বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বরিশালে বদলি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরগুনা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় আলোচিত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীকে তদন্তের স্বার্থে বরগুনা থেকে সরিয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে নিযুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এসএম আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যকর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বরিশাল ডিআইজি রেঞ্জের কার্যালয় থেকে বলা হয়, বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহরম আলীকে তার দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। তাকে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে নিযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় শোক দিবসের একটি অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এছাড়া শিল্পকলা একাডেমি ভবনে আটকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পেটায় পুলিশ।

পরে সন্ধ্যায় বরগুনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহররম আলী যে আচরণ করেছেন, তা অন্যায়। তার বিচার হওয়া উচিত।

প্রতক্ষদর্শীরা জানান, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বেলা ১১টার দিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে যান নবগঠিত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা ও সাধারণ সম্পাদক তৌশিকুর রহমান ইমরানের নেতৃত্বাধীন নেতাকর্মীরা।

এ সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন সভাপতির পদবঞ্চিত নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থকরা। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

‘বিদেশিদের কাছে বিএনপি’র অপশাসন ও সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরুন’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি বিএনপি সরকারের দুর্নীতি, অনিয়ম ও বিরোধীদের বিরুদ্ধে চালানো নৃশংসতার বর্ণনা তুলে ধরতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, ‘বিদেশিরা জানুক, দেশের বিরুদ্ধে বিদেশে অপপ্রচার চালানো বিএনপি’র এখন প্রধান কাজ।’

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব কেএম শাখাওয়াত মুন বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় থাকায় উন্নত দেশের মর্যাদা পেতে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে একত্রে কাজ করে যাচ্ছি।’

নির্বাচনের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর দল দেশে নির্বাচনের নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করেছে। এর ফলে জনগণ এখন স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে। অপরদিকে বিএনপি ভূয়া ভোটার তালিকা তৈরি করে এবং ভোটের দিন সন্ত্রাসী কর্মকা- চালিয়ে জনগণের ভোটাধিকার ছিনিয়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন উপায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে ফেলেছিল।

তিনি বলেন, বিএনপি গত সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের বিপরীতে ৭০০ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল এবং আসন বাণিজ্যের কারণে জনগণ তাদের ভোট দেয়নি।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সংক্ষিপ্তভাবে তাঁর সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি মাতৃভূমিতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করতে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের কোন মানুষ গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না।

নিউইর্য়কে ইউএনজিএ’র ৭৭তম অধিবেশন ও উচ্চ পর্যায়ের অন্যান্য অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছেন।

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করার পর তিনি ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইর্য়কে যান।

প্রধানমন্ত্রী আগামী ৪ অক্টোবর দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

;

ইস্কাটন গার্ডেন রোডে উদ্বোধন হলো এলাকাভিত্তিক কৃষকের বাজার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ইস্কাটন গার্ডেন রোডে উদ্বোধন হলো এলাকাভিত্তিক কৃষকের বাজার

ইস্কাটন গার্ডেন রোডে উদ্বোধন হলো এলাকাভিত্তিক কৃষকের বাজার

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষকগণ দেশের অন্যতম চালিকাশক্তি। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্যপ্রাপ্তি এখনো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে একটি যথাযথ বাজার ব্যবস্থাপনার অভাবে নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তি রাজধানীবাসীর একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি সঠিক বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের মাধ্যমে কৃষক ও ভোক্তার মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনা সম্ভব।

এ লক্ষ্যে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় দ্বিতীয় কৃষকের বাজার উদ্বোধন করা হলো, যেখানে সাভারের তেুঁতলঝোড়া থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর কর্তৃক যাচাইকৃত ১০ জন নিরাপদ চাষি তাদের উৎপাদিত সবজি এবং ফলমূল বিক্রি করবেন।

এলাকাবাসীর জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ খাদ্যের যোগান দিতে প্রতি শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ইস্কাটন গার্ডেন রোডে ঢাকা লেডিজ ক্লাবের পাশে এ বাজারটি আয়োজিত হবে।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নেদারল্যান্ডস সরকারের সহায়তায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সম্মিলিত উদ্যোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডে কৃষকের বাজারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

কৃষকের বাজারটি উদ্বোধন করেন আয়োজনের প্রধান অতিথি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব মোহাম্মদ আবুল বাশার। ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর সিনিয়র প্রজেক্ট ম্যানেজার জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজনে বক্তব্য রাখেন রোকসানা ইসলাম চামেলী, কাউন্সিলর, সংরক্ষিত আসন, ওয়ার্ড নং: ১৩,১৯,২০, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. সানজিদা ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, সাভার উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া, পেদ্রো আন্দ্রেস গার্জন ডেলভো, ফুড সিস্টেম পলিসি ইকনোমিস্ট, ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রজেক্ট, এফএও বাংলাদেশ, গাউস পিয়ারী, পরিচালক, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট। আরো উপস্থিত ছিলেন নুরুল বাশার রিমন, সমাজ সেবক, ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রকল্পের সাসটেইনেবল এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট জাহাঙ্গীর আলম, এবং ঢাকা দক্ষিণের সিটি কো-অর্ডিনেটর শরীফা পারভীন। 

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, ঢাকাবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষকের বাজার কার্যক্রমের মাধ্যমে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদের প্রতি অনুরোধ, আপনারা নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সংরক্ষিত আসন, ওয়ার্ড নং. ১৩,১৯,২০ এর কাউন্সিলর রোকসানা ইসলাম চামেলী বলেন, বাজারটি আরো বড় পরিসরে করা হলে এলাকাবাসীর চাহিদা অনুযায়ী যোগান নিশ্চিত করা সম্ভব। সিটি কর্পোরেশন বাজারের সাথে কৃষকের বাজারকে সম্পৃক্ত করা হলে বাজারটি স্থায়ী হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ড. সানজিদা ইসলাম বলেন, এ বাজারে নিরাপদ ও তাজা সবজি নিয়মিত আসছে কি না, তা এলাকাবাসীকে খেয়াল রাখতে হবে। বাজারের বর্জ্যরে কারণে যেন রাস্তা নোংরা হয়ে এলাকাবাসীর অসুবিধা সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য নিয়মিত তদারকি জরুরি।

সাভার উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন ভূইয়া বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর হাতে কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের উত্তম কৃষি চর্চা শেখানো হয়। এখানে যে পণ্য পাওয়া যায়, তা সম্পূর্ণ নিরাপদ। আমি কৃষকদের অনুরোধ জানাই, তারা যেন পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখেন, নতুবা ভোক্তাগণ নিরুৎসাহিত হবেন।

ঢাকা ফুড সিস্টেম প্রজেক্টের ফুড সিস্টেম পলিসি ইকনোমিস্ট পেদ্রো আন্দ্রেস গার্জন ডেলভো বলেন, সাভারের তেতুলঝোড়া থেকে চাষীরা এখানে নিরাপদ সবজি, ফলমূল বিক্রি করবেন। এলাকাভিত্তিক কৃষকের বাজারের মাধ্যমে আমরা কৃষকদের জন্য আর্থিক লাভ এবং এলাকাবাসীর জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতের জন্য কাজ করছি। বাজারটি টেকসই করার লক্ষ্যে সকল অংশীদারদের সহযোগিতা আশা করছি।

ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী বলেন, কৃষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং এলাকাবাসীকে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিতের জন্য ঢাকা মহানগরীতে ইতোমধ্যে ৭টি কৃষকের বাজার স্থাপিত হয়েছে। আজকে অষ্টম বাজারটি উদ্বোধন করা হলো। আমাদের প্রত্যাশা এ উদ্যোগটি কৃষক ও ভোক্তাদের উন্নয়ন নিশ্চিতে ভূমিকা রাখবে।

;

আট মাসে ৫৭৪ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে গত আট মাসে বাল্যবিয়ের শিকার হয়েছে দুই হাজারেরও বেশি কন্যাশিশু। ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৫৭৪ শিশু। এ সময়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে ৭৬ জন । এসব হয়রানি অধিকাংশই হয়েছে রাস্তা ও বাসায়।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত কন্যাশিশুদের নিয়ে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরামের করা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ প্রতিবেদনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত তথ্য দেয়া হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালের প্রথম আট মাসে ২৮ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দুই হাজার ৪৭৪ কন্যাশিশুর বাল্যবিয়ে হয়েছে। যা গড়ে প্রতিমাসে দাঁড়ায় ৩০৯ জন। যদিও এসময় প্রশাসনের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে ৫8৯টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

আরও জানানো হয়, এসময়ে মোট ৭৬ কন্যাশিশু যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এদের মধ্যে আবার একজন বিশেষ শিশুও রয়েছে। এ নির্যাতনগুলোর অধিকাংশই হয়েছে রাস্তা, নিজের বাসা, নিকটতম আত্মীয় ও গৃহকর্তার দ্বারা।

জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম বলছে, ২০২২ সালের প্রথম এ আট মাসে মোট ৫৭৪ কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এরমধ্যে একক ধর্ষণের শিকার ৩৬৪ জন, দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৮৪ জন। ধর্ষণের শিকারের মধ্যে প্রতিবন্ধী ৪৩ কন্যাশিশুও রয়েছে। এছাড়া প্রেমের অভিনয় ও বিয়ের প্রলোভনে ৪৯ কন্যাশিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২০ জনকে। এছাড়া ৮৭ শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।

এতে জানা যায়, গত আগস্ট মাস পর্যন্ত ৮ মাসে ১৮৬ কন্যাশিশুকে হত্যা করা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে দেখা গেছে, পারিবারিক সহিংসতা, দ্বন্দ্ব, আগে থেকে পারিবারিক শত্রুতার জের, ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের প্রমাণ গোপনের জন্য।

প্রতিবেদনটি তৈরি করতে সংস্থাটি ২৪টি জাতীয়, স্থানীয় এবং অনলাইন পত্রিকার সহায়তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছে। এছাড়া বাল্যবিয়ে সংক্রান্ত কিছু তথ্য নেয়া হয়েছে মাঠপর্যায় থেকে। ১৩ ক্যাটাগরির আওতায় ৫৬টি সাব-ক্যাটাগরিতে এসব তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, কন্যাশিশু ও নারী নির্যাতনের বিষয়ে অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে নানা ধরনের ভুল ধারণা, শঙ্কা ও কুসংস্কার রয়েছে। এরমধ্যে আবার নির্যাতিত শিশু বা তার পরিবার বিচার চাইতে গেলে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। যদি সব বাঁধা উপেক্ষা করে তারা আইনি ব্যবস্থা নিতেও যান, সেখানে আবার দেখা গেছে উল্টো চিত্র। অভিযুক্তদের আটক করা, তাদের শাস্তি দেয়া তথা ন্যায়বিচার পাওয়ার ঘটনা অনেক কম। কখনো তো বিচারই পান না ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিচারহীনতার সংস্কৃতির জন্য অপরাধী নির্ভয়ে অন্যায় করতে উৎসাহিত হচ্ছে। ফলে নির্যাতন ও সহিংসতা বেড়েই চলেছে।

;

নোয়াখালীতে আপত্তিকর অবস্থায় আইনজীবী গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
নোয়াখালীতে আপত্তিকর অবস্থায় আইনজীবী গ্রেফতার

নোয়াখালীতে আপত্তিকর অবস্থায় আইনজীবী গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর মাইজদীর হাউজিং এস্টেটের স্বপ্নচূড়া আবাসিক ফ্ল্যাট থেকে আপত্তিকর অবস্থায় এক আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার মাছুম আরাফাত (৪০) নিজেকে জেলা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তার বাড়ি সুবর্ণচরে। থাকেন জেলা শহরের ল'ইয়ার্স কলোনিতে।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ওই ফ্ল্যাটের ৫ম তলার বি ব্লকের বাসা থেকে তাকে আটকের পর বিকেলে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে বিচারকের নির্দেশে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, স্বপ্নচূড়া আবাসিক ফ্ল্যাটের ৫ম তলার বি ব্লকের এক নারীর সঙ্গে তার স্বামীর অনুপস্থিতিতে বাসায় অবস্থান করে আইনজীবী মাছুম আরাফাত। বিষয়টি স্থানীয়রা টের পেয়ে বাসাটি ঘিরে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তাৎক্ষণিক মাছুম আরাফাতকে থানায় নিয়ে আসে।

সুধারাম মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান পাঠান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয় মাছুম আরাফাতকে। আদালত পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে আসামিকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

;