লোভের ফাঁদে ফেলে গ্রাহকের ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ, গ্রেফতার ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর অক্সিজেন এলাকায় একটি ভবনের ৫ম তলায় ‘আস্থা মাল্টিপারপাস সার্ভিস লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) অফিস চালু করে কয়েকজন মিলে। সেই এনজিওতে সদস্য হয়ে ঋণ নিতে বিভিন্ন প্রলোভন দেখানো হয় অসহায়-নিরীহ নারীদের। গত ১ মাস ধরে এভাবেই বিভিন্ন প্রলোভনে জামানত ও সঞ্চয়ের নাম করে সদস্যদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় ২৬ লাখ টাকারও বেশি। পরে ঋণ না পেয়ে ওই অফিসের দুইজনকে আটক করে পুলিশে দিলে বেরিয়ে আসে প্রতারণার ছক।

শনিবার (১৮ মে) বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন কুয়াইশ রোড এলাকার তারেক বিল্ডিংয়ের ৫ম তলা থেকে তাদের আটক করে ভুক্তভোগীরা। পরে তাদেরকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গ্রেফতারকৃত দুইজন হলেন, মেহেদী হাসান সবুজ (৩৫) এবং মো. জাফরুল হাসান খান (২৮)। এরমধ্যে সবুজ বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জের হাওলাদার বাড়ির হালিম হাওলাদারের ছেলে। বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেডে বন্দর টিলা এলাকায় থাকেন তিনি। আর জাফরুল বাগেরহাট জেলার সরণখোলার চালিতাবুনিয়ার খান বাড়ির মো. আসলাম হোসেন খানের ছেলে। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর অক্সিজেন কাঁচাবাজার এলাকায় থাকেন।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ এপ্রিল নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন অক্সিজেন কুয়াইশ রোড এলাকায় ‘আস্থা মাল্টিপারপাস সার্ভিস লিমিটেড’ নামে একটি বেসরকারি এনজিওর অফিস খুলে অভিযুক্তরা। গত এক মাস ধরে ওই এলাকার শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে গিয়ে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে এনজিও’র সদস্য হওয়ার প্রস্তাব দেয়। একইসঙ্গে তাদের আরো কয়েকজনকে সদস্য করার কথা বলে। পরে সদস্য হওয়ার জন্য ভুক্তভোগীরা অফিসে গেলে অভিযুক্তরা তাদের জানায়, এককালীন ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় দিলে সপ্তাহের মধ্যে ১ লাখ টাকা এবং ২০ হাজার সঞ্চয় দিলে ২ লাখ টাকা ঋণ দিবে। এছাড়াও সদস্যদের পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাদের চিবিৎসা ভাতাসহ নানান সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। অভিযুক্তদের কথা বিশ্বাস করে ভুক্তভোগীরা প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে সদস্যপদ নেয়। ভুক্তভোগীরা প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জামানত দেয়। পরে তাদের একটি সঞ্চয় ও ঋণ পাস বই দেয় অভিযুক্তরা। এসময় অভিযুক্তরা সদস্যদের সঞ্চয় ও ঋণ পাশ বইতে কাজ আছে বলে নিয়ে যায় এবং জানায় ১৮ মে তাদের ঋণ দেওয়া হবে।

সেই প্রেক্ষিতে গতকাল ১৮ মে (শনিবার) সকালে ওই এনজিও অফিসে গেলে তালাবদ্ধ দেখতে পায়। পরে ভুক্তভোগীরা জানতে পারেন, অভিযুক্তরা ঋণ দিবে বলে এ রকম অনেকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে। এছাড়া ঋণের টাকা না দেওয়ায় মেহেদী হাসান সবুজ এবং মো. জাফরুল হাসান খানকে আটক করে ভুক্তভোগীরা থানায় নিয়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় আরো দুই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।

পরে এ ঘটনায় বায়েজিদ থানায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন সদস্য তাদের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জনের কাছ থেকে সদস্য ফিসহ বিভিন্ন কারণে জামানত হিসাবে টাকা নেয়। পরে আটককৃতদের দেখানো মতে অফিস থেকে ১২৭টি সঞ্চয় ও ঋণ পাশ বই এবং ৫৭৬টি সদস্য আবেদন ফরম জব্দ করা হয়।

বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় কুমার সিনহা বলেন, ‘প্রথমে অসহায়-নিরীহ মানুষের কাছে গিয়ে আর্থিকভাবে স্বচ্ছলতার প্রলোভনসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার কথা জানিয়ে বিশ্বাস অর্জন করতো তারা (অভিযুক্ত)। পরে ঋণ দিবে বলে সদস্যদের কাছ থেকে জামানত নিতো। এভাবে তারা বাদী ও বাদীর পরিচিত সদস্যদের কাছ থেকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং আরো বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের কাছ থেকে জামানত ও সঞ্চয়ের নামে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল ওই এনজিওর সদস্যদের ঋণ দেওয়ার কথা ছিল। তবে সদস্যরা অফিসে গিয়ে জানতে পারেন তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। পরে সদস্যরা ওই এনজিও’র সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এক সদস্য বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে। আরও দুইজন পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’

   

মানিকগঞ্জে ইয়াবাসহ আটক ১



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আটক মো: মোতালেব। ছবি: সংগৃহীত

আটক মো: মোতালেব। ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার জান্না এলাকা থেকে এক হাজার একশত পিচ ইয়াবাসহ মো. মোতালেব (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য অধিদফতরের একটি অভিযানিক টিম।

সোমবার (২৪ জুন) বিকেলে জান্না এলাকার নিজ বাড়ি থেকে আটক হয় মোতালেব।

পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী বসতঘরের সুকেসের ড্রয়ার থেকে ওই পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মোতালেব জান্না খালাসীপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা মাদকদ্রব্য অধিদফতরের ইনচার্জ মো. রাসেল হোসেন বলেন, বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ আটক মোতালেবের বিরুদ্ধে সাটুরিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

;

ভবনের মাঝখানে যুবকের লাশ, পাশে মিলল চুরি হওয়া ২ মোবাইল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ভবনের মাঝখানে যুবকের মরদেহ

ভবনের মাঝখানে যুবকের মরদেহ

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার আলকরণ এলাকায় দুইটি ভবনে মাঝ থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, চুরি করে পালাতে গিয়ে ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হতে পারে।

সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় আলকরণ এলাকায় থেকে স্থায়ীদের খবরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। তবে এখনো তার পরিচয় জানতে পারিনি পুলিশ।

জানা গেছে, আজ বিকেলের দিকে ওই এলাকায় মরদেহের পচা গন্ধা পায় স্থানীয়রা। পরে খোঁজ করে দেখে বন্ধন টাওয়ার ও আলকরণ টাওয়ার নামে দুইটি বহুতল ভবনের মাঝামাঝি খালি স্থানে আটকে আছে এক যুবক। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। ওই স্থান থেকে গত ২২ জুন রাতে বন্ধন টাওয়ারে একটি কক্ষ থেকে চুরি হওয়া দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ধারণা, ঘটনার দিন চুরির ঘটনা টের পেলে ভবনে বসবাসরতদের চিৎকারে পালিয়ে যায় চোরের দল। চুরি করতে এসে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভবনের পড়ে মৃত্যুবরণ করে যুবকটি।

ভবনটির মালিক নিজাম হাসান বলেন, সন্ধ্যায় এক রকম পচা গন্ধা পাওয়া যায় বিল্ডিংয়ের আশপাশে। পরে দেখা যায় দুই বিল্ডিংয়ে মাঝখানে আটকে আছে এক যুবক। পরে স্থানীয় কাউন্সিলরকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ সদস্য এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়। আমার বিল্ডিং থেকে গত পরশুদিন রাতে দুই মোবাইল চুরি হয়। তারা দুইজন ছিল। মনে হয় একজন পালিয়ে যেতে পারলে অন্যজন ডিশের তার দিয়ে নামার সময় দুই বিল্ডিংয়ের মাঝখানে পড়ে যায়।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম ওবায়েদুল হক বলেন, মরদেহটি দুই বিল্ডিংয়ের লোহার নেটের সাথে আটকানো ছিল। মরদেহ উদ্ধার করে চমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঐ যুবকের নাম পরিচয় শনাক্ত করতে কাজ অব্যাহত আছে। গত ২২জুন রাতে সেখানে একটি ভবনে চুরির ঘটনা ঘটে। মরদেহের সাথে চুরি হওয়া মোবাইল দুইটিও পাওয়া যায়। ধারণা হচ্ছে, চুরি করা পালাতে গিয়ে হয়ত পড়ে মারা গেছে।

;

জল্লাদ শাহজাহানের মৃত্যুতে প্রতিক্রিয়া নেই এলাকাবাসীর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নরসিংদী
ছবি: জল্লাদ শাহজাহান

ছবি: জল্লাদ শাহজাহান

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান আর নেই। এই সংবাদটি মিডিয়া জগতে যতটা আলোচিত হয় আর তুলনায় আলোচনা বা প্রতিক্রিয়া নেই এলাকাবাসীর। সোমবার (২৪ জুন) ভোর সাড়ে পাঁচটায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মারা যান দেশের আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান। জল্লাদ শাহজাহানের প্রতিবেশী ও স্বজন এবং স্থানীয় গজারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি আরো জানান, জল্লাদ শাজাহান আমাদের নিকট আত্মীয়, তিনি জেল থেকে মুক্তির পর বাড়িতে দুই চারবার আসেন, এছাড়া বেশিরভাগ সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসা করে বসবাস করেন। সর্বশেষ তিনি ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।

সোমবার (২৪ জুন) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে শাজাহান বুকের ব্যথা অনুভব করে। এ সময় বাড়ির মালিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে শাজাহান ইন্তেকাল করেন বলে খবর পাওয়া যায়। জল্লাদ শাজাহান মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর পলাশে স্থানীয়দের মাঝে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

মৃত্যুর সংবাদ শুনে গ্রামের বাড়িতে তার স্বজনরা রাত দশটায় জানাজা নামাজের সময় নির্ধারণ করে কবরের খনন কাজ শেষ করেন। তবে শাহজাহানের মরদেহ হাসপাতাল থেকে আনতে হলে ময়নাতদন্তের পর আনতে হবে বিধায় আজ রাত জানাজা নামাজ দাফন কাজ সম্পন্ন নয় বলে জানান শাহজাহানের স্বজন এস এম আলমগীর।

শাজাহানের মৃত্যুতে এলাকাবাসী জানান, জল্লাদ শাহজাহান ছোট্টবেলা থেকেই এলাকা ছাড়া থাকায় এলাকার অনেকেই তাকে চেনেন না বা জানেন না, এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন কারা ভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় দেশের আলোচিত ব্যক্তিদের ফাঁসি দিয়ে সারাদেশে আলোচিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন

;

জামিনে মুক্তি পেলেন আলোচিত পাপিয়া



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
ছবি: শামীমা নূর পাপিয়া

ছবি: শামীমা নূর পাপিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হলেন আলোচিত শামীমা নূর পাপিয়া। সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন। বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, বিকেলে পাপিয়ার জামিনের সব কাগজপত্র কারা কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছে। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে তাকে কুমিল্লা কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কুমিল্লা কারাগারে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নে জেল সুপার বলেন, আমাদের নজরে এমন কিছু পড়েনি।

জানা যায়, ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জাল টাকা বহন এবং অবৈধ টাকা পাচারের অভিযোগে পাপিয়াসহ চারজনকে গ্রেফতার করে র‍‍্যাব। এরপর তাদের কাছ থেকে ৭ টি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ জাল টাকা, ৩১০ ভারতীয় রুপি, ৪২০ শ্রীলঙ্কান মুদ্রা, ১১ হাজার ৯১ মার্কিন ডলার এবং সাতটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারের পর কাশিমপুর কারাগারে ছিলেন পাপিয়া। সেখানে এক নারী বন্দির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরে ২০২৩ সালের ৩ জুলাই শামীমা নূর পাপিয়াকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কুমিল্লা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।

;