প্রতিবন্ধীদের উন্নয়নে সকলকে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিবন্ধী মানুষের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের জনগণ, সংশ্লিষ্ট সকল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) ‘৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস-২০২২ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে জেনে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন। দিবসটি উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

এবারের আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী পদক্ষেপ: প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভূমিকা’ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি বাণীতে উল্লেক করেন।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ (১) নম্বর অনুচ্ছেদে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ দেশের সকল নাগরিকের সুযোগের সমতা নিশ্চিত করেছেন। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রতিবন্ধী জনগণের জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী আমাদের সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাদের বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে আমাদের সরকার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বহুবিধ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছে।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিবন্ধী ও অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রদানের লক্ষ্যে আমরা দেশের ৬৪টি জেলা ও ৩৯টি উপজেলায় মোট ১০৩টি প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় থেরাপি- সংক্রান্ত সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ৪৫টি ভ্রাম্যমাণ মোবাইল রিহ্যাবিলিটেশন থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষার পথ অবারিত করতে সারাদেশে ৭৪টি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও ১২টি স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজম পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ক্ষমতায়নের প্রতীক হিসেবে ঢাকার মিরপুরে প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ তলা বিশিষ্ট মাল্টিপারপাস প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স (সুবর্ণ ভবন) নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অনুপ্রাণিত করতে প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা জেলার অদূরে সাভারে একটি আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। আমার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে। আগামীর বিশ্বকে আমরা প্রতিবন্ধী/বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য কল্যাণকর বিশ্ব হিসেবে গড়ে তুলবো, যেখানে নিত্য নতুন প্রযুক্তি-জ্ঞান উদ্ভাবনের মাধ্যমে এ ধরনের মানুষের জীবনযাত্রা সহজতর হবে।

আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেছি। সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনকালে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। আমরা জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছি। আমাদের সরকারের গৃহীত সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের ফলে ২০৪১ সালের বাংলাদেশ উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত হবে ইনশাল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকলের সম্মিলিত কর্মপ্রয়াসে সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে এদেশকে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত অসম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব।

তিনি ৩১তম আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস ও ২৪তম জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস- ২০২২ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

বিডা ১০ হাজার কারখানা পরিদর্শন করবে: সালমান এফ রহমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাতের শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সারাদেশে আরও ১০ হাজার কারখানা পরিদর্শন করবে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিডা ইতিমধ্যেই ৫,২০৬টি কারখানা পরিদর্শন করেছে। কর্তৃপক্ষ আরও ১০ হাজার কারখানা পরিদর্শন করার পরিকল্পনা করেছে। কারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুঘর্টনা রোধে ও কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে গঠিত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কারখানা পরিদর্শন অধিদফতর থেকে জনবল বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ গঠনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।

সালমান এফ রহমান বলেন, সরকার বিভিন্ন কারখানা, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নিরাপদ কাজের পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠকে জানানো হয়, পরিদর্শনকৃত মোট কারখানার মধ্যে ১৭টি কারখানায় আগামী তিন মাসের মধ্যে সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি করতে সুযোগ দেয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, কোন কারখানায় নূন্যতম উন্নতি না হলে, সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ২০৬ টি কারখানাকে ৬ মাসের সুযোগ দেয়া হয়েছে। এ সকল কারখানা ক্রাইটেরিয়ার ৫০ ভাগ স্কোর করেছে। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিবেশের উন্নতি না হলে কোম্পানি বন্ধ করে দেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, পরিদর্শনকৃত কারাখানাগুলোকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের ত্রুটি সংশোধনের নিদের্শ দেয়া হবে। একই সময়ে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

সালমান বলেন, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং প্রণীত হয়েছে এবং এটির সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি (বিবিআরএ) গঠন করা জরুরি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিবিআরএ’র তত্ত্বাবধানে সকল ডিজাইন অনুমোদন এবং ভবন নিমার্ণ কাজ তদারকি করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির উন্নতি হবে। বৈঠকে সালমান এফ রহমান বিবিআরএ গঠন করতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহবান জানান।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি (অতিরিক্ত সচিব) বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অ্যাকশন প্লান তৈরি করা হবে এবং বিবিআরএ গঠন ও বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন (এলজিআরডি) ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

;

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী এ সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি হামিদ ২১ বইমেলায় তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আমার জীবননীতি, আমার রাজনীতি’ এর মোড়ক উন্মোচন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

;

‘চলতি অর্থবছরে ১০ হাজার মিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০ হাজার মিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের লিখিত জবাবে জাতীয় সংসদকে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি উচ্চ রেমিট্যান্সপ্রাপ্ত দেশ। বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির পরও ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এবং ২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স যথাক্রমে ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২১ দশমিক ০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার ৪৯৩ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স অর্জিত হয়েছে।

রেমিট্যান্সে প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে গত কয়েক বছরে গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈধভাবে ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে কর্মীদের উৎসাহিত করা; অধিক কর্মী পাঠানের মাধ্যমে রেমিট্যান্সে প্রবাহ বৃদ্ধি করা; অধিক রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে অনিবাসী/প্রবাসী বাংলাদেশি ওয়েজ আর্নারদের জন্য সরকার কর্তৃক বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এবং বিশেষ নাগরিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা উল্লেখযোগ্য।

তিনি জানান, প্রবাসীদের মাঝে রেমিট্যান্সে প্রেরণকারী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৫৭ জন এবং বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটাগরিতে ১০ জনসহ মোট ৬৭ জনকে সিআইপি (এনআরবি) ২০২০ ঘোষণাপূর্বক সম্মাননা হিসেবে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও সিআইপি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।

সংসদ নেতা আরও জানান, প্রবাসী কর্মীদের অর্জিত অর্থ বৈধপথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য দূতাবাসসমূহ অব্যাহত প্রচার চালিয়ে আসছে। প্রতিবছর ‘আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস’সহ দূতাবাসের সব অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার চালানো হচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে রেমিট্যান্সের কোনো বিকল্প নেই এবং তা আনতে হবে বৈধ পথে।

তিনি জানান, নতুন শ্রম বাজার অনুসন্ধান, বিদ্যমান বাজার সংহত করা এবং সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্ভাবনাময় দেশসমূহের সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলো আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

সরকারের নেওয়া বেশকিছু পদক্ষেপের ফলে গত এক বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকারি দলের কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, এই ১১ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৪ কর্মীর মধ্যে নারী কর্মীর সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৬ জন।

তিনি জানান, সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে ২০২২ সালে ৬১৫ জন পেশাজীবী এবং ১৭ হাজার ৯৭৮ জন দক্ষ কর্মীসহ মোট ১৮ হাজার ৫৯৩ জন কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেছে। বর্তমানে ১৬৮টি দেশে শ্রমশক্তি রফতানি করা হচ্ছে। কিন্তু সরকার মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক শ্রম বাজার নির্ভরতা কমাতে চায়। সেজন্য পূর্ব ইউরোপ ও পূর্ব এশিয়ার নতুন কিছু দেশে শ্রমিক রফতানি করার চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগের ২০১৮ সালের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রতি উপজেলা থেকে গড়ে বছরে এক হাজার কর্মী পাঠানোর জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

;

ঠাকুরগাঁও-৩ উপনির্বাচন: জয়ী লাঙ্গলের হাফিজ উদ্দিন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও -৩ (পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল) আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৬৩ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী গোপাল চন্দ্র রায় পেয়েছেন ১৬ হাজার ৬৯১ ভোট।

ভোটগ্রহণ শেষে বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হাসান ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এর আগেও আমি এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। আবার জনগণ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। সবসময় জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মন্জুরুল হাসান বলেন, সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে ইভিএমে মানুষ ভোট প্রদান করেছেন। কোন ধরনের সমস্যা দেখা যায়নি। এতে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

উল্লেখ্য, পীরগঞ্জ ও রানীশংকৈল উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ আসন। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১২৮টি। এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১০ জন এবং নারী ১ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩১ জন।

এ আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ১৪ দল মনোনীত ওয়ার্কার্স পার্টির মো. ইয়াসিন আলী (হাতুড়ি), জাতীয় পার্টির হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় (একতারা), জাকের পাটির এমদাদুল হক (গোলাপ ফুল), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাফি আল আসাদ (আম) ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সিরাজুল ইসলাম (টেলিভিশন)।

;