খালাসের অপেক্ষায় বন্দরে বিস্ফোরক বোঝাই ৬ ট্রাক



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বেনাপোল (যশোর)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানিকৃত ৮৪ মেট্রিক টন বিস্ফোরকসহ ২ দিন ধরে খালাসের অপেক্ষায় ৬টি ট্রাক।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বিস্ফোরকের এ চালানটি আমদানি করেন দিনাজপুরের গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে খালাসের অপেক্ষায় ৬টি ভারতীয় ট্রাক বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে দাঁড়িয়ে আছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বেনাপোলের মেসার্স নাজমুল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান পণ্য চালানটি খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বেনাপোল কাস্টমসে দাখিল করেছে। কাজ সম্পন্ন হলে ভারতীয় ট্রাক থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য খালাস করে বাংলাদেশি ট্রাকে নেওয়া হবে। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) ট্রাকগুলো দিনাজপুরের উদ্দেশ্যে বেনাপোল বন্দর থেকে ছেড়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান, মাঝেমাঝেই এসব বিস্ফোরক পণ্য এপথে আমদানি হয়ে থাকে। সাধারণ পণ্যের সাথে বন্দরে এসব বিস্ফোরকবাহী ট্রাক রাখা হয়। এসব পণ্য আরো নিরাপদ স্থানে নিয়ে দ্রুত খালাস করার ব্যবস্থা থাকা দরকার।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্র্যাফিক) রেজাউল করিম জানান, ভারত থেকে ৬টি ট্রাকে ৮৪ টন বিস্ফোরক আমদানি হয়। কাগজ পত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়ায় এখন পর্যন্ত এসব ট্রাক বন্দরে রয়েছে। খনন কাজ পরিচালনার জন্য ভারতের নাগপুর থেকে এ বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বন্দর এলাকায় প্রশাসনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

   

‘চলচ্চিত্র নির্মাণে অনুদানের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদানের ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটি’ ও ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’-এর সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফফাত ফেরদৌস, চলচ্চিত্র নির্মাতা মো. মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেত্রী ফাল্গুনী হামিদ এবং অভিনেত্রী আফসানা মিমি, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ও পারফরমেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মতিন রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ, রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি এবং আহমেদ মুজতবা জামাল মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকার আরও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় যাতে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য সরকারি অনুদান দেওয়া যায় সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা যাতে অনুদানের জন্য বাছাই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারে সরকার সেটাও নিশ্চিত করতে চায়। সরকারি অনুদানে যাতে রুচিশীল ও মানসম্মত চলচ্চিত্র নির্মাণ করা যায় সেটাই সরকারের লক্ষ্য।

মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটি’ ও ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি’-এর সদস্যদের বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন।

নির্দেশনা প্রদানকালে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটি প্রাপ্ত প্যাকেজ প্রস্তাবসমূহ বাছাই করে গুণগত মানের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করবে। সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা অনুদান প্রত্যাশীরা বাছাই কমিটির সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ সদস্যদের সামনে উপস্থাপনা প্রদান করবে। উপস্থাপনার ভিত্তিতে বাছাই কমিটির সদস্যরা নির্ধারিত ক্ষেত্রে নম্বর প্রদানপূর্বক আরও সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরির জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করবে। এ সময় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্যরা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। পরবর্তীতে চূড়ান্ত বাছাইয়ের জন্য বাছাই কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত অনুদান প্রত্যাশীরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্যদের সামনে উপস্থাপনা প্রদান করবেন। উপস্থাপনার ভিত্তিতে অনুদান কমিটি নির্ধারিত ক্ষেত্রে নম্বর প্রদানপূর্বক চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবে। এ সময় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্যরা পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমানসমৃদ্ধ চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২০ (সংশোধিত) এর ভিত্তিতে সরকারি অনুদান প্রদান করা হয়।

;

যেকোনো কাজে কমিউনিকেশন গুরুত্বপূর্ণ: দীপু মনি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, জনসেবামূলক যেকোনো কাজে কমিউনিকেশন গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের মনের ভাব বোঝার সঙ্গে সঙ্গে তাদের জন্য আমরা কি করতে চাই তা বোঝাতে উন্নয়ন যোগাযোগ প্রয়োজন। মানুষের আচরণগত পরিবর্তন আনার জন্য ও সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য যোগাযোগ প্রয়োজন।


শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফুলার রোডে ব্রিটিশ কাউন্সিলে প্রথম ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন কনক্লেভ-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, সমাজের বিভিন্ন ট্যাবু, কুসংস্কার ভাঙতে ও সচেতনতা তৈরিতে উন্নয়ন যোগাযোগ ভূমিকা রাখছে।

তিনি উন্নয়ন যোগাযোগকে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের কাজে ব্যবহার করার জন্য পেশাজীবীদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে কেয়ার’র কান্ট্রি ডিরেক্টর রমেশ সিং ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুর কাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

;

‘প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বলেছেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, এটা হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রংপুর গিয়ে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট প্রায় ১০ লাখ মানুষের সামনে বলেছেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে, তার মানে এটা বাস্তবায়ন হবে।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেলে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের ষষ্ঠ কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বেশি গুরুত্ব দিয়েছি নদী রক্ষার জন্য জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কমিটিকে, এই কমিটিগুলো গঠন করে বছরে যেন দুটি না হলেও একটি সভা করা হয়। এ কমিটিগুলোতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ যুক্ত এবং নদীগুলো রক্ষার সঙ্গে কিন্তু জলবায়ু-পরিবেশ সবকিছু চলে আসে। কাজেই এই নদী রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছি।

;

৫ লাখ শিশুকে সাঁতার শেখানো হয়েছে: সংসদে প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জীবন বাঁচাতে সারাদেশে ৫ লাখ ৯ হাজার ৮৭০ জন শিশুকে সাঁতারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি।

সোমবার (৪ মার্চ) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে মো. মামুনুর রশীদ কিরনের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জীবন বাঁচাতে সাঁতার প্রশিক্ষণ শীর্ষক কর্মসূচি, শিশুর জীবন সুরক্ষায় সাঁতার প্রশিক্ষণ, শিশুর জীবন সুরক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সাঁতার প্রশিক্ষণ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ৫ লাখ ৯ হাজার ৮৭০ জন শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘সমাজভিত্তিক সমন্বিত শিশুযত্ব কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের প্রারভিক বিকাশ ও সুরক্ষা এবং শিশুর সাঁতার সুবিধা প্রদান’ শীর্ষক প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২২- ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে পরিচালিত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আট বিভাগের ১৬টি জেলার ৪৫টি উপজেলায় ১-৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ৮ হাজারটি শিশু যত্ন কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনা এবং ৬-১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদানসহ অভিভাবকদের জন্য প্যারেন্টিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। ইতোমধ্যে দুইটি জেলায় (পটুয়াখালী ও বরগুনা) ১ হাজার জন শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

;