গৃহায়ণের ও গণপূর্তের প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সংসদীয় কমিটি। এই অসন্তোষ থেকেই চলমান প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষ না করে নতুন প্রকল্প না নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ‘অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটি’।

রোববার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্যাপ্টেন (অব:) এ বি তাজুল ইসলাম এমপি। কমিটির সদস্য চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, মো. মাহবুবউল আলম হানিফ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রাণ গোপাল দত্ত, অপাজিতা হক, মো. শাহরিয়া আলম এবং খাদিজাতুল আনোয়ার বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও কর্মবন্টন এবং এর আওতাধীন চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও কর্মবন্টন এবং এর আওতাধীন চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতির উপর সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়।

বৈঠকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সমাপ্তকরণ এবং গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসই করণের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ডকরণ বর্ষাকালের পরিবর্তে শীতকালে করার জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। বৈঠকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরের টেন্ডার আহবান করার কার্য ক্ষমতা ও বিধি বিধান রয়েছে কি না তার তথ্য উপাত্ত আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটির কাছে উপস্থাপন করার জন্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় এবং চলমান প্রকল্পগুলো সমাপ্ত না করে নতুন প্রকল্প গ্রহণ না করার জন্য কমিটি সুপারিশ করে। এছাড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের পরিত্যক্ত জমিতে ফ্ল্যাট নির্মাণের ব্যবস্থা করা এবং পূর্বাচল ও ঝিলমিল প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শনের বিষয়ে কমিটি সুপারিশ করে।

গৃহায়ণ গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভিন্ন সংস্থা প্রধানরা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

   

আদালতে এসে ঢলে পড়লেন বাবুল আক্তার, হয়নি সাক্ষ্যগ্রহণ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম আদালতে আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় হাজিরা দিতে এসে আসামির কাঠগড়ায় বেঞ্চে বসা অবস্থাতেই অসুস্থায় ঢলে পড়েন সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারকে। কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন তিনি। কারাগারে ফেরার জন্য তিনি প্রিজন ভ্যানে উঠতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অবশ্য তাকে প্রিজন ভ্যানেই ফেনী কারাগারে পাঠানো হয়। এদিন মিতু হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও সেটা আর হয়নি।

সোমবার (১৩ মে) বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মহানগর তৃতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ জসিম উদ্দিনের আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য ছিল। সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য বাবুল আক্তারকে সকাল ১০টার দিকে ফেনী কারাগার থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আসামির কাঠগড়ায় তিনি যে বেঞ্চে বসা ছিলেন, সেখানে ঢলে পড়েন। সেখানে পুলিশ ও স্বজনেরা তাকে প্রাথমিক সেবা দেন। কিছুক্ষণ পর তিনি সুস্থ বোধ করেন। বাবুল আক্তার কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন বলে জানান।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী নেছার আহমেদ জানান, সাক্ষী হাজির না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন। আদালত আগামী বুধবার শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ না হওয়ায় তাকে যখন কারাগারে নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল পুলিশ, তিনি প্রিজন ভ্যানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি মাইক্রোবাসে করে তাকে কারাগারে নেয়ার দাবি করেন। পরে তাকে প্রিজন ভ্যানে করে ফেনী কারাগারে নেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) এস এম হুমায়ুন কবীর জানান, বাবুল আক্তার হঠাৎ আদালতে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তিনি কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বলে জেনেছি। অসুস্থ হওয়ার পর তিনি নাপা খেতে চেয়েছিলেন। পরে আমরা বিষয়টি আদালতকে অবহিত করে চট্টগ্রাম কারা কর্তৃপক্ষকে জানাই। পরে সুস্থ বোধ করায় তাকে আবার ফেনী কারাগারে নেওয়া হয়।

বাবুল ক্তারের আইনজীবী মামুনুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, জ্বর থাকায় বাবুল আক্তারকে ফেনী কারাগারে না নিয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখার আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

;

২৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি আটক



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
২৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি আটক

২৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক কারবারি আটক

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধায় ২৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। আটক ব্যক্তির নাম সুশান্ত চন্দ্র।

সোমবার (১৩ মে) সকাল সাতটার দিকে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানার ১০ নং ভেলগুড়ি ইউনিয়নের অন্তর্গত উত্তর জাওরানি (মাঝিপাড়া) বড়দল ব্রিজের পশ্চিম পার্শ্বে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব–১৩ এর একটি ইউনিট। এসময় ২৫৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ সুশান্ত চন্দ্রকে আটক করা হয়।

র‌্যাব আরও জানায়, মাদক কারবারি সুশান্ত চন্দ্র দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক কারবারির সাথে সম্পৃক্ত এবং বহুদিন ধরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকের বড় বড় চালান পার্শ্ববর্তী দেশ হতে পাচার করে রংপুর এবং লালমনিরহাট জেলাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে আসছে।

র‌্যাব-১৩ গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরে আসামিকে হাতীবান্ধা থানায় হস্তান্তরসহ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

;

এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল জমজ দুই বোন



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টাঙ্গাইলের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে জমজ দুই বোন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তরা হলেন- অর্পিতা সাহা অর্পা ও অর্মিতা সাহা অর্ণা। অর্পার প্রাপ্ত নম্বর-১১২৩ আর অর্ণার প্রাপ্ত নম্বর-১১১৪। জমজ দুই বোন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

এসএসসিতে ভালো ফলাফল করার পর ভবিষ্যতে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন চিকিৎসক ও অপরজন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

অর্পা ও অর্ণা পৌর শহরের ওয়ালটন প্লাজার সিনিয়র এস্টিকিউটিভ ম্যানেজার অনুপ কুমার সাহা ও গৃহিনী সুম্মিতা ঘোষ দম্পতির জমজ দুই কন্যা সন্তান। তারা পৌর শহরের সাবালিয়া এলাকার বাসিন্দা।

অর্পিতা সাহা অর্পা জানান, ভবিষ্যতে সে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন চিকিৎসক হতে চায়। দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকার স্বপ্ন দেখছে সে। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের আর্শিবাদ কামনা করেছে সে।

অর্মিতা সাহা অর্ণা জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে সে। স্বপ্ন পূরণে সকলের আর্শিবাদ কামনা করেছে অর্ণা।

জমজ দুই কন্যার বাবা অনুপ কুমার সাহা বলেন, আমি চাই আমার মেয়েরা মানুষের মত মানুষ যেন হয়। তাদের স্বপ্ন ও আশা পূরণে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো। তারা যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখতে পারে এটিই আমার প্রত্যাশা।

;

২৭ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পটুয়াখালী
২৭ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

২৭ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

  • Font increase
  • Font Decrease

২৭ বছর আত্মগোপনে থাকার পর র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার হলেন হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আনোয়ার হোসেন খাঁন।

সোমবার (১৩ মে) বিকেলে র‌্যাব-৮ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এর একটি চৌকস দল অভিযান চালিয়ে পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত দ্বীপ রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদা ইউনিয়ন থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. আনোয়ার হোসেন খাঁনকে গ্রেফতার করেন। তিনি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণকাঠি গ্রামের গিয়াস খানের ছেলে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায় আসামি মো. আনোয়ার হোসেন খাঁন দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি ১৯৯৭ সালের অক্টোবর মাসে তার প্রতিবেশী আসমান খাঁন কে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আদালত বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৩০২ ধারায় পলাতক অবস্থায় আসামির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সাজাসহ ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা, অনাদায়ে আরও ০১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আদালতের রায় ঘোষণার পর থেকে ২৩ বছর অতিক্রান্ত হলেও আসামি পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদা ইউনিয়নে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় সংসার করে আসছিলেন।

র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর সোহেল রানা বলেন, আমাদের কাছে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ কর্তৃক একটি অধিযাচনপত্র আসে আসামিকে গ্রেফতারের জন্য। বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে আমাদের একটি চৌকস টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত দ্বীপ উপজেলা রাঙাবালীর বড় বাইশদা এলাকা থেকে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামিকে গ্রেফতার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ এর পর আসামিকে বাকেরগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হবে।

;