‘নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মাণ শেষ হবে মিত্রবাহিনীর সম্মানে স্মৃতিস্তম্ভ’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ,ক, ম মোজাম্মেল হক

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ,ক, ম মোজাম্মেল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্ধারিত সময়ের আগেই মুক্তিযুদ্ধে শহীদ মিত্রবাহিনীর সদস্যদের সম্মানে নির্মাণাধীণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে- মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় শহীদ মিত্র বাহিনীর সম্মানে আশুগঞ্জে নির্মাণাধীণ স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণ কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ,ক, ম মোজাম্মেল হক এ কথা বলেন।

শুক্রবার (২৭ মে) বিকালে মন্ত্রী একটি রাষ্ট্রীয় সফরসুচি শেষে ঢাকা ফেরার পথে আকস্মিক ভাবে তিনি এ পরিদর্শন করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, এটি দুই দেশের জন্য (বাংলাদেশ ও ভারত) একটি গুরুত্বপুর্ণ প্রকল্প এবং দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি আশা করেন নির্মাণ শেষে প্রধানমন্ত্রী সশরীরে প্রকল্পটি উদ্বোধন করবেন।

জানা গেছে, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাঙালির রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা সংগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে ভারতীয় বাহিনীর সদস্যরাও 'মিত্র বাহিনী' গঠন করে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে সশ্রস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছিলেন। যার ধারাবাহিকতায় মাত্র নয় মাসে স্বাধীনতার মুখ দেখেছিল বাংলার জনগণ। বাংলাদেশের কয়েক লাখ মুক্তিযোদ্ধার পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর ১৬৬১ জন সদস্য শহীদ হন এবং শুধুমাত্র আশুগঞ্জে-ই এ সংখ্যা তিনশ। মিত্র বাহিনীর সে-ই সব শহীদের  সম্মানে ২০১৭ সনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে 'স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রাথমিক ভাবে ২০১৭ সনে একনেকে পাস হওয়া প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৬ কেটি ৩০ লক্ষ টাকা। প্রকল্পটি ২০১৯ সনের মধ্যে বাস্তবায়ন হওয়ার কথা থাকলেও  স্থান নির্বাচন ও ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া-ই শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর। পরে ২০২০ এর ফেব্রুয়ারিতে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৩ সনের জুন পর্যন্ত  বাড়িয়ে এবং প্রকল্প ব্যয় ৪৫ কোটি টাকার বেশি (৪৫ কোটি ২০ লক্ষ  ২৩ হাজার) নির্ধারিত হয়। তবে মাটি ভরাট ও পুর্ত কাজের (সিভিল) কাজে প্রকল্প ব্যয় ৩৪ কোটি ২০ লক্ষ টাকা।

চলতি মেয়াদে গত বছর (২০২১) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনা অনুসারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন উপজেলার বাহাদুর পুর ও বাসুতারা মৌজার তিন দশমিক ৬৯ একর ভুমি অধিগ্রহণ ও দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে প্রকল্পের মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে অধিগ্রহণকৃত স্থানে দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্য,  শিশুদের বিনোদন পার্কসহ মুক্তিযুদ্ধের তথ্যভিত্তিক স্থাপত্য নির্মাণ করা হবে।

পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলি আজাদ), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) মোঃ শহীদুল ইসলাম, বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারি কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু, আশুগঞ্জের ইউএনও অরবিন্দ বিশ্বাস, সহকারি কমিশনার ভুমি আশরাফুল হক, থানার ওসি আজাদ রহমান, মুক্তিযুদ্ধকালীন সাব-সেক্টর কমান্ডর বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জসিম, আশুগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডর আবুল হাসেম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃকরিম প্রমুখ।

সোনাইমুড়ীতে আ.লীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৯



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
সোনাইমুড়ীতে আ.লীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ

সোনাইমুড়ীতে আ.লীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষ

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৬ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- রবিউল হাসান (২৭), ইয়াছিন আরাফাত বাদশা (২৬),সাব্বির (১৮),রাকিব (২০),শামিম (২০)সাইফুল (২৪), মোখলেছ (২৬) সহ ৯ জন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে ব্যালটের মাধ্যমে চাষীরহাট ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলছিল। এ সময় ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মহসিন মেম্বারের অনুসারীদের সাথে আরেক সভাপতি পদপ্রার্থী মুনাফের অনুসারীদের ব্যালট নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে উভয় প্রার্থীর অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয় এবং চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে হামলাকারীরা। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে জানতে উভয় প্রার্থীর মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেন নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) হারুন অর রশিদ জানান, ব্যালটের মাধ্যমে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলছিল। ওই সময় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের ৩-৪ জন আহত হয়। তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো পক্ষ থানায় লিখিত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।

;

পদ্মা সেতু: নবযুগের ঊষার উন্মেষে বাংলাদেশ

  ‘স্বপ্ন ছুঁয়েছে’ পদ্মার এপার-ওপার



ড. মাহফুজ পারভেজ
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বপ্নের দ্বার উন্মোচিত হলো শনিবার (২৫ জুন) মধ্যাহ্নে। আর সঙ্গে সঙ্গে পদ্মা পেরিয়ে নতুন ইতিহাস বিনির্মাণের যাত্রারম্ভ করলো সমগ্র জাতির। হাজার বছরের চরম প্রতিবন্ধকতার অবসানে প্রমত্তা পদ্মার দুই তীর রাখিবন্ধনে একাকার আজ থেকে। নবযুগের ঊষার অরুণালোকে উদ্ভাসিত বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির সামনে অপেক্ষমাণ সম্ভাবনার অপার সমুদ্র আর অবারিত বিশ্ব।

পদ্মা সেতু বাঙালির সম্মিলিত স্বপ্নের সফলতার প্রাণস্পন্দনে আগামীর পথে পুনরুত্থিত করেছে বাংলা, বাঙালিকে। বহু সাধনায় নির্মিত অপরাজিত জাতির গর্ব ও অহং স্মারক হয়ে পদ্মা সেতু বিশ্বের বুকে আরও সমুন্নত করেছে বাংলা ও বাঙালি জাতিসত্তাকে। উন্মুক্ত করেছে দখিনা দুয়ার, যার মাধ্যমে সমুদ্র হয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে যাবে সুযোগ ও সম্ভাবনার দুনিয়ায়।  

পদ্মা সেতুর ফলে বদলে গেছে জীবনের গতিপথ। উত্তরের হিমেল বায়ু যেমন থেমে গিয়ে আসে দক্ষিণে নাতিশীতোষ্ণ কোমল হাওয়া, তেমনি বাংলাদেশের উন্মুক্ত হয়েছে দক্ষিণের সমুদ্রগামী পথ, যা পৌঁছে ইন্দো-প্যাসিফিক হয়ে তাবৎ দুনিয়ায়। আর খুলে দেবে সমুদ্র-সংশ্লিষ্ট 'ব্লু ইকোনমি'র অবারিত সিংহদরজা।

বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমশই গুরুত্বপূর্ণ রূপে উদ্ভাসিত 'ইন্দো-প্যাসিফিক' শুধু দুই মহাসাগরকে এককার করেনি, নিরাপত্তা, উন্নয়ন, সমৃদ্ধির দোলা জাগিয়েছে বিশ্বব্যাপীই।  বঙ্গোপসাগর হলো 'ইন্দো-প্যাসিফিক'-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সংযোগ নিবিড় করেছে বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে। শুধু চট্টগ্রাম বন্দরের উপর চাপ কমাই নয়, মঙ্গলা, পায়রা বন্দরের বিকাশ হবে দ্রুতলয়ে। টেকনাফ থেকে সুন্দরবন পর্যন্ত প্রলম্বিত সমুদ্রতট বাণিজ্য ও মানুষের ভাগ্যের গতি 

দখিনা বাতাস মন ও প্রাণে লাগার মতোই দখিনা দুয়ার উন্মোচনকারী পদ্মা সেতুর কারণ এই বর্ষাতেও অনুভব করা যাচ্ছে বসন্তের ছোঁয়া। পদ্মার দুই তীর ছাড়িয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র এখন বাসন্তী শিহরণ। শীতের আড়মোড়া ভেঙে জেগে উঠার মতো নবযুগের নতুন প্রাণপ্রবাহে জেগেছে বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি।

পদ্মা সেতুর কারণে জাতীয় জীবনে একটি তাৎক্ষণিক অর্জনের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হলে এর সুদূরপ্রসারী অবদান সম্পর্কে আঁচ করা সম্ভব হবে। উল্লেখ্য, বহুল প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতু চালুর মধ্য দিয়ে ৯৩ কিলোমিটার কমছে বেনাপোল-ঢাকার দূরত্ব। এতে সময় বাঁচবে চার ঘণ্টা। একইসঙ্গে দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বাড়বে। হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং প্রবৃদ্ধি। বন্দর থেকে পণ্যবোঝাই ট্রাক দ্রুত সময়ে পৌঁছে যাবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে একদিকে যেমন পরিবহন খরচ কমবে, অন্যদিকে বাজারে পণ্যের দাম কমবে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বেনাপোল থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া হয়ে ঢাকার দূরত্ব ২৭৮ কিলোমিটার। এই পথে ঢাকায় যেতে সময় লাগছে আট-নয় ঘণ্টা। মাঝে মধ্যে এর চেয়ে বেশি সময় লাগে। দুর্যোগকালীন ফেরি না পাওয়ায় নদীর পাড়ে কেটে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ফলে আমদানি পণ্য নষ্ট হয়ে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন ব্যবসায়ীরা। বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে আসা বিদেশি পণ্য সঠিক সময়ে ঢাকায় পৌঁছাতে না পারায় বাজারে সংকট তৈরি হয়। সেই সঙ্গে বেড়ে যায় দাম।

পদ্মা সেতু চালুর পর মাওয়া দিয়ে ঢাকার দূরত্ব হবে ১৮৫ কিলোমিটার। ঢাকায় যেতে সময় লাগবে চার-পাঁচ ঘণ্টা। ফলে এ অঞ্চলের মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন ফরিদপুর ও ভাঙ্গা হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে সহজে ঢাকায় পৌঁছাবে। এছাড়া পচনশীল দ্রব্য; যেমন শাকসবজি, রেণুপোনা দ্রুত সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে, এমনকি বিদেশেও পাঠানো সম্ভব হবে। কৃষক, ফুল ও মাছ চাষিদের জন্যও আশীর্বাদ হবে পদ্মা সেতু।

উদাহরণস্বরূপ, দেশের সিংহভাগ কলকারখানা ও গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির ৮০ শতাংশ কাঁচামাল বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়। বন্দর থেকে খালাস করা কাঁচামাল দ্রুত সময়ে শিল্প ও কলকারখানায় পৌঁছে গেলে পরিবহন খরচ কমে যাবে। শিল্প ও কলকারখানা প্রসারিত হবে। কৃষিপণ্যের বাজার প্রসারিত হবে।

এই হলো মাত্র একটি দিক। আরও বহু সম্ভাবনা দেশ ও জাতির সামনে অঙ্কুর থেকে বিকশিত হবে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে। ফলে পদ্মা পেরিয়ে নবযুগের ঊষার উন্মেষের সামনে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ, বাঙালি। স্বপ্নের পদ্মা সেতু বাস্তবে রূপায়িত হয়ে বহুমাত্রিক সম্ভাবনার ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে এনে দিয়েছে হাতের মুঠোর মধ্যে। এখন সম্মিলিত কর্তব্য হলো পদ্মা সেতুর মাধ্যমে উন্মোচিত অযুত সম্ভাবনাকে দেশ, জাতি ও মানুষের স্বার্থে ও কল্যাণে কাজে লাগানো।

ড. মাহফুজ পারভেজ,  প্রফেসর, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; অ্যাসোসিয়েট এডিটর, বার্তা২৪.কম।

;

জেসিআই বাংলাদেশের ‘উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ১৪ নারী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জেসিআই বাংলাদেশের ‘উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ১৪ নারী

জেসিআই বাংলাদেশের ‘উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ১৪ নারী

  • Font increase
  • Font Decrease

সমাজে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ও দেশের বিভিন্ন সেক্টরে সাহসী নেতৃত্বের পরিচয় দেওয়ায় ১৪ নারীকে ‘উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ প্রদান করেছে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এই জমকালো আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। বেশ কয়েক বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে আসছে জেসিআই বাংলাদেশ।

এবার ‘উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পেলেন- সামিরা জুবেরী হিমিকা, শমী কায়সার, আজমেরি হক বাঁধন, তৌহিদা শিরোপা, সিলভানা কাদের সিনহা, নাদিয়া সরকার, সাবরিনা রহমান, মারিয়াম জাভেদ জুহি, নিগার সুলতানা জ্যোতি, সুরঞ্জনা সাহা, খোদেজা ফরহাদ রুহী, রোকসানা রহমান, দোয়েল আক্তার ও কাজী রুফাইদা ইসলাম।

২০২২ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ব্রেক দ্য বাইয়াস’ স্লোগানের সঙ্গে এক মত পোষণ করে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (এমপি)।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান ও এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের উপাচার্য ড. রুবানা হক।

অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

`উইমেন অব ইনস্পিরেশন অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এর প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি তাসমিনা আহমেদ শ্রাবণী ও প্রধান আহ্বায়ক ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স কমিশনার তাসনুভা আহমেদ।

অনুষ্ঠান উপদেষ্টা ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক ও অনুষ্ঠান পরিচালক ছিলেন ইসমাত জাহান। সহ-আহ্বায়ক খাদিজা আক্তার, ত্বহা ইয়াসিন রামাদান, আশিকুর রহমান ও এজাজ আহমেদ।

এছাড়া জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল অফিসারস, লোকাল প্রেসিডেন্ট, সদস্যবৃন্দ এবং ব্যবসায়িক নেতা, কূটনীতিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী উদ্যমী তরুণদের একটি সংগঠন। জেসিআই সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরির সেন্ট লুইসে অবস্থিত। ১২০টিরও বেশি দেশে এর কার্যক্রম রয়েছে এবং সারা বিশ্বে সংগঠনটির সদস্য সংখ্যা ২ লাখের বেশি। বাংলাদেশে বর্তমানে জেসিআই’র প্রায় ২৫টির অধিক লোকাল অরগানাইজেশন কাজ করছে।

;

পদ্মা সেতুতে আহত দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিযোগিতা করে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে আহত দুই যুবক মারা গেছেন।

নিহতরা হলেন- মোটরসাইকেল আরোহী মো. আলমগীর হোসেন (২২) ও মো. ফজলু (২১)।

রোববার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের (ইনচার্জ) ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে প্রতিযোগিতা করে মোটরসাইকেল চালাচ্ছিলেন দুই আরোহী। সেতুর ২৭ ও ২৮ নম্বর পিলারের মাঝখানে একটির সঙ্গে আরেকটির ধাক্কা লাগে। এতে পড়ে গিয়ে দুই জন গুরুতর আহত হন।

;