চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়

চড়ক উৎসব দেখতে পদ্মাপাড়ে ভিড়

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজশাহীতে চড়ক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর আলুপট্টি এলাকার পদ্মা সার্বজনীন শিবমন্দিরের ব্যানারে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। গত ১৩ মে থেকে উৎসবের আয়োজন করা হয়। সোমবার বিকালে শিবপূজার পর সন্ন্যাসীরা পিঠে বড়শি গেঁথে চড়ক গাছে ঘোরেন।

এটি দেখতে পদ্মাপাড়ে অসংখ্য মানুষ জমায়েত হন। চড়ক উৎসব উপলক্ষে আলুপট্টি পদ্মাপাড়ে গ্রামীণ মেলাও বসেছিল। উৎসবের মূল আকর্ষণ চড়ক ঘোরা দেখতে সোমবার বিকাল ৩টা থেকেই পদ্মাপাড়ে মানুষের ঢল নামে। চড়ক গাছটি পোঁতা হয় পদ্মার পাড় থেকে নিচে চরের ভেতর। বিকাল ৪টা থেকে দফায় দফায় শিবের সন্ন্যাসীরা পিঠে বড়শি লাগিয়ে চড়কে ঘোরেন।

এই উৎসবের উদ্যোক্তা ওই এলাকার যুবক বিশ্বজিৎ সরকার, অন্তর সরকার ও কাঞ্চন সরকার।  তাঁদের বিশ্বাস, এই শিবপূজার পর চড়ক গাছে ঘোরার কারণে সার্বিক অমঙ্গল কেটে যাবে তাঁদের।

বিশ্বজিৎ সরকার বললেন, চড়ক পূজায় পূণ্যার্থীরা যে যা প্রার্থনা করেন তা হয় বলে তারা বিশ্বাস করেন। এ কারণেই যুগ যুগ ধরে গ্রামে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। প্রথমবারের মত রাজশাহী শহরে এ উৎসব হলো বলে তিনি দাবি করেন।

চট্টগ্রামে একদিনে ৬৬ জন করোনা আক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬৬ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

সোমবার (২৭ জুন) জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এদিন চট্টগ্রামের ১২টি ল্যাবে এসব নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

একই সময়ে বিআইটিআই ল্যাবে ১৭ নমুনা পরীক্ষা করে ৫টি পজিটিভ পাওয়া যায়, চমেক হাসপাতাল ল্যাবে ১৩৮টি নমুনায় ১৭টি, সিভাসু ল্যাবে ৪১টি নমুনায় ২টি, ইমপেরিয়াল ল্যাবে ৩৬টি নমুনায় ৪টি, ইপিক ল্যাবে ৩৯টি নমুনায় ১টি, শেভরন ল্যাবে ২৯টি নমুনায় ৯টি, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ল্যাবে ১১৮টি নমুনায় ৬টি এবং এশিয়ান হাসপাতাল ল্যাবে ২২টি নমুনায় পরীক্ষা ৫টি পজিটিভ আসে। সবমিলে এদিন নগরে নতুন শনাক্ত হয় ৫৪ জন। এদিন উপজেলায় রোগী শনাক্ত হয় ১২ জন।

এনিয়ে চট্টগ্রামে করোনায় শনাক্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ১২ জন। মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ৩৬২ জন।

;

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

শস্যদানার মানচিত্রে কমলনগর উপজেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ওই উপজেলার মানচিত্রে নয়টি ইউনিয়নকে সাজানো হয়েছে বিভিন্ন শস্যদানা দিয়ে। শস্যদানার ফসলি ওই মানচিত্রে পুরো উপজেলা ফুটে উঠেছে। সেখানে আয়োজিত কৃষি মেলায় শস্যদানার এমন মানচিত্র সবাইকে মুগ্ধ করেছে।

তিনদিন ব্যাপী ওই কৃষিমেলার দ্বিতীয় দিন সোমবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে গিয়ে ব্যতিক্রমী এমন মানচিত্র দেখা যায়।

মানচিত্রে ধান, গম, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, সয়াবিন, মরিচ ও বাদামসহ বিভিন্ন শস্যদানা ব্যবহার করা হয়েছে। এতে উপজেলার চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, চর ফলকন, হাজিরহাট চর লরেন্স, চর মার্টিন, পাটারিরহাট, তোরাবগঞ্জ ও চর কাদিরা ইউনিয়নে কৃষি চিত্র ফুটে উঠে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজিত লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে তিন দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু হয়।

জানা যায়, রোববার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে মেলার উদ্বোধন শেষে র‌্যালি বের হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বাপ্পী, লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আকতারুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সাগর ও সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ তালকদার প্রমুখ।

নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও চট্টগ্রাম কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় এ মেলায় ১৫টি স্টল অংশ নিয়েছে।

;

পদ্মা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৯ লাখ টাকা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের গর্ব ও অহংকার স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের প্রথম দিনে টোল আদায় করা হয়েছে ২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ৩০০ টাকা। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ৫১ হাজার ৩১৬টি।

সোমবার (২৭ জুন) সকালে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন জানান, রোববার (২৬ জুন) সকাল ছয়টা থেকে আজ সোমবার (২৭ জুন) সকাল ছয়টা পর্যন্ত সেতুর দুই প্রান্তের (মাওয়া ও জাজিরা) এই হিসাব।

তিনি আরও জানান, মাওয়া প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৬ হাজার ৫৮৯টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৮ লাখ ৯৫ হাজার ৯০০ টাকা। একই সময়ে জাজিরা প্রান্ত দিয়ে সেতু পার হয়েছে ২৪ হাজার ৭২৭টি গাড়ি এবং টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা।

সেতুর টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা বলেন, সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। ৬টার আগেই আমরা যানচলাচলের জন্য কাজ শুরু করি।

রোববার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতু। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু পার হয়ে ঢাকায় আসতে দীর্ঘদিন যে অসহনীয় দুর্ভোগ ও কষ্ট ছিল তা দূর হয়েছে।

এর আগে, গত শনিবার দুপুর ১২টার দিকে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি টোল দিয়ে সেতু পার হন।

;

সিলেটে এখনও অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বন্যার পানি কমলেও সিলেট জেলার ৬০৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন।

সরকারি হিসাবে নগরীর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ৭ হাজার ৫০৭ জন এখনও রয়েছেন। পুরো জেলায় সব মিলে ৫৭৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৯ হাজার ৭৭২ জন বন্যার্ত মানুষ রয়েছেন। এ ছাড়া ১ হাজার ২৬৫টি গবাদি পশু রয়েছে এখানে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফিরেছেন। যারা এখনও ফিরতে পারেননি তারা ঘরে ফেরার অপেক্ষা করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবুর রহমান জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আশ্রিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। ওখানে মোট ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন বানভাসী। এরপরেই অবস্থান সিলেট সিটি করপোরেশনের। মহানগরীর মোট ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন ৭ হাজার ৭৪০ জন।

বিয়ানীবাজার উপজেলার মোট ৭৩টি আশ্রয় কেন্দ্রে বানবাসীর সংখ্যা ৬ হাজার ৯৭৮ জন। সিলেট শহরতলীর দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ৭৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৬ হাজার ২৪২ জন বানভাসী। বালাগঞ্জে ৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৪ হাজার ৯৮৩ জন, সিলেট সদরে বর্তমানে ৩৪টি আশ্রয় কেন্দ্রে আছেন ৫৩৮ পরিবারের প্রায় ২ হাজার ৫শ জন।এছাড়া গোলাপগঞ্জে মোট ৪৮ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৯৮৫, কোম্পানীগঞ্জে ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮৯৫, ফেঞ্চুগঞ্জে ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৪৩২, গোয়াইনঘাটে ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৮০, জৈন্তাপুরের ১৩ আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫০৪, কানাইঘাটে ৪৭ আশ্রয় কেন্দ্রে ২ হাজার ৫৭ ও জকিগঞ্জের ৫৬ আশ্রয়কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪৫৬ জন বানভাসী অবস্থান করছেন।

বানভাসী মানুষের জন্য সরকারি ও বেসরকারিভাবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত আছে। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্ষম আরও সুশৃঙ্খল করতে ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য প্রত্যেক উপজেলায় আলাদা সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এই কমিটি করার জন্য সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) দেবজিৎ সিংহ জানিয়েছেন, সংশ্নিষ্ট জেলা ও বিভাগীয় প্রশাসন উপজেলা পর্যায়ে সমন্বয় কমিটির কাজ তদারকি করবে।

;