‘টাকা কবে পাবেন তারিখ দিতে পারবো না’



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

টাকা কবে পাবেন তারিখ দিতে পারবো না। এক মাস পরে ফোন দেবেন, তখন যদি আসতে বলি তারপর আসবেন। আর যদি চেক রেডি না হয় তাহলে! তখনকার কথা তখন বলবেন, আগেই কিছু বলতে পারবো না।

হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সিনিয়র এক্সিকিউটি ভাইস-প্রেসিডেন্ট (হেড অব ট্রেনিং রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ফরিদ জামান বিমা দাবি পরিশোধের বিষয়ে গ্রাহককে এভাবেই বিদায় করতে চাইলেন।

শফিকুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি এবার তাকে অনুরোধ করলেন, দেখেন আমি দুই বছর ধরে ঘুরতেছি। এর আগেও অনেকবার এভাবে আমাকে বলা হয়েছে। যে ফোন নম্বর দিয়েছেন সেই ফোনও রিসিভ করা হয় না। গ্রাহকরা আমাকে চাপের মধ্যে রেখেছে। আমি ভয়ে ভয়ে তাদের এড়িয়ে চলি। ফরিদ জামান এবার তাকে একই জবাব দিলেন, আপনি সামনে মাসের (সেপ্টেম্বর) ২৫ তারিখে ফোন দিয়ে জেনে নেবেন। আমি যদি আসতে বলি তবেই আসবেন, না হলে আসবেন না। এর বেশি কিছু বলতে পারবো না।

শফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ওদের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে হয়রান হয়ে গেছি। আমার জীবন যায় যায় অবস্থা। অফিসে এলে তারা কোনো তারিখ দেয় না। আবার এলাকায় গেলে গ্রাহকদের চাপ। কান ধরেছি জীবনে আর বিমা নয়।

তিনি বলেন, আমার তালিকায় থাকা গ্রাহকরা খুবই গরিব মানুষ। ক্ষুদ্র বিমা করেছে, খেয়ে না খেয়ে টাকা জমা দিয়েছে। রোজিনা আক্তার (পলিসি নম্বর-০০০০০০৪৯৭০৪০) অন্যের বাসা-বাড়িতে কাজ করেন। তার পাওনা টাকার পরিমাণ মাত্র ৫ হাজার ১৬৭ টাকা। সেই টাকার জন্য দেড় বছর ধরে ঘুরতে হচ্ছে। হাসিনা বেগমের পাওনা মাত্র ২ হাজার ৩৩৩ টাকা। সেই টাকার জন্য বছরের পর বছর এভাবে ঘুরানো হচ্ছে।

ফরিদপুর থেকে একজন গ্রাহক এসেছিলেন বিমা দাবির চেক নিতে। তিনিও দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ঘুরছেন। ভদ্রলোক তার স্ত্রীর অসুস্থতার কথা বলেও কোন সুরাহা করতে পারলেন না। তিনি আক্ষেপ করে বললেন, যেভাবে ঘুরাচ্ছেন, আসা-যাওয়ায় সব টাকা খরচ হয়ে যাবে।

সিঁড়ির গোড়ায় একজন জানালেন, এভাবে ঘুরে লাভ হবে না। লাইন করতে পারলে সহজেই পাবেন। অনেকেই নাকি এভাবেই নিজের পাওনা তুলছেন। তার এই ইঙ্গিতপুর্ণ কথায় অর্থ হচ্ছে, কমিশন দিলে কাজ হবে, না হলে ঘুরতে থাকেন। অর্থাৎ হোমল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ঘুষ দুর্নীতি ‍ঢুকে পড়েছে। যারা ঘুষ দিচ্ছেন তাদের চেক হচ্ছে, অন্যদের ঘুরতে হচ্ছে মাসের পর মাস।

ওই গ্রাহকদের বিদায়ের পর আমার বিমা দাবির চেক নিয়ে আলাপ শুরু। ২০২১ সালে বিমার মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে, টাকা দেওয়ার কথা ২০২২ সালে। ওই বছর গেলে ৭ মাস পর ১৭ ‍জুলাই ২০২৩ তারিখে চেক দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এরপর গেল আগস্টে যেতে বলেছিলেন। এবার আর তারিখ দিলেন না, এবার ফোন দিতে পারমর্শ দিলেন। ফোন দিয়ে জানতে হবে কেনো? আজকে চেক হচ্ছে না, কবে হবে জানান। উত্তর দিলেন, কোম্পানি তার নিজস্ব সিদ্ধান্তে চলবে, এর চেয়ে বেশি বলতে পারবো না।

বাংলাদেশে বিমা সম্পর্কে গ্রাহকদের মধ্যে এক ধরনের নেতিবাচক ধারণা বিদ্যমান। কয়েক দশক ধরে সেই ধারায় কিছুটা পরিবর্তন আসছিল। কিন্তু হোমল্যান্ডের মতো কিছু প্রতিষ্ঠানের কারণে মানুষ বিমার প্রতি বিমুখ হয়ে উঠছে।

বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র জাহাঙ্গীর আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, গ্রাহকদের ভোগান্তির কারণে লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বদনাম হচ্ছে। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে ব্যবস্থা নেই। নানাবিধ অনিয়মের কারণে হোমল্যান্ডের সিইওকে কর্মহীন করে রাখা হয়েছে। পর্ষদকে ডেকে বলা হচ্ছে, কোন রকম ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের চেয়ারম্যান এ বিষয়ে খুবই তৎপর। যারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তারা আমাদের কাছে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

   

বিপিএম-পিপিএম পাচ্ছেন ৩৬ পুলিশ সুপার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

পেশাগত কাজে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ পদক বিপিএম ও পিপিএম পাচ্ছেন দেশের ৩৬ জেলার পুলিশ সুপার(এসপি)।

গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এ বছর কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার ৪০০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য।

চার ক্যাটাগরিতে পদক পাওয়া পুলিশ সুপার (এসপি) হলেন- ঢাকা জেলার মো. আসাদুজ্জামান, কুড়িগ্রাম জেলার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার বর্তমানে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত সরকার মোহাম্মদ কায়সার, রংপুর জেলার পুলিশ সুপার বর্তমানে অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত মো. ফেরদৌস আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, কক্সবাজার জেলার মো. মাহফুজুল ইসলাম, গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার কাজী শফিকুল আলম, মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মো. মনজুর রহমান, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ, মানিকগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মো.ছাইদুল হাসান, জয়পুরহাট জেলার মোহাম্মদ নূরে আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন, ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার মো. আজিম-উল-আহসান, কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ, চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ, দিনাজপুর জেলার পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, মুন্সিগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসলাম খান, লক্ষ্মীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ, চাঁদপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, নেত্রকোনা জেলার পুলিশ সুপার মো. ফয়েজ আহমেদ, সিলেট জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, গোপালগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার আল-বেলী আফিফা, ফেনী জেলার পুলিশ সুপার জাকির হাসান, বরগুনা জেলার পুলিশ সুপার মো. আব্দুস সালাম, খুলনা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, গাইবান্ধা জেলার পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলার পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক, বাগেরহাট জেলার পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান, রাজবাড়ী জেলার পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ, শরীয়তপুর জেলার পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুল আলম, পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার এস এম সিরাজুল হুদা, ঝালকাঠি জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল, রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুর রহমান।

 

 

 

;

দক্ষিণখানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন তরুণের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার আশকোনা এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তিন আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- রবিন, জুনায়েদ ও ওমর ফারুক। এরমধ্যে একজন স্পট ডেড এবং অপর দুইজন হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যায়।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণখান থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন, শুক্রবার রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে দক্ষিণখান আশকোনা আশিয়ান সিটি এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলে থাকা ৩ জন মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনায় রবিউল ইসলাম নামের একজন ঘটনাস্থলে মারা যায়। জুনায়েদ মারা গেছে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। আর ওমর ফারুক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহত ওমর ফারুকের বাবার পরিচিত মোহাম্মদ হোসেন জানান, ওমর আশকোনার একটি মাদ্রাসায় কিতাব বিভাগের ছাত্র ছিল। তার বাবার নাম রাজন। বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রুপসি। ওই মাদ্রাসায় থেকেই পড়ালেখা করতো সে।

;

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

র‍্যাবের ৪৯ কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পাচ্ছেন

  • Font increase
  • Font Decrease

পুলিশের এলিট ফোর্সে (র‍্যাব) কর্মরতরা পেশাগত ভালো কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ এ বছর র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ৪৯ জন কর্মকর্তা ও সদস্য 'বিপিএম' (বাংলাদেশ পুলিশ পদক) ও 'পিপিএম' (রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক) পদক পাচ্ছেন।

এই তালিকায় সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কামরুল হাসান, আটজন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক (সিও), পাঁচজন পরিচালকসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা আছেন। এছাড়া দুইজন মরণোত্তর পদক (বিপিএম, সাহসিকতা) পাচ্ছেন।

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদেরকে পদক পরিয়ে দিবেন। এবছর ৪০০ জন কর্মকর্তা ও সদস্য পদকে ভূষিত হয়েছেন।

র‌্যাবের বিপিএম পদক পাচ্ছেন নয়জন। তারা হলেন- সাবেক এডিজি কামরুল হাসান, মরণোত্তর দুইজন হলেন- কর্পোরাল আনিচুর রহমান ও কনস্টেবল মো. মোমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-১৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, র‌্যাব-১০ অধিনায়ক ফরিদ উদ্দিন, র‌্যাব-৭ অধিনায়ক লে. কর্নেল মাহবুব আলম, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, র‌্যাব-১৫ অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন ও র‌্যাব-৬ অধিনায়ক ফিরোজ কবীর।

বিপিএম সেবা পাচ্ছেন ১৪ জন। এই তালিকায় আছেন- র‌্যাব-১২ অধিনায়ক মারুফ হোসেন, লে. কর্নেল মাহমুদুল হাসান, র‌্যাব-৪ অধিনায়ক মোহাম্মদ লে. কর্নেল আবদুর রহমান, র‌্যাব-৯ অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক, র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম, র‌্যাব-৩ মেজর জুলকার নায়েন প্রিন্স, র‌্যাব-৮ মেজর জাহাঙ্গীর আলম, র‌্যাব-১১ মেজর সানরিয়া চৌধুরী, মেজর রিফাত বিন আসাদ, গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিচালক মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ, র‌্যাব-৪ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান, র‌্যাব সদরদপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ এইচ এম মনজুর মোর্শেদ, র‌্যাব-১৫ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান ও র‌্যাব-১৪ আনোয়ার হোসেন।

পিপিএম পদক পাচ্ছেন ১১ জন সদস্য। তারা হলেন- র‌্যাব-১০ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান, সদরদপ্তরের মেজর নুর এ শহীদ ফারাবী, র‌্যাব-১৩ মেজর সরফরাজ আখতার, র‌্যাব-১০ এর উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম, র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার এম সারোয়ার হুসাইন, র‌্যাব-৫ এর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মারুফ হোসেন খান, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার নোমান আহমদ, র‌্যাব সদরদপ্তরের সহকারী পুলিশ সুপার রকিবুল হাসান, র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিলুল হক, র‌্যাব-১২ কনস্টেবল কৃষ্ণ চন্দ্র এবং র‌্যাব-৬ এর সৈনিক নাজমুল হোসেন।

পিপিএম সেবা পাচ্ছেন- সদরদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল মীর আসাদুল আলম, পরিচালক উইং কমান্ডার মো. রোকনুজ্জামান, র‌্যাব-১ এর মেজর মাসুদ হায়দার, সদরদপ্তরের মেজর এ এইচ এম আদনান তফাদার, মেজর এ এস এম মাঈদুল ইসলাম, মেজর মো. মশিউর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব হোসেন কাজল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্যামল চৌধুরী, র‌্যাব-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার পারভেজ রানা, র‌্যাব-৭ পতেঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল, র‌্যাব-১১ এর লে. কমান্ডার মাহমুদুল হাসান, র‌্যাবের কমিউনিকেশন অ্যান্ড এমআইএস উইংয়ের স্কোয়াড্রন লিডার জেহাদী হাসান, র‌্যাব-৭ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, র‌্যাব-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার সানোয়ার হোসেন, র‌্যাব-১২ এর এসআই উত্তম কুমার রায়।

;

ট্রাক চাপায় প্রাণ গেলো দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুড়িগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুড়িগ্রাম সদরে মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাদমান সাদিক (১৬) নামের এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। নিহত সাদমান সাদিক কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। এসময় মোটরসাইকেলের থাকা হিমু নামের অপর আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় কুড়িগ্রাম ধরলা ব্রিজ পশ্চিম পাড় ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাদিক পৌর শহরের পলাশবাড়ী বানিয়া পাড়া গ্রামের ঠিকাদার ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে। সে আগামী বছর এসএসসি পরিক্ষার্থী ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের ঠ্যানারি পাড়া এলাকায় ভুরুঙ্গামারী থেকে ছেড়ে আসা ট্রাকের সাথে মোটরসাইকের সংঘর্ষ ঘটে। এসময় ট্রাকের ভিতরে ঢুকে পরে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ট্রাকের ভেতরে আটকে পড়া মোটরসাইকেলের দুই আরোহীকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। হাসাপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শারমিন সিদ্দিকী, ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর মোটরসাইকেল আরোহী হিমুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

;