অ্যাপের গাড়িতে ভোগান্তি, অশালীন মন্তব্যের শিকার নারীরা



আফসানা রীপা, নিউজরুম এডিটর, বার্তা২৪.কম
ছবি: মেহেদি হাসান রানা

ছবি: মেহেদি হাসান রানা

  • Font increase
  • Font Decrease

'আপু এক্কেরে আইক্কাওয়ালা বাঁশ খায়া ফালাইসি, চুয়াল্লিশ মিনিটের জন্য সাসপেন্ড হয়া গেসি। আপনাকে ধন্যবাদ বুঝলেন? যে বাঁশটা দিলেন আমাকে'।

নারী যাত্রীর উদ্দেশ্যে বলা কথাগুলো রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহারকারী তারেক নামে এক চালকের। 

যানজট এড়ানো ও যাত্রা পথের ভোগান্তি কমাতে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেন সাদিয়া। এর জন্য সাদিয়ার পছন্দ বাইক। সম্প্রতি অফিস থেকে বাসায় ফিরতে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে বাইকের রিকুয়েস্ট দেন বলে জানান তিনি। কিন্তু, ৩০ মিনিটের বেশি হলেও কোন বাইক পাচ্ছিলেন না। এই সময়ের মাঝে ৬-৭ জন বাইক চালক রিকুয়েস্ট গ্রহণ করেও নানা অজুহাতে বা না জানিয়েই রাইড বাতিল করেছেন।

এদের মধ্যে একজন চালক নিজে রাইড বাতিল না করে সাদিয়াকে রাইডটি বাতিলের অনুরোধ জানান। কারণ ইতিমধ্যে দুইটি রাইড বাতিল করেছেন সেই চালক। সাদিয়া রাইড বাতিলে অপরাগতা প্রকাশ করলে, বাধ্য হয়ে চালকই রাইডটি বাতিল করেন। এরপর ফোন করে আবার এমন অশালীন বক্তব্য প্রদান করেন উক্ত চালক।

ছবি: বার্তা২৪.কম 

রাজধানীতে যাতায়াতের ভোগান্তি এড়াতে কর্মজীবী নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন রাইড শেয়ারিং অ্যাপগুলো। দ্রুত ও মোটামুটি সাশ্রয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য অ্যাপগুলোর কোনো বিকল্প নেই বললেই চলে। কিন্তু বর্তমানে এই অ্যাপগুলোর অপব্যবহার করে কিছু রাইডার সিস্টেম বহির্ভূতভাবে রাইড দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এক কথায় যাকে বলা হচ্ছে 'অ্যাপ ছাড়া খ্যাপ'। আর এই নিয়ম বহির্ভূত খ্যাপেই বেড়ে চলেছে যত ভোগান্তি।

রাজধানীর কাওরান বাজার মোড়ে, মগবাজার, গুলশান-১,২ গোল চত্বর, পুলিশ প্লাজাসহ পুরো রাজধানী জুড়েই রয়েছে এসকল খ্যাপ মারা চালকদের সরব উপস্থিতি। এর সাথে যোগ হয়েছে রাইড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করে বাতিল করার বিড়ম্বনা।

ছবি: বার্তা২৪.কম
 

পথচারীদের অভিযোগ- যাওয়ার অনীহা দেখানো সত্ত্বেও এরা থামে না, কোথায় যাবেন, যাবেন নাকি- এভাবে ডাকতেই থাকে। যা বাসের হেলপারদের মতো।

নারী যাত্রীদের অভিযোগ, মাঝেমাঝে রাইড নিতে না চাইলে বাজে মন্তব্যও করে বসেন চালকরা। ‘আপা পছন্দ হয়নি, কেন যাবেন না’- তাদের বক্তব্যগুলো অনেকটা এমন।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই চালকরা রীতিমত একটা সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। অ্যাপ থেকে রাইড রিকুয়েস্ট দেওয়ার সময় অ্যাপেই আশেপাশে অনেক চালক দেখালেও রিকুয়েস্ট গ্রহণ করেন না। ফলে একপ্রকার বাধ্য হয়েই সময় বাঁচাতে বেছে নিতে হয় অ্যাপ ছাড়া খ্যাপগুলো। যা নারীদের জন্য অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে রাইড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করার পর নিজেরা বাতিল করে ক্ষান্ত দেন না। অনেক সময় ফোনে যাত্রীকেই অনুরোধ করেন রাইডটি ক্যানসেল করে দেওয়ার। কারণ একদিনে ২টির বেশি রিকোয়েস্ট ক্যানসেল করার নিয়ম নেই অ্যাপ অন্তর্ভূক্ত চালকদের। অ্যাপে দুই এর অধিক রাইড রিকোয়েস্ট ক্যানসেল হলেই ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয় চালককে।

ছবি: বার্তা২৪.কম 

এমনই ভোগান্তির শিকার সাদিয়া। তিনি জানান, কিছুদিন আগে আমি অফিস শেষে রাত ৮টায় রাইডের জন্য অ্যাপে রিকুয়েস্ট দেই। রাত ৮টা ৪২ মিনিটে গিয়ে বহু হয়রানির পর একজন রাইডার খুঁজে পাই। এই সময়ের মাঝে অন্তত ৬-৭ জন গ্রহণ করেও আবার ক্যানসেল করে দেন। তারেক নামের রাইডার আমাকে অনুরোধ করেন যেন আমি রাইডটি বাতিল করি। কারণ ইতিমধ্যে তিনি দুটি রাইড বাতিল করেছেন। আমি অপরাগতা জানালে তিনিই নিজে রাইডটি বাতিল করে ৪৪ মিনিটের জন্য সাসপেন্ড হয়েছেন বলে আবার ফোন করে রসিকতা করে জানান।

আরেক অ্যাপ ব্যবহারী যাত্রী সুতপা জানান, এরা প্রথমে রাইড বাতিল করে। এরপর আবার ফোন করে অ্যাপ ছাড়া যাবো কিনা সেটা জিজ্ঞাসা করে। অ্যাপে যে বিল আসে তার থেকে ১০ টাকা কম দিলেই হবে বলেও অনেকে প্রস্তাব করেন।

এ বিষয়ে একজন অ্যাপে রাইড শেয়ার করা চালক জানান, দোষটা এখানে দুপক্ষেরই। যাত্রীরাও চায় সময় এবং সাথে ১০-৫ টাকা বাঁচাতে আর রাইডারও চায় কাটছাঁট ছাড়া পুরো ভাড়াটাই নিজে পেতে। এখানে যদি যাত্রীরা রুখে দাঁড়ায় তাহলে কিন্তু আমরা বাধ্য হয়েই অ্যাপে রাইড নেওয়া শুরু করবো। আমাদের আর বিকল্প থাকে না।

ছবি: বার্তা২৪.কম 

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, অ্যাপ ছাড়া খ্যাপে যাওয়া সাশ্রয়ী হলেও এর ঝুঁকির দিকটাই বেশি। অ্যাপে রাইড নিলে যাত্রীর কাছে চালকের বিস্তারিত থেকে যায়। কোন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা ঘটলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হয়। যা অ্যাপ বহির্ভূত রাইডে সম্ভব হয় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিএ'র  সহকারী পরিচালক মো.ফারুক আহমেদ বার্তা২৪.কম-কে জানায়, এমন অভিযোগ হরহামেশাই আমাদের কাছে আসছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। রাজধানীতে বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল কোর্ট আছে। এছাড়াও ট্রাফিক পুলিশ নিয়মিত বিষয়টি মনিটরিং করছেন। সচেতনতামূলক সার্কুলারও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায়।

এছাড়া এমন অ্যাপ বহির্ভূত রাইডের ক্ষেত্রে অ্যাপ শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে তাদের ট্রেস করার মত কোন সিস্টেম নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সর্বোপরি ঝুঁকিপূর্ণ এই অ্যাপ ছাড়া রাইড শেয়ার বন্ধ করতে যাত্রী এবং চালক দুজনকেই সচেতন হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন এই কর্মকর্তা।

শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ

শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশে বাংলাদেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ গত এক দশকে কৃষি ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং বিভিন্ন শস্য ও শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের হ্যাগে অনুষ্ঠিত ৬ মাস ব্যাপি ‘ফ্লোরিয়াডে এক্সপো ২০২২’ তে যোগদান করতে গিয়ে শুক্রবার  বাংলাদেশ ভবনে গবেষণা বিষয়ক ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড.সুকে হিমোভারার সাথে  বাংলাদেশের কৃষি  রুপান্তর  বিষয়ে আলোচনাকালে এ কথা বলেন।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়াগেনিংগেন বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ কৃষি গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কৃষি পণ্যের জাত উন্নয়ন ও উন্নততর কৃষি-প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে নিয়মিতভাবে প্রায়োগিক গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে।


বৈঠকে নেদারল্যান্ডসে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মু. রিয়াজ হামিদুল্লাহ বাংলাদেশের কৃষি গবেষণামূলক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণামূলক প্রকল্প চালুর বিষয়টি উত্থাপন করলে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট প্রস্তাবকে স্বাগত জানান।

কৃষিমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যানের কৃষি ক্ষেত্রকে বৃহত্তর অবস্থানে তুলে ধরার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

কৃষি মন্ত্রী ড. সুকে-কে ওয়াগেনিংগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে অভিনন্দন জানান।

কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য ও পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, শস্য বহুমুখীকরণ, কৃষিজাত পণ্য সংরক্ষণ ও আধুনিক উপায়ে বাজারজাতকরণ ও জলবায়ু পরিবর্তন জনিত অভিযোজন সংক্রান্ত প্রায়োগিক গবেষণার বিষয়ে আলোচনা করেন।

;

কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার

কাউন্সিলরের বাসা থেকে পুত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থেকে স্থানীয় কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পূত্রবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২ জুলাই) মধ্যম সরাইপাড়ার আমিন ভবন থেকে মারদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ২২ বছর বয়সী রেহনুমা ফেরদৌস ওই এলাকার নওশাদ আমিনের স্ত্রী এবং সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পুত্রবধূ। এছাড়াও নিহতের বাবা তারেক ইমতিয়াজ ইমু আলকরন ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা সকালে নিজ বাসার খাটে মরদেহটি পেয়েছি। নিহতের গলায় ওড়না পেছানো ছিলো, তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। শ্বশুরপক্ষের দাবি তিনি আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের পরিবার থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি মোস্তাফিজুর।

এদিকে নিহত রেহনুমাকে বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে যৌতুক সহ বিভিন্ন কারণে মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে দাবি পরিবারের।

রেহনুমার বাবা তারেক ইমতিয়াজ বলেন, ‘তারা বিয়ের পর থেকে যৌতুক সহ বিভিন্ন কারণে আমার মেয়েকে মামসিক নির্যাতন করতো। কয়েকবার পারিবারিক ভাবে বৈঠক করে এটা সমাধানের চেষ্টা করেছি আমরা। এমনকি ইদের তিনদিন পর সর্বশেষ বৈঠকটা করেন নাছির ভাই (সাবেক সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক)। তারপরও ওরা আমার মেয়েকে নির্যাতন করতো। এটা পরিকল্পিত হত্যা,  আমরা মামলা করবো।’

এ ব্যাপারে কথা বলতে নিহতের শ্বশুর কাউন্সিলর নুরুল আমিনের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

;

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের দ্বি- বার্ষিক কমিটি গঠন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর সবচেয়ে জনপ্রিয় মানবিক সংগঠন রাজবাড়ী হেল্পলাইলন ফাউন্ডেশনের ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট দ্বি বার্ষিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে রংপুর গণপূর্ণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ্ আল মামুন রনিকে সভাপতি এবং বেথুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আফরোজা বানু মিথুনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

শনিবার (২ জুলাই) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের বিষয়টি রাজবাড়ী হেল্পলাইনের নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক আফরোজা বানু মিথুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কার্যনিবাহী কমিটির প্রধান উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম মতিউর রহমান। কমিটির অনান্য উপদেষ্টারা হলেন-ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উইমেন সার্পোট এন্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হামিদা পারভীন পিপিএম, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (শিশু) ডা. খালিদ আহম্মেদ সাইফুল্লাহ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ডেপুটি কমিশনার আরজিনা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. মশিউদ্দৌলা রেজা পিপিএম, গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাসুদুর রহমান।

কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সভাপতি হলেন- ডা. নুরুল ইসলাম আযম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম সবুজ, কোষাধ্যক্ষ আল মামুন।

কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- মো. কামরুজ্জামান খান সুইট, মো. রাতুল হাসান, মোহাম্মদ সোহেল মিয়া, ডা. শরীফ ইসলাম, ডা.শরিফুল ইসলাম, খ. ম মুহতাশিম মাহমুদ হাসিব, ডা. নিশাদ আলমগীর ও মোহম্মদ সোলায়মান হোসেন হিমেল।

কমিটির সাধারণ পরিষদের সদস্যরা হলেন- উত্তম কুমার গোস্বামী, মো. শিপন আলম, মো. আসিফ আল মামুন, ডা. আফরোজা আক্তার রুমি, মিল্টন কুমার দেব দাস, মো. জাকির হোসেন, মাসুদুর রহমান রুবেল, ডা. মো. এনামুল হক, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. মিলন হাসান, মো. মিজানুর রহমান, মো. সুজন মাহমুদ, ডা. আহমেদ আমীমুল ইসলাম (কুশল), মো. জুয়েল রানা, মো.ফরিদুজ্জামান,  রাকিবুজ্জামান মামুন, পিয়াস শিকদার, মো. আবিদ হাসান, মো. রনি আহমেদ, মো. রবিউল ইসলাম, মো. ইউনুছুর রহমান,  মো. সালমান শেখ, জেসমিন আক্তার, তানজিয়া মেহজাবিন, মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান. আবু নাঈম নয়ন, নাজমিন আক্তার, শাহাদাত হোসেনে, ফারিয়া সুলতানা, শাকিল মাহমুদ, নূরে জান্নাত সুজানা, আজমীর হোসাইন।

নব-নির্বাচিত সভাপতি আল মামুন রনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, করোনাকালীন সময়ে ২০২০ সালে ক্যাপ্টেন ডাঃ সুমন হুসাইনের হাতে যাত্রা শুরু হয় মানবিক সংগঠন রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের। সেই সময়ে করোনা মহামারীর মধ্যে যেভাবে ফাউন্ডেশনটি কাজ করেছে রাজবাড়ীবাসীর জন্য তা সবার কাছে দারুণ ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই সংগঠনটি যেভাবে কাজ শুরু করেছিলো, তা এখনো দারুণ ভাবে চলমান রয়েছে। রাজবাড়ীর কিছু মানবিক মানুষের সহায়তা ও দিক নির্দেশনায় সংগঠনটি রাজবাড়ীর অসহায় মানুষের কাছে একটি আস্থার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরো সুন্দরভাবে ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করে রাজবাড়ীর শিক্ষা, সেবা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই সংগঠনটি নিরলস ভাবে কাজ করে যাবে।

;

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা দীপ হত্যার বিচার চাইলেন বাবা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

আরিফ রায়হান দীপ বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও বুয়েট ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে শাহবাগে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক ছিলেন দীপ। মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিপক্ষে সোচ্চার হওয়ায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে দীপ'কে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে বুয়েটের ধর্মান্ধ মৌলবাদী ছাত্র মেজবাহ উদ্দিন। হাসপাতালে ৮৪ দিন কোমায় থাকার পরে একই বছরের ২ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন দীপ।

এরপর থেকে ২ জুলাই কে 'শহীদ আরিফ রায়হান দপ দিবস' হিসেবে পালন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ উপলক্ষে শনিবার (০২ জুলাই) বুয়েটের নজরুল ইসলাম হলে স্থাপিত দীপের ভাষ্কর্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও বুয়েট ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ। এসময় সেখানে দীপের বাবার উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

এছাড়াও বিকেলে বুয়েট ছাত্রলীগের প্রাক্তন নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে দীপের স্মৃতিতে ভার্চুয়াল স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল আলোচনায় আরিফ রায়হান দীপের বাবাও অংশ নেন।

তিনি বলেন, 'বুয়েটে গেলে দীপের ঘ্রাণ পাই এখনো। দীপকে কবর দিয়েছি ঠিকই কিন্ত আমার দীপ জেগে আছে ছাত্রলীগের আরো হাজার সন্তানের বুকে। আক্ষেপ একটাই- সুষ্ঠু বিচারের জন্য আমি এখনো দ্বারে দ্বারে ঘুরছি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার সন্তানের হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।

ভার্চুয়াল স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বুয়েটের সাবেক ছাত্রনেতা খন্দকার মঞ্জুর মোর্শেদ, এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আতাউল মাহমুদ, মনিরুজ্জামান মোহন, কাজী খায়রুল বাশার, হাবিব আহমেদ হালিম মুরাদ, মনিরুজ্জামান মনির, রনক আহসান, তন্ময় আহমেদ, রোদসী আলমগীর, এম এ সাইদ, তানভীর মাহমুদুল হাসান, ইমরান খান, ইমরুল কায়েস রাফি, জয় প্রকাশ, আরিফুর রহমান, সফিউল আলম, তরফদার মাহমুদ, মুন্সী আব্দুস সালেক প্রমুখ। বক্তারা মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার জন্য আহবান জানান।

;