রক্তদানে অবদান রাখায় কুষ্টিয়ার ব্লাড ডোনারদের সম্মাননা প্রদান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ায় বিভিন্ন সামাজিক কাজের পাশাপাশি রক্তদানে নিয়মিত অবদান রাখায় রক্তদাতাদের সম্মাননা জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কুষ্টিয়া শহরের পেয়ারাতলা এলাকায় আনজুম'স কিচেন-এ এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় ‘ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম' সংগঠনের পক্ষ থেকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আল কোরআন এন্ড ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আ ব ম সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সামাজিক জোটের চেয়ারম্যান ড. আমানুর আমান।

এসময় তিনি বলেন, যারা মুমূর্ষু রোগীদের রক্তের ব্যবস্থা করে দেয় তারা মানবিক মানুষ। আপনারা (ব্লাড ডোনাররা) কাজ করেন মানুষের জীবন বাঁচাতে, রক্ত দিয়ে মানুষের সেবা করতে। আমরা মনেপ্রাণে চাই ব্লাড ডোনাররা সবসময়ই সক্রিয় থাকুক। এতে মানুষেরই উপকার হবে।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই আয়োজন সত্যি আমাকে বিমোহিত করেছে। যারা রক্ত নিয়ে কাজ করে তাদের গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি আল কুরআন উপহার হিসেবে দিয়ে যে সম্মাননা জানানো হলো সত্যি তা প্রশংসনীয়। এই মহতি কাজের জন্য ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরামের চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন সব সংগঠনের সহযোগিতামূলক অংশগ্রহণই পারে ভালো কাজের ধারা বহাল রাখতে।’

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরামের চেয়ারম্যান আশিকুল ইসলাম চপল। সংগঠনের সদস্য মাসুদ মর্তুজার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট লেখক ও সাহিত্যিক হাসান টুটুল, সাংবাদিক এসএম জামাল, স্বপ্ন প্রয়াস যুব সংস্থার সভাপতি সাদিক হাসান রহিদ, উদ্যোক্তা তন্নী খাতুন প্রমুখ।

ব্লাড ডোনারদেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘ব্লাড ডোনাররা নিয়মিত রক্তদানের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ ও মননশীল ও সৃষ্টিশীল বিষয় নিয়ে কাজ করে। তারা নিয়মিত রক্তদানের সঙ্গে জড়িত। এই মানবিক কাজ চলমান রাখতে উপস্থিত সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো হয়।

পরে ত্রিশ জন ব্লাড ডোনারদের লাল গোলাপ উপহার হিসেবে দেওয়ার পাশাপাশি সহজ বাংলায় আল কুরআনের অনুবাদ উপহার দেন।

   

আজ চৈত্র সংক্রান্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চৈত্র মাসের শেষদিন আগামীকাল শনিবার, যা চৈত্র সংক্রান্তি নামে পরিচিত। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়।

আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক।

চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে।

চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে আগামী রবিবার (১৪ এপ্রিল) সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর। পুরনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে রবিবার বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে।

জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সব কিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।

এছাড়া চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি।

 

;

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসুন, নতুন বছরে অতীতের সকল ব্যর্থতা-দুঃখ-গ্লানি পিছনে ফেলে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করি। আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) সারাদেশে উদযাপিত হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে তিনি আজ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় (ভিডিও) দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন,
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
বর্ষ পরিক্রমায় আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন বছর। আপনারা যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে জানাই বঙ্গাব্দ ১৪৩১-এর শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।
প্রধানমন্ত্রী কবি সুফিয়া কামালের ভাষায় উচ্চারণ করে বলেন:
‘পুরাতন গত হোক! যবনিকা করি উন্মোচন
তুমি এসো হে নবীন! হে বৈশাখ! নববর্ষ!
এসো হে নতুন।”
শুভ নববর্ষ।

;

সিলেটের চা বাগানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা



মশাহিদ আলী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভ্রমণ প্রেয়সী মানুষের পাদচারণায় মুখরিত সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো। প্রতিবারের মতো এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের টানা ছুটিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সিলেটের চা-বাগানগুলো। পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব মিলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে এক স্থান অন্য স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। চা-বাগানের দৃশ্য দেখে কেউ বইয়ের পাতায় চা-বাগানের ছবি থেকে বেশি সুন্দর বলে মন্তব্য করেছেন আর কেউই কবিতার পঙক্তি ও গানের মাধ্যমে চা বাগান নিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করছেন।

শুক্রবার (১২এপ্রিল) ঈদের দ্বিতীয় দিন ও সরকারি ছুটির তৃতীয় দিনে সিলেটের মালনীছড়া চা-বাগান ও লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা-বাগানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সিলেটে এসেছেন অনেকেই।

সরেজমিনে সিলেটের মালনীছড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগানগুলোর উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। কেউ একতারা হাতে নিয়ে গান গাইছেন। কেউবা কবিতা আবৃত্তি করছেন। আবার অনেকেই সুন্দর মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে মুঠোফোনে ও ডিএসএলআর ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করতে দেখা যায়।

সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানে গিয়ে কথা হয় বরিশাল থেকে আসা চন্দনা বিশ্বাসের সঙ্গে। বরিশালে একটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্বে রয়েছেন।

বইয়ের চিত্র থেকে বাস্তবে সিলেটের চা-বাগানগুলো অনেক অনেক সুন্দর ও স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরপুর বলে দাবি করে চন্দন বিশ্বাস বলেন, এত সুন্দর চা-বাগান আর কখনো দেখা হয়নি। এই প্রথম সিলেটে ঘুরতে এসেছি। চা-বাগান ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে। এক কথায় অপূর্ব। মনে হচ্ছে প্রকৃতি যেন ঢেলে দিয়েছে। তাই আমি সবাইকে আহ্বান করছি সিলেটের চা বাগান দেখতে আসার জন্য।

সুনামগঞ্জ থেকে বেড়াতে আসেন আরেক পর্যটক আমিনুল ইসলাম। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, এখানকার সবুজ প্রকৃতির আর রূপ লাভণ্যতায় বিমুগ্ধ হয় পর্যটক দর্শনার্থীরা। এখানে ঘুরতে এসে আমরা বন্ধুবান্ধব সবাই অত্যন্ত খুশি। পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে ঘুরতে পারার মতো পরিবেশ রয়েছে।

ভোলা থেকে সিলেটে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী বিশ্বদেব বারই বলেন, সিলেটে এমন একটি জায়গায় যা কোনো কবিতা বা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। প্রকৃতির কাছাকাছি না এলে বুঝা যায় না প্রকৃতি সুন্দর। আসলে সৃষ্টিকর্তা এতো সুন্দর প্রকৃতি তৈরি করে দিয়েছেন তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এই যে ঈশ্বর প্রদত্ত চমৎকার প্রকৃতি আর এই প্রকৃতি মনে হয় সিলেট ছাড়া আমরা আর কোথাও পাবো না।

সিলেট নগরীর বাসিন্দা ইমদাদুল হক বলেন, শহরের কোলাহল থেকে বেরিয়ে এসে খুব ভালো লাগছে। বিভিন্ন সময় আমরা অনেক জায়গায় যেতে চাইলেও নিরাপত্তা জনিত কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে যেতে পারি না। তবে এখানকার পরিবেশ অত্যান্ত ভালো। তবে আরেকটু বেশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিলে ভালো হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করবো এখানে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য। কারণ প্রায় সময় শুনা যায় অনেক ঘটনা ঘটে থাকে।

পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পক্ষে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রের ভেতরে না থাকলেও কেন্দ্রগুলোর বাইরে আমাদের পুলিশ সব সময় থাকে। কারো কোনো সমস্যা হলে আমাদেরকে জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও তাৎক্ষণিক কোনো অভিযোগ থাকলে স্থানীয় থানার ওসি বা ৯৯৯ এ কল দিয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য আহবান জানান।

;

চিরতরে টিকেটে কালোবাজারি বন্ধ হবে: রেলমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
চিরতরে টিকেটে কালোবাজারি বন্ধ হবে: রেলমন্ত্রী

চিরতরে টিকেটে কালোবাজারি বন্ধ হবে: রেলমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম বলেছেন, এক সময় ট্রেনের টিকেটে কালোবাজারি থাকলেও বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর কালোবাজারি বন্ধ হয়েছে। আশা করি চিরতরে কালোবাজারি বন্ধ হয়ে যাবে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মুক্তিযুদ্ধকালীন রণাঙ্গনের স্মৃতি বিজড়িত স্থান মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষলোটাকা গ্রাম পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী এই ষােলটাকা গ্রামের কথা বলতে গিয়ে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় আমি এই ষলোটাকা গ্রামে রাতযাপনও করেছি। দেশ স্বাধীনতার বড় একটা ভূমিকা ছিল এই গ্রামের মানুষের।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হয়ে মুজিবনগর থেকে মেহেরপুর রেললাইন স্থাপনের অগ্রগতির বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ রেললাইন স্থাপন কাজ দ্রুত শুরু হবে। প্রক্রিয়া চলছে।

শুক্রবার দুপুরে রেলপথমন্ত্রী সড়ক পথে মেহেরপুরে পৌঁছলে মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য ডাক্তার আবু সালেহ মো. নাজমুল হক সাগর ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আহম্মেদ আলী।

পরে মন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। সবশেষে তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন রণাঙ্গনের স্মৃতি বিজড়িত ষোলটাকা গ্রাম ও গ্রামসংলগ্ন নােনা বিল এলাকা পরিদর্শন করেন। এসময় মুক্তিযুদ্ধের সময় সহযােগিতাকারী পরিবারের সদস্যরা মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন।

;