শবে বরাতের রুটি-হালুয়া তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা



রাজু আহম্মেদ ও গুলশান জাহান সারিকা, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

শবে বরাত মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের একটি বিশেষ রাত। শবে-বরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টির অর্জন ও ক্ষমা প্রার্থনায় ইবাদত বন্দেগির পাশাপাশি পুরান ঢাকার বাড়িতে-বাড়িতে তৈরি হয় হালুয়া রুটিসহ লোভনীয় নানা খাবার। সে খাবার তৈরিতে ব্যস্ত থাকে বাড়ির বড়রা। আত্মীয় স্বজনদের বিতরণ করা হয় বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। বিশেষ করে রুটি-হালুয়া বিতরণ হয় প্রথা মেনে।

তবে বাড়িতে হালুয়া রুটি তৈরির এত সব ঝামেলা এড়াতে অনেকেই শবে বরাতের হালুয়া রুটি কেনেন দোকান থেকে। আর তাই হালুয়া রুটির ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবারও পুরান ঢাকার বেকারিগুলোতে চলছে রুটি কারিগরদের ব্যস্ততা।

শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিন পুরান ঢাকার চকবাজার, সওয়ারি ঘাটসহ বেশ কিছু এলাকা দেখা গেছে, বেকারির কারখানাগুলোতে দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। রুটি তৈরির আগে হাতের কসরতে খামির তৈরি করছে কারিগররা। এরপর বিভিন্ন নকশায় ময়দা খামির করে রাখা হচ্ছে টিনের তৈরি ছাঁচে। নিদিষ্ট সময় শেষে ছাঁচ দেওয়া হয় আগুনের চুলা অথবা ডিজিটাল মাইক্রোওভেনে।

ময়দা, চিনি, ঘি, ডিম ও তেলের মিশ্রণে তৈরি বিশেষ এই রুটির আছে নানা নান্দনিকতা। মাছ রুটি, বাটি রুটি, ফুল রুটিসহ বিভিন্ন নকশায় তৈরি হয় শবে বরাতে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এই রুটি। যা বিক্রি হয় কেজি দরে। এবার প্রতিকেজি রুটি ৩০০-৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বেকারিগুলোতে।

পুরান ঢাকার সোয়ারি ঘাটের শাহাজাহান বেকারির কারিগর মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতিবছর শবে বরাতে ব্যস্ত থাকি নকশি রুটি তৈরিতে। এবারও অনেক ব্যস্ত সময় পার করছি। দিনে দুইশত রুটি তৈরির টার্গেট আমাদের। কিছু বানানো হয়েছে বাকিটা রাতেই শেষ হবে।

চকবাজার এলাকার হট এন্ড ব্রেড লাইভ বেকারির কারিগর ইদ্রিস বলেন, বিকেল থেকে রুটি তৈরি শুরু হয়েছে। আমাদের হাতে সময় নেই, ব্যস্ততা আছে-থাকবে আগামীকাল পর্যন্ত।

শাহাজাহান বেকারির স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন বলেন, প্রতিবছর আমরা এই হালুয়া রুটি বিক্রি করি। গত বছর প্রায় ৫০ হাজার টাকার রুটি হালুয়া বিক্রি করেছি। এবার তেমন চাহিদা নেই। তবে ভালো বিক্রির প্রত্যাশা করছি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরান ঢাকায় প্রায় ৫০ বছর ধরে চলে আসছে শবে বরাতে এই রুটির তৈরির ঐতিহ্য। প্রতিবছর শবে বরাতে প্রায় কোটি টাকার হালুয়া রুটি কেনাবেচা হয় পুরান ঢাকাসহ রাজধানী মিরপুর, গুলশান ও আশেপাশের এলাকায়। শবে বরাতের আগের রাত থেকে থেকেই রুটির পসরা বসে পুরান ঢাকার অলিগলিতে। কেজি দরে কিনে নেয় ব্যস্ত নগরের বাসিন্দারা।

পুরান ঢাকার বাসিন্দা আশরাফ হোসেন বলেন, আজ থেকে দশ বছর আগে শবে বরাতের আগে থেকেই মুখরোচক খাবারের ঘ্রাণে ভরে যেত চারপাশ। এই ঐতিহ্য আমাদের যুগ যুগ ধরে চলছে। আমার দাদা করেছে, আমার বাপ করছে; এখন আমরা হালুয়া রুটি বানাই খাই, আবার সবাইকে দিই।

আবির নামের আরেকজন বলেন, আমরা অপেক্ষা করি এই দিনটির। রুটি হালুয়া খাই। আল্লাহর ইবাদত করি। ভালো লাগে।

তবে সময়ের সাথে ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধিতে আগের মত শবে বরাতে রুটি হালুয়ার প্রচলন কমে আসছে বলে জানিয়েছেন অনেকে। চকবাজারের বাসিন্দা মারুফ হাসান বলেন, আগে খুব উৎসাহ নিয়ে মানুষ শবে বরাতে হালুয়া রুটি বানাত, সবাইকে বিলি করত। কিন্তু এখন ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে এসব থেকে মানুষ পিছিয়ে আসছে। সময়ের সাথে হালুয়া রুটির উৎসব ঐতিহ্যটির পিছনে ফেলে মানুষ সুন্নাহ মেনে চলার চেষ্টা করছে।

তবে শবে বরাত ধর্মীয় শুভ্রতার হলেও পুরান ঢাকার বেশ কিছু এলাকায় এখনো রুটির তৈরির উৎসবটাও কম নয়। যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা পুরান ঢাকার হালুয়া রুটি সময়ের সাথে হয়েছে নিজস্ব ঐতিহ্য। কালের বিবর্তনেও সেই ঐতিহ্য না হারিয়ে টিকে থাকুক—এমন প্রত্যাশা সকলের।

   

তীব্র দাবদাহ: হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশ জুড়ে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এতে জ্বর, সর্দি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও নারীরা। এমন অবস্থায় দেশের সব হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে এক সভা শেষে তিনি এই নির্দেশনার কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দাবদাহের কারণে কোল্ড কেস (যাদের এখন ভর্তি হওয়ার দরকার নেই) রোগীদের এই মুহূর্তে হাসপাতালে ভর্তি না করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বাচ্চা ও বয়স্করা প্রয়োজন ছাড়া বাসার বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দেন ডা. সামন্ত লাল সেন। তবে হাসপাতালগুলোকে প্রতিকূল পরিবেশের জন্য প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে বলে জানান তিনি।

 

;

মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজ থেকে গুলি, বাংলাদেশি দুই জেলে গুলিবিদ্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কক্সবাজারের নাফ নদীতে মিয়ানমারের যুদ্ধজাহাজ থেকে বাংলাদেশের জলসীমায় জেলেদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশি দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

রোববার (২১ এপ্রিল) সকাল এগারোটার দিকে নাফ নদীর নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তবে এদের মধ্যে এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

গুলিবিদ্ধ জেলেরা হলেন- টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণ পাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৭) ও মাঝের ডেইল এলাকার আলী আহমদের ছেলে মোঃ ইসমাইল (১৯)। গুলিবিদ্ধ জেলেরা সাগরে শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়া এলাকার ছিদ্দিকের ট্রলার নিয়ে মাছ ধরা শেষে নাফ নদী দিয়ে তীরে ফিরছিলেন।

ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, সেন্ট মার্টিন সংলগ্ন সাগরে মাছ ধরা শেষে শাহপরীর দ্বীপ ঘাটে ফিরছিলাম। এসময় নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন অংশে মিয়ানমারের একটি জাহাজ আমাদের অতিক্রম করছিল। ওই জাহাজ থেকে হঠাৎ আমাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে দুইজন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

মাঝি ইউসুফ আরও বলেন, আমরা নাফ নদীতে বাংলাদেশের জলসীমায় ছিলাম এবং হাত উঁচু করে বাংলাদেশি পতাকা দেখিয়ে তাদের গুলি না করতে ইশারা করেছিলাম। এরপরও তারা মানেনি।

টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. সুরাইয়া ইয়াছমিন জানান, আহতদের মধ্যে ইসমাইল সামান্য আহত। তাকে টেকনাফে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। ফারুকের ৩ টি গুলি লেগেছে। হাত ও পায়ে লাগা গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হচ্ছে।

এদিকে বিজিবির একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, নাফ নদীর মোহনায় সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরার সময় মিয়ানমারের যুদ্ধ জাহাজ থেকে বিজিপি কর্তৃক বাংলাদেশি জেলেদের বোটকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। উক্ত গুলিতে ফারুক মিয়া (৩৭)’র ডান পায়ের পাতায় ১ টি, ডান হাতের আংগুলে ১ টি এবং বাম পায়ের হাঁটুর ওপরে ১টি গুলি লাগে। এবং মোঃ ইসমাইলের (১৯) ডান হাঁটুতে একটি গুলির আঁচড় লাগে।

;

চট্টগ্রামে বহুতল ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে বহুতল ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

চট্টগ্রামে বহুতল ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী আন্দরকিল্লায় একটি বহুত ভবনে রঙের কাজ করার সময় তিনতলা থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে রাজাপুকুর লেইন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শ্রমিকের নাম মো. জাহাঙ্গীর (৪৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুল আলম আশিক বলেন, ওই এলাকায় ভবনের রং করার সময় তিনতলা বিল্ডিংয়ের উপর থেকে পড়ে এক শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে। পরে তাকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

;

জামিনে বের হয়ে চুরির পরিকল্পনা, রেকি শেষে ফাঁকা বাসায় হানা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জামিনে বের হয়ে চুরির পরিকল্পনা, রেকি শেষে ফাঁকা বাসায় হানা

জামিনে বের হয়ে চুরির পরিকল্পনা, রেকি শেষে ফাঁকা বাসায় হানা

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার থানার পূর্ব ইসলামবাগের একটি ফাঁকা বাসায় চুরির ঘটনায় মামলা তদন্তে নেমে দুর্ধর্ষ একটি চোর চক্রকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। চক্রটির সদস্যরা ঈদের আগে জামিনে বের হয়ে চুরির পরিকল্পনা সাজায়। এরপর রাজধানীসহ আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে ফাঁকা বাসায় চুরি করেন তারা। চুরি শেষে আত্মগোপনে চলে যায় চক্রের সদস্যরা।

পুলিশ বলছে, চোর চক্রের চার জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৪৭ টি মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র মামুনের বিরুদ্ধেই ২২ টি মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চক্রের অন্যতম হোতা মো.মামুন (৩৪), মো.মিরাজ হোসেন (৩৫), মো. সায়মুন (৩০), অমিত হাসান ইয়াসিন (২১), হাসিনা বেগম (৫২), জামিলা খাতুন হ্যাপি (১৮) ও তাঁতিবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী বরুণ (৫০)।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি স্বর্ণের ছোট আংটি, তিনটি রূপার পায়েল, একটি রিয়েলমি স্মার্ট ফোন, একটি স্বর্ণের নাক ফুল, গলানো স্বর্ণ (যার ওজন ৩ ভরি) উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোড অবস্থিত ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাহাবুব উজ জামান।

তিনি বলেন, গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর পূর্ব ইসলামবাগের বাসিন্দা মো.হাফিজুল ইসলাম পরিবার নিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে গ্রামের বাড়ি যান। ঈদ উদযাপন শেষ করে গত ১২ এপ্রিল বাসায় প্রবেশ করতে গেলে দেখেন বাসার মূল গেইটের হেজবল্টের লক ভাঙা। পরে হাফিজুল বাড়ির মালিককে নিয়ে বাসার মধ্যে প্রবেশ করে দেখেন সব কক্ষের আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরে তিনি নিজের বেডরুমে প্রবেশ করে দেখেন স্টিলের আলমারি ভেঙে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকার, ৪০০ ইউএস ডলার, একটি স্মার্ট ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে চোররা।


এই ঘটনায় হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ডিএমপির চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তার মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাসার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চোরদের শনাক্ত করা হয়।

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর ইসলামবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চোর চক্রের সাত জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তারা ইসলামবাগের বাসাটিতে চুরি করার আগেও কেরানীগঞ্জের দুইটি বাসায় চুরি করেছে। চুরি করার পর চক্রটি তাঁতিবাজারে গিয়ে স্বর্ণ ব্যবসায়ী বরুণের কাছে চোরাই স্বর্ণ বিক্রি করে দেয়। পরে বরুণ এই চোরাই স্বর্ণ গলিয়ে ফেলে। আমরা তাকেও গ্রেফতার করেছি এবং গলিয়ে ফেলা স্বর্ণ উদ্ধার করেছি।

মাহাবুব উজ জামান বলেন, ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে অনেকেই চলে যান। আর এই ফাঁকা ঢাকায় বাসা-বাড়িতে চুরি করার জন্য চক্রটি তৎপর হয়ে ওঠে। প্রথমে তারা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দলবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন বাসা-বাড়ি রেকি করে। রেকি করা শেষ হলে তারা তাদের পছন্দ মতো একটি বাসা ঠিক করে সেখানে চুরি করে। তারা টার্গেট করে স্বর্ণালংকার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস চুরি করেন।

তিনি আরও বলেন, এই চক্রটির চুরি করাই নেশা ও পেশা। গ্রেফতার জামিলা খাতুন হ্যাপির বাসাটি হচ্ছে এই চক্রের গোপন আস্তানা। সেখানে বসে চক্রটি চুরি করার পরিকল্পনা করে। তারা প্রথমে বিভিন্ন বাসা রেকি করে। রেকির পর একটা বাসা নির্ধারণ করে সেই বাসায় চুরি করে। চোর চক্রটির সদস্যরা হ্যাপির বাসায় কিছুদিন আত্মগোপনে থাকেন। তারা ঈদের এক থেকে দেড় মাস আগে জামিনে বের হয়েছে। জামিনে বের হয়ে ঈদের মধ্যে ফাঁকা ঢাকায় চুরি করার জন্য তারা পরিকল্পনা করে ইসলামবাগের বাসাটিতে চুরি করে।

;