ভূমি অধিগ্রহণে আমার পরিবারের কোন আর্থিক সম্পর্ক নেই: শিক্ষামন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণের বিষয়ে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের সঙ্গে আমার বা আমার পরিবারের আর্থিক কোনও সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর হেয়ার রোডের নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত জায়গায় আমার পরিবারের কারও জায়গা নেই বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি বলেন, চাঁদপুরে আমার ক্রয় সূত্রে কোনেও জমি নেই। পৈত্রিক সূত্রে থাকতে পারে। আমার কাছে যা তথ্য প্রমাণ আছে তা থেকে বলতে পারি আমার বড় ভাই অধিগ্রহণের আগেই জমি বিক্রি করে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই জায়গায় আমার বা পরিবারের কারও জমি নেই। রাজনৈতিক কোনো সহকর্মীর জমি থাকতে পারে। গণমাধ্যমে যা প্রকাশ পেয়েছে তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

তিনি আরও বলেন, আমার পরিবারের কেউ কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তবে অন্য কেউ দুর্নীতি করেছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা উচিত। এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

স্থানীয় এক এমপির প্রতি ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, তার সম্পর্কে গণমাধ্যমে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। যা বলার দলীয় ফোরামে বলবো।

তদন্ত করার বিষয়ে সাংবাদিক এক প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রণালয় তদন্ত করলে প্রশ্ন দেখা দেবে। তাই অন্য কেউ তদন্ত করলে ভালো হয়। আমিও চাই তদন্ত হোক।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুরে সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের আগেই সেখানকার সাড়ে ৬২ একর জমি মৌজা দরের চেয়ে ২০ গুণ বেশি দাম দেখিয়ে দলিল করার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারের কাছ থেকে ৩৫৯ কোটি টাকা বাড়তি নেওয়ার এ কারসাজিতে জড়িত ব্যক্তিরা শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির ঘনিষ্ঠ ও তার নিকটাত্মীয়ও রয়েছেন।

অভিযোগের মুখে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন ডাকেন শিক্ষামন্ত্রী।

নদীবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রোববার (২৯ মে) সসন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়ার পূর্বভাসে বলা হয়েছে, ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তাছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে । এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আজ সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি অথবা বজবৃষ্টিসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

;

‘কুসিক নির্বাচনে পেশিশক্তির ব্যবহার হলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রে পেশিশক্তির ব্যবহার হলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।

রোববার (২৯ মে) জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন সিইসি।

তিনি বলেন, নির্বাচনে পেশীশক্তি ব্যবহার করে কোন লাভ নেই। কেউ কোনো কেন্দ্রে পেশিশক্তির ব্যবহার হলে ভোট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এসময় তিনি নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর ভূমিকার বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দেন।

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় ২ জন প্রার্থীসহ ৫ জন প্রার্থী এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৬ জন মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী, ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২৫টি ওয়ার্ডে ১০৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সিটি করপোরেশনের ৫ নং এবং ১০ নং ওয়ার্ডের একক প্রার্থী হওয়ায় সাবেক ২ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ২টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিবেশ রক্ষায় নগরীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবি পুলিশ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে।

;

‘পল্লী উন্নয়ন’ পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘পল্লী উন্নয়ন’ পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

‘পল্লী উন্নয়ন’ পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

তাকে এই পদক প্রদান করে সেন্টার অন ইন্ট্রিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক’র (সিরডাপ) পল্লী উন্নয়নের জন্য পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৯ মে) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ‘আজিজুল হক পল্লী উন্নয়ন পদক-২০২১’ তুলে দেন সিরডাপের মহাপরিচালক ডা. চেরদসাক ভিরাপা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য।

পরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে সিরডাপ কর্তৃক ‘আজিজুল হক পল্লী উন্নয়ন পদক ২০২১’ প্রদান করায় আমি মনে করি এটা আমার দেশের জনগণের প্রাপ্য। আমি তাদের জন্য এ পদক উৎসর্গ করছি। এ পদক প্রাপ্তির জন্য আমাকে মনোনয়ন করা মানে বাংলাদেশকে মনোনয়ন করা।

তিনি বলেন, ‘সিরডাপ সবসময় তাদের সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে পল্লী উন্নয়নের ওপর কাজ করে। সেখান থেকে একটা পুরস্কার পাওয়া শুধু আমার জন্যই না, আমার দেশের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক; বাংলাদেশকে সম্মান জানানো।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমাদের সবসময় লক্ষ্য যে এদেশের উন্নয়নটা তৃণমূল থেকে হবে। গ্রাম থেকে হবে। ভিলেইজ থেকে হবে। আর সে লক্ষ্য সামনে নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা নিয়েছি। যখনই সরকার গঠন করেছি আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

‘পল্লী উন্নয়নটা অর্থাৎ গ্রামের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করতে পারলে দেশের উন্নয়ন হয়। সেটাই আমরা বিশ্বাস করি। দেশের উন্নয়ন করতে হলে একেবারে তৃণমূলের মানুষকে বাদ দিয়ে কখনো উন্নয়ন হতে পারে না,’ যোগ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

এ সময় গ্রামের মানুষকে স্বাবলম্বী করতে নিজস্ব চিন্তা থেকে ‌প্রথমে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ কর্মসূচির কথা জানান শেখ হাসিনা। তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান এগুলো মানুষের মৌলিক চাহিদা। আমরা ভূমিহীন-গৃহহীনদের বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এগুলো আমরা দিচ্ছি। এগুলো সম্পূর্ণ আমাদের নিজস্ব পরিকল্পনা, নিজস্ব চিন্তা ভাবনার ফসল। যার সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছে।’

;

কলকাতা থেকে ১৯ যাত্রী নিয়ে বন্ধন এক্সপ্রেস খুলনায়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দুই বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার আজ থেকে ফের বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে খুলনা-বেনাপোল- কলকাতা রেল রুটে চালু হয়েছে যাত্রীবাহী রেল বন্ধন এক্সপ্রেস।

প্রথম যাত্রায় কলকাতা থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে এসেছে রেলটি। এসময় কাস্টমস ও পুলিশ সদস্যরা যাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। আপাতত সপ্তাহে দু দিন চলবে বন্ধন। রেল চালুতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সড়ক পথের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মিলবে বলছেন যাত্রীরা। তবে ভাড়া কমানোর পাশাপাশি রেল সেবা দুদিন থেকে বাড়ানোর দাবি যাত্রীদের।

জানা যায়, ভারত -বাংলাদেশের মধ্যে সৌহাদ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর খুলনা-বেনাপোল- কলকাতা রেলপথে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চালু হয়। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ২০২০ সালের ১৫ মার্চ ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে রেল পরিষেবা বন্ধ করে ভারত সরকার। এতে বন্ধ হয়ে যায় কলকাতা-বেনাপোল -খুলনা রুটে যাত্রীবাহী রেল বন্ধন এক্সপ্রেস। সংক্রমণ কমে আসলে দুই দেশের মানুষ দাবি তোলেন পুনরায় বন্ধন এক্সপ্রেস চালুর।

অবশেষে রোববার (২৯ মে) সকাল ৭টা ১০ মিনিটে ৪৫৬ আসনের বন্ধন রেলটি কলকাতা থেকে ১৯ জন যাত্রী নিয়ে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বেনাপোল স্টেশনে পৌছায়। পরে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। খুলনা থেকে আবার যাত্রী নিয়ে দুপুর দেড়টায় রওনা দিয়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটে। পরে বেনাপোলে রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে রওনা দিয়ে কলকাতা পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে। এসিতে খুলনা থেকে কলকাতা ভ্রমণে প্রত্যেক যাত্রীর ভাড়া ১ হাজার ৫৩৫ টাকা। আর কেবিনে ভাড়া নির্ধারণ হয়েছে ২ হাজার ৫৭ টাকা। ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৫০ শতাংশ ছাড় প্রযোজ্য হবে। খুলনা, যশোর ও বেনাপোল স্টেশন থেকে যাত্রীদের রেলে উঠা-নামার সুযোগ রয়েছে।

রেল যাত্রীরা জানান, সড়ক পথে খুলনা থেকে কলকাতা যেতে খরচ হয় সাড়ে ৭শ টাকা। রেলে দ্বিগুণ ভাড়ায় ভ্রমণ করতে সাধারণ যাত্রীদের কষ্ট হয়ে যাবে। তবে কম সময় আর নিরাপদ যাত্রায় খুশি।

বেনাপোল রেলওয়ে ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানান, বেনাপোল ও কলকাতা রেলওয়ে ইমিগ্রেশনে যাত্রীদের ব্যাগেজ পরীক্ষা ও পাসপোর্ট কার্যক্রম সম্পূর্ণ হচ্ছে। যাত্রীরা যাতে দ্রুত গন্তব্যে যেতে পারে তার জন্য আন্তরিক হয়ে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা।

বেনাপোল রেলওয়ে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার লঙ্কিদার কুমার দে জানান, করোনা ও মাঙ্কিপক্স ভাইরাস রোধে ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে।

বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুর জানান, দু বছর পর আবারও বন্ধনের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ১৯ জন যাত্রী এসেছে। সপ্তাহে রোববার ও বৃহস্পতিবার এ রুটে বন্ধন চলাচল করবে। বন্ধন এক্সপ্রেস ছাড়াও বেনাপোল-ঢাকা রুটে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও বেনাপোল-খুলনা রুটে বেতনা এক্সপ্রেস যাত্রী সেবায় চলাচল করছে।

;