গোপন বৈঠককালে জামায়াতের ৪৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালী সদর উপজেলায় একটি প্রাইভেট স্কুলে অভিযান চালিয়ে জামায়াত ইসলামীর ৪৫ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ বলছে, তারা ওই একাডেমি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি শ্রেণি কক্ষে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন।

রোববার (১৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর সংলগ্ন আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিক গ্রেফতারকৃতদের নাম ঠিকানা জানা যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম। তিনি জানান, রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার বিভিন্ন উপজেলার জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা সুধারাম থানা এলাকার মাইজদী আল ফারুক একাডেমির দ্বিতীয় তলায় সরকার বিরোধী গোপন বৈঠক করার জন্য একত্রিত হয়। বৈঠক চলাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সুধারাম থানার ওসি আল ফারুক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ৪৫ জন জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, এ সময় গ্রেফতারকৃতদের কাছে থাকা ধর্মীয় উগ্রতা সৃষ্টিকারী বিভিন্ন ধরনের বই উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, ধর্মীয় উগ্রতাকে পুঁজি করে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে সরকার বিরোধী ক্ষতিকারক বেআইনি কার্যকলাপের প্রস্তুতিমূলক অংশ হিসেবে এই গোপন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানসহ আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পদ্মা সেতু পরিদর্শন করবেন বঙ্গবন্ধুর সেই পুত্র অশোক তারা!



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
অশোক তারার সাথে লেখক শামীম আহমেদ

অশোক তারার সাথে লেখক শামীম আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকায় পাকিস্তানের সেনাদের কব্জা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর বঙ্গবন্ধুর সেই পুত্র অশোক তারা বাংলার ১৭ কোটি মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু পরিদর্শন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

অশোক তারার পদ্মা সেতু পরিদর্শনের বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন নতুনধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা দি অ্যাম্বাসেডর প্রকাশনীর কর্ণধার এবং শেখ হাসিনা ও ঘুরে দাঁড়ানোর বাংলাদেশ বইয়ের লেখক শামীম আহমদ। বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে শামীম আহমেদ নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বঙ্গবন্ধু ও অশোক তারা

তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, পাকিস্তানের এক ডজন গুলি করতে সদা প্রস্তুত সেনাদের হাত থেকে ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর ধানমন্ডির ১৮ নম্বরের একটি সুরক্ষিত বাড়ি থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্ম কৌশল এবং উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে কোন পক্ষের এক ফোঁটা রক্ত না ঝরিয়েই বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন এই অশোক তারা। পরে ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে এসে ১২ জানুয়ারি অশোক তারাকে বঙ্গবন্ধু তার ধানমন্ডির বাড়িতে আমন্ত্রণ দিয়ে এক টেবিলে আপ্যায়ন করেন এবং বঙ্গবন্ধু নিজেও অশোক তারাকে নিজের পুত্র হিসেবেই সম্বোধন করেন। বঙ্গবন্ধু সেদিন অশোক তারাকে বলেছিলেন- "আমার বাড়ির দরজা তোমার জন্য আজীবন খোলা"।

সেদিনই বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছাও অশোক তারাকে পুত্র বলে সম্বোধন করেন। ১৭ ডিসেম্বরের সেই দিনের জন্য আজও অশোক তারার কাছে চির কৃতজ্ঞ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশের এই অকৃত্রিম বন্ধু অশোক তারাকে নিয়ে আমার লেখা ‘বঙ্গবন্ধু ও অশোক তারা’ গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশে আসবেন। চলতি বছরের অক্টোবরে তিনি বাংলাদেশে আসতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। এরই মধ্যে তিনি বাংলাদেশে এসে আমার গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচনের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি চিঠিও দিয়েছেন।

শামীম আহমেদ আরো বলেন, যখন অশোক তারার সাথে আমার কথা হয় তখন তিনি পদ্মা সেতুর খোঁজ নেন। আমি পদ্মা সেতুর বিষয়টি তার কাছে তুলে ধরলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন সেতুটি ঘুরে দেখার। এ সময় তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা বঙ্গবন্ধুর মতোই সাহসী ও দুর্বার। দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে যেভাবে সেতুটির কাজ এগিয়ে নিয়ে গেলেন তা দু:সাহসিক। আমি বাংলাদেশে সফরে গিয়ে পদ্মা সেতুটি দেখতে যাব।

;

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে বাল্কহেড ডুবি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে বাল্কহেড ডুবি

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ে বাল্কহেড ডুবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোলায় কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে বালু বোঝাই বাল্কহেড ডুবির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২১ মে) সকালে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া তুলাতুলী মাছ ঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় মো. মনজু ও নাছিম জানান, ভোর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ নদী উত্তাল হয়ে ওঠে। এক পর্যায় ঝড়ের কবলে পড়ে নদীতে থাকা এমভি তামিম-শামিম নামে একটি বালু বোঝাই বাল্কহেড ডুবে যায়। এসময় বাল্কহেডে থাকা ৬ জনকে উদ্ধার করা হয়।

ডুবে যাওয়া এমভি তামিম-শামিম বাল্কহেডের নাবিক মো. মনির বলেন, নদী ভাঙনের ইমারজেন্সি কাজের জন্য বালু নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে আমাদের বাল্কহেড ডুবে যায়। পরে আমার নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ি। এসময় স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে।

ভোলার ইলিশ নৌ-থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাজালা বাদশা জানান, ভোলার মেঘনা নদী ভাঙন রোধে ইমারজেন্সি কাজে ব্যবহারের জন্য বালু বোঝাই করে এমভি তামিম-শামিম নামে একটি বাল্কহেড যাচ্ছিল। তুলাতুলী মাছ ঘাট মেঘনা নদীতে বাল্কহেডটি কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ডুবে যায়। তবে ওই সময় বলগেটে থাকা শ্রমিকরা স্থানীয়দের সহায়তায় তীরে উঠে যাওয়ায় কেউ হতাহত হননি।

এছাড়াও কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে ভোলার ৭ উপজেলায় বেশ কয়েকটি ঘড় বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

;

চলন্ত ভ্যানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে চালকসহ নিহত ২



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহে চলন্ত ভ্যানগাড়িতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে চালকসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২১ মে) সকাল ৭টার দিকে মহানগরীর ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের চাইনামোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের একজনের নাম মিন্টু মিয়া (৩৫)। সে চর ঈশ্বরদিয়া হারুন অর রশিদের ছেলে। অপরজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

ময়মনসিংহ ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ভ্যানগাড়ি চালক একজন যাত্রী নিয়ে চাইনামোড় এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। ওই সময় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে ভ্যানগাড়িটি উল্টে যায়। এসময় ভ্যানচালক মিন্টু তারে জড়িয়ে ছটফট করতে থাকেন। এসময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে যাত্রীও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় এসআই নিহত, আহত ৫ পুলিশ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মৌলভীবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মৌলভীবাজারের রাজনগরে আসামি ধরে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশের এক এসআই নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন পুলিশের আরও পাঁচ সদস্য।

শনিবার (২১ মে) ভোর ৫টায় মৌলভীবাজার-ফেঞ্চুগঞ্জ সড়কের মহাসহস্র নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত পুলিশ সদস্য হলেন- রাজনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সমিরন চন্দ্র দাশ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে রাজনগরের মহাসহস্র নামক এলাকায় আসামি ধরে ফেরার পথে পুলিশের গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রাজনগর থানার এসআই সমিরন, এস শওকত মাসুদ ভূইয়া, এসআই সোলেমান আহমদ, এএসআই জাহাঙ্গীর আলম, কনস্টেবল মাসুদ মিয়া, কনস্টেবল আজিজ হোসেন আহত হন। এসময় স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে পাঠান। পরে দায়িত্বরত চিকিৎসক পুলিশের এসআই সমিরন চন্দ্র দাশকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই শওকত মাসুদ ভূইয়া, কনস্টেবল মাসুদ মিয়া ও কনস্টেবল আজিজ হোসেনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, রাজনগর থানার এসআই সমিরনসহ ছয় পুলিশ সদস্য আসামি নিয়ে ফেরার পথে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে পুলিশের এসআই সমিরন নিহত হয়েছেন। তিনজন গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

;