মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে ওঠানো হলো নারী শিল্পপতির লাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে ওঠানো হলো নারী শিল্পপতির লাশ

মৃত্যুর ১০ মাস পর কবর থেকে ওঠানো হলো নারী শিল্পপতির লাশ

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্পত্তির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে মেয়ের দায়ের করা মামলায় মৃত্যুর ১০ মাস পর এক নারী শিল্পপতির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। দেলওয়ারা বেওয়া (৭০) নামের ওই নারী শিল্পপতি গত ৩ মে মারা যান। তিনি বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ার মৃত শেখ সরিফ উদ্দিনের স্ত্রী।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে শহরের নামাজগড় গোরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বগুড়ার এসআই জাকারিয়া।

তিনি জানান, বগুড়া শহরে বহুতল মার্কেট, সিএনজি স্টেশন, বিড়ি ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ছিলেন দেলওয়ারা বেওয়া। স্বামীর মৃত্যুর পর দেলওয়ারা বেওয়া এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন। তার কোন ছেলে সন্তান না থাকায় ৫ মেয়ে এবং জামাই প্রতিষ্ঠানগুলো দেখাশোনা করতেন।

দেলওয়ারা বেওয়ার সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে সম্প্রতি মেয়ে ও জামাইদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয় এবং একাধিক মামলা হয়। এক পর্যায় দেলওয়ারা বেওয়া তার আরেক মেয়ে নাদিরা সুলতানার বাসায় বসবাস করা কালে গত বছরের ৩ মে দিবাগত রাত আড়াইটায় মারা যান। পরদিন শহরের নামাজগড় গোরস্থানে দেলওয়ারা বেওয়ার লাশ দাফন করা হয়।

এঘটনায় দেলওয়ারা বেওয়ার আরেক মেয়ে আকিলা সরিফা সুলতানা খানম বাদী হয়ে গত বছরের ৮ জুলাই বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০ জনের নামে মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন সস্পত্তি আত্মসাৎ করতে দেলওয়ারা বেওয়াকে নাদিরা সুলতানা তার বাসায় আটকে রাখে অপর মেয়ে ও জামাইদের সহযোগিতায়। সেখানে গত ৩ মে দিবাগত রাতে দেলওয়ারা বেওয়াকে শ্বাসরোধ অথবা বিষক্রিয়ার মাধ্যমে হত্যার পর পরদিন গোপনে তড়িঘড়ি করে লাশ দাফন করা হয়।

মামলায় দেলওয়ারা বেওয়ার চার মেয়ে, জামাই ও বাদীর ছেলেকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত করার জন্য পিবিআই বগুড়াকে নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাকারিয়া আরও জানান, তদন্তকালে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে আদালতে আবেদন করা হয়। আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল মাহমুদের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়।

তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা আদালতে দাখিল করা হবে।

   

জাফলংয়ে নারী পর্যটকদের ইভটিজিং, যুবককে ২ বছরের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলংয়ে ঘুরতে এসে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী। ইভটিজিংয়ের দায়ে এক যুবককে দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। পাশাপাশি আরও দুই কিশোরের মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) জাফলংয়ে জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ভ্রাম্যমাণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬ নং চিকনাগোল ইউনিয়নের ঠাকুরের মাটি এলাকার অহিদুর রহমানের ছেলে জাহিদুর রহমান (২১) একই এলাকার মৃত জসিমউদ্দীনের ছেলে মো.রাহিম আহমেদ (১৭) ও ঠাকুরের মাটি এলাকার আকমল আলির ছেলে সুমন আহমেদ (১৬)।

এদের মধ্যে রাহিম ও সুমন দুজন কিশোর হওয়ায় তাদের পরিবারকে খবর দিয়ে নিয়ে এসে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাফলং টুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ রতন শেখ (পিপিএম)।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে একটি পরিবার জাফলংয়ে বেড়াতে এসে দুই কিশোর ও এক তরুণের ইভটিজিংয়ের শিকার হন ওই পরিবারের নারীরা। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ ভিকটিমরা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানালে আমরা ইভটিজারদের আটকে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেই। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তরুণকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অপরাধকারী দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সদাচারণের শর্তে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে । সেই সাথে প্রাপ্তবয়স্ক একজনকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

তিনি বলেন, তাদের বিস্তারিত তথ্য থানা ও টুরিস্ট পুলিশের অপরাধী রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে জাফলং কিংবা অন্যকোন স্থানে যদি কোন ক্রিমিনাল আ্যক্টিভিটিজ করে তাহলে পুলিশের ক্রিমিনাল ডাটাবেইজের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

;

রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা

রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে রমনা বটমূল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।

এ উপলক্ষে ভোর পাঁচটা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বসাধারণ ও যান চলাচলে সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক রমনা বিভাগ।

যেসব এলাকায় রাস্তা বন্ধ ও রোড ডাইভারশন থাকবে

বাংলামোটর ক্রসিং, মিন্টো রোড ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, কদম ফোয়ারা ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার ক্রসিং, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ভাস্কর্য ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং ও কাঁটাবন ক্রসিং।

যানবাহন চলাচলের বিকল্প রাস্তা

১. মিরপুর-ফার্মগেট থেকে শাহবাগ অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন বাংলামোটর-মগবাজার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

২. বঙ্গবাজার-হাইকোর্ট থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন কদম ফোয়ারা-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৩. জিরো পয়েন্ট-কদম ফোয়ারা থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ইউবিএল-নাইটিংগেল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৪. শান্তিনগর-রাজমনি থেকে গুলিস্তান ও সদরঘাট অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন নাইটিংগেল-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

নগরবাসীকে উল্লিখিত সময়ে উপর্যুক্ত এলাকা/রোডগুলোহ পরিহার করে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

;

বান্দরবানে শুরু হলো মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বান্দরবান
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

শুরু হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ ‘সাংগ্রাই’ উৎসব। পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বান্দরবান পার্বত্য জেলার মারমা সম্প্রদায় আয়োজন করে অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব ‘সাংগ্রাই’।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান পার্বত্য জেলার আয়োজনে সাংগ্রাই উপলক্ষে বর্ণীল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি স্থানীয় রাজার মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি ও সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং। আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলাপ্রশাসক, শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন।

সকালে মারমা সম্প্রদায়ের শত শত নারী পুরুষ তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষজন সহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পড়ে, নানা সাজে সেজে নেচে গেয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

এবার উৎসবে থাকছে চন্দন পানিতে বুদ্ধ মূর্তি স্নান, বয়স্ক পূজা, মারমা তরুণ তরুণীদের পানি খেলা, পিঠা তৈরির প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও থাকছে বিভিন্ন পাড়ার নিজস্ব জাতি গোষ্ঠীর আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

;

পহেলা বৈশাখ বাঙালির মহাঐক্যের দিন: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, পহেলা বৈশাখ মানেই রঙিন উৎসবে বাঙালির প্রাণের সঞ্চার ও মহাঐক্যের দিন। সার্বজনীন উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ সমাগত। বাংলা নতুন বছরে দেশবাসীর প্রতি আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলা ভাষাভাষীদের প্রতি রইল আমার শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

পহেলা বৈশাখ মানেই হচ্ছে, পুরনো, জরাজীর্ণ এবং অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলা। ব্যর্থতার সব গ্লানি মুছে দিতেই প্রতি বছর নতুন আঙ্গিকে আসে পহেলা বৈশাখ। সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে বিজয় রথে এগিয়ে চলতে উল্লাসে অনুপ্রেরণা যোগায় আমাদের বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাঙালির মহাঐক্যের দিন। এমন উৎসবমূখর দিন ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্রের সিমারেখা ভেঙে এক সাথে একই পথে চলতে আমাদের অনুপ্রেরণা। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সুন্দরের জয়গানে পহেলা বৈশাখ সংহতি অনুষঙ্গ।

মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা সন গণনা শুরু হয়। কিন্তু, এখন পহেলা বৈশাখ বাঙালির সংস্কৃতি লালন ও বিকাশের অসাধারণ অধ্যায়। আমাদের প্রিয় নেতা, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ পহেলা বৈশাখকে বাঙালির প্রাণের উৎসবে পরিণত করতে দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। এরপর থেকে বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ মানেই রঙিন উৎসবে বাঙালির প্রাণের সঞ্চার। এই মহালগ্নে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।

বাংলা নববর্ষে সবার উন্নতি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করছি।

;