যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন

যমুনা নদীতে তীব্র ভাঙন

  • Font increase
  • Font Decrease

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে অস্বাভাবিক হারে প্রতিদিনই পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে উপজেলার গোবিন্দাসী, গাবসারা, নিকরাইল ও অজুর্না ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভাঙন কবলিত মানুষ। এরইসাথে বিশুদ্ধ পানির সংকটও পড়েছেন বানবাসিরা।

এদিকে, উপজেলার গাবসারাসহ নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেইসাথে চরাঞ্চলের অসংখ্য পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়ে গোবিন্দাসীর যমুনা বেঁড়ি বাঁধ (কালা সড়কে) পলি কাগজের ছাউনি তৈরি করে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রাস্তাগুলো ভেঙে পানির তীব্র স্রোতে প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

অপরদিকে, চরাঞ্চলে গবাদিপশু নিয়ে দুর্বিসহ দিন কাটাচ্ছে বানভাসিরা। বন্ধ রয়েছে বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান। ভেসে যাচ্ছে পুুকুরের মাছ। তলিয়ে যাচ্ছে পাট, আউশ ধানসহ বিভিন্ন ফসল।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৬ টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৪৭, ঝিনাই নদীর পানি ১৫ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ৫৪ এবং ধলেশ্বরী নদীর পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার উপজেলার খানুরবাড়ী, ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়াপাড়া এলাকায় দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই পানি উঠেছে। তলিয়ে গেছে যাতায়াতের রাস্তা-ঘাট। ঘরবাড়ি ও আশপাশে পানি প্রবেশ করায় গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে রয়েছে লোকজন। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের অভাব। ভাঙনরোধে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: ইশরাত জাহান জানান, উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। এখনো কোন বরাদ্দ পাইনি। বরাদ্দ পেলেই বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হবে।

বিমানের দুই বোয়িংয়ের সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুই উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্ত করতে কমিটি করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার (৫ জুলাই) ৪ সদ্যসের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিমান ও সিএ) মো. মহিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিতে আরও আছেন— মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (বিমান ও সিএ) মো. নজরুল ইসলাম সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (এয়ারওয়ার্দিনেস স্টান্ডার্ড) আব্দুল কাদের ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন।

জানা গেছে, রোববার (৩ জুলাই) বিমানের সুপরিসর বোয়িং ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে এসে সন্ধ্যায় শাহজালালে অবতরণ করে। রাত ৯টা ২০ মিনিটে উড়োজাহাজটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য হ্যাঙ্গারে নিয়ে যাওয়ার সময় এই ঘটনা ঘটে। সেখানে আগে থেকে রাখা বোয়িং ৭৩৭ এর বাম পাশের ডানায় সঙ্গে ড্রিমলাইনারের ডান পাশের ডানা আঘাত করে।

এর আগে, গত ১০ এপ্রিল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমানের একটি বোয়িংয়ের আরেকটি বোয়িংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগলে দুটো উড়োজাহাজই কিছু দিনের জন্য বসে যায়। সে ঘটনায় গত ১১ মে বিমানের মুখ্য (প্রিন্সিপাল) প্রকৌশলীসহ পাঁচজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

;

রংপুরে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরে ড্রাম ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক শিশুসহ অন্তত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে রংপুর-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সরেয়ারতল নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম জানা না গেলেও তাদের সকলের বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা এলাকায় বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চৌধুরাণী থেকে একটি অটোরিকশায় করে ৮ যাত্রী রংপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে সরেয়ারতল নামক স্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মাহিগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। তবে সকলের বাড়ি সুন্দরগঞ্জের বেলকা এলাকায় বলে জানা গেছে। তারা চিকিৎসার জন্য একজন রোগীকে নিয়ে অটোরিকশা যোগে রংপুরে যাচ্ছিল।

;

‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম

  • Font increase
  • Font Decrease

পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, যে কোনো দুর্যোগে আওয়ামী লীগই মানুষের পাশে থাকে। এটি আওয়ামী লীগের একটা সংস্কৃতি ও রীতি। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় ছিল না, তখনো তারা মানুষের পাশে ছিলেন। এখনো সব সময় পাশে থাকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মানবতা ও বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্বে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। আওয়ামী লীগ মানবকল্যাণে কাজ করছে এবং সবসময় মানবতার পাশেই থাকে।

মঙ্গলবার (০৫ জুলাই) নড়িয়ায় পৌরসভায় অসহায়দের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে তিনি একথা বলেন।

উপমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার মা। সিলেটে যখন ভয়াবহ বন্যা দেখা দিল, তখন তিনি ছুটে গেছেন, সেখানে ত্রাণ তৎপরতায় রত প্রশাসন ও আমাদের দলীয় নেতাদের উৎসাহ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সিলেটের প্রধান নদীগুলো ড্রেজিং করার নির্দেশনা দিয়েছেন। কারণ, পলি জমার কারণে নদীর নাব্যতা কমে গেছে। যে কোনো দুর্যোগ দুর্বিপাকে আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে দাঁড়ায়। আর এদেশে কোন রাজনৈতিক দল মানুষের পাশে থাকে না। তারা মাঝে মধ্যে ফটোসেশন করার জন্য ত্রাণ দিতে যায়। ফটোসেশন শেষ হলে বিদায় নিয়ে চলে আসে।

পরে গোলাম মওলা উড়াল সেতুর অগ্রগতি পরিদর্শন, নড়িয়া হাসপাতালের কাজের অগগ্রতি পরিদর্শন করেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম।

পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী রাশেদুজ্জামান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলু মাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির ব্যাপারী,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা মোস্তফা, উপজেলা সহ-সভাপতি আবদুর রব,যুগ্ম শহিদুল ইসলাম সিকদার,সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি চুন্নু, দপ্তর সম্পাদক শাহ আলমসহ বিভিন্ন চেয়ারম্যান বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

;

রাজধানীতে কভার্ডভ্যানের চাপায় ২ জনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় কভার্ডভ্যানের চাপায় দুই রিকশাভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (০৫ জুলাই) রাত সোয়া ১টার দিকে প্রগতি সরণিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে বাড্ডা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান।

নিহত ইয়াহিয়া সাজ্জালের (২৫) বাড়ি পিরোজপুরে। তিনি উত্তর বাড্ডায় থাকতেন। আর মো. ইসরাফিলের (৩৫) বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।

ওসি বলেন, রাতে সড়কের পাশে আসবাবপত্র নামানোর কাজ সেরে ওই দুজন তাদের ভ্যানের উপর বসেছিলেন। সে সময় রামপুরার দিকে বেপরোয়া গতিতে ছুটে চলা একটি কভার্ডভ্যান তাদের ভ্যানের উপর উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

কভার্ডভ্যানটি জব্দ করা গেলেও এর চালক পালিয়ে গেছেন। দুজনের মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

;