বেনাপোল বন্দরে ৮ ঘণ্টা পর বাণিজ্য সচল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সম্পাদনে সীমান্তরক্ষী বিএসএফ কার্ডবিহীন সিঅ্যান্ডএফ সদস্যদের বন্দরে ঢুকতে না দেওয়ায় ৮ ঘণ্টা বাণিজ্য বন্ধ ছিল। পরে সমঝোতা বৈঠকে বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়। তবে এপথে বাণিজ্য বন্ধ থাকলে দিনভর স্বাভাবিক ছিল পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত।

শনিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভারতের কোনও পণ্য নিয়ে ট্রাক বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করতে পারেনি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, হঠাৎ করে পেট্রাপোল বন্দরে নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিএসএফ সদস্যরা সিদ্ধান্ত নেয় কার্ডবিহীন কোন ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ বন্দরে প্রবেশ করবে না। এতে কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণে বিঘ্ন ঘটায় বন্ধ হয়ে যায় আমদানি। পরে বিএসএফ কর্তৃৃপক্ষের সাথে ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্যদের সমঝোতা বৈঠকের ৮ ঘণ্টা পর বিকাল ৪টায় পুনরায় বেনাপোল ও পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে বাণিজ্য স্বাভাবিক হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিদিন ভারত থেকে সাড়ে ৩শ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি ও ১৫০ ট্রাক পণ্য ভারতে রফতানি হয়ে থাকে। প্রতিদিন আমদানি পণ্য থেকে সরকারের ২০ থেকে ৩৫ কোটি টাকা পর্যন্ত রাজস্ব আয় হয়। যাত্রী যাতাযাত হয় দিনে ৬০০ জনের মত। বর্তমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী যাতায়াত সচল রয়েছে।

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে ৫৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর বিভিন্ন অপরাধ ও গোয়েন্দা বিভাগ। 

এ সময় তাদের থেকে ২হাজার ৮৩০ পিস ইয়াবা, ১৯৮ গ্রাম হেরোইন ও ৮ কেজি ৫৪০ গ্রাম ৫১ পুরিয়া গাজা উদ্ধারমূলে জব্দ করা হয়। 

রোববার (২৩ জানুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

তিনি জানান, শনিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ছয়টা থেকে আজ (২৩ জানুয়ারি) সকাল ছয়টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতারসহ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। 

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩৯টি মামলা রুজু হয়েছে।

;

অর্ধেক জনবলে অফিস, সিদ্ধান্ত শিগগিরই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
অর্ধেক জনবলে অফিস, সিদ্ধান্ত শিগগিরই

অর্ধেক জনবলে অফিস, সিদ্ধান্ত শিগগিরই

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অফিস-আদালত অর্ধেক জনবলে চালানোর কথা ভাবছে সরকার। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কে এম আলী আজম শনিবার বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেছেন, একটা মিটিং করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। রবিবারও মিটিং হতে পারে।

এর আগে শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অর্ধেক লোকবল দিয়ে অফিস-আদালত পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটা শিগগিরই প্রজ্ঞাপন আকারে আসবে। গণপরিবহনে যাতে ভোগান্তি না হয়, সে জন্য অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরো ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি গত ১৪ সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ১৩ অক্টোবর ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। দেশে এ নিয়ে কভিডে এযাবৎ মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ২০৯ জনে। এর মধ্যে চলতি জানুয়ারির ২২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৩৭ জনের।

গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯ হাজার ৬১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় মোট নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্ত দুটিই কম। তবে শনাক্তের হার ২৮ শতাংশের বেশি। এ নিয়ে দেশে কভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৭৪ হাজার ২৩০ জন। এদের মধ্যে এরই মধ্যে সুস্থ হয়েছে ১৫ লাখ ৫৬ হাজার ৭৯ জন। চলতি বছরের প্রথম ২২ দিনে দেশে ৮৮ হাজার ৬৯১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে দেশে কভিড সংক্রমিতের সংখ্যা ৯০ হাজার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৯ হাজার ৬১৪ জনের মধ্যে মহানগরসহ ঢাকা জেলাতেই শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ৫৬ জন। আর বাকি ২ হাজার ৫৫৮ জন দেশের অন্যান্য জেলার। এছাড়া ঢাকা বিভাগে ৭ হাজার ৩৯৬, ময়মনসিংহে ৭৩, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৭৭, রাজশাহীতে ১৫৯, রংপুরে ৬৬, খুলনায় ১৬৩, বরিশালে ৫২ এবং সিলেট বিভাগে ৩২৮ জন শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই হারে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে গত দুই বছরে কভিড সংক্রমণের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। গত বছর জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত সংক্রমণের হার অনেক বাড়লেও নভেম্বর থেকে তা কমে এসেছিল। কিন্তু ডিসেম্বর থেকে শনাক্তের হার আবার বাড়তে শুরু করেছে। সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য কভিডের ডেল্টা ও ওমিক্রন ধরনকে দায়ী করা হচ্ছে।

;

যশোরে ৯'শত করোনা রোগীকে চিকিৎসা দিতে প্রস্তুত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরে করোনার উর্ধ্বগতি রুখতে ইতিমধ্যে সব রকমের প্রস্তুতি গ্রহন করেছে যশোরের সিভিল সার্জন এবং যশোর জেনারেল হাসপাতাল কতৃপক্ষ। যশোরে গত কয়েকদিনে শনাক্তের সংখ্যা শতক পার করেছে। এদিকে যশোরে ফের করোনার উর্ধ্বগতি বিবেচনা করে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ফলে অধিক ঝুঁকিতে এ জেলার মানুষ।

স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করায় সাধারণ জনগনের মধ্যে মহামারী আকারে করোনা ভাইরাস সহ নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। যদিও জেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অর্থাৎ সিভিল সার্জন এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জরিমানা সহ প্রচার মাইকিং করা হচ্ছে। তবুও মাঠ পর্যায়ে দেখা গিয়েছে স্বাস্থ্যবিধি না মানার ভিন্ন চিত্র।

গত বছর যশোর জেলায় করোনার মহামারীতে জায়গা সংকটে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বাহিরেও রেগীরা অক্সিজেন নিয়েছে এমন চিত্র বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা গিয়েছে। এর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে সব রকমের প্রস্তুতি নিয়েছে হাসপাতাল কতৃপক্ষ।

এবারের তৃতীয় ঢেউ প্রতিহত করতে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে রেডজোনে একশত ৪৬ ও ইয়োলোজোনে ২২ টি শয্যা প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়াও করোনা রোগীর উন্নত চিকিৎসার জন্য আইসিইউতে তিনটি বেড খালি করা হয়েছে। হাসপাতালে বর্তমানে অক্সিজেনের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে তত্বাবধায়ক ডা.আখতারুজ্জামান।

তিনি আরও বলেন, শুধু সাধারণ জনগন নয়, প্রতিদিন হাসপাতালে অনেক রোগী আসা যাওয়া করছে। সেজন্য সকলের স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। হাসপাতাল চত্তরে মাক্স পরিধানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। মাক্স পরিধান না করলে হাসপাতালে যেমন রেগীরাও করোনা সংক্রমণের ঝুকিতে থাকবে তেমনি সেবিকা ও চিকিৎসকদেরও সংক্রমণের ঝুকি থাকবে। অতএব উভয়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা চিন্তা করে মাস্ক পরিধান করতে হবে।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দুইশত ও জেলার সাতটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরও একশত জন করে অর্থাৎ নয়শত জন করোনা রোগীর চিকিৎসা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। যদি সংক্রমণ বৃদ্ধি পায় তাহলে জেনারেল হাসপাতালের পৃথক ওয়ার্ডে ১০টি বিশেষ কেবিন ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ৪০ শয্যার পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল ভাড়া নিয়ে রোগীর সেবা দেয়া হবে। সব মিলিয়ে করোনা পরিস্থিতি রুখতে আমরা প্রস্তুত।

;

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৭৩ চেয়ারম্যান!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম ঢাকা
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৭৩ চেয়ারম্যান!

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৩৭৩ চেয়ারম্যান!

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান দশম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত ৩৫২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হয়েছেন। এছাড়াও ষষ্ঠ ধাপে ১২ জন এবং সপ্তম ধাপে আরো ৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হতে চলেছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংখ্যা হচ্ছে ৩৭৩ জন। একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এত বেশিসংখ্যক প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা দেশের ইউপি নির্বাচনের ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি।

ইসি সচিবালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ইউপি নির্বাচনে প্রথম ধাপে ৭১ জন, দ্বিতীয় ধাপে ৮১ জন, তৃতীয় ধাপে ১০০ জন, চতুর্থ ধাপে ৪৮ জন এবং পঞ্চম ধাপে ৫২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া গতকাল শনিবার সপ্তম ধাপের নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে একক প্রার্থী হিসেবে ৯ জনের বিনা ভোটে জয়ী হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে আগামী ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে ভোটের আগেই ১২ জনকে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। ষষ্ঠ ধাপে ২১৯ ইউপিতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল ১৩ জানুয়ারি।

সপ্তম ধাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়া ৯ জন চেয়ারম্যান হচ্ছেন—পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাসপাড়া ইউপির জাহাঙ্গীর হোসেন; চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া ইউপির মো. ওচমান আলী, সাতকানিয়া সদর ইউপির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, পুরানগড় ইউপির আ ফ ম মাহবুবুল হক সিকদার ও মাদার্শা ইউপির আবু নাঈম মোহাম্মদ সেলিম; বান্দরবান সদর ইউপির অংচাহ্লা মারমা, জামছড়ি ইউপির ক্যচিং শৈ মারমা; রাঙামাটির বাঘাইছড়ি সদর ইউপির অলিভ চাকমা ও রুপকারী ইউপির জেসমিন চাকমা ধনেশ্বর (স্বতন্ত্র)।

এদিকে আগামী ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় ষষ্ঠ ধাপের ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাওয়া ১২ জনের মধ্যে ১১ জনই কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার। কিন্তু তাদের মধ্যে তিনজনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। ঝলম উত্তর, লক্ষ্মণপুর ও সরসপুর ইউপির চেয়ারম্যান পদে চারজন প্রার্থী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহে ব্যর্থ হয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন। আদালত তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করতে রিটার্নিং অফিসারকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই চারজন প্রার্থী হিসেবে বৈধতা পেলে ষষ্ঠ ধাপে বিনা ভোটের চেয়ারম্যানদের সংখ্যা ৯ জনে নেমে আসবে। এক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া চেয়ারম্যানের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৭০ জন।

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত নবম ইউপি নির্বাচনে ২১২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়ী হয়েছিলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। পাশাপাশি সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ডের সদস্য পদেও বিনা ভোটে জয়ের রেকর্ড হচ্ছে এবার। এ ধরনের বিজয়কে গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয় বলে মন্তব্য করছেন অনেকেই।

সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেছেন, জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে স্থানীয় সরকারের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবসায়িক লেনদেনের জায়গায় দাঁড় করানো হয়েছে। স্থানীয় সরকারকে কলুষিত করা হয়েছে। এর ফল মঙ্গলজনক হবে না।

;