কেএমপি’র ৩ কর্মকর্তা পেলেন পিপিএম সেবা পদক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, খুলনা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ’র (কেএমপি) চৌকস, দক্ষ, মেধাবী ও মানবিক ৩ পুলিশ কর্মকর্তা পেলেন পিপিএম-সেবা পদক।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) কেএমপি সূত্র এ তথ্য জানায়।

কেএমপি সূত্র জানায়, ২০২০ ও ২০২১ সালে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে চাঞ্চল্যকর মামলা সমূহের রহস্য উদঘাটন, কৃতিত্বপূর্ণ, সাহসীকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তাদেরকে “পিপিএম-সেবা” পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

পদকপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন, কেএমপি’র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সোনালী সেন, বিশেষ পুলিশ সুপার রাশিদা বেগম এবং এসআই (নি:) মোহাম্মদ আবু সাঈদ।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে জনাব সোনালী সেন, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), কেএমপি, খুলনা চাঞ্চল্যকর মামলাসমূহের রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সেবামূলক কাজ এবং শৃঙ্খলামূলক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ “পিপিএম-সেবা” পদকে ভূষিত হয়েছে।

২০২০ সালে জনাব রাশিদা বেগম, বিশেষ পুলিশ সুপার, সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ, কেএমপি, খুলনা কৃতিত্বপূর্ণ, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা এবং দক্ষতার সহিত বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে প্রশংসনীয় অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ “পিপিএম-সেবা” পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। তিনি কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব রোধে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন, শ্রমিক আন্দোলনকালীন ও সার্বক্ষণিক মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখায় ভূমিকা, ভিআইপি/ভিআইপি, বিদেশীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণসহ নাগরিক সেবা প্রদানে দায়িত্ব পালনকালে পেশাদারিত্বের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এটি শুধু বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যদের জন্যই নয়, দেশের নারী সমাজের কাছেও অনুসরণীয়, অনুকরণীয় ও অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে চিরকাল।

২০২০ সালে জনাব মোহাম্মদ আবু সাঈদ, এসআই(নি:), খুলনা থানা, কেএমপি, খুলনা এর কর্তব্যপরায়নতা, নিষ্ঠা, সততা, আন্তরিকতা, বিচক্ষণতা, সাহসীকতা এবং বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে “পিপিএম-সেবা” পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আহত ৬



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বেগমগঞ্জে কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

খেলাকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন।

আহতরা হলো, কৃষি ইনস্টিটিউটের সপ্তম সেমিস্টারের ছাত্র নাহিদ, নাজিম, রিয়াদ ও মো. আশরাফুল। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো.আশরাফুল নামের এক শিক্ষার্থীকে আহত অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার কৃষি ইনস্টিটিউট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেগমগঞ্জের কুমিল্লা-নোয়াখালী মহাসড়কের পশ্চিম পাশে (চৌরাস্তা থেকে দক্ষিণ দিকে) কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা কৃষি ইনস্টিটিউটের পূর্বদিকে অবস্থিত হেলিপ্যাড মাঠে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন যুবকের সঙ্গে শনিবার বিকেলে খেলার মাঠে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে শনিবার রাতে কৃষি ইনস্টিটিউটের হোস্টেলে থাকা ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

ওসি আরও জানায়, এটা অনেক পুরনো সমস্যা। কৃষি ইনস্টিটিউটের ছাত্ররা বাহিরে যায়, বাহিরের লোকজন ভিতরে আসে। এরা পরস্পর বন্ধুবান্ধব, এক সাথে খেলাধুলা করে। কৃষি ইনস্টিটিউটের মাঝখান দিয়ে একটি রাস্তা থাকায় গ্রামবাসী অবাধে আসা যাওয়া করে। একটি ঘটনা থেকে এমন ঘটনা ঘটেনি। কয়েকটি ঘটনার জের ধরে গতকালের ঘটনা ঘটে। ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তায় জনবল সংকট রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

;

সিরাজগঞ্জে শেয়াল মারার ফাঁদে শিশুর মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিরাজগঞ্জ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মুরগি বাঁচাতে খামারে জেইআই তার দিয়ে বেড়া দেওয়া ফাঁদে বিদ্যুতায়িত হয়ে জান্নাতি (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত জান্নাতী তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের শিব পাড়ার জিল্লুর রহমানের মেয়ে।

রবিবার (২৯ মে) সকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের তালম গ্রামের শিব পাড়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শিবপাড়ায় আবু তালেবের নিজ বাড়িতে মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে রাতের বেলায় জেইআই তারের বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। আজ ভোরে জান্নাতি আম কুড়াতে গিয়ে মুরগির ফার্মের বিদ্যুৎ স্পর্শে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায়।

তালম ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য তালেব হোসেন জানান, খামারি আবু তালেব আমাকে সকালে মুঠো ফোনে বলেন, তার মুরগির খামারের শেয়াল মারা ফাঁদে একটি শিশু মারা গেছে। এরপর তাকে খামারের পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় আবর্জনা দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। পরে আমি পুলিশকে খবর দেয়।

তাড়াশ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, আবু তালেব তার মুরগির ফার্মে শেয়াল তাড়াতে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলো। তাতে স্পর্শ হয়ে জান্নাতির মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ফার্মের মালিক তালেবকে খোঁজা হচ্ছে। ঘটনার মুল কারন উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিশুটির মরদেহ থানায় আনার প্রস্তুতি চলছে।

;

নোয়খালীতে গাড়ি চাপায় যুবকের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী পৌরসভা এলাকায় রাস্তা পার হতে গিয়ে অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মোসলে উদ্দিন রানা (১৮) সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর এলাকার মৃত আব্দুস সালামের ছেলে।

শনিবার (২৮ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াখালী টু কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের সোনাইমুড়ী পৌরসভার রামপুর এলাকার ভূঞা বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃদুল কান্তি কুরি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়

ওসি আরো জানায়, রানা রাতে উপজেলার চাটখিল বাজার থেকে একা বাড়িতে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৯নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর এলাকার ভূঞা বাড়ির সামনের সড়ক পার হওয়ার সময় কুমিল্লা থেকে নোয়াখালী গামী একটি অজ্ঞাত পিকআপ ভ্যান তাঁকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং রাত ২টার দিকে পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করে।

 

;

২ বছর পর খুলনা-কলকাতা রুটে বন্ধন এক্সপ্রেস চালু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ ২ বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর অবশেষে চালু হল কলকাতা থেকে খুলনার মধ্যে যাতায়াতকারী বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেন। মাত্র ১৯ জন যাত্রী নিয়েই রোববার (২৮ মে) সকাল ৭.১০ মিনিটে বন্ধন (কলকাতা-খুলনা) এক্সপ্রেস ট্রেনটি কলকাতা স্টেশন থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সবুজ পতাকা নাড়িয়ে এই ট্রেন যাত্রার শুভ সূচনা করা হয়।

এদিন সকালে ট্রেন ছাড়ার আগে প্রত্যেকটি যাত্রীদের ভালো করে চেক করা হয়। তাদের মোবাইল, ওয়ালেট, ঘড়ি সবকিছু একটি নির্দিষ্ট স্থানে রেখে গোটা শরীর চেক করেন বিএসএফ কর্মকর্তারা। এসময় অতিরিক্ত মালপত্র বহনের জন্য অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করা হয়। সেক্ষেত্রে কোন যাত্রীর কাছে ৩৫ কেজি থেকে ৫০ কেজি পর্যন্ত মালামাল থাকলে, প্রতি কেজিতে ২ মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ফি দিতে হচ্ছে। এরপর সেখানে তাদের টিকিটে সিল মেরে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে পাঠানো হয়। সেখানেও আবার পরীক্ষা করে ট্রেনে প্রবেশ করানো হয়। ট্রেন ছাড়ার আগে স্নিফার ডগ দিয়ে পুরো ট্রেনেও তল্লাশি চালায় বিএসএফ কর্মকর্তারা।

কলকাতা-বেনাপোল-খুলনা রুটে রোববার থেকে চলবে 'বন্ধন এক্সপ্রেস'

উল্লেখ্য, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে এই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেন সার্ভিস চালু হয়। বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের দুইটি ক্যাটাগরি আসন রয়েছে- একটি এক্সিকিউটিভ ক্লাস এবং অন্যটি চেয়ার কাট। এক্সিকিউটিভ ক্লাসে ভাড়া ১২০০ রুপির মতো, চেয়ার কাটে ভাড়া ৮০০ রুপির মত।

;