেশ পরিচালনা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর অংশ হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে দেশকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য। এই পরিকল্পনার দর্শন বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ অবশ্যই বিশ্বের বুকে গর্বিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করবে।

তিনি বলেন, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সারা পৃথিবীতেই আছে। আমাদের দেশেও রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের সে প্রস্তুতি আছে বলেও জানান মন্ত্রী।

পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম। এছাড়া পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এবং দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিগণ অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

;

নতুন করে ২৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

  বাংলাদেশে করোনাভাইরাস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
নতুন করে ২৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

নতুন করে ২৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি। এই সময়ে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া ২৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৮ জন, রাজশাহী বিভাগের একজন ও সিলেট বিভাগের চারজন রয়েছেন।

এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হলো। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ হাজার ১৩০ জন। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২২১ জন। দেশে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ২ হাজার ১৬ জন।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

;

মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩

মিরসরাইয়ে র‌্যাবের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেফতার ১৩

  • Font increase
  • Font Decrease

মিরসরাইয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে র‌্যাব সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ২ হাজার পিস ইয়াবা, ৫২ বোতল ফেন্সিডিল ও ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ মাদক ব্যবসায়ী ও দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সারাদিন চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ এবং ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সাইদুর রহমান সাঈদ (৩৩), আনোয়ার হোসেন (৪৫), এস এম শাফায়েত হোসেন (৩৮), মিনহাজুল ইসলাম ওরফে মিঠু (৩৬), শহিদুল ইসলাম @ আকাশ (২৫), সোয়েব উদ্দিন আবির (২৯), মোঃ সাইদুল ইসলাম সুমন (৩০), নাহিদ উদ্দিন (৩৩), মোঃ আবু সাঈদ (২৮), মোঃ নাসির উদ্দিন (৩৮), মোঃ মাঈন উদ্দিন (৩২), ইমাম হোসেন (৩৩), ফাহাদ প্রকাশ ফরহাদ (২৬) আটক করে।

পরবর্তীতে আটককৃত আসামি ফাহাদ প্রকাশ ফরহাদ এর প্যান্টের পকেট থেকে ২,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং তার দেখানো ও শনাক্ত মতে একটি বস্তার ভিতর হতে ৫২ বোতল ফেন্সিডিল ও ০১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ডাকাত আখ্যা দিয়ে র্যাবের উপর হামলার ঘটনার সাথে আটককৃত আসামিরা সকলে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও দুষ্কৃতিকারী বলে অকপটে স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

এদিকে ঘটনাস্থানের সিসি টিভির ফুটেজ এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুষ্কৃতিকারীদের পরিচয় শনাক্ত করে উপরোক্ত আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং সিসি টিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে আসামি সাইদুর রহমান সাঈদ ঘটস্থান থেকে একজন র‌্যাব সদস্যের নিকট হতে একটি অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সাঈদের দেয়া তথ্য মতে আসামি এস এম শাফায়েত হোসেন এর নিকট হতে উক্ত ছিনিয়ে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়।

এছাড়াও উল্লেখিত ঘটনায় সাথে সারাসরি জড়িত এমন আরো কিছু দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে তাদের’কে গ্রেফতারের কার্যক্রম অব্যহত আছে বলে জানানো হয়। র‌্যাবের উপর হামলার বিষয়ে জানানো হয়, একটি বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মাদকদ্রব্যসহ চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন ধুমঘাট এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের পার্শ্বে অবস্থান করছে।

তথ্যের ভিত্তিতে গত ২৫ মে রাত সাড়ে ৭টায় র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় পৌছালে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে উক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা কয়েকটি দল একত্রিত হয়ে ও কিছু দুস্কৃতিকারীরা র‌্যাবের গাড়িকে বেরিকেট দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানা তারা বেরিকেট দিতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে বারইয়ারহাট পৌরবাজারের ফ্রুটওভার ব্রিজের নিচে ০২টি কার্ভাডভ্যান রেখে রাস্তা বন্ধ করে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করে গুজব ছড়িয়ে আতংক সৃষ্টি করে ও দুষ্কৃতিকারীরা পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে র‌্যাবের উপর অতর্কিত সশস্ত্র হামলা করে। উক্ত হামলায় দুষ্কৃতিকারীরা র‌্যাবের ব্যবহিত একটি প্রাইভেটকার ভাংচুর এবং ০২ জন র‌্যাব সদস্যকে গুরুতর আহত করে। আহত র‌্যাব সদস্যের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য র‌্যাবের হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়। যেখানে তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

র্যাব-৭ এর সিনিঃ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোঃ নূরুল আবছার বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামিদের’কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দলবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট, ফেন্সিডিল এবং গাঁজা কুমিল্লা ও ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন কৌশলে তা চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ ও ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানা এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার মাদক সেবনকারী ও  বিক্রেতাদের নিকট খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামি এবং উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

;

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা রাখেনি কেউ!

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোট আসলে নেতাকর্মীদের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। কদর বাড়ে নদী পাড়ের মানুষের। তাদের প্রতিশ্রুতি সাঁকোর স্থলে সেতু নির্মাণের। কিন্তু ভোটের পর সেই নেতাদের আর দেখা মেলে না। দুই যুগেও কথা রাখেনি কেউ। ফলে ২০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়ে।

সরেজমিনে শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোর্দ্দা নামাপাতা এলাকার বড়াইল নদীর ওপরে দেখা যায় একটি ভাঙা সাঁকোর চিত্র। এখানে মানুষের চলাচলে নানা ভোগান্তি চরমে পৌঁছাছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জের তারাপুর, উলিপুরের গুনাইগাছ ও বজরা ইউনিয়ন বাসিন্দাদের সংযোগ সড়ক এটি। এছাড়া আরও অন্যান্য এলাকার জনসাধারণ বুড়াইল নদীর সাঁকোই তাদের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ ধরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাফেরা করে আসলেও এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে সেটি। বিদ্যামান পরিস্থিতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে তাদের। এখানে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিন দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। কিন্তু সেই আশ্বাস এখনো পূরণ করেননি কেউ। এ নিয়ে স্থানীয়দের দুর্ভোগের সঙ্গে বেড়েছে চরম ক্ষুব্ধতা।

ভুক্তভোগি আমিনুল ইসলাম জানান, বুড়াইল এই নদীর ওপর বাঁশ-কাঠের সাঁকো স্থানীয় বাসিন্দাদের অর্থায়নে ও স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা হয়। এরই মধ্যে পানির চাপে সাঁকোটি ভেঙে গেছে। একারণে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাফেরা বন্ধ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে প্রার্থীরা ভোট চাইতে এসে এখানে সেতু নির্মাণের আশ্বাস দিয়ে থাকেন। কিন্তু ভোটে নির্বাচিত হলে তাদের আর দেখা পাওয়া যায় না।  

সুন্দরগঞ্জের তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, এখানে একটিু সেতু নির্মাণের জন্য উপজেলা পরিষদ সভায় একাধিকবার দাবি জানানো হয়েছে। হয়তো সেতুর কাজ হতে পারে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. শামছুল আরেফীন জানান, ওইস্থানে সেতু স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে।

সুন্দরগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, আপাতত ভাঙা সাঁকোটি নতুন করে নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে সেতু নির্মাণের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।  

;