'রাজনৈতিক অর্থনীতির জনবান্ধব চর্চা জরুরি'



মায়াবতী মৃন্ময়ী, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার পরিচালনা পরিষদের অভিজ্ঞতায় মনে করেন, "সব সময় রাজনৈতিক কথাবার্তা বলার চেয়ে রাজনৈতিক অর্থনীতির জনবান্ধব চর্চা করা জরুরি।" চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিনিয়র প্রফেসর ও শিক্ষাবিদ মনে করেন, "আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও ভূ-রাজনৈতিক কারণে অনেক স্বল্পোন্নত দেশেরই স্বাধীনতা ও অর্থনীতি বিপন্ন। ফলে বাস্তবতার নিরিখে নীতিনির্ধারকদের সঠিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হবে।"

বার্তা২৪.কম'র সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকার প্রফেসর পারভেজ বলেন, "সারা পৃথিবীই এখন একটি 'অর্থনৈতিক মন্দার ব্ল্যাক হোল'-এর দিকে যাচ্ছে বা ঢুকে গেছে। এ বিষয়ে কারো কোনও সন্দেহ নেই। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে উদ্বিগ্ন। ধারণা করা হচ্ছে যে, ২০২৩ সালের এপ্রিলের দিকে খাদ্যাভাব এবং নানাবিধ আর্থিক সঙ্কট দেখা দেবে। মূলত চলমান অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সারা পৃথিবীতে খাদ্য সাপ্লাই চেইন বাধাগ্রস্থ হবে। অনেক দেশ তার বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে খাদ্য জমা করবে। আবার অনেক দেশ খাদ্য রফতানি করবে না। এমতাবস্থায় অনেকে 'প্যানিক বায়িং' করবে। আবার অনেকে খাদ্য মজুদ করবে। এসবের কারণেও খাদ্যের অভাব বিশ্বের দেশে দেশে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে।"

প্রফেসর সৈয়দো আহসানুল আলম পারভেজ বলেন, "এই সময় সকলে বলছে মিতব্যয়ী হতে। অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, আঠার মাস এ অবস্থা থাকতে পারে। তাই এ সময় কেনাকাটা কিছু কম করতে হবে। আর যা নগদ আছে তা খরচ না করার বা কেনা কমিয়ে দেওয়ার দিকেও নজর দিতে হবে। তবে সঙ্কুল পরিস্থিতিতে ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিতেও ধস নামতে পারে। ফলে অনেক লোক বেকার হয়ে যাবে। অনেক লোক পেশা বদলাতে বাধ্য হবে।"

আর্থিক সমস্যার কবল থেকে বাঁচার জন্য তখন অনেকেই তাদের আদি পেশায় ফেরার কথা ভাববেন বলে তাঁর অভিমত। তিনি বলেন, "পরিস্থিতি হবে কবিতার 'এবার ফেরাও মোরে' উক্তির মতো। মানুষ আবার কৃষির দিকে চলে আসবে। পৃথিবীও নতুন করে কৃষি পণ্য উৎপাদন, কৃষি পণ্যের বিকাশের দিকে ফিরে যাবে। এর ফলে কৃষি পণ্য নির্ভর শিল্পের বিকাশ হবে। এতে করে যারা অনেক হাইটেক জিনিস, অনেক বিলাশবহুল, দামি ডিভাইস, দামি ঘড়ি, দামি গাড়ি কেনে, তারা সেই দিকের ব্যয় সঙ্কোচন করতে বাধ্য হবে। তবে, বিশ্বের একটি অংশের মানুষ দুর্ভিক্ষের মধ্যে পতিত হওয়ার ঝুঁকি থাকছে। বাড়বে বেকারত্ব, দারিদ্র ও ক্ষুধা।"

তিনি বলেন, "আমি মোটা দাগে মনে করি, আসন্ন মন্দায় বিশ্বে খারাপের পাশাপাশি ভালোও হবে। আমি বলছি না খারাপের চেয়ে ভালো বেশি হবে। তবে খারাপ প্রভাবের মতো ভালো প্রভাবও থাকবে।"

প্রফেসর পারভেজ বলেন, "আমেরিকার অধিকাংশ সম্পদ ১% লোকের হাতে, বাংলাদেশর অধিকাংশ সম্পদ ৩-৪% লোকের হাতে। এটাই হচ্ছে পৃথিবীর চিত্র। এই একশ বা একহাজার বিলিয়নিয়ার বা ১০০ ট্রিলিয়নিয়ারের হাতেই পৃথিবীর প্রায় সব সম্পদ পুঞ্জিভূত। পরিস্থিতির অভিঘাতে এই বিন্যাসেও পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ নতুন করে পালাবদল হবে আর্থিক স্তর বিন্যাসে। বড় বড় বিলিয়নিয়াররা গবীর হয়ে যাবে। কেউ কেউ সুইসাইড করবে। আবার এর মধ্যে কেউ কেউ বুদ্ধি খাটিয়ে টাকা আয় করবে। এখানে শুধু ব্যক্তির কথা বলছি না। আমি বিভিন্ন দেশ ও জাতির কথা বলছি। যেমন: আমেরিকানরা লন্ডভন্ড অর্থনীতির দুর্দশা ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধকেও এসব মাড়িয়ে চলে যাবে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে তারা, যারা যতটা সম্পদশালী ছিল, তার থেকে বেশি বেশি দেখিয়েছে। তারা এই ক্রান্তিকাল ঠেকাতে পারবে না। কারণ, এই বাড়তি ব্যয়ের জন্য তারা প্রস্তুত ছিল না। ফলে আমাদের নীতিনির্ধারকদের আগাম অপচয় রোধ, ব্যয় সঙ্কোচন ও কৃচ্ছ্বতার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে সম্ভাব্য আর্থিক বিপদ উত্তরণে এখন থেকেই নীতি ও কর্মসূচিগত সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে।"

গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোট: সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় থাকবে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়মের কারণে বন্ধ হওয়া গাইবান্ধা- ৫ আসনের উপনির্বাচনের নতুন তারিখ আগামী ৪ জানুয়ারি।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) কমিশন বৈঠকে ভোটের এই নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোট হবে। আগের মতো এবারো ভোটে সিসি টিভি ক্যামেরা থাকবে।

মঙ্গলবার কমিশন সভা শেষে ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের এ সব তথ্য জানান।

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা- ৫ আসনে উপনির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসি টিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করেন কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন। ভোটে অনিয়ম ধরা পড়লে ভোট গ্রহণের চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি ভোটকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে ভোট শেষের দেড় ঘণ্টা আগেই এ ভোট বন্ধ ঘোষণা করেন।

ভোট বন্ধের ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা সমালোচনার মুখে পড়ে বর্তমান কমিশন। এরপর এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করে আউয়াল কমিশন।

;

তিন বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রচারে একসঙ্গে ইউনেস্কো-সিসিমপুর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিশুদের কাছে বাংলাদেশে ইউনেস্কোর তিন বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবন, ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট ও পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারকে পরিচিত এবং জনপ্রিয় করতে একসঙ্গে কাজ করবে ইউনেস্কো এবং সিসেমি ওয়ার্কশপ বাংলাদেশ তথা সিসিমপুর। নতুন এই উদ্যোগের আওতায় তথ্য এবং বিনোদনের মাধ্যমে শিশুদের কাছে এই তিন বিশ্ব ঐতিহ্যকে আরও বেশি পরিচিত করতে কাজ করবে সিসিমপুর। শিশুদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় সিসিমপুরের চরিত্রগুলোকে দিয়ে এই তিন বিশ্ব ঐতিহ্যের ওপর তৈরি করা হবে এডুটেইনমেন্ট ভিডিও। পাশাপাশি শিশুদের জন্য থাকবে কিছু অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমও।

এই উপলক্ষে ৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ইউনেস্কো-এর ঢাকা কার্যালয়ে ইউনেস্কো এবং সিসিমপুরের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইউনেস্কো বাংলাদেশের অফিস প্রধান সুজান ভাইজ এবং সিসিমপুরের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহ আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ইউনেস্কো-সিসিমপুর নতুন এই উদ্যোগ সম্পর্কে ইউনেস্কো বাংলাদেশের প্রধান সুজান ভাইজ বলেন, ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কনভেনশনের ৫০তম বার্ষিকীতে সিসিমপুরের সাথে এই যৌথ কার্যক্রম শুরু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর মধ্য দিয়ে হালুম, টুকটুকি, ইকরি এবং শিকুর সাথে আমাদের একটি বর্ণিল এবং ফলপ্রসু যাত্রার সূচনা হলো। আমি বিশ্বাস করি এই কার্যক্রম বাংলাদেশের শিশুদের কাছে দেশটির তিন বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে আরও ব্যাপকভাবে পরিচিত করে তুলবে।

সিসিমপুরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, ইউনেস্কোর এই বিশ^ ঐতিহ্য আমাদের জন্য গর্বের। কিন্তু শুধু শিশুরাই নয় আমাদের দেশের এই তিন বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পর্কে আমরা অনেকেই ঠিকঠাক জানি না। অথ এই বিষয়ে সবারই জানা দরকার। নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা শিশু এবং নতুন প্রজন্মের তরুণদের কাছে ইউনেস্কোর তিন বিশ^ ঐতিহ্যকে পরিচিত এবং জনপ্রিয় করতে চাই।

উল্লেখ্য ১৯৮৫ সালে ঐতিহাসিক মসজিদের শহর বাগেরহাট ও পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং ১৯৯৭ সালে সুন্দরবন ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হয়।

;

গাইবান্ধা ৫ আসনে উপনির্বাচনের ভোট ৪ জানুয়ারি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অনিয়মের কারণে স্থগিত হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের ভোট হবে আগামী ৪ জানুয়ারি (রোববার)।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশন ভবনে কমিশন সভা শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম এ কথা জানান।

সচিব জানান, সিসি ক্যামেরা ও ইভিএমে ভোট হবে। আগের বারের অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও এজেন্টরা এ ভোটে কাজ করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ওইদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ হবে।

গত ১২ অক্টোবর নানা অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে ওই আসনের উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরে তদন্ত করে ১৩৩ জনের বিরুদ্ধে বরখাস্তসহ শাস্তির সুপারিশ করে নির্বাচন কমিশন।

উল্লেখ্য, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে শূন্য হওয়া গাইবান্ধা-৫ আসনে গত ১২ অক্টোবর উপনির্বাচন হয়। এতে অনিয়মের ঘটনায় ৫১টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে ইসি। পরে গোটা নির্বাচনের ভোটই বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

;

বিদেশি বিনিয়োগের আদর্শ জায়গা বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে আদর্শ স্থান হিসেবে বর্ণনা করে পারস্পরিক সুবিধার্থে বৃহত্তর বিদেশী ও স্থানীয় বিনিয়োগ কামনা করেছেন।

 তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বে বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আদর্শ জায়গা। কারণ আমরা সর্বোচ্চ বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছি। তাই আমি আশা করি বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের দেশে বিনিয়োগ আসবে এবং স্থানীয় জনগণও নিজ দেশে বিনিয়োগ করতে অনুপ্রাণিত হবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ৩০০ কোটির বেশি মানুষের বাজার হতে পারে। প্রায় ১৭ কোটি মানুষ আমাদের নিজেদেরই। আর পূর্ব দিকে ৫০ কোটি, উত্তর দিকে ১৫০ কোটি, পশ্চিমে ১০০ কোটি মানুষের বাজার রয়েছে। যোগাযোগ অবকাঠামো বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ থেকে পণ্য পরিবহনে বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে যারা বিনিয়োগ করবেন, তারা সমৃদ্ধ হবেন, আমাদের দেশেরও উন্নতি হবে।’

মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে (বিএসইজেড) স্থাপিত জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এই অর্থনৈতিক অঞ্চল উদ্বোধন করেন।

এ সময় আড়াইহাজার প্রান্ত থেকে বক্তব্য রাখেন জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, জাপানের সুমিতমো করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাসাইউকি হিওদো, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন। উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু ও জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজসহ অতিথিগণ।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের জনগণের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি যখন ১৯৫৪ সালে প্রথম মন্ত্রী হয়েছিলেন তখনই তিনি প্রথম এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। পরে আবারো তিনি মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়ে দেশব্যাপী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তোলার ব্যাবস্থা নিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি শ্রম ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি কলকারখানা জাতীয়করণ করে পুনরায় চালু করেছিলেন। জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল আমাদের কৃষি প্রধান দেশ, পাশাপাশি শিল্পায়নও ঘটবে। জাপান যেভাবে কৃষি নির্ভর দেশ থেকে শিল্পায়ন হয়েছে জাতির পিতা সবসময় জাপানকে দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপন করতেন। জাপান আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু। জাপান সবসময় আমাদের পাশে ছিল। এ সোনারগাঁ হোটেল, যমুনা সেতু নির্মাণ এমনকি পদ্মা সেতু নির্মাণেও জাপান সহায়তা করেছে। বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের অনেক অবদান রয়েছে। আমি জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

তিনি আরো বলেন, এখানে আমাদের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে চার থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলার আমরা উপার্জন করছি। অনেক মানুষ এখানে কাজ করছে। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা রেখেই আমরা এ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো গড়ে তুলছি।

;