প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

রংপুরের মিঠাপুকুরে গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে না চাওয়ায় ভুট্টাক্ষেতে প্রেমিকাকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় নাহিদ হাসান (২৩) নামের এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারিক আদালত।

রোববার (৭ আগস্ট) বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক তারিক হোসেন এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত নাহিদ হাসান মিঠাপুকুর উপজেলার দলসিংহপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২২ এপ্রিল বিকালে মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনি ইউনিয়নের বউরাকোট গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে মোসলেমা খাতুন বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের লোকজন মোসলেমাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে মিঠপুকুর থানা পুলিশকে অবগত করেন।

এর দুইদিন পর বিকালে মোসলেমার বাড়ির পাশের একটি ভূট্টা ক্ষেত থেকে হঠাৎ পঁচা গন্ধ ভেসে আসে। গন্ধের সূত্র ধরে ভূট্টা ক্ষেতে গিয়ে স্থানীয়রা মোসলেমার অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান।

পরে খবর পেয়ে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ মোসলেমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মোসলেমার বাবা বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে পুলিশসহ পিবিআই ও সিআইডি। সেদিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নাহিদ হাসানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।

মোসলেমা খাতুন সম্পর্কে নাহিদের চাচাতো বোন। তাদের মধ্যে প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও হয় তাদের। সর্বশেষ গত  ডিসেম্বর মাসে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরপর নাহিদ দিনাজপুরে চাকুরিতে চলে যায়। ১৫ দিন আগে মোসলেমা নাহিদকে জানায় সে গর্ভবতী। কিন্তু নাহিদ তা অস্বীকার করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। ঘটনার দিন গতবছরের ২২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নাহিদকে ফোন দিয়ে দেখা করতে বলে মোসলেমা।  কিন্তু নাহিদ আসতে চায়নি। মোসলেমা বার বার জিদ করলে সে দেখা করতে রাজি হয়। পরে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টা ক্ষেতে গিয়ে তারা দেখা করে। এ সময় মোসলেমা তার গর্ভের বাচ্চা রাখতে চেয়ে বিয়ের দাবি করেন। কিন্তু নাহিদ এতে রাজি হয়নি। সে যেকোন ভাবে বাচ্চা নষ্ট করতে বলে। মোসলেমা এতে রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে নাহিদ রেগে গিয়ে ভুট্টা ক্ষেতেই তাকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে মেরে ফেলে। এরপর বাসায় চলে গিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে থাকেন নাহিদ।

মামলায় ১৪জনের সাক্ষ্য ও জেরা শেষে বিচারক আসামি নাহিদ হাসানকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দেন।

মামলার সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) শাহ মো. নয়নুর রহমান টফি রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুল হক প্রামাণিক বলেন, আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট

মিরসরাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে এলিট

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সোনা পাহাড় এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুই ভাইসহ নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ১০টায় মিরসরাই সদর ইউনিয়নের উত্তর গড়িয়াইশ গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ডের নিহত দুই ভাই সুমন ও শেখ ফরিদের বাড়িতে যান এলিট। এরপর সেখান থেকে দুর্গাপুর ইউনিয়নের মেহেদী হাসানের বাড়িতেও যান তিনি। এ সময় মিরসরাইয়ের সন্তান যুবলীগ নেতা এলিট নিহতদের পরিবারের পাশে কিছু সময় অতিবাহিত করেন এবং তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

নিয়াজ মোর্শেদ এলিট সেখানে পৌঁছালে বিশ্বরোড সিএনজি অটোরিকশা চালক সমিতি ও গ্রামবাসী তাকে স্বাগত জানান। এই মর্মান্তিক শোকে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের পাশে দাঁড়ানোয় সমিতির নেতৃবৃন্দ যুবলীগ নেতা এলিটকে ধন্যবাদ জানান।


নিহত সিএনজি চালকদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, ‘আমি নিহত দুই ভাই সুমন ও শেখ ফরিদ এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নের রায়পুর গ্রামের মেহেদী হাসানের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে তাঁদের বাড়ি গিয়েছি। কিছু আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। এ সময় সন্তান হারানো মা, স্বামী হারানো স্ত্রী ও পিতা হারানো সন্তানদের আহজারি বিশেষ করে নিহত দুই ভাইয়ের চার শিশু সন্তানের করুণ মুখ আমার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করেছে। মহাসড়কে যাতে মিরসরাইয়ের আর কারো প্রাণহানি না হয় সে জন্য চালকদের সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক কিছু পরিচয় থাকলেও সবার আগে আমার বড় পরিচয় আমি মিরসরাইয়ের সন্তান। সেজন্য মিরসরাইয়ের মাঠি ও মানুষের প্রতি আমার টান কাজ করে। আমি মিরসরাইয়ের মানুষের যে কোন দুর্যোগে তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। তারই ধারাবাহিকতায় মহাসড়কে নিহত সিএনজি চালকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আগামীতেও মিরসরাইয়ের বাসিন্দাদের যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকব ইনশাল্লাহ।’

গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে মিরসরাই উপজেলার সোনা পাহাড় পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন একটি কাভার্ডভ্যান চট্টগ্রামগামী ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিলে ট্রাকটি সামনের জোনাকি পরিবহনের বাসে ধাক্কা লাগে। এমন সময় সেখানে দায়িত্বরত হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে দাঁড়ানো ছিলেন সিএনজি অটোরিকশা চালকেরা। ঘটনাস্থলে সিএনজি অটোরিকশা চালকসহ মোট পাঁচ ব্যক্তি মারা যান এবং দশ জনের অধিক লোক আহত হন।

;

বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন

বগুড়ায় জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে এক ব্যক্তি খুন

  • Font increase
  • Font Decrease

বগুড়ায় পূজা মণ্ডপের পিছনে জুয়া খেলা নিয়ে বিরোধে গোপাল চন্দ্র দাস (৪৫) নামের এক ব্যক্তি খুন হয়েছেন অপর একজনের লাথিতে। এ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। 

শনিবার (১ অক্টোবর) গভীর রাতে বগুড়া সদরের তেলিহারা পশ্চিমপাড়ায় (হিন্দুপাড়া) খুনের ঘটনা ঘটে। নিহত গোপাল চন্দ্র ওই গ্রামের চিত্তরঞ্জন দাসের ছেলে। তিনি পেশায় মাছ বিক্রেতা।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার রাত ১২ টার দিকে তেরিহারা পশ্চিমপাড়া দুর্গাপুজা মণ্ডপের পিছনে গোপাল, বিপ্লব ওরফে চেন্নাই, কাজল, বিকম, হেলালসহ ৭-৮ জন জুয়ার আসর বসায়। জুয়ার আসরেই বিপ্লব ওরফে চেন্নাই এর সাথে গোপালের খেলা নিয়ে বিরোধ হয়। এক পর্যায় বিপ্লব গোপালের পেটে লাথি দিলে গোপাল মাটিতে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন গোপালকে উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেন। রাত ১ টার দিকে গোপাল পেটে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভর্তির আগেই কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাহিদুল হক বলেন, জুয়া খেলা বিরোধে বিপ্লবের লাথিতে গোপাল মারা গেছেন বলে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গোপালের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিপ্লব ঘটনার পরপরই পালিয়ে গেছে। অপর দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

;

উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য: রাষ্ট্রপতি



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করতে হলে কৃষি, শিল্প ও সেবাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি দেশের বেসরকারি সকল শিল্প ও সেবা প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

রাষ্ট্রপতি ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) উদ্যোগে রোববার (২ অক্টোবর) সারাদেশে ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, এবছর জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উৎপাদনশীলতা’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘রূপকল্প ২০৪১’ ও ‘জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট ২০৩০’ সামনে রেখে টেকসই অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে মানুষের চিন্তার জগত, জীবনধারা থেকে শুরু করে পণ্য উৎপাদন, সেবা প্রদানসহ সকল ক্ষেত্রে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসছে। শিল্প বিপ্লবের ব্যাপকতা, প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিকতা ও সংশ্লিষ্ট পরিবর্তন আত্তীকরণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সঠিক নীতি ও পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

‘আমাদের জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির উদ্যোগ এ লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ এ কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের নিকট উৎপাদনশীলতার গুরুত্ব যথাযথভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

তিনি ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস ২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।

;

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে একযোগে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিল্পখাতের সকল উৎপাদন কার্যক্রম আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর তথা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা উপযোগী করার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

রোববার (২ অক্টোবর) ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি একথা বলেন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উৎপাদনশীলতা’।

শেখ হাসিনা বলেন, উৎপাদনশীলতার উন্নয়ন ঘটাতে হলে বাংলাদেশকে উন্নত দেশগুলোর মডেল অনুসরণের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতার সংস্কৃতি চর্চা করতে হবে। বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তালমিলিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য দেশের সর্বক্ষেত্রে অর্থাৎ তথ্য ও প্রযুক্তি, অবকাঠামো ও উন্নয়ন এবং শিক্ষা ও গবেষণায় উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত বিষয়ের মধ্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব অন্যতম। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হল আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রচলিত উৎপাদন এবং শিল্প ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয়করণের একটি চলমান প্রক্রিয়া। উৎপাদনশীলতাই উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ গ্রহণ করতে হলে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে এবং দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য একাযোগে কাজ করতে হবে। আগামী বিশ্বে তারাই নেতৃত্ব দেবে; যারা এই বিপ্লবে সফলকাম হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগকে কাজে লাগাতে হলে আমাদের প্রধান লক্ষ্য হতে হবে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি। তবেই দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে গতিশীলতা আসবে এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। এজন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও কৌশলগত উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) দেশব্যাপী জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উদযাপন করছে জেনে আনন্দ প্রকাশ করে দিবসের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

;