দাঁড়িয়ে নিচ্ছে যাত্রী, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দাঁড়িয়ে নিচ্ছে যাত্রী, নেই কোন স্বাস্থ্যবিধি!

দাঁড়িয়ে নিচ্ছে যাত্রী, নেই কোন স্বাস্থ্যবিধি!

  • Font increase
  • Font Decrease

যত আসন তত যাত্রী নিয়ে চলার কথা গণপরিবহন। মানার কথা ১১ বিধিনিষেধ। কিন্তু রাজধানীর অনেক জায়গাতেই দেখা যায় একেভারে ভিন্ন চিত্র। যাত্রীরা মানছে না স্বাস্থ্যবিধি আর পরিবহন কর্তৃপক্ষ মানছেন না বহননীতি!

রোববার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর বাড্ডা, গুলশান, রামপুরা, মহাখালীতে এমন চিত্র দেখা যায়।

মাস্ক ছাড়া গণপরিবহনে তোলা নিষেধ থাকলেও দেখা যায় বাসের হেলপার, কন্ট্রাক্টর এবং চালকের মুখেও নেই মাস্ক। বাসে উঠা যাত্রীদের মুখেও নেই মাস্ক! এছাড়া যত আসন তত যাত্রীর পরিবর্তে যাত্রী তুলছে ইচ্ছামত।

বাড্ডা থেকে ছেড়ে যাওয়া দেওয়ান পরিবহনে দেখা যায়, সিট পূর্ণ হওয়ার পরেও দাঁড়িয়ে যাত্রী নিতে। পরিবহনের হেলপারকে এত যাত্রী নেয়ার কারণ জানতে চাইলে বলেন, মানুষ উঠলে আমাদের কি করার! মানুষ তো যাইতে চাই।


রবরব পরিবহনেরও একই চিত্র দেখা যায়। যত সিট তত আসনের বিপরীতে নিচ্ছে অধিক যাত্রী। এছাড়া বাসের ভিতরে নেই কোন স্বাস্থ্যবিধি। কেউ পড়ছেন না মাস্ক।

গুলশানে এসে বিআরটিসি বাস থেকে নামা মাস্কহীন এক যাত্রীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের তো তাড়া আছে। বাস চলছে, যত আসন তত নিয়ম ভালো তবে মানাটা একটু সমস্যা হয়ে যায়। তাই বাসের হেলপার উঠাচ্ছে আর আমরাও উঠছি।

এভাবে এই রুটে চলা রইছ, বৈশাখী, আলিফসহ সবগুলোতে একই চিত্র দেখা যায়।

অনেকগুলো বাস আবার সবগুলো গ্লাস বন্ধ করে চালাচ্ছে গাড়ি। এতে করে বাইরে থেকে দেখা যায় না, কি পরিমাণ যাত্রী আছে বাসে।

রামপুরা রুটের গণপরিবহনেরও মিলে একই চিত্র। যানবাহনে স্বাস্থ্যবিধি না মানার পাশাপাশি মানছেন না যত আসন তত যাত্রীর নিয়মও।

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে বলা হয়, দাঁড়িয়ে কোন যাত্রী তোলা যাবে না। যত আসন তত যাত্রী নিয়ে চলবে গণপরিবহন। ভাড়াও বাড়বে না। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। অথচ রাজধানীর মানুষ এখনও মানছেন না পুরোপুরি বিধিনিষেধ।

ঊর্ধ্বমুখী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার গত ১৩ জানুয়ারি থেকে ১১ দফা বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতও। মাস্ক পরে বের হতে হবে, হোটেল-রেস্টুরেন্টে খেতে গেলে করোনা টিকা সনদ দেখাতে হবে, গণপরিবহন চলবে যত আসন তত যাত্রী নিয়ে- এমন নানা ধরনের নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এসব নির্দেশনা না মানলে জেল জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে।

   

হাটহাজারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
হাটহাজারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

হাটহাজারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তেলবাহী ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হাটহাজারী পৌরসভার আবুল কালামের মাদ্রাসার সামনে রেললাইনে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম।

স্থানীয়রা জানান, হাটহাজারীর ১১ মাইল এলাকায় ১০০ মেগাওয়ার্ড পিকিং পাওয়ার পয়েন্টের জন্য ফার্নেশ ওয়েল বহনকারী একটি ট্রেনে কাটা পড়ে লোকটি। এসময় তার শরীর থেকে পুরো মাথা বিছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহত ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।

ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ার পর একটি টিম পাঠিয়েছি। এখনো ওই ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি।’

;

কালীগঞ্জে হিট স্ট্রোকে অটোচালকের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কালীগঞ্জে হিট স্ট্রোকে রাশেদুল ইসলাম (৫৪) নামে এক অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার উপজেলার মদাতী ইউনিয়নের চামটার হাট বাজারে তার মৃত্যু হয়। 

মৃত রাশেদুল ইসলাম লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের খোর্দ্দ বিছনদই গ্রামের মৃত বদর উদ্দিনের ছেলে। তিনি আগে পেপার বিক্রেতা ছিলেন। 

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে অটোরিক্সা নিয়ে ভোটমারী গোলাম মৃর্তজা ক্লিনিকের মাইকিং করতে করতে চামটার হাট বাজারে যান। সেখানে একটি হোটেলে খাবার খেয়ে বের হওয়ার সময় অসুস্থা হয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ হওয়ার পর স্থানীয়রা উদ্ধার করার সময় ঘটনাস্থলে তিনি মারা যান। 

ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভেকেট মশিউর রহমান বার্তা ২৪ কমকে জানান, প্রচণ্ড গরমের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। পরে সেখানে তিনি হিট স্ট্রোক করে মারা যান।



;

প্রতিবন্ধীদের মূল ধারায় আনার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা আছে: দীপু মনি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেছেন, সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূল ধারায় আনার জন্য একটা বড় প্রচেষ্টা রয়েছে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নীতিমালা তৈরি করা ও আইন তৈরি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) বিকালে শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী শিল্প উৎসব ঢাকা-২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, যারা প্রতিবন্ধীতায় আক্রান্ত তারা শারীরিক মানসিক নানা ধরনের শিকার হলেও বুদ্ধি ও মননশীলতায় স্বাভাবিক মানু্ষদের মত যে তাই নয়, বরং সৃজনশীলতায় অনেক ক্ষেত্রে বেশিও। তিনি বলেন, আমরা সবসময় কথা বলি বৈষম্য হীনতার সেই স্বপ্নের কথা, সেই সমাজ তৈর করার কথা বলি। আমরা যখন জাতির পিতার কথা বলি তখনো বলি তার বৈষম্যহীনতার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন সে কথা।

আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের নীতি অনুসরণ করছি উল্লেখ করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আইসিটি, অর্থনীতি থেকে শুরু করে সকল পর্যায়ে আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের নীতি অনুসরণ করছি। আমাদের অনেক কিছু আছে আবার অনেক কিছু নেই সেটাও সত্যি। তবে যেটা সবচেয়ে বেশি যেটা দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা সেটা আছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। সেটা অনেক জায়গায় থাকে না। আমার সর্বস্তরে সচেতনতা তৈরি করাটা এখন প্রয়োজন। আমাদের সরকারি ভবন, কর্মস্থল, পাবলিক স্পেস সব পর্যায়ে আমরা যেন অভিগমনতা নিশ্চিত করতে পারি এটা করা আমাদের জন্য জরুরি।

দীপু মনি বলেন, আমরা চাই বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতার শিকার যে শিশুরা রয়েছে তারা যেন সাধারণ সবার সাথে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে সে ব্যবস্থা তৈরি করা। আর যাদের পক্ষে একেবারেই সম্ভব নয় তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো। সবার মতই তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া চর্চা, সাংস্কৃতিক চর্চা ব্যবস্থা করা। এটা সবার মতই তাদের জন্যও অপরিহার্য। 

;

মানিকগঞ্জে সেলফি তুলতে গিয়ে আগুনে পুড়ে নারীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জে বাসন্তী দেবীর কপালে সিদুর দেওয়ার সময় সেলফি তুলতে গিয়ে শাড়িতে আগুন লেগে দগ্ধ হয় মলি রানী (৪৬) নামের এক নারী। এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যান তিনি।

শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান মলি রানী। মানিকগঞ্জ জেলা শহরের গঙ্গাধর পট্টি এলাকার অশোক্নসাহার স্ত্রী মলি রানী।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাসন্তী পূজার দশমীর দিন গত ১৮ এপ্রিল শহরের কালীবাড়ী মন্দিরে বাসন্তী দেবীর কপালে সিদুর দেয়ার সময় দেবীর সাথে সেলফি তুলছিলেন মলি। এ সময় পাশে থাকা প্রদীপের আগুন শাড়িতে লেগে দেহের ৩০ ভাগেরও বেশি পুড়ে যায়।

পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১ সপ্তাহ চিকিৎসা শেষে শুক্রবার সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন মারা যান তিনি।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অনির্বাণ পাল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাসন্তি পূজার সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি ছিলো মলি। এরপর সেখানেই চিকিৎসাদীন তার মৃত্যু হয়।

;