প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনার আয়োজন করবে নিউ ইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ৭৮ তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষ্যে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক জিএফকে বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ গত বৃহস্পতিবার (৩১ আগষ্ট) সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসে নবান্ন পার্টি হলে সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রফিকুর রহমান রফিক এবং সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা প্রতিবারই যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। এবারই প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবর্ধণা নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজন করা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনূমোদন আছে বলেও জানানো হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী বলেন, দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশে আমি এই সংবাদ সম্মেলন করছি। তিনি আরো বলেন, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫ টায় নিউইয়র্কের ম্যারিয়ট মার্কি হোটেলের হলরুমে এক ঐতিহাসিক প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজন করবে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ। তিনি এ আয়োজনে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বাবু বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনা আয়োজন করবে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরা অনুষ্ঠান সফল করার লক্ষে কাজ করবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদ আলী সিদ্দিকী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ড. মাসুদুল হাসান। এছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা জয়নাল আবেদীন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক শাহ বখতিয়ার, কার্যনির্বাহী সদস্য সরাফ সরকার, মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শাহনাজ মমতাজ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাসুদ সিরাজীসহ আরো অনেকে।

সভার শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন আবদুল মুহিত। এসময় সকল শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সবশেষে সভাপতি রফিকুর রহমান সমাপনী বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত সবাইকে নৈশভোজের মাধ্যমে আপ্যায়ন করা হয়।

   

খৎনার সময় শিশুর লিঙ্গ কেটে ফেললেন হাজাম



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সাত বছর বয়সী এক শিশুর সুন্নতে খৎনা করার সময় লিঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলেছেন হাজাম (খৎনাকারী)। গুরুতর আহত শিশু সাহাদাত হোসেনকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলের দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

তাৎক্ষণিক স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত হাজাম (খৎনাকারী) মামুনকে (৩৫) আটক করে। সে জেলার সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা যায়।

আহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়ির নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে শাহাদাতের খৎনা করতে হাজাম মামুন উপজেলার নদনা বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে আসেন। এরপর খৎনা করতে গিয়ে খুর চালিয়ে শিশু শাহাদাতের লিঙ্গের মাথা থেকে কেটে মাটিতে ফেলে দেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় লিঙ্গের মাথার কাটা অংশসহ শাহাদাতকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার তানভীর হায়দার ইমন বলেন, হাজাম খৎনা করতে গিয়ে ওই শিশুর লিঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলে দেয়। পরে রোগীর স্বজনেরা লিঙ্গের কাটা অংশসহ তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখানে লিঙ্গের কাটা অংশ ফ্রিজআপ করে রোগীর স্বজনদের বুঝিয়ে দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগে রেফার্ড করে দেওয়া হয়েছে।

;

বাড়ানো দুই দিনে বিক্রির আশায় প্রকাশকরা

  ‘এসো মিলি প্রাণের মেলায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অমর একুশে বই মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার কথা ছিল আজ। কিন্তু প্রকাশকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুইদিন বাড়ানো হয়েছে সময়। বাড়ানো দুইদিনই সরকারি ছুটি হওয়ায় শেষ সময়ে ব্যাপক বিক্রির স্বপ্ন দেখছেন প্রকাশক ও প্যাভিলিয়ন মালিকরা।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে পাঠকদের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গণে জনসমাগম লক্ষ্য করা যায়।

তবে ভিড় এড়াতে অনেকে আসলেও বই কেনার আগ্রহ খুব একটা ছিলো না বলে জানিয়েছেন প্যাভিলিয়ন সংশ্লিষ্টরা।

শব্দ শিল্প প্রকাশনীর ঐশী বলেন, আসলে আজ অনেক পাঠক কিন্তু কেউ বই কিনছে না। সবাই আসছেন বই দেখছেন ছবি তুলে চলে যাচ্ছেন।

মাতৃভাষা প্রকাশনীর রুবেল ইসলাম জানান, আজ বিক্রির আশা ছিল অনেক। শেষ দিন ভেবে তুলনামূলক পাঠক সংখ্যা বেশি। তবে বিক্রি একদমই নেই। পুরোনো পাঠকেই মত্ত সবাই।

এদিকে পাঠকরা বলছেন মেলার সময় বাড়ানোয় ঘুরছি। শেষদিন বই কিনব। যেহেতু সময় আছে তাই আগ্রহ তেমন নেই।

মিরপুর থেকে বই মেলায় এসেছেন চৈতি ও তার বান্ধবী। শেষদিন ভেবে আসলেও মেলার সময় বাড়ানোর খবরে কিনছেন না বই।

চৈতী বলেন, বই দেখলাম। পছন্দ করেছি। যেহেতু সময় বাড়ানো হয়েছে তাই কাল ভাইয়াসহ এসে কিনব।

অন্যদিকে বই মেলার শেষ দুইদিন ছুটির দিন হওয়ায় উৎসাহের সাথে প্রস্তুতি নিচ্ছেন প্রকাশকরা। শেষ দুই দিনের বিক্রিতে মোটামুটি স্টল ভাড়া ও খরচ উঠানোর চেষ্টা করবেন বলেও জানিয়েছেন তারা।

আইডিয়া প্রকাশনীর প্রকাশক শাকিল জানান, আমাদের দাবি ছিল মেলার শেষের পর দুইদিন ছুটি। সেই দুইদিন বাড়ানোর আবেদন করেছি। বাংলা একাডেমি আমাদের দাবি মেনে নিয়ে সময় বাড়িয়েছে। আশা করছি তুলনামূলক বেশি বিক্রি করে খরচের টাকাটার কিছুটা আসবে। সেই সাথে বইয়ের প্রচারও হবে।

;

গাজীপুরে মাদরাসায় দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, গাজীপুর
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরে জোলারপাড় বালিকা দাখিল মাদরাসায় দুর্নীতিসহ নেতিবাচক নানা কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন মাদরাসার দাতা, অভিভাবক সদস্য ও এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গাজীপুরের জোলারপাড় এলাকার বালিকা দাখিল মাদরাসার সামনে এ মানববন্ধন করা হয়। এ সময় এলাকাবাসী মাদরাসা সুপার মাওলানা মো. হাছেন আলী ও কার্যকরি কমিটির সভাপতি আব্দুস সালামের অপসারণ দাবি করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৮৭ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি ৩৭ বছর যাবত নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই মাদরাসা সুপার ও সভাপতির পদ আকড়ে ধরে আছেন অভিযুক্তরা। সম্প্রতি কারও অনুমতি ছাড়া উঠতি বয়সী মেয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কক্সবাজারে ৩ দিনের শিক্ষা সফর করেন তারা। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও দাতা সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতি পরস্পর যোগসাজসে ওয়াকফকৃত সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থ লোপাট করেছে। এছাড়াও মেয়েদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাৎসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়েছে অভিযুক্তরা।

এ নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে প্রায় ৩০০ জনের স্বাক্ষরিত স্বারকলিপি জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমা দেন এলাকাবাসী।

;

বীমা শিল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সকল নাগরিকের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার প্রয়াসে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গঠনের জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। সেকারণে বীমা সেক্টর ডিজিটালাইজেশনে বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ চলছে। এতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকসেবা উন্নত করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকারের বিগত ১৫ বছরে দেশের অর্থনীতিতে প্রভূত উন্নতি সাধিত হলেও, বীমাশিল্পে পেনিট্রেশনের হার কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছেনি। বীমা শিল্পের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানের জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

জাতীয় বীমা দিবস উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি।

এ বছরের বীমা দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “করবো বীমা গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার পরপরই দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে আর্থিক খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বীমা মানুষের জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি হ্রাস করে থাকে। মূলত: আজকে বাংলাদেশের বীমা শিল্পের যে প্রসার ও ব্যাপ্তি তার শক্ত ভিত রচনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের কাতারে সামিল করা। ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’; যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজের অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যে উন্নত দেশের ন্যায় জিডিপিতে বীমার অবদান বৃদ্ধি করতে হবে। এ অভিষ্ট সামনে রেখে আমাদের সরকার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সরকার প্রধান বলেন, দেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক একচ্যুয়ারি সৃষ্টির লক্ষ্যে বৃত্তি প্রদান করে ইতোমধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থীকে যুক্তরাজ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। ব্যাংকের মাধ্যমে বীমা পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ব্যাংকাস্যুরেন্স নীতিমালা জারি করা হয়েছে। ব্যাংকাস্যুরেন্স চালু হলে বিপুল সংখ্যক মানুষকে বীমার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমার বিশ্বাস।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এছাড়া প্রবাসী কর্মীদের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য ‘প্রবাসী কর্মী বীমা’, অভিভাবকদের অকাল মৃত্যুতে শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন ঝরে যাওয়া রোধকল্পে ‘বঙ্গবন্ধু শিক্ষা বীমা’ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা’ চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বীমাশিল্পের মান উন্নয়নে সর্বোত্তম গ্রাহকসেবার মাধ্যমে দ্রুত বীমা দাবি নিষ্পত্তি করতে হবে। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে বীমার আওতায় আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলাসহ উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য ক্ষুদ্র বীমা, কৃষি বীমা, গবাদি পশু বীমা, স্বাস্থ্য বীমা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি বীমার ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম স্তম্ভ হচ্ছে বীমা খাত; যা জাতীয় সম্পদের ও নাগরিকদের জীবনের ঝুঁকি প্রশমনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।

বীমার শুভ বার্তা দেশের সকল নাগরিকের নিকট পৌঁছে যাক, দেশের সকল মানুষ এবং সম্পদ বীমা সেবার আওতায় আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

;