হলি আর্টিজান হামলা ও মামলার আদ্যোপান্ত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
হলি আর্টিজানের ঘটনায় জড়িত জঙ্গিরা

হলি আর্টিজানের ঘটনায় জড়িত জঙ্গিরা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বর্বরোচিত ও নিকৃষ্ট জঙ্গি হামলা হয় হলি আর্টিজান বেকারিতে। যে হামলা পুরো দেশসহ স্তম্ভিত করে দেয় বিশ্বকে। হামলার আগ মুহূর্তেও  কারও ধারণা ছিল না অভিজাত এলাকা গুলশানে পবিত্র রমজান মাসে এমন নৃশংস হামলা হতে পারে।এ ঘটনার প্রতিটি মুহূর্ত দেশসহ সারাবিশ্বের মিডিয়াতে গুরুত্ব সহকারে লাইভ সম্প্রচার করা হয়।

এ হামলায় ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যা বিশ্ব মিডিয়ায় বেশ প্রশংসিত হয়। তবে এই প্রশংসা ঢাকা পড়ে ২৪ জন নিহতের খবরে। হামলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে পুরো দেশে জঙ্গি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। দীর্ঘ পরিক্রমায় দেশ থেকে জঙ্গি নির্মূল করতে সক্ষম হয় দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

হামলার পরিকল্পনা যেভাবে করা হয়

১ জুলাই হামলা হলেও প্রস্তুতি আগেই নিয়েছিল জঙ্গিরা। ২০১৬ সালের মার্চে তামিম আহমেদ চৌধুরী ও শরিফুল ইসলাম খালেদ এই হামলার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে কূটনৈতিক এলাকায় হামলার সিদ্ধান্ত হয়, পরে বিদেশিদের অবস্থান যেখানে সবচেয়ে বেশি সেখানে হামলার পরিকল্পনা নেয় জঙ্গিরা।

হলি আর্টিজান বার্তা২৪
হলি আর্টিজানে নিহত ৫ জঙ্গি

এ জন্য ৫ জঙ্গিকে আত্মঘাতী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। হামলার মূল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তামিম চৌধুরী। হামলার বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁটি রেকি করা হয়। হামলার জন্য বেছে নেওয়া হয় মুসলিম উম্মার সবচেয়ে পবিত্র শবে কদরের রাতটিকে। গুলি বর্ষণ করতে করতে জঙ্গিরা হলি আর্টিজানে প্রবেশ করেন। ঘটনাস্থলেই শুরুতেই আঘাত প্রাপ্ত হন দুই কনস্টেবলসহ এক পথযাত্রী।

যেভাবে খবর পায় পুলিশ

দুই কনস্টেবল আহত হওয়ার পরপরই পুলিশ খারাপ কিছু সন্দেহ করতে থাকে। পুরো রেস্তোরাঁটি তখন ঘিরে ফেলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা। রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে রেস্তোরাঁর ভেতর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর দুটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। এতে গুরুতর আহত হন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন ও পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসি রবিউল। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তারা।

হলি আর্টিজান
জঙ্গিদের হামলায় আহত পুলিশ হাসপাতালে মারা যান, ছবি: সংগৃহীত

রাত ১১টার দিকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান ‘ভেতরে অন্তত ২০ জন বিদেশিসহ কয়েকজন বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন। ভেতরে যারা আছেন, তাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য আমরা বিপথগামী হামলাকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি।’

অভিযানে সশস্ত্রবাহিনী

রাত ১২টায় পুলিশ, র‍্যাব ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে অভিযানে অংশ নিতে ঘটনাস্থলে আসে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর কমান্ডোরা। অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন থান্ডার বোল্ট’।

হলি আর্টিজান বার্তা২৪
অপারেশন থান্ডার বোল্ট পরিচালনা করে সেনাবাহিনী

জঙ্গিদের ভেতরের কর্মকাণ্ড রাত দেড়টার দিকে খবর পাওয়া যায় জঙ্গিরা রাতেই ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে। এর মধ্যে নয়জন ইতালির নাগরিক, সাতজন জাপানের ও একজন ভারতীয় নাগরিক। বাকি তিনজন বাংলাদেশি ছিল।

‘অপারেশন থান্ডার বোল্ট’ অভিযানে যা ঘটেছিল

সারারাত জঙ্গিদের সুযোগ দেওয়া হয় আত্মসমর্পণের জন্য। কিন্তু তারা তাদের অবস্থানে অনড় থাকায় ২ জুলাই সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডোর নেতৃত্বে ‘অপারেশন থান্ডার বোল্ট’ পরিচালনা করা হয়। মাত্র ১৫ মিনিটের অভিযানেই ৫ জঙ্গি নিহত হন।

হলি আর্টিজান বার্তা২৪
রেস্তোরাঁর ভেতর অভিযান পরিচালনা করেন সেনাবাহিনী

আটকে পড়াদের উদ্ধার অপারেশন থান্ডার বোল্ট শেষে রেস্তোরাঁর ভেতর থেকে একজন জাপানি, দু’জন শ্রীলঙ্কানসহ ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। ওই সময় সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী হিসেবে একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ১২ ঘণ্টার এ জিম্মি ঘটনায় নিহত হন ২৪ জন। তাদের মধ্যে ১৭ জনই বিদেশি।

নিহত হয়েছিলেন যারা

এই হামলায় ২৪ জন নিহত হন। এর মধ্যে নয়জন ইতালির নাগরিক, সাতজন জাপানি ও একজন ভারতীয় নাগরিক।

হলি আর্টিজান বার্তা২৪
জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছিলেন যারা

এছাড়া একজন বাংলাদেশ-আমেরিকার দ্বৈত নাগরিক, দু’জন সাধারণ নাগরিক, হলি আর্টিজানের দুই কর্মচারী ও দুই পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। এছাড়া পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। এ ঘটনায় আহত হয় অন্তত ২০ পুলিশ সদস্য।

যেভাবে রায়ের পর্যায়ে হলি আর্টিজান মামলা

হামলার ৩ দিন পর ৪ জুলাই গুলশান থানায় মামলা হয়। পুলিশের উপ-পরিদর্শক রিপন কুমার দাস নিহত ৫ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা করা হয়। এই মামলার দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবিরকে।২০১৮ সালের ১জুলাই নব্য জেএমবিসহ ২১ জনকে অভিযুক্ত করে জীবিত ৮ জনের জন্য বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়।

অভিযুক্ত আসামিরা
অভিযুক্ত ৭ আসামি

জীবিত ৮ আসামির মধ্যে ৬ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়। আসামিদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশীদ পলাতক ছিলেন। ২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর ৮ আসামির বিরুদ্ধে আদালত চার্জ গঠন করার পর মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। এরপর ৫২ কার্যদিবসে সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক গ্রহণ শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে।

মামলার আসামি যারা ছিলেন

নব্য জেএমবি নেতা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী হাদিসুর রহমান সাগর, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‍্যাশ, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান মাহফুজ, মামুনুর রশিদ ও শরিফুল ইসলাম।

সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ

২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর বাদী এসআই রিপন কুমার দাসের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। প্রায় ১ বছর পর ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ৩০ অক্টোবর আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন ও পরবর্তী ৫টি তারিখে যুক্তিতর্ক গ্রহণের মাধ্যমে মামলাটি রায়ের জন্য প্রস্তুত হয়। এ সময় চার্জশিটের ২১১ সাক্ষীর মধ্যে ১১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

২৭ নভেম্বর আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা

হলি আর্টিজান বেকারিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা মামলার রায়ে ৭ আসামির ফাঁসির নির্দেশ দেন আদালত। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। চার্জশিটভুক্ত ৮ আসামির মধ্যে মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান নামে এক আসামিকে খালাস দেন আদালত।

ফটিকছড়িতে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ জনের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

ফটিকছড়িতে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ২ জনের মৃত্যু

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দাঁতমারায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারিয়েছে ২ জন। এ সময় আহত হয় আরও ৪ জন।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার হেয়াকো-ফটিকছড়ি আঞ্চলিক সড়কের দাঁতমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন- রুবেল ত্রিপুরা(৫০) এবং অভি ত্রিপুরা (১০)। আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি তবে সকলে একই এলাকার বাসিন্দা।

মো. নাহিদ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, হারুয়ালছড়িতে একটি বিবাহ অনুষ্ঠান শেষ করে উনারা জোরারগঞ্জ থানার নলখা এলাকায় সিএনজি যোগে যাচ্ছিল। দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির সামনে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে তত্তরি ত্রিপুরা ও অভি ত্রিপুরা ২ জন মারা যায়। গুরুত্বর আহত হয়েছে আরও ৪ জন। স্থানীয়রা আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আরেফিন আজিম জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুত্বর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।

;

উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব অকল্পনীয়: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

'উপকূলজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের যে ক্ষতিকর প্রভাব তা খুলনার উপকূলে না আসলে কেউ অনুমান করতে পারবেনা' বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

'এখানে প্রতি বছর বন্যা হয়, জলোচ্ছ্বাস হয়, যা আমাদের নিত্যসঙ্গী; আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কিভাবে মোকাবেলা করছি জাতিসংঘ মহাসচিবের এসডিজি বিষয়ক বিশেষ দূত হিসেবে বেলজিয়ামের রানি সেটি নিজের চোখে দেখার জন্য এখানে এসেছেন এবং এখানকার মানুষের সাথে কথা বলেছেন' জানান তিনি।

বেলজিয়ামের রানি মাতিলদ মেরি ক্রিস্টিন জিলেইন আজ (বুধবার) দুপুরে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত খুলনার উপকূলীয় দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের ঝুলন্তপাড়া এলাকা পরিদর্শনে যান। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ মিনিস্টার ইন ওয়েটিং হিসেবে রাষ্ট্রাচার দায়িত্ব পালনে তাঁর সাথে ছিলেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী।

পরিবেশবিদ ড. হাছান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। আর দেশের উপকূলীয় অঞ্চলেই সবচেয়ে ক্ষতির প্রভাব দৃশ্যমান।

রানি মাতিলদ ঝুলন্তপাড়ার স্থানীয় মানুষদের সাথে মতবিনিময় করেন। খুলনার উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষদের জীবন-সংগ্রাম, সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে অধিবাসী ও সেখানে কর্মরত দেশি-বিদেশি সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছ থেকে বিস্তারিত ধারণা নেন তিনি।

খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

;

দেশে এখন ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার টাকার দিকে তাকাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়াারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতি ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম, দিয়েছি। আমরা যখন সরকার গঠন করি ৩৫ হাজার টন খাদ্য ঘাটতি ছিল দেশে। আমরা কৃষিতে গবেষণার ওপর জোর দিয়ে খাদ্যে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জন করেছি। এই মুহুর্তে বাংলাদেশে ১৯ লাখ টন খাদ্য মজুদ আছে। খাদ্য উৎপাদনের উপর জোর দিয়েছি।
তিনি বলেন, সারা বিশ্বে এখন অর্থনৈতিক মন্দা, বাংলাদেশও তা থেকে বিছিন্ন নয়। এত ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে বিশ্বে যেখানে মুল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে, সেখানে আমরা যেখানেই যা পাচ্ছি, আমাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশে উৎপাদন বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে যে সব ভোগ্যপণ্য আমদানি করতে হয়, যত টাকাই লাগুক আমরা কিন্তু তা আমদানি করছি।

সরকারপ্রধান বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস, চিনি, গম ও ভুট্টা- সবই আমাদের আমদানি করতে হয়। আমরা কিন্তু টাকা-পয়সার দিকে তাকাচ্ছি না। মানুষের যাতে খাদ্য নিরাপদ থাকে, মানুষের জীবন সচল থাকে, সেই ব্যবস্থা আমরা নিতে পারছি। মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল, তা কিছুটা এখন কমেছে, যেটা ভালো লক্ষণ আমরা মনে করি।

সরকারের উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি বলেন, এত কিছুর পরই প্রবৃদ্ধি ৭ ভাগের বেশি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। প্রকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা যথেষ্ট দক্ষ, এখন সে ব্যবস্থাও নিয়েছি। বাংলাদেশের প্রত্যেকের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। কাউকে আমরা বাদ দিচ্ছি না। প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

;

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, বেনাপোল (যশোর)
বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

বেনাপোলে টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন

  • Font increase
  • Font Decrease

বেনাপোল স্থলবন্দর বাস টার্মিনালের সামনে নাসির সেন্টারে অবস্থিত টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজমের অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকালে প্রধান অতিথি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ পৌর আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাসির উদ্দীন ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন- ইউএস বাংলার যশোর জেলা সেলস এক্সকিউটিভ অফিসার নাজমুল হাসান ও যশোর ট্রাভেল এজেন্টের সহসভাপতি আবুল হাসনাত।

আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন- বেনাপোল আমদানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক ও বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দীন, চেকপোষ্ট বাজার কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দীন, সেক্রেটারী মিলন খান।

টাইম ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম বিমান বাংলাদেশ, ইউএস বাংলা ও নভোএয়ার লাইন্সের অনুমোদিত এজেন্ট অফিস। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল হক বলেন, দেশ, বিদেশ ভ্রমণে স্বল্প মূল্যে বিমান টিকেট সরবরাহ ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণে প্যাকেজ ট্যুর পরিচালনা করবে তার প্রতিষ্ঠান। তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

;