ওয়াহিদুল ইসলামের উদ্ভাবন, নিরবচ্ছিন্ন ফেঞ্চুগঞ্জে বিদ্যুৎ উৎপাদন



সিরাজুল ইসলাম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেড় কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুশিয়ারা নদীর পানি দিয়ে চলে ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্র। নদীটির তীরে অবস্থিত পাম্প হাউজ মনিটরিং নিয়ে বিড়ম্বনার অন্ত ছিল না। কখনও নাব্যতা কমে যাওয়া, কখনও মোটরের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পানি সরবরাহ নিয়ে নাকাল ছিল বিদুৎকেন্দ্রটি।

পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ হয়ে যেতো। গত বছরও ৩১বার বিভ্রাটের কবলে পড়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি। এরপর নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুল আলম, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তাফিজ আহমেদ ও সহকারী প্রকৌশলী নয়বিৎ মন্ডল নিজেরাই তাক লাগানো সমাধান এনে দিয়েছেন। তাদের উদ্ভাবন স্বস্তি এনে দিয়েছে বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে।

যে কাজে বিদেশি কনসালটেন্ট ভাড়া করতে হলে অর্ধকোটি টাকার উপরে খরচ হতে পারতো, ওয়াহিদুল ইসলামরা সেই কাজ করেছেন মাত্র ৩০ হাজার টাকা খরচে। এখন আরও তাদের দেড় কিলোমিটার দূরে গিয়ে পাম্প হাউজ দেখে আসতে হয় না। যেকোনো জায়গায় বসেই পাম্প অপরেট করা যাচ্ছে। পানির স্তরও জেনে যাচ্ছেন এক ক্লিকেই।

প্রকৌশলী ওয়াহিদ আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘আগে প্রতি মাসেই পাম্প পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটতো। এতে করে ফেঞ্চুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনের ২টি স্টিম টারবাইন, ৪টি গ্যাস টারবাইন, ৪টি এইচআরএসজি কুলিংয়ের পানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতো। এ কারণে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিভ্রাট দেখা দিতো। গত ৪ মাস থেকে প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলার সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম তৈরি করায় এখন সব সংকট দূর হয়ে গেছে। এখন অফিসে বসেই সব সমস্যার সমাধান করা যাচ্ছে। কোনো রকম যান্ত্রিক ত্রুটি হলে সঙ্গে সঙ্গে ধরতে পারছি। আগে দেড় কিলোমিটার দূর পাম্প হাউজে গিয়ে তারপর সমস্যা চিহ্নিত করতে হতো। এতে করে বছরের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।’

ওয়াহিদুল ইসলাম ও তারে টিমের সদস্যদের ভাবনার জায়গাটিও আশান্বিত হওয়ার মতো। ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র চিত্ত-বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা নেই। অবসর সময় কাটাতে তারা উদ্ভাবনীতে মনোনিবেশ করেন। আর শুরুতেই প্রাধান্য পায় দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা পাম্প হাউজ।

আগে সরেজমিন গিয়ে দেখে আসতে হতো পাম্প হাউজ ও নদীর নাব্যতা। লোকবল সংকটের কারণে মনিটরিং করা কঠিন হয়ে পড়তো। এতে করে নানা রকম সংকট দেখা দিতো। আর সংকটের শেষ ধাপে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিকল হয়ে বসে যেতো। এ কারণে সংকট ছিল প্রতি মাসের চিত্র। সেই সংকট দূর করে হিরোতে পরিণত হয়েছে ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইসলাম ও তার টিম।

টিমটি তাদের উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগ আয়োজিত ‘ইনোভেশন শোকেসিং-২০২৪ এ।’ এতে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়। ওয়াহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন- ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওই পদ্ধতি বৃহত্তর পরিসরে পাইলটিং করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্র, ওয়াসা, মেরিন ভেসেলে হুবহু পদ্ধতি ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

উদ্ভাবন শোকেসিং আয়োজনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প ও সহজলভ্য উৎস আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। আমাদের সমস্যা আমাদেরকেই আমাদের মতো করে সমাধান করতে হবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট (এআই) এখনই অনেক সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে। এআই-এর ব্যবহার বাড়িয়ে গ্রাহক সন্তুষ্টিতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে অর্থ ও সময়ের সাশ্রয় ততো হবে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সাফল্যও নিশ্চিত হবে।’

উল্লেখ্য, ইনোভেশন শোকেসিং ২০২৪-এ আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) থ্রি-ডি প্রিন্টারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্পেয়ার পার্টস তৈরিকরণ-এ প্রথম স্থান, ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স বেজড ‘স্মার্ট কাস্টমার অ্যাসিস্ট্যান্ট- চ্যাটবট’ ২য় স্থান অর্জন করে।

   

দেশে প্রোপেন চালিত জেনারেটর পরীক্ষায় সফল ইউনিগ্যাস



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের অন্যতম শীর্ষ এলপিজি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস দেশে প্রথমবারের মতো শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার করে বিখ্যাত ওয়াকেশা ইনো ব্র্যান্ডের গ্যাস জেনারেটর সফলভাবে অপারেট করতে সাফল্য অর্জন করেছে। ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইউনিগ্যাস শতভাগ প্রোপেন বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত বলে জানা গেছে।

বিগত দুই বছর ধরে ইউনিগ্যাস ও ডানা ইঞ্জিনিয়ার্স (লোকাল ডিস্ট্রিবিউটর ওয়াকেশা ইনো) গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরের জন্য জ্বালানি হিসেবে শতভাগ প্রোপেন ব্যবহার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আসছে। সময়োপযোগী এই উদ্ভাবনের ফলে দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো গ্যাসের ঘাটতিতে এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ কিংবা পণ্য উৎপাদন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

বর্তমানে কারখানাগুলোতে জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে প্রধানত প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ডিজেল, এইচএফও ব্যবহার করা হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল। ইউনিগ্যাসের এই শতভাগ প্রোপেন জেনারেটরের জ্বালানি হিসেবে ডিজেলের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি সাশ্রয়ী এবং গ্যাস-ভিত্তিক জেনারেটরগুলোতে তা সহজেই ব্যবহার করা যাবে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চাহিদা অনুযায়ী এই প্রোপেন মজুতাগারে মজুত করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

ইউনিগ্যাস

প্রাকৃতিক গ্যাস জেনারেটরের জন্য বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এই শতভাগ প্রোপেন গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিতে ইতোমধ্যে সব ধরনের সরবরাহ সুবিধার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইউনিগ্যাস, প্রস্তুত রয়েছে নিরাপদ ও অত্যাধুনিক পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রোপেন রোড ট্যাংকারও।

কোম্পানিটির এই উদ্যোগ প্রয়োজনীয় জ্বালানি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের চাকা গতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ইউনিগ্যাস।

এই যৌথ উদ্যোগের সফল আনুষ্ঠানিকতায় ইউনিটেক্স এলপি গ্যাস লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডিরেক্টর (অপারেশন্স) মো. জোবায়দুল ইসলাম চৌধুরী, সিএমও মো. ফারুকুজ্জামান, হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স মো. কামরুল হাসান, হেড অব অপারেশন্স মো. আনিসুর রহমান, আরও ছিলেন কোম্পানির টেকনিক্যাল হেড মো. আশফাক নাবিল। ডানা ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদ মাসুদ, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর লে. কর্নেল (অব.) মো. আনোয়ারুল ইসলাম, টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজর শেখ তৌহিদুল ইসলাম এবং সিনিয়র জিএম রেহানা পারভিন।

ইউনিগ্যাস বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল ও বহু-মাত্রিক ইউনিটেক্স গ্রুপের অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান। এছাড়া পারফেক্ট কেয়ার লিমিটেডের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডও ইউনিটেক্স গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৯২ সালে স্পিনিং ও কম্পোজিট কোম্পানির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করা ইউনিটেক্স গ্রুপ। সম্প্রতি সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করেছে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য প্রকল্পে। এর মধ্যে রয়েছে এইচএস কম্পোজিট, ‘ইউনিটেক্স স্পিনিং মিলস ইউনিট, স্পিনিং মিলস লিমিটেড, ইউনিটেক্স জুট ইন্ডাস্ট্রি, ইউনিটেক্স স্টিল মিলস লিমিটেড, সোনালী ফাইবার ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। এসব প্রকল্প পুরোপুরি চালু হলে দেশের অর্থনীতি গতিশীল করার পাশাপাশি, বিপুল সংখ্যক কর্মসংস্থান সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে।

;

পুনরায় সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান কায়সার, ভাইস চেয়ারম্যান খালেদ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

আজিজ আল কায়সার ও হোসেন খালেদ ভাইস, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সিটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে আজিজ আল কায়সার ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও হোসেন খালেদ ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হলেন।

সোমবার (২৪ জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক আজিজ আল কায়সার এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো ব্যাংকটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মোট তিন মেয়াদে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি সিটি ব্যাংককে দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

আজিজ আল কায়সারের হাত ধরেই ২০০৮ সালে এ ব্যাংকের পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়। এই পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে তিনি যেসব পরিবর্তন আনেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ব্যাংকের ব্যবসাসমূহ ও অপারেশনের কেন্দ্রীভূতকরণ, পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ব্যাংকিং ও রিটেইল ব্যবসা চালু করা, আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ডের প্রবর্তন, ব্যাংকটির জন্য ডিজিটাল অভিমুখ প্রণয়ন, সিটিজেম প্রায়োরিটি ব্যাংকিং সেবা ও সিটি আলো নারী ব্যাংকিংসহ ঢাকা বিমানবন্দরে বেসরকারি খাতে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক লাউঞ্জ চালুকরণ, এসএমই ও ক্ষুদ্র লোন ব্যবসা এবং ডিজিটাল লোন প্রবর্তন, ইত্যাদি। তার নেতৃত্বে সিটি ব্যাংক সম্প্রতি দেশের প্রথম ব্যাঙ্কাসুরেন্স লাইসেন্স অর্জন করে। সেইসাথে তিনি এ ব্যাংকের চার সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড, সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্সেস লিমিটেড, মালয়েশিয়ায় ১৫টি শাখা সম্পন্ন সিবিএল মানি ট্রান্সফার কোম্পানি এবং সিটি হংকং লিমিটেড স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে শুধু গত পাঁচ বছরেই ব্যাঙ্কের নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় তিনগুণ ২০১৮ সালের ২২২ কোটি টাকা থেকে এ মুনাফা ২০২৩ সালে ৬৩৮ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। একই সময়ে ব্যাংকের রিটার্ন অন ইক্যুইটি ৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৭.৭ শতাংশতে পৌঁছায়। এ সময়ের মধ্যে সিটি ব্যাংক টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ‘শীর্ষ টেকসই ব্যাংক’ রেটিংয়েও ভূষিত হয়।

আজিজ আল কায়সার বর্তমানে পারটেক্স স্টার গ্রুপের পরিচালক এবং এর বিভিন্ন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তিনি মালয়েশিয়ায় সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফারের চেয়ারম্যান হিসেবেও নিয়োজিত আছেন।

অন্যদিকে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হওয়া হোসেন খালেদ দেশের একজন সুপরিচিত ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব। তিনিও এ ব্যাংকের একজন অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক। যুক্তরাষ্ট্রের টলেডো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক করার পরে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ওপর তিনি এমবিএ করেন এবং ২০০০ সালে পারিবারিক ব্যবসা আনোয়ার গ্রুপে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি গ্রুপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে এই শিল্পগোষ্ঠীকে দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করছেন। তিনি ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আজ পর্যন্ত সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি হিসেবে মোট চার মেয়াদে এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশে অন্ট্রেপ্রেনার অর্গানাইজেশন বা ইও-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তিনি সিটি ব্যাংকের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড ও সিটি হংকং লিমিটেডের চেয়ারম্যান এবং একইসাথে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির আহ্বায়ক।

;

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের অডিট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমির (আইবিটিআরএ) আয়োজনে ‘অডিটিং ফর অ্যাচিভিং এক্সিলেন্স ইন ব্যাংক’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৪ জুন) ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। আইবিটিআরএ-এর প্রিন্সিপাল মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালার বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান মিজি ও মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী।

ব্যাংকের অডিট অ্যান্ড ইনস্পেকশন ডিভিশনের ১০৫ জন নির্বাহী ও কর্মকর্তা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

;

নগদের জমি জিতলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী আলাউদ্দিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি আলাউদ্দিন ‘নগদে জমি’ ক্যাম্পেইনে পঞ্চম প্লট জিতে নিয়েছেন। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে তিনি জিতে নিয়েছেন এই পুরস্কার।

সম্প্রতি নগদের ডেপুটি চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ সোলাইমান ও জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ মালয়েশিয়া গিয়ে নগদের প্লটের কাগজপত্র আলাউদ্দিনের কাছে হস্তান্তর করেন। নগদের জমি ক্যাম্পেইনে প্রবাসী কারো কাছে জমি হস্তান্তর এটাই প্রথম। এই ক্যাম্পেইনে আটজন ভাগ্যবান বিজয়ী এই প্লট উপহার পাবেন, আলাউদ্দিন ছিলেন পঞ্চম বিজয়ী। ইতিমধ্যে নগদের জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদী হাসান মিরাজ এবং বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ও সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নগদের হয়ে কয়েকজন বিজয়ীর হাতে নগদের প্লট বুঝিয়ে দিয়েছেন।

নগদের এই ক্যাম্পেইনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নিতে পারবেন। সরকার ঘোষিত ইনসেনটিভের বাইরে কেউ দেশে সর্বনিম্ন ৫০০০ টাকা নগদের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জিতে নিতে পারেন ঢাকায় একটি প্লট।

মুন্সিগঞ্জের অধিবাসী আলাউদ্দিন মালয়েশিয়ায় একটি সেবাদাতা কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি দেশে তাঁর মায়ের নগদ অ্যাকাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লীতে নগদের জমি জিতে নিয়েছেন। নগদের জমি জেতার খবরে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেননি আলাউদ্দিন। খবর শোনার সাথে সাথে তিনি তাঁর মায়ের কাছে ফোন করেন এবং নগদের জমি জেতার খবর জানান। ঢাকায় একখ- জমির মালিক হওয়ায় নগদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আলাউদ্দিন।

জমি হস্তান্তরের বিষয়ে নগদের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘রেমিট্যান্স পাঠানো মানুষেরা আমাদের অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান রাখেন, তারা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম একটি পিলার। প্রবাসীদের সম্মান জানানোর একটি ছোট্ট প্রয়াসের অংশ আমাদের এই মেগা ক্যাম্পেইন। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে জমি হস্তান্তর করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

পুরো ক্যাম্পেইন জুড়ে মোট আটটি জমি বিজয়ী গ্রাহকদের উপহার দেবে নগদ। ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জমি জেতার অফার নিয়ে আসে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে নগদের সাথে জমির জন্য ল্যান্ড পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী লিমিটেড। এই ক্যাম্পেইনে মাত্র তিন ধাপে ঢাকায় জমি জেতার সুযোগ পাচ্ছে গ্রাহকেরা। এছাড়াও তালিকায় আছে শতাধিক মোটরবাইক, টেলিভিশন, ফ্রিজ, এসি, স্মার্টফোন, স্মার্ট ওয়াচসহ ২০ কোটি টাকার পুরস্কার।

জমি জেতার এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিতে তিনটি কাজ করতে হবে। প্রথমত নগদে কমপক্ষে ৫০০ টাকার লেনদেন অথবা কমপক্ষে ১০০ টাকার মোবাইল রিচার্জ বা ব্যাংক থেকে নগদে ১,০০০ টাকা অ্যাড মানি করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশ থেকে পাঠানো ৫,০০০ টাকা বা তার বেশি (সরকারি প্রণোদনা ব্যতীত) রেমিট্যান্স নগদে গ্রহণ করেও এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সাথে সাথে এই ব্যবহারকারী এই ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়ার উপযুক্ত হয়েছেন বলে একটি মেসেজ পাবেন। সে ক্ষেত্রে তাকে তিনজনের একটি দল গঠন করতে হবে। এদের সবার নগদ অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এরপর দলের সবাই ক্যাম্পেইন জুড়ে নগদে নিয়মিত লেনদেন করলেই জমি জেতার সুযোগ পাবেন।

;