স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিককে হুমকি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করায় আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার দীপ্ত চন্দ্র পালকে মোবাইল ফোনে মামলাসহ নানাবিধ হুমকির অভিযোগ উঠেছে যাত্রাবাড়ী লাইফ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৪ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় হুমকির অভিযোগ জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন প্রতিবেদক দীপ্ত চন্দ্র পাল।

দীপ্ত চন্দ্র পাল বলেন, বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করি। পরে গতকাল শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে লাইফ হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী মো. সাকিবুল হাসান নিলয় আমার হোয়াটস অ্যাপে কল করে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে ও ভয়ভীতি দেখায়। প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। তাই নিজের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমি আজ যাত্রাবাড়ী থানা একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি।

এদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আরটিভি।

ফ্রি স্টাইলে চলছে দেশের বেশীরভাগ বেসরকারি ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অনেক প্রতিষ্ঠানের নেই অনুমোদন। যাদের আছে মেয়াদ শেষে তারাও নবায়ন করেন না। মানা হয় না শর্ত।

এমন তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদনে বিভিন্ন হাসপাতালের পাশাপাশি রাজধানীর শনির আখরার লাইফ হাসপাতালের নামও উঠে আসে। অনুমোদন ছাড়াই চলছে এর ডায়গনস্টিক সেন্টার।

এ বিষয় জানতে চাইলে সে সময় প্রতিবেদকের ওপর ক্ষুব্ধ হন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশ করার পর এই হুমকি দেওয়া হয়।

   

গণপূর্তমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিলার।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদের আদিবাসী ককাস গঠন ও ককাসের কার্যক্রম পরিচালনায় ইউএনডিপির সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে স্টিফেন লিলার আদিবাসী ককাসকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এছাড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণের উন্নয়নে প্রচার- প্রচারণা, ক্যাম্পেইন পরিচালনা, জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক আন্দোলন গড়ে তোলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎ শেষে আলোচনার বিষয় সম্পর্কে মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। আদিবাসী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ কোন কার্যক্রম গ্রহণে বিদ্যমান আইনের কোন পরিবর্তন প্রয়োজন হবে না বলে তিনি জানান।

;

সিইসির সুযোগ-সুবিধা বাংলা ভাষায় আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার (পারিতোষিক ও বিশেষাধিকার) আইন, ২০২৪ এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ইংরেজিতে থাকা অধ্যাদেশটি বাংলা ভাষায় আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত আইন অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সচিব আরও জানান, ১৯৮৩ সালের একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনারদের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। সামরিক সরকারের আমলের যেসব অধ্যাদেশ বর্তমানে প্রযোজ্য বলে বিবেচিত হবে সেগুলোকে আইনে রূপান্তর করার বিষয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা রয়েছে। তারই আলোকে নতুন আইনটি করা হচ্ছে।

সরকার এ অধ্যাদেশটি বাংলা ভাষার আইনে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই আলোকে তৈরি করা আইনের খসড়াটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতির সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের সমান সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনার। নতুন আইনে বড় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগে যেসব সুযোগ- সুবিধা দেওয়ার বিধান ছিল এখনও সেটাই বহাল রাখা হয়েছে।

;

চট্টগ্রামে মাদক মামলায় যুবকের ৬ বছর কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশীর থানার একটি মাদক মামলায় মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফ (২৮) নামের এক যুবককে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞার আদালত এই রায় দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি নগরীর খুলশী থানার কুসুমবাগ আবাসিক এলাকার আল সিরাজ টাওয়ার থেকে মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-৭ । এ সময় শুক্কর আলীর বাসার ফ্লোরের বিছানার নিচ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর তৎকালীন এসসিপিও মো. হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করলে আদালত একই বছরের ১৯ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ইয়াবা মামলায় আসামি মো. শুক্কর আলী প্রকাশ ইউসুফের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৬ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন, পরে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

;

কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বান্দরবান
কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে

কেএনএফ'র আরও ২ সদস্য কারাগারে

  • Font increase
  • Font Decrease

বান্দরবানে রুমা ও থানচিতে ব্যাংক ডাকাতি, মসজিদে হামলা, টাকা-অস্ত্র লুটের ঘটনায় কেএনএফ সন্দেহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক আরও ২ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নাজমুল হোসাইনের আদেশের প্রেক্ষিতে কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।

আসামিরা হলেন, বান্দরবান সদরের ৪নং সুয়ালক ইউপির ৬নং ওয়ার্ড ফারুক পাড়া এলাকার লাল টুয়ান বমের ছেলে টাইসন বম (২৩) ও সানকিম বমের ছেলে ভান খলিয়ান বম (৩৭)।

আদালতের জিআরও বিশ্বজিত সিংহ জানান, থানচিতে ব্যংক ডাকাতির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ পর্যন্ত মোট ৬৪ কেএনএফ সদস্য ও একজন চাঁদের গাড়ীর চালকসহ মোট ৬৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ২০ জন নারী রয়েছেন।

বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে প্রকাশ্যে ব্যাংক লুটের পর বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ ও সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় এ পর্যন্ত ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;