ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের শীর্ষ দশের তালিকা থেকে বের হতে পারছে না রাজধানী ঢাকা । শুক্রবারও (১৫ মার্চ) ঢাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকা ১৬৬ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ৫ম স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাস আজ অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষ ১০ এর মধ্যে থাকে ঢাকা।

এ তালিকায় ২১০ স্কোর নিয়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই শহর। ১৮৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে নেপালের কাঠমান্ডু। ১৬৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে চীনের বেইজিং। এ ছাড়া ১৬৬ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন শহর।
মেগাসিটি ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে বায়ুদূষণে। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায় এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদফতর ও বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো: ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

বর্তমানে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্মাণকাজ, রাস্তার ধুলা ও অন্যান্য উৎস থেকে দূষিত কণার ব্যাপক নিঃসরণের কারণে ঢাকা শহরের বাতাসের গুণমান দ্রুত খারাপ হতে শুরু করে।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের মতে, বায়ু দূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৮০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছেন।

কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আন্দোলনকারীরা

আন্দোলনকারীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অন্যতম সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম একথা জানান।

তিনি লিখেছেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি। যদি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

আরও লিখেছেন, কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি ৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির নামেও কোনো প্রসহন মেনে নেওয়া হবে না।

মো. নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাসগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের ওপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে।

আমাদেরকে আজকে রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন বলেন তিনি।

;

আগুনের কারণে বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিটিভি ভবনে আগুন

বিটিভি ভবনে আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) ভবনে দেয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। টিভি স্টেশনটির ট্রান্সমিশন বন্ধ হওয়ায় সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায়। আগানের কারণে ভবনের ভেতরে অনেকে আটকা পড়েছেন বলেও জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এ ভবনে আগুন দেয়। আগুন লাগার চার ঘণ্টা পার হলেও ভবনে পৌঁছতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের কোনো উদ্ধারকারী দল।

আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিটিভির এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ভেতরে অনেকে আটকা পড়েছেন। এ অবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।

;

কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না: সমন্বয়ক নাহিদ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত, নাহিদ ইসলাম

ছবি: সংগৃহীত, নাহিদ ইসলাম

  • Font increase
  • Font Decrease

‘কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি চাকরিতে সবধরনের কোটাপদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে সহিংসতা চালিয়ে সরকার উদ্ভূত পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এর দায় সরকারেরই। সরকার আলোচনার কোনো পরিস্থিতি রাখেনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ফেসবুক আইডির এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।

নাহিদ বলেন, ‘যদি এখনো আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজপথ থেকে সরানো না হয়; যদি হল, ক্যাম্পাস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে না দেওয়া হয়, যদি এখনো গুলি অব্যাহত থাকে, তাহলে সরকারকেই সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে’।

তিনি বলেন,’ কেবল কোটা সংস্কার করলেই ফয়সালা হবে না। প্রথমে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সরকার দাবি কর্ণপাত করেনি৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমনের প্রচেষ্টা করছে। এখন সংলাপের নামে, দাবি আদায়ের নামে নতুন প্রহসন করছে। বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির নামেও কোনো প্রসহন মেনে নেওয়া হবে না’।

ফেসবুকে এ মন্তব্য করেন  বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, ফেসবুক


ফেসবুক পোস্টে সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলে, ‘সকল ছাত্র হত্যার বিচার করতে হবে। ক্যাম্পাসগুলোকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসমুক্ত করতে হবে। অনতিবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিরস্ত্র করে রাজপথ থেকে অপসারণ করতে হবে। শহীদের রক্তের উপর কোনো সংলাপ হবে না। সরকারকেই সমাধানের পথ বের করতে হবে৷

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্রদের পাশে থাকুন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান থাকবে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন। বাংলাদেশে গণহত্যা চলছে’।

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদেরকে আজকে (বৃহস্পতিবার) রাতের মধ্যেই গ্রেফতার অথবা গুম করে ফেলতে পারে। আপনারা কর্মসূচী অব্যাহত রাখবেন। সবাই জনগণকে সাথে নিয়ে প্রতিটা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করুন’।

;

কোটা সংস্কার আন্দোলন: রোষানলে সাংবাদিকরা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আন্দোলন এলেই বেশি হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা

আন্দোলন এলেই বেশি হামলার শিকার হন সাংবাদিকরা

  • Font increase
  • Font Decrease

দিন দিন ঝুঁকির মুখে পড়ছে দেশের সাংবাদিকতা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকরা প্রায় সন্ত্রাসীদের মারধর ও হুমকির শিকার হচ্ছেন। আন্দোলন এলেই বেশি হামলার শিকার হন তারা।

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে রোষানলে পড়ছেন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকগণ। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ, ছাত্রলীগ ও শিক্ষার্থীদের ত্রিমুখী হামলায় রোষানলে পড়ে এখন পর্যন্ত সারাদেশে বেশ কয়েকেজন সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। এছাড়া গণমাধ্যমের ক্যামেরা, গাড়ি ভাঙচুর করার খবরও পাওয়া গেছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সয়বাদ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ১৫ জুলাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ জন সাংবাদিক আহত হন, ১৬ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আহত হন ৬ জন। এছাড়াও কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও বগুড়ায় আরও ১২ জন সাংবাদিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুলাই) এবং বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সারাদেশে প্রিন্ট, অনলাইন, ডিজিটাল ও ব্রডকাস্ট মাধ্যমের ২৫জন সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন।

আন্দোলনের শুরু থেকেই বস্তুনিষ্ট ও নিরপেক্ষ সংবাদ সংগ্রহ করে আসছেন মাল্টিমিডিয়া নিউজপোর্টাল বার্তা২৪.কম-এর সাংবাদিক খন্দকার আসিফুজ্জান। প্রতিদিনের মতো তিনি বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সংবাদ সংগ্রহ করতে বের হন। রামপুরা বনশ্রী ইউলুপের মুখে শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় পিছন থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে দালাল সাংবাদিক বলে ব্যাপক মারধর করে। পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)। বুধবার (১৭ জুলাই) বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আন্দোলন কর্মসূচির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গত কয়েক দিনে দেশের নানা স্থানে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হচ্ছেন। গণমাধ্যমের ক্যামেরা, গাড়ি ভাঙচুর করা হচ্ছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের হামলার শিকার হওয়া কোনোভাবেই সাংবাদিক সমাজ মেনে নেবে না। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তারা। সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার পূর্বক বিচারের দাবি জানানো হয়।

দেশে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বিশেষ কোনো আইন নেই। সাংবাদিকদের ওপর হামলা কমানোর জন্য সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাংবাদিকের সংগঠনগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। সাংবাদিকদের অধিকার আদায় ও তাদের রক্ষার জন্য এগিয়ে আসতে হবে।

;