১৫ বছরে ৯৪৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকারের শাসনামলে ১৫ বছরে দেশে ৯৪৮ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ হয়েছে বলে সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে লক্ষীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের করা এক প্রশ্নে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে সরকার রেলপথ বিভাগ থেকে মোট ৯৯টি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এডিপিতে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ২৫টি বিনিয়োগ প্রকল্প এবং ৩টি কারিগরি সহায়তা প্রকল্প অর্থাৎ মোট ২৮টি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান আছে।

এছাড়া, 'রূপকল্প- ২০৪১' অর্জনসহ ৩০ বছর মেয়াদী রেলওয়ে মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ রেলওয়ে ডাবল লাইন ট্র্যাক নির্মাণ, গেজ একীভূতকরণ, আধুনিক সিগন্যালিং সিস্টেমের প্রবর্তন, সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে রেল যোগাযোগের উন্নয়ন, আপগ্রেডেড লোকোমোটিভ প্রবর্তন এবং বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন প্রবর্তনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। রেলপথের উন্নয়নে গত ১৫ বছরে দেশে ৯৪৭.৯৯ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

   

হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, কম
হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ

হাসপাতালে কাটল যাদের ঈদ

  • Font increase
  • Font Decrease

আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। পরিবার-প্রিয়জন নিয়ে উৎসবে মেতে উঠেছে দেশবাসী। তবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য এবার ঈদে ছুটি মেলেনি সংবাদমাধ্যমকর্মী, শহরের পরিচ্ছন্নতাকর্মী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসকর্মী, কারাগারে দায়িত্বরত, হাসপাতাল, পরিবহনকর্মীর অনেকেই। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদেরও মেলেনি এবার ঈদের ছুটি। পেশাগত দায়িত্ব পালন করলেও কেউ কেউ একপ্রকার বাধ্য হয়েই এবার ঈদে ছুটি কাটিয়েছেন হাসপাতালের বেডে।

অসুস্থতায় কাবু হয়ে ঈদ বিসর্জন দিতে হয়েছে তাদের। পরিবার-প্রিয়জনরা ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করলেও হাসপাতালের বেডে শুয়ে ঈদ উপভোগ না করার যন্ত্রণায় কেঁদেছে অনেকেই।

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঈদের দিনে প্রায় ৪৯৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন রোগীর আত্মীয়রা ঈদের দিন সেমাই ও খাবার নিয়ে দেখতে আসলেও বেশিরভাগ রোগী ও পরিবারের দিন কেটেছে বিষাদে। রেস্টুরেন্ট থেকে কেনা খাবার অথবা হাসপাতালের খাবারেই ঈদ কেটেছে অসহায় অনেক রোগীর।

রিকশাচালক মান্নান হোসেন তাদের একজন। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ১২৭ নং ওয়ার্ডের চিকিৎসাধীন তিনি। ঠান্ডা জ্বর নিয়ে গত ৪ এপ্রিল ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অসুস্থতায় স্ত্রী ও দুই ছেলে মেয়েও পড়ে আছেন হাসপাতালে। ওয়ার্ডের দায়িত্বে থাকা নার্স জানালেন ঠান্ডা জ্বর থেকে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি।

ঈদ কেমন কেটেছে মান্নান ও তার পরিবারের জানতে চাইলে মান্নান বলেন, ভাগ্য বদলের জন্য ভোলা থেকে ঢাকা আসছি। রিকশা চালিয়ে সংসার চলে। এবার ঈদে বাচ্চাটারে কিছু কিনে দিতে পারিনি। মেডিকেলেই কাটল সব। টাকাপয়সা জমানো ছিল সব গেছে। ঈদ আমাগো গরিবের এমনিতে নাই, তার ওপর অসুস্থ।।

মান্নানের স্ত্রী আশরিফা বেগম বলেন, স্বামী অসুস্থ থাকলে কি বউয়ের ঈদ থাকে? এক সপ্তাহ থেকে হাসপাতালে এভাবেই আমাদের ঈদ গেছে।

আরেক রোগী শহিদুল ইসলাম। শ্বাসকষ্ট নিয়ে এসেছেন হাসপাতালে। ছেলেমেয়েরা দেখে গেছেন ঈদের দিন বিকালে। তবে ঈদের নামাজ আদায় করতে না পেরে কিছুটা বিষণ্ণ তিনি।

শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের নামাজটাই তো আসল। রোজা রাখতে পারিনি, নামাজটাও গেল। হাসপাতালে ঈদ কাটানো কি ভালো? ভালো না তো। কিন্তু কী করব কিছু তো করার নাই।

এদিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের রোগীদের সেবা দিতে এবার ছুটি পাননি সেখানে দায়িত্বে থাকা ১২৩ জন নার্স। পরিবারে সময় দেওয়ার বিপরীতে তাদের ঈদ কেটেছে রোগীদের সেবা করে। দায়িত্ব পালনে তাদের ঈদ আনন্দ অনেকটা বিলীন হলেও মানুষের সেবা করতে পেরে খুশি তারাও।

মিফতাফি তাবাসসুম নামের এক নার্স বলেন, দেখেন মানুষের সেবা করা মহৎ কাজ। এই আশায় এসেছি সেবা করার জন্য। ঈদ তো একদিনের জন্য। তবে এই সেবা আমার প্রতিদিনের কাজ। আফসোস পরিবার পাশে নেই, তবে খারাপ কাটেনি।

সিমরান আক্তার সীমা নামের আরেক নার্স বলেন, পরিবারের সাথে আমাদের ঈদ খুব একটা কাটানো হয় না। দায়িত্ব পালনে অনেক ঈদ একা কাটাতে হয়েছে। তবে আক্ষেপ নাই। পরিবারের কয়েকজন মানুষের বিপরীতে অনেক মানুষের সেবা করতে পেরেছি।

হাসপাতালটিতে শতাধিক নার্স ও রোগীর পাশাপাশি ৭ জন ডাক্তার। এছাড়া প্রায় ২৫ জন সাপোর্ট স্টাফ ছুটি পাননি এবার ঈদে। অন্য সবার মত তাদেরও ঈদ কেটেছে মানুষের সেবা নামের দায়িত্ব পালন করেই।

;

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে বাবার মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে ছেলের বিয়ের দিনে অসুস্থ হয়ে নুর আমিন (৫০) নামে এক চা বিক্রেতা মারা গেছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাতে শহরের প্রগতি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নুর আমিন শহরের বড় বাজারে চা বিক্রি করতেন।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে নীলফামারীর সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের মেয়ের সঙ্গে চা বিক্রেতা নুর আমিনের ছেলে সোহাগ ইসলামের বিয়ে সম্পন্ন হয়। শুক্রবার রাতে বিয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ছেলের বউকে ঘরে তোলার কথা ছিল। এ কারণে সবধরনের প্রস্তুতিও শেষ করেন নুর আমিন। বাড়িতেও আত্মীয় স্বজনে ভরপুর। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা দ্রুত নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মুহূর্তেই আনন্দের বাড়িতে নেমে আসে বিষাদের ছায়া।

নীলফামারী পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রত্না রানী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে উনাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছেলের বিয়ের দিনে হঠাৎ বাবার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

;

কলাপাড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশা খাদে, নিহত ২



উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, (কলাপাড়া-পটুয়াখালী)
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে অটোরিকশা চালকসহ আরও ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পটুয়াখালী-কলাপাড়া মহাসড়কের বিশকানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আফজাল হোসেন (৬০) বরগুনার বড়ইতলা ও জাকারিয়া (২৩) চড়পারা এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অটোরিকশা চালক পার্শ্ববর্তী আমতলী চৌরাস্তা থেকে ৫ জন যাত্রী নিয়ে কলাপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। বিশকানি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটি মহাসড়কের পাশের একটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।

আহতদের মধ্যে সিএনজি চালক জামাল ও মতিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কলাপাড়া থানার ওসি আলী আহমদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

;

সিলেটে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টায় সিলেটের জকিগঞ্জের (জকিগঞ্জ-সিলেট) সড়কের শাহবাগ মুহিদপুর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতরা হলেন- জকিগঞ্জের খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের আফতার আলীর ছেলে আদিল হোসাইন (২০), একই গ্রামের জমির আলীর ছেলে জাকারিয়া আহমদ (২১) ও একই গ্রামের সুবহান আলীর ছেলে মিলন আহমেদ (২০)।

সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাহমুদ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, দ্রুত গতির দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আদিল, জাকারিয়া ও মিলন গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আদিল হোসাইন ও জাকারিয়া আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মিলনের আশঙ্কাজনক অবস্থা হওয়ায় দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পরে রাত ৩টার দিকে সেখানে তিনিও মারা যান।

;