মোবাইল নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, প্রাণ গেল গৃহবধূর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে মেরিনা আক্তার (২৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী গা ঢাকা দিয়েছে। তবে নিহতের শ্বশুর-শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। তাৎক্ষণিক পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের সুনিদিষ্ট কোন কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত গৃহবধূ মেরিনা আক্তার উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজচরা গ্রামের মো. মহিউদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজচরা গ্রামের মো. মহিউদ্দিনের সঙ্গে মোবাইল ফোন নিয়ে তার স্ত্রী মেরিনার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মহিউদ্দিন কাঠের পিঁড়ি দিয়ে স্ত্রীর শরীরে একাধিকবার আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.নিজাম উদ্দিন বলেন, নিহত গৃহবধূর শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। বিষপানে মৃত্যু হয়েছে বলেও মনে হয়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন জানান, অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শ্বশুর শ্বাশুড়িকে থানায় রাখা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

ওসি আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় সোমবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঝগড়ার কারণে স্বামী স্ত্রীকে চড়-থাপ্পড় দেয়। এরপর ওই গৃহবধূ ঘরে ঢুকে লিকুইড জাতীয় কিছু পান করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

ভোলায় মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পূর্ণিমার প্রভাবে ভোলায় গত কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে মেঘনার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চল এবং বেড়িবাঁধের বাইরের এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ২৫ গ্রামের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর, মনপুরার কাজির চর এবং সদরের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকার শত শত একর জমির ফসল ও পুকুরের মাছ জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।

শনিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ভোলার মেঘনা নদীরর পানি বিপৎসীমার ৯১ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়।

জোয়ারের প্রভারে ভোলায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

জোয়ারের পানিতে রাস্তাঘাট, ঘর-বাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছে ভোলার চরাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা ও বাঁধের বাইরের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। জেলার ঢালচর, চর নিজাম, মুজিবনগর,কুকরি-মুকরি, মদনপুর, মনপুরার কাজির চর এবং মেঘনা নদীর তীরবর্তী সদরের ইলিশা, রাজাপুর ও ধনিয়ায় বাঁধের বাইরের নিম্নাঞ্চলের ২৫ গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

চরফ্যাশনের ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, তার ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সহায়তা পায়নি। শত শত মানুষ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। পানি উঠে আবার নেমে গেলেও লবণাক্ততার সৃষ্টি হওয়ায় জমির উর্বরতা কমে গেছে। ভবিষ্যতে এসব এলাকায় ফসল হবে না বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

মেঘনা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঘরবাড়িতে উঠেছে

ভোলার ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ছোটন জানান, তার এলাকায় গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও অতি জোয়ারের কারণে বাঁধের কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করে সংস্কারের দাবি করেছেন তিনি। এছাড়া বাঁধের বাইরে যে সমস্ত এলাকায় জোয়ারের পানি উঠেছে তাতে মানুষের পুকুরের মাছ ও ফসলের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষের জন্য সাহায্য সহযোগিতার দাবি করেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ভোলা-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, এ মৌসুমে ভোলায় সর্বোচ্চ জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। তাই তাদের নিয়মিত মনিটরিং রয়েছে। বাঁধের যে সমস্ত জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন, সে সমস্ত জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে। দৌলতখানে ২ শত মিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মেরামত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

;

‘বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক

  • Font increase
  • Font Decrease

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশন গঠনের রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

‘এস্টাবলিশ পাইলট প্রসেস টু ক্লাসিফাই কেসেস ইন কনসালটেশন উইথ দ্য জাজেস অব দ্য লেবার কোর্টস উইথ অ্যা ভিউ টু এড্রেসিং কেস ব্যাকলগস’ শিরোনামে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, এ বছর নাগাদ আমরা হয়ত কমিশন চালু করতে পারব। এখন রূপরেখাটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজার বিষয়ে কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। এখন কমিশন গঠন ও এর কার্যপ্রণালী নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। আপনারা জানেন, কোভিড যায় যায় করেও যাচ্ছে না, বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থাও অনুধাবন করছেন। এখানে অর্থনৈতিক বিষয়েও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সেজন্য কমিশনের রূপরেখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়ে উঠছে না। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারব।

;

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত ১৪৪



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় কেউ মারা যাননি এবং শনাক্ত হয়েছেন ১৪৪ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৮ হাজার ৬৪৪ জনে। এখন পর্যন্ত মৃত্যু ২৯ হাজার ৩১২ জন

শনিবার (১৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩৫৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৩ হাজার ৩৫৭টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৪ দশমিক ২৯ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

আরও বলা হয়, গত ২৪ ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৫৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৩ জন।

দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ২০১৯ সালের ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

;

আরও ৯২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পুরোনো ছবি

পুরোনো ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৪৩ জন । এ বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৮ জন, যার মধ্যে ৯ জনই জুলাইয়ে মারা গেছেন।

শনিবার (১৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা যায়।

বর্তমানে হাসপাতালে ৩৫৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ২৮৪ জন, আর বাকি ৭১ জন অন্য বিভাগে। এখন পর্যন্ত মোট ৩ হাজার ২৭২ জন রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।

গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ডেঙ্গু ভাইরাসের ব্যাপক প্রাদুর্ভাবের আশঙ্কার বিষয়ে সিটি করপোরেশনকে সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনগুলোকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

;