অস্ত্রসহ অনুপ্রবেশকারী ২২ মিয়ানমার নাগরিক তিন দিনের রিমান্ডে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে কক্সবাজারের উখিয়া হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে অস্ত্রসহ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা ২২ মিয়ানমার নাগরিককে তিনদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ শ্রীজ্ঞান তঞ্চঙ্গার তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একজন অসুস্থ থাকায় তাকে আদালতে আনা হয়নি।

উখিয়ার পালংখালী সীমান্ত থেকে অস্ত্রসহ আটকের পর বিজিবির দায়ের করা মামলায় ২৩ জনের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার ওসি তদন্ত নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রহমতের বিল সীমান্ত দিয়ে অস্ত্রসহ অনুপ্রবেশের পর ৩৪ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পালংখালী বিওপির নায়েক সুবেদার মো. শহিদুল ইসলাম উখিয়া থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। সে মামলা অধিকতর তদন্ত ও কেনো অস্ত্রসহ বাংলাদেশে প্রবেশ করছিলো তা জানার জন্য আটকদের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেছিলাম। আদালত শুনানি শেষে ২২ জনের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একজন অসুস্থ থাকায় তাকে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়নি।

অস্ত্রসহ অনুপ্রবেশের পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) করা মামলায় শনিবার বিকালে গ্রেফতার ২৩ জনকে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফাহমিদা সাত্তারের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। তদন্ত কর্মকর্তা প্রত্যেক আসামির জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আজ শুনানির দিন ধার্য্য ছিল।

১০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহাফুজুল ইসলাম জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে উখিয়া থানায় বিজিবি বাদী হয়ে মামলাটি করে। অনুপ্রবেশকারীদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া ১২টি অস্ত্র পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ২৩ জনই মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিক বলে জানান পুলিশ সুপার।

   

লালমনিরহাটে ট্রাক চাপায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে আব্দুল্লাহ (১২) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। নিহত আব্দুল্লাহ শহরের পশ্চিম হাঁড়িভাংঙ্গার তালিমুল ইনসান কওমি হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র এবং একই এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ৫ টার দিকে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার বিনিময় ফিলিংস স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক দিয়ে মালবাহী একটি ট্রাক মিশনমোড় হয়ে রংপুরের দিকে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় বিনিময় ফিলিংস স্টেশনের সামনে সাইকেল আরোহী মাদ্রাসা ছাত্রকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে মাদ্রাসা ছাত্র সাইকেল ছিটকে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এসময় সাইকেলে থাকা অপর আরোহী বেচে যায়। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করলেও চালক ও সহযোগী পালিয়ে যায়।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ আইন অনুযায়ী নেওয়া হবে।

;

রোববার পিলখানা হত্যা দিবস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা 
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যা দিবস। ১৫ বছর আগে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর) এর সদর দফতর পিলখানায় বিপথগামী সৈনিকরা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপর দুইদিনব্যাপী নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেই সময় বিডিআরের মহাপরিচালকসহ (ডিজি) ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং নারী-শিশু ছাড়াও আরও ১৭ জনকে হত্যা করে বিদ্রোহীরা। শোকাবহ এ ঘটনায় নিহতদের স্মরণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

দিনটিকে উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর উদ্যোগে বনানী সামরিক কবরস্থান ও বিজিবি সদর দফতরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার সকাল ৯ টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে পুষ্প স্তবক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ শাখা গণমাধ্যমকে জানায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় রোববার সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান (সম্মিলিতভাবে), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বিজিবি মহাপরিচালক (একত্রে) এবং শহীদদের নিকটাত্মীয়রা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। একই সাথে শহীদদের নিকটাত্মীয়, পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার, জুনিয়র কর্মকর্তা, অন্যান্য পদবির সৈনিক এবং বেসামরিক কর্মচারীরা অংশ নেবেন।

সেই সাথে দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী শহীদদের রুহের মাগফেরাতের উদ্দেশ্যে পিলখানায় বিজিবির সদর দফতরসহ সব রিজিয়ন, সেক্টর, প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় কোরআনখানি হবে। বিজিবির সব মসজিদে এবং বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দিনটি পালন উপলক্ষ্যে বিজিবির যেসব স্থানে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন হয়, সেসব স্থানে বিজিবি পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং বিজিবির সব সদস্য কালো ব্যাজ পরিধান করবেন।

উল্লেখ্য হাইকোর্টে জমা হওয়া মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ছিল তৎকালীন বিডিআরের বার্ষিক দরবারের দিন। সে সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, উপমহাপরিচালক (ডিডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এমএ বারী, বিভিন্ন ইউনিটের কর্মকর্তাসহ বিডিআরের নানা পদের সদস্যরা। দরবার শুরুর পর মহাপরিচালকের বক্তব্য চলাকালে সকাল ৯টা ২৬ মিনিটে মঞ্চের বাঁ দিকের পেছন থেকে দু’জন বিদ্রোহী জওয়ান অতর্কিতে মঞ্চে প্রবেশ করেন, একজন ছিলেন সশস্ত্র। শুরু হয় বিদ্রোহ। দরবার হলের বাইরে থেকে গুলির আওয়াজ ভেসে আসে। সরকারি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে, ওই দিন দরবারে উপস্থিত ছিলেন ২ হাজার ৫৬০ জন।

কিছুক্ষণের মধ্যে লাল-সবুজ রঙের কাপড় দিয়ে নাক-মুখ বাঁধা বিদ্রোহী জওয়ানরা দরবার হল ঘিরে গুলি শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্রোহীরা কর্মকর্তাদের দরবার হল থেকে সারিবদ্ধভাবে বের করে আনেন। ডিজির নেতৃত্বে কর্মকর্তারা দরবার হলের বাইরে পা রাখা মাত্র মুখে কাপড় ও মাথায় হলুদ রঙের হেলমেট পরা চারজন ডিজিকে লক্ষ্য করে ব্রাশফায়ার করেন। ডিজির পর হত্যা করা হয় আরও কয়েকজন কর্মকর্তাকে। এরপর পিলখানার ভেতরে ধ্বংসযজ্ঞ চলতে থাকে। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে বিদ্রোহীদের অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট ছাড়া হলে ওই হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে বিদ্রোহীরা। এ সময় প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বিদ্রোহীরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। সন্ধ্যায় পিলখানার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের লাশ মাটিতে পুঁতে ও সরিয়ে ফেলা হয়।

;

দুই জালে চার লাখ টাকার মাছ, ভাগ্য খুলল জেলের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সাতক্ষীরা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের মালঞ্চ নদীতে দুই জেলের জালে ধরা পড়েছে ১৩টি জাভা ও ১০টি মেদসহ একঝাঁক মাছ।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্যামনগরের সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর ঘাটে নিলামের মাধ্যমে এসব মাছ বিক্রি হয়।

বারিক খাঁ ও শহিদুল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের পাশ্বেমারি গ্রামের বাসিন্দা।

নীলডুমুর গ্রামের আব্দুল হালিম জানান, লোকালয়ে আনার পর মাছগুলো চার লাখ ২১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এতে ভাগ্য খুলেছে তাদের।

জেলে বারিক খাঁ ও শহিদুল ইসলাম জানান, তারা সুন্দরবনের মালঞ্চ নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে মালঞ্চ নদীতে জাল ফেললে তাতে এক ঝাঁক মাছ ধরা পড়ে। কলবাড়ি বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার জেলেদের কাছ থেকে মাছগুলো ক্রয় করেছেন।

ব্যবসায়ী আব্দুর সাত্তার জানান, সামুদ্রিক মাছ হিসেবে এসব মাছ খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু। পাশাপাশি এই মাছের চাহিদা ও দাম চড়া হওয়ার মূল কারণ হলো এ মাছের ফুলকা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। মাছের গ্রেড অনুযায়ী প্রতি কেজি ফুলকার মূল্য ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা।

;

রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড, বিএম কলেজের ছাত্রী আহত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ড

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালে নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের এক ছাত্রী আহত হয়েছেন।

শনিবার ( ২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রুপাতলি হাউসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আহত ছাত্রী হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস বরিশালের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। এ সময় ৩টি ইউনিটের আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

আগুনে রেস্টুরেন্টের এক পাশের ডেকোরেশন, আসবাবপত্রসহ প্রায় সবকিছুই পুড়ে গেছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানান তিনি।

রেস্তোরাঁর কর্মী মো. সোহেল জানান, প্রতি শনিবার আমাদের রেস্টুরেন্টে বুফে খাবারের আয়োজন করা হয়। আজও সে আয়োজন করা হয়েছিল। খাবার গরম রাখার জন্য পাত্রের নিচে আগুন দিয়ে রাখতে হয়। খাবারের পাত্রে আগুন দেওয়ার কাজ করছিলেন ওই ছাত্রী। তার হাত পুড়ে গেছে।

;