ফেনসিডিলসহ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ছেলে গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের ছেলে মাহি সরকারকে ৭ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে জেলা শহরের ফুলবাড়িয়াস্থ নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে জেলা পুলিশ। আল মামুন সরকারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে মাহিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, মাহি সরকার নেশাগ্রস্থ হয়ে পড়ায় তাকে উদ্ধার করে রিহ্যাবে পাঠানোর জন্য আমাদের কাছে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার লিখিত আবেদন করেন। আমরা তার বাসায় অভিযান চালিয়ে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ৭ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেফতার করেছি। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নিয়ে আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সকালে দলবল নিয়ে শহীদ ধীরেন্দ্রনাধ চত্তরে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় এসে হট্টগোল করেন মাহি। এসময় একটি গাড়ি ভাঙ্গচুর ও কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে বাসায় অভিযানের সময় কোন আগ্নেয়াস্ত্র পাননি বলে জানিয়েছেন ওসি।

এমআইএসটির ফ্যাকাল্টি ও এ্যাডমিন টাওয়ার উদ্বোধন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মিলিটারী ইনস্টিটিউট অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) ১৯৯৯ সালে নতুন কোন অবকাঠামো নির্মাণ ব্যতিরেকে সেনাবাহিনীর নিজস্ব স্থাপনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ জন ছাত্র অফিসার নিয়ে মিরপুর সেনানিবাসে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ৪টি অনুষদের অধীনে ১৩টি বিভাগে সর্বমোট ২,৯১৭ জন ছাত্র/ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং এর পাশাপাশি এমআইএসটিতে ৮ টি বিভাগে এমএসসি, ৩ টি বিভাগে এমফিল এবং ৭ টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু আছে।

এমআইএসটির অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধাসহ ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, এ্যাডমিন টাওয়ার এবং Hall of FAME এর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২৯ নভেম্বর ভবন সমূহের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি, উক্ত অনুষ্ঠানে এমআইএসটির প্রাক্তন কমান্ড্যান্টবৃন্দ, সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থাপনাসমূহ উদ্বোধনের মাধ্যমে এমআইএসটির প্রতিটি অনুষদের বিপরীতে একটি করে স্বতন্ত্র টাওয়ার বিল্ডিং এ একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করবে। উদ্বোধনকৃত ফ্যাকাল্টি টাওয়ার সমূহে সর্বাধুনিক (স্টেট অব আর্টস) গবেষণাগার বিদ্যমান। যা এমআইএসটি তথা বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

হল অব ফেম এর দেয়ালে সংরক্ষিত হয়েছে এমআইএসটির প্রতিষ্ঠা লগ্ন হতে অদ্যবধি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক সমূহ, সকল স্বর্ণ পদকপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের নাম, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা সমূহের উল্লেখযোগ্য সাফল্য সমূহ। সম্মানিত সেনাপ্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করল এমআইএসটির পেট্রোলিয়াম ও লুব্রিকেটিং স্টেটিং ল্যাব যা বাংলাদেশে ব্যবহৃত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির সঠিক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। একই সাথে তিনি সাইবার সিকিউরিটিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নির্মিত সাইবার রেঞ্জও পরিদর্শন করেন।

নতুন উদ্বোধনকৃত প্রশাসনিক ভবনে ৪৫০০০ বর্গফুটের এমআইএসটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরি বিদ্যমান। উক্ত লাইব্রেরির একটি অংশে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রায় ৪০০০ (চার হাজার) বই সম্মলিত “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ” কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। যাতে আগামী প্রজন্মের ইঞ্জিনিয়ারগণ জাতির জনকের জীবন-কর্মকান্ড এবং স্বাধীনতার ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারে। একই সাথে লাব্রেরিতে আনুমানিক ২৫০০ বই নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ ‘‘শেখ রাসেল আঙ্গিনা”। যা শেখ রাসেল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের জানতে সাহায্য করবে।

বিজ্ঞপ্তি

;

বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে আটাবের পর্যটন মেলা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে আটাবের পর্যটন মেলা

বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে আটাবের পর্যটন মেলা

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম এক্সপো (বিআইটিটিআই) আয়োজন করতে যাচ্ছে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্র্যাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব)।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে মেলা উপলক্ষে আটাবের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আটাবের সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোর্শেদ।

তিনি বলেন, পর্যটন খাতের বিকাশের উদ্দেশ্যেই এই আয়োজন। করোনা পরবর্তী সময়ে যেভাবে অভ্যন্তরীণ পর্যটন বিকাশ লাভ করেছ। ঠিক তেমন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাতে দেশের পর্যটন ছড়িয়ে পড়ে, সেই ব্যবস্থা করতে চাই। আমরা কিভাবে বিদেশি মুদ্রা আয় করতে পারি, একই সঙ্গে সাউথ এশিয়ার অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে কিভাবে নিজেদের দেশকে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, সে লক্ষ্যেই আয়োজন করতে হবে। এতে আমরা ৩টি সেমিনার করতে যাচ্ছি। মেলায় সাংবাদকর্মীদের জন্য মিডিয়া কর্নার থাকবে এবং মেডিকেল টিম থাকবে।

আটাবের মহাসচিব আবদুস সালাম আরেফ জানান, মেলার উদ্বোধন করবেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী এবং উপস্থিত থাকবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান প্রমুখ।

তিনি বলেন, আমাদের এই পর্যটনমেলার উদ্দেশ্য হচ্ছে পর্যটনের সঙ্গে সম্পর্কিত এসডিজি অর্জনে সহযোগিতা করা। পর্যটনখাতে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা। দেশি-বিদেশি ট্রাভেল এজেন্সি ও ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরিতে ভূমিকা রাখা। একই সঙ্গে বিদেশি ট্যুরিস্টদের আকৃষ্ট করা।

পর্যটনমেলার তিনদিনে তিনটি সেমিনার থাকবে। প্রথম দিন দেশের পর্যটনখাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া।

দ্বিতীয় দিনে দেশের অ্যাভিয়েশন ও পর্যটন বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ শীর্ষক সেমিনার হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন। তৃতীয় দিন ডিজিটাল যুগে পর্যটন শীর্ষক সেমিনার। সভাপতিত্ব করবেন আটাবের সভাপতি।

এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে ব্যবসায়িক সংযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হবে এবং দেশের জনসাধারণ বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের তথ্য, প্যাকেজ ও এয়ার টিকিট সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়।

আটাব ভ্রমণ ও পর্যটনখাতে বিগত ৪৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আটাব বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম এক্সপো (বিআইটিটিই) নামক একটি আন্তর্জাতিক এক্সপো আয়োজন করতে যাচ্ছে।

আগামী ১ থেকে ৩ ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে এই মেলা আয়োজিত হতে যাচ্ছে। এবারের মেলায় ১৫টির বেশি দেশ ভারত, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলংকা, তুরস্ক, আজারবাইজান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য দেশ থেকে এয়ারলাইন্স, হসপিটাল, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার, ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও অন্যান্য ট্র্যাভেল ও ট্যুরিজমখাত সংশ্লিষ্ট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীতে প্রদর্শক হিসেবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।

মেলায় প্রোডাক্ট ব্রান্ডিং, বিদেশি মুদ্রা অর্জনে দেশের পর্যটন সেবার মান উন্নয়ন ও বিক্রির বাজার সৃষ্টি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফ্যান ট্যুর, পর্যটন শিল্পের প্রচার-প্রসার, ঐতিহ্যবাহী খাদ্য প্রদর্শন, বিভিন্ন দেশের অ্যাম্বাসি, হাইকমিশনগুলোর সঙ্গে সু-সম্পর্ক স্থাপন, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে দৃঢ় ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলা, দেশের পর্যটন সচেতনতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন সেমিনার, গোলটেবিল আলোচনা, কর্মশালা, বিটুবি সেশনসহ আকর্ষণীয় সব আয়োজন থাকবে। মেলা চলাকালীন প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে।

;

বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি পুলিশের, ২৬ শর্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। তবে এজন্য দলটিকে ২৬টি শর্ত দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে ডিএমপি কমিশনারের পক্ষে উপকমিশনার (সদরদপ্তর ও প্রশাসন) আব্দুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিটি বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘২০ নভেম্বর আবেদনের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বিপরীতে গণ-সমাবেশ করলে যানজট ও নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে বিধায় উক্ত স্থানের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২৬ শর্তে যথাযথভাবে পালন সাপেক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর (শনিবার) ১২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টার মধ্যে ঢাকা বিভাগীয় গণ-সমাবেশ করার অনুমতি প্রদান করা হলো।’

শর্তগুলো হলো

১. এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমোদন নিতে হবে।

২. স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রের উল্লেখিত শর্তাবলি যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

৩. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সমাবেশের যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

৪. নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্তসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক (দৃশ্যমান আইডি কার্ডসহ) নিয়োগ করতে হবে।

৫. স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলের ভেতরে ও বাইরে উন্নত রেজুলেশন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।

৬. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং সমাবেশস্থলে আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভিউকল স্ক্যানারের মাধ্যমে সমাবেশস্থলে আসা সব যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সমাবেশস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৯. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে ও আশপাশে মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

১০. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।

১১. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে, রাস্তায় বা ফুটপাতে কোথাও লোক সমবেত হওয়া যাবে না।

১২. আজান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময় মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

১৩. ধর্মীয় অনুভূতির ওপর আঘাত আসতে পারে এমন কোনো বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান বা প্রচার করা যাবে না।

১৪. অনুমতি দেওয়া সময়ের মধ্যে সমাবেশের কার্যক্রম শেষ করতে হবে।

১৫. সমাবেশ শুরুর দুই ঘণ্টা আগে লোকজন সমবেত হওয়ার জন্য আসতে পারবে।


১৬. সমাবেশস্থলের আশপাশসহ রাস্তায় কোনো অবস্থায় সমবেত হওয়াসহ যান ও মানুষ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা করা যাবে না।

১৭. পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন-বহনের আড়ালে কোনো ধরনের লাঠি, রড ব্যবহার করা যাবে না।

১৮. আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কার্যকলাপ করা যাবে না।

১৯. রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কার্যকলাপ ও বক্তব্য দেওয়া যাবে না।

২০. উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।

২১. মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে আসা যাবে না।

২২. নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং করতে হবে, মূল সড়কে কোনো পার্কিং করা যাবে না।

২৩. সমাবেশস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হলে আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।

২৪. স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সমাবেশ করতে হবে।

২৫. উল্লেখিত শর্তাবলি পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।

২৬. জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ কোনো কারণ দর্শানো ছাড়া এই অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।

;

সরকারকে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সরকারকে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা

সরকারকে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে সংশোধনী অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা

  • Font increase
  • Font Decrease

মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২২-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যা সরকারকে বিশেষ পরিস্থিতিতে নিজস্বভাবে জ্বালানি শুল্ক নির্ধারণের ক্ষমতা দেয়।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) শুল্ক হার নির্ধারণের বিষয়ে পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্ত নিতে ৯০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। কারণ, এটা দীর্ঘ প্রক্রিয়া।

তিনি আরো বলেন, বিইআরসির সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা না করে এখন যা বিরাজ করছে এমন পরিস্থিতিতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানির দাম নির্ধারণ করতে দেয়ার জন্য এই সংশোধনী আনা হয়।

বৈঠকে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি ও জ্বালানি আমদানির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী কর্মী পাঠানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ও ব্রুনাই দারুসসালামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক মন্ত্রিসভায় ভুতাপেক্ষ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ ও লুক্সেমবার্গের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া ও অনুমোদন করেছে।

আনেয়ারুল ইসলাম বলেন, ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই বিষয়বস্তুর যথার্থতা যাচাই করতে বলা হয়েছে।

খন্দকার আনোয়ার উল্লেখ করেন, এছাড়া, মন্ত্রিসভা বাংলাদেশ বিমান আইন-২০২২-এর চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে।

;