রাজবাড়ী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি

রাজবাড়ী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

আগামী জু‌নে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চা‌লুর প্রথম দিন হ‌তেই রাজবাড়ী- ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবি জানিয়েছেন রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশন নামের একটি সামাজিক মানবিক সংগঠন। ট্রেন চালুর দাবিতে মানববন্ধনও করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা। রাজবাড়ীবাসীর প্রাণের এই দাবি বাস্তবায়নে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তব্য দেন বক্তরা।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকাল সা‌ড়ে ৫ টায় রাজবাড়ী প্রেসক্লা‌বের সামনে ঘন্টা ব্যাপী  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা ব‌লেন, রাজবাড়ীকে এক সময় রেলের শহর বলা হতো। রাজবাড়ীর ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে রেলের স্মৃতি মিশে আছে। তাই আমা‌দের রাজবাড়ী বাসীর প্রা‌ণের দাবী আগামী জু‌নে পদ্মায় রেল সেতু চা‌লুর দিন হ‌তেই কু‌ষ্টিয়া- রাজবাড়ী-ফ‌রিদপুর- ভাঙ্গা ও ঢাকা আন্তঃনগর নতুন ট্রেন চালু করা হোক। রাজবাড়ী থেকে ঢাকা ট্রেন চালু নিশ্চিত করতে আমরা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউন্ডেশনের সহ সভাপ‌তি ডাঃ নুরুল আজমের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন  সাধারণ সম্পাদক আফরোজা মিথুন, সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শরীফ ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়াও উপ‌স্থিত ছি‌লেন, রাজবাড়ী হেল্পলাইন ফাউ‌ন্ডেশ‌নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সবুজ, সংগঠনের সদস‌্য সোলায়মান হি‌মেল, সালমান বেগ, র‌নি আহ‌মেদ, আ‌বিদ হাসান, ইউনুসুর রহমান।

'৭৫ পরবর্তী সামরিক শাসনে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সামরিক শাসনামলে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন প্রত্যক্ষ করেছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচেলেটের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার (১৭ আগস্ট) গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মিশেল ব্যাচেলেট। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

তিনি আরও বলেন, তিনি এবং তার ছোট বোন শেখ রেহানা ১৯৭৫ সালের হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন কারণ তারা তখন বিদেশে ছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ওই হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করতে তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল।

জোরপূর্বক নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই অধ্যাদেশের কারণে তাদের বিচার চাইতে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তৎকালীন সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধুর খুনি ও যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেছিল।

মিশেল ব্যাচেলেট বলেন, তার পরিবারকেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো অমানবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে যখন তার দেশে একটি অত্যাচারী সরকার ক্ষমতায় ছিল।

জাতিসংঘের হাইকমিশনার বলেন, তিনি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে ‘গভীরভাবে আলোড়িত’ হয়েছেন, যেখানে জাতির পিতাকে তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

বৈঠকে তারা বর্তমান বিশ্ব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন এবং একমত হন যে চলমান কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বজুড়ে সংকট তৈরি করেছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিক তা মিয়ানমার অস্বীকার করে না। তবে, তারা এখনও তাদের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে সাড়া দেয়নি। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের তাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কখনো কারো সঙ্গে যুদ্ধ চায় না।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ঢাকায় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গুয়েন লুইস উপস্থিত ছিলেন।

;

চলে গেলেন বেগম নিহার চৌধুরী, বিভিন্ন মহলের শোক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
বেগম নিহার চৌধুরী

বেগম নিহার চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের বদরগঞ্জের কৃতি সন্তান ও সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী প্রয়াত আনিছুল হক চৌধুরীর সহধর্মিনী বেগম নিহার চৌধুরী (৭৩) আর নেই (ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাহী রাজেউন)।

বুধবার (১৭ আগস্ট) ভোরে রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি সেখানে ফুসফুসের রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

তার প্রথম নামাজে জানাজা বুধবার (১৭ আগস্ট) বাদ আসর বদরগঞ্জ পৌরশহরের বড়মিল চাতালে অনুষ্ঠিত হবে। বাদ মাগরিব উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গ্রামের বাড়ি লালবাড়ী চৌধুরীপাড়ায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরহুমার স্বামী সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী মরহুম আনিছুল হক চৌধুরীর কবরের পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। বেগম নিহার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি, জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক সন্তোপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুর্যোগকালে বেগম নিহার চৌধুরী স্বামী আনিছুল হক চৌধুরীর পাশে ছিলেন ছায়া সঙ্গী হিসেবে। দলমতের বাইরেও তিনি সর্বস্তরের মানুষের একজন অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। রাজনৈতিক দূরদর্শী সম্পন্ন বেগম নিহার চৌধুরীর জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৫ অক্টোবর নওগার সম্ভ্রান্ত এক জমিদার পরিবারে। মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনায় সারাদেশের মানুষের কাছে তার বড় ছেলে বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আহাসানুল হক চৌধুরী টুটুল ও পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মরহুমা দুই পুত্র ও চার কন্যা সন্তান নাতি-নাতনীসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছোট ছেলে ফিন্দিউল হাসান চৌধুরী শান্তু বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, বড় জামাতা আহমেদ মুনাফ চৌধুরী পরিবার পরিকল্পনা রংপুর বিভাগীয় রিজিওনাল কনসালটেন্ট, দ্বিতীয় জামাতা ডাঃ আবু মোঃ জাকিরুল ইসলাম লেলিন স্বাস্থ্য বিভাগ রংপুর অঞ্চলের পরিচালক, তৃতীয় জামাতা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন ও সর্ব কনিষ্ঠ মেয়ের জামাতা আজিজুর রহমান চৌধুরী সুজন চট্রগ্রামে অবস্থিত স্টিলমিল কেএসআরএম’র প্রধান প্রকৌশলী।

এদিকে মরহুমার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে সমবেদনা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন শফিক, নিহার চৌধুরীর ভাতিজা রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের এমপি আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক। এছাড়াও বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী, বদরগঞ্জ সরকারি কলেজ, বদরগঞ্জ প্রেসক্লাব পরিবারসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

;

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

১০ বছর পর শিবির ক্যাডার গিট্টু মানিক গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে শীর্ষ সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী ক্যাডার গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ থানা পুলিশের একটি টিম বিশেষ অভিযান চালিয়ে গিট্টু মানিককে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস জাহান।

তিনি বলেন, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গিট্টু মানিকের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় অস্ত্র আইনের একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। দীর্ঘ ১০ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

উল্লেখ্য, শিবির ক্যাডার সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী গিট্টু মানিক এর আগে ২০১১ সালের ১১ জুলাই নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানা এলাকা থেকে একে-৪৭ রাইফেল অস্ত্র ও দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার হয়েছিল।

;

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, অসহনীয় মাত্রার শব্দ মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে তাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে।

বুধবার পরিবেশ অধিদপ্তরে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প কর্তৃক আয়োজিত ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অংশীজনের ভূমিকা' শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এটি সফল করতে সকল ক্ষেত্রে অযথা শব্দ সৃষ্টি করা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। এবিষয়ে নিজে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও সচেতন করতে হবে। শিশুদেরকে শৈশব থেকেই শব্দসচেতন করে গড়ে তুলতে পাঠ্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শব্দদূষণ রোধে সরকারের উদ্যোগের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা পেলে দেশের শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ অধিদপ্তর “শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প” বাস্তবায়ন করছে। এপ্রকল্পের আওতায় এ কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য   শিক্ষার্থী, পরিবহন চালক/শ্রমিক, কারখানা ও নির্মাণ শ্রমিক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইমাম, শিক্ষক, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।  টেলিভিশন, বেতার, প্রিন্ট মিডিয়ায় সচেতনামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।  সরকার ঘোষিত নীরব এলাকা শব্দদূষণ মুক্ত করার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, বিআরটিএসহ বিভিন্ন সংস্থার একযোগে কাজ করবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে শব্দদূষণ বিধিমালা যুগোপযোগী করা হবে। এ বিষয়ে দেশের বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ মতো কাজ করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ এবং  সংসদ সদস্য ও  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ডা: প্রাণ গোপাল দত্ত প্রমুখ। 

;