সুরমায় কমলেও কুশিয়ারায় বাড়ছে পানি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের সুরমা, ধলাই, পিয়াইন, লোভা ও সারি নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও বাড়ছে কুশিয়ারা নদীর পানি। যার ফলে কুশিয়ারার তীরবর্তী ৬ উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। এতে বন্যা কবলিত এলাকায় মানুষের দুর্ভোগ দীর্ঘায়িত হয়েছে।

জেলার এখনও অসংখ্য মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও বিজিবির উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এখনও জেলার দুর্গম অনেক এলাকায় ত্রাণ পৌঁছেনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুর্গম এলাকার দুর্গত মানুষদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো দু:সাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুন) সিলেটের যেসব উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর, দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার। আগের দিন থেকে কিছুটা উন্নতি হয়েছে সিলেট সদর, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলায়। আর পরিস্থিতি অপরবর্তিত রয়েছে জকিগঞ্জ ও বিশ্বনাথের।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, কুশিয়ারা নদীর পানি মঙ্গলবার (২১ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় সকল পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। কুশিয়ারায় পানি বৃদ্ধির ফলে বিয়ানীবাজার উপজেলার কুড়ারবাজার, মুড়িয়া, লাউতা, শেওলা, মাথিউরা, মোল্লাপুর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

উপজেলার প্রায় ৯০ ভাগ এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। উপজেলা প্রশাসনের হিসেব মতে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩ হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত সরকারিভাবে সাড়ে ৩০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বালাগঞ্জ উপজেলায়ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। কুশিয়ারার পানি বৃদ্ধির ফলে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বন্যা আক্রান্ত এলাকায় অন্তত ৬ ইঞ্চি পানি বেড়েছে। ফেঞ্চুগঞ্জের ইলাশপুর এলাকায় সিলেট-মৌলভীবাজার আঞ্চলিক মহাসড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলার অন্তত ৬০ ভাগ মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি রয়েছেন।

বন্যা আক্রান্ত উপজেলাগুলোতে তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে। রাস্তাঘাট ও হাটবাজার তলিয়ে যাওয়ায় বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। এছাড়া খাদ্যসামগ্রীর দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এসব এলাকায় টাকা দিয়েও খাদ্যসামগ্রী মিলছে না।

১৭ কেজির সিলভার বিক্রি ১২ হাজার টাকায়!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে জেলের জালে ১৭ কেজি ওজনের একটি সিলভার কার্প মাছ ধরা পড়েছে, যা বিক্রি হয়েছে ১২ হাজার টাকায়।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাতে দৌলতদিয়ায় স্থানীয় জেলে আনিছ হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে বলে জানা গেছে।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে দৌলতদিয়া ৫নং ফেরি ঘাটের স্থানীয় চাঁদনী অ্যান্ড আরিফা মৎস্য আড়তের মালিক মো. চান্দু মোল্লা আরেক মাছ ব্যবসায়ী মো. দুলাল মন্ডলের আড়ত থেকে মাছটি কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, সকালে দৌলতদিয়া দুলাল মন্ডলের আড়ত থেকে ৭শ টাকা কেজি দরে মোট ১২ হাজার ২৫০ টাকায় ক্রয় করে দোকানে নিয়ে আসি। মাছ দুটি বিক্রয়ের জন্য কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছি। মাছটি প্রতি কেজিতে ১'শ টাকা লাভে বিক্রি করবো।

;

দৌলতদিয়া ঘাটে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি!



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের আর কয়েক দিন মাত্র বাকি। এরই মধ্যে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা রোধের জন্য সরকার ঈদের সাতদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। সেই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) থেকে। নিষেধাজ্ঞা থাকায় আজ বুধবার (০৬ জুলাই) থেকেই ফেরিতে চাপ বেড়েছে মোটরসাইকেলের।

জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। যাত্রা পথে মহাসড়কে সব ধরনের ঝামেলা থেকে দূরে থাকার জন্য ভোর রাতেই ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই। এমনই চিত্র দেখা গিয়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া প্রান্তে।

বুধবার (৬ জুলাই) সকালে সরেজমিন দৌলতদিয়া ঘাটের ৫নং ফেরি ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, পাটুরিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি ফেরিতে প্রায় শতাধিক মোটরসাইকল রয়েছে। প্রতিটি মোটরসাইকেলেই একজন করে আরোহী রয়েছেন। অনেক মোটরসাইকেলই আবার দেখা গিয়েছে শিশু ও নারী নিয়ে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ফিরছেন ঘরে।

ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছেন তারা

দৌলতদিয়া ৪ ও ৫ নং ঘাটের টার্নিং পয়েন্ট মোটরসাইকেল নিয়ে পড়ে যাওয়া বাইক চালক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ঈদের সাতদিন মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। তাই আজ ভোর রাতেই গাজীপুর থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হয়েছি। আবার ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফিরব।

স্ত্রী ও শিশু সন্তান নিয়ে ঘরে ফেরা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মজীবী বাইক চালক বার্তা২৪.কম-কে বলেন, বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সরকার মোটরসাইকেল মহাসড়কে চলাচল বন্ধ ঘোষণা করায় অফিসের বসকে ম্যানেজ করে আজই গ্রামের বাড়ি ফিরছি।

নারী ও শিশু নিয়ে এভাবে ফিরছেন এতে কোনও ঝুঁকি আছে বলে মনে করেন কিনা- এমন প্রশ্ন করলে তিনি বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ঝুঁকি তো আছেই। ছোট মেয়েটাকে যেভাবে সামনে বসিয়েছি তাতে তো প্রচন্ড ঝুঁকি রয়েছে। কিছু সময় পর পরই ওর সাথে কথা বলতে হচ্ছে। কিন্তু কি করবো, কিছুই করার নেই। পরিবহনের যে ভাড়া তাতে আমাদের মতো মধ্যবিত্তদের যাতায়াত করাই কঠিন।

;

র‌্যাবের সাবেক কর্মকর্তার ব্যাংক হিসাব গুটিয়ে নিতে প্রাইম ব্যাংকের চিঠি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় পড়া র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জাহাঙ্গীর আলমকে ব্যাংক হিসাব গুটিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করে চিঠি দিয়েছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের নিষেধাজ্ঞা থাকলে ওই ব্যক্তির সঙ্গে প্রাইম ব্যাংক কোনও লেনদেন করে না। তাই আর্থিক খাতের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষায় আমরা আপনাকে এই অনুরোধ করছি।

গত ফেব্রুয়ারিতে জাহাঙ্গীর আলম প্রাইম ব্যাংকে তার চলতি হিসাব ও এটিএম কার্ড সচল আছে কি না, তা প্রাইম ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান। তার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ গত মাসে এই চিঠি পাঠায়।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে প্রেসিডেন্টস গার্ড রেজিমেন্টে কমান্ডার হিসেবে কর্মরত। জাহাঙ্গীর আলমকে এ বিষয়ে আইনি সহযোগিতা দিচ্ছেন আইনজীবী শেখ আলী আহমেদ। তিনি বলেন, ব্যাংকের ভূমিকায় তারা সংক্ষুব্ধ।

র‌্যাব বলছে, অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার বিষয়টি ব্যাংকের অতি উৎসাহ ছাড়া কিছুই নয়।

এর আগে, গত ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট বাংলাদেশে ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধে’ মানবাধিকারের চূড়ান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সাবেক ও বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

জাহাঙ্গীর আলমের পক্ষে আইনজীবী শেখ আলী আহমেদ বলেন, প্রাইম ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তথ্য না দেওয়ায় তার মক্কেল গত ৭ মার্চ তথ্য অধিকার আইনে ব্যাংকটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেন।

ওই চিঠিতে জাহাঙ্গীর আলম প্রাইম ব্যাংকের ইস্যু করা এটিএম কার্ড ও ব্যাংক হিসাব সচল না বন্ধ আছে, তা জানাতে অনুরোধ করেন। যদি বন্ধ থাকে, তাহলে কোন সংস্থার নির্দেশে এবং কেন বন্ধ করা হয়েছে বিস্তারিত উল্লেখ করারও অনুরোধ জানান সাবেক এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

এর পরেও সাড়া না পেয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করেন জাহাঙ্গীর আলম। কালক্ষেপণের কারণ ও তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে জরিমানা আদায়সহ তথ্য সরবরাহের আর্জি জানান তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও তিনি আবেদন করেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যাংক বৃহত্তর স্বার্থে ও গ্রাহকদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করার স্বার্থে জাহাঙ্গীর আলমের লেনদেন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যতদিন না নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে, তত দিন এই সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

;

দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন আজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন আজ

দেশের প্রথম আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের উদ্বোধন আজ

  • Font increase
  • Font Decrease

আজ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) স্থাপিত শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল দশটার সময় প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এটি উদ্বোধন করবেন। চুয়েট শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সর্বপ্রথম স্থাপিত আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন প্রান্ত থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর, শেখ জামাল ডরমিটরি ও রোজী জামাল ডরমিটরির উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানে সংযুক্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

স্বাগত বক্তব্য দেবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অনুষ্ঠানটি গণভবন, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও চুয়েট তিন প্রান্ত থেকে একযোগে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রান্ত থেকে চট্টগ্রাম-৬ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী এবং শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটররের উপকারভোগী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর প্রকল্পের আওতায় চুয়েট ক্যাম্পাসে ৪.৭ একর জমির উপর ১০ তলাবিশিষ্ট একটি ইনকিউবেশন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। যার আয়তন ৫০ হাজার বর্গফুট। তাছাড়া ৩৬ হাজার বর্গফুটের ৬ তলাবিশিষ্ট একটি মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবন এবং ২০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ৪ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ডরমিটরি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

ইনকিউবেশন ভবনের মধ্যে রয়েছে- স্টার্টআপ জোন, আইডিয়া বা ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিক কোলাবোরেশন জোন, ব্রেইনস্ট্রর্মিং জোন, ই-লাইব্রেরি, ডাটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব, বঙ্গবন্ধু কর্ণার,প্রদর্শনী সেন্টার, ভিডিও কনফারেন্সিং কক্ষ এবং সভাকক্ষ।

এছাড়াও এই ভবনে উদ্যোক্তা ও গবেষকদের কাজের সুবিধার্থে একটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাব, একটি মেশিন লার্নিং ল্যাব, একটি বিগ ডাটা ল্যাব, অপটিক্যাল ফাইবার ব্যাকবোন, একটি সাব-স্টেশন ও সোলার প্যানেল রয়েছে।

এর বাইরে ব্যাংক ও আইটি ফার্মের জন্য পৃথক কর্নার, অত্যাধুনিক সাইবার ক্যাফে, ফুড কোর্ট, ক্যাফেটেরিয়া, রিক্রিয়েশন জোন, মেকার স্পেস, ডিসপ্লে জোন, মিডিয়া কাভারেজ জোন, নিজস্ব পার্কিং সুবিধা রয়েছে ইনকিউবেশন ভবনে।

মাল্টিপারপাস প্রশিক্ষণ ভবনে ২৫০ জনের ধারণক্ষমতার অডিটোরিয়াম, ৩০ জনের ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পৃথক ৮টি কম্পিউটার ল্যাব ও কাম সেমিনার কক্ষ রয়েছে। আর ডরমিটরি ভবনের একটি পুরুষ ও অন্যটি নারীদের জন্য। প্রতিটি ডরমিটরিতে ৪০টি কক্ষ রয়েছে।

শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ১১৭.৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই ইনকিউবেটর। একাডেমিক প্রতিষ্ঠানে গবেষণা উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা তৈরির কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক এই আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর স্থাপন করা হয়েছে। এই ইনকিউবেটর তৈরির উদ্দেশ্যে হলো দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সফল উদ্যোক্তা তৈরি, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা, ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে সম্মৃদ্ধ করার মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের সুযোগ আরও অবারিত করা এবং সর্বোপরি তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আয় প্রত্যাশিত মাত্রা অর্জন।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ স্নাতক (গ্র্যাজুয়েট) তৈরির মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে এই ইনকিউবেটর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

;