নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদের, ভোটকেন্দ্রে আসুন: সিইসি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন, ছবি: বার্তা২৪.কম

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন, ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেছেন, নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমরা নেব। তারা ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন, সেই নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে দুই সিটির তফসিল ঘোষণা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

কেএম নূরুল হুদা বলেন, ভোটারদের উদ্দেশে বলছি, তারা যেন ভোটকেন্দ্রে আসেন। নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোটারদের দায়িত্ব আমরা নেব। সুতরাং তারা ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরবেন। সেই নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব। তাই আহ্বান করব-তারা যেন ভোট দিতে আসেন।

মেয়রদের পদত্যাগ করে ভোটে অংশ নিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে মেয়ররা নির্বাচন করতে চাইলে তাদের পদত্যাগ করে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে। আর করপোরেশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি নির্ধারণ করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

নতুন ৩৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা আদালতে গেলে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনে কখন নির্বাচন হলো কি না হলো, সেটা নিয়ে কিছু বলা নেই আইনে। সিটির মেয়াদের কথা আইনে বলা আছে। তাই আইনি জটিলতা হবে না।

নতুন ভোটার হবে ৩১ জানুয়ারির পর। তাই নতুন ভোটাররাও কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

এই নির্বাচন কি সব দলের জন্য, নাকি একটি দলকে জেতানোর জন্য- এমন প্রশ্নের জবাবে কেএম নূরুল হুদা বলেন, এটা কোনো কথা হলো। নির্বাচন কমিশন কোনোদিন একটি দলের জেতার জন্য কাজ করে? সকলের জন্য উন্মুক্ত। প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হবে। এটা চিন্তা করার অবকাশ নেই।

তিনি বলেন, নির্বাচনে সেনা থাকবে না। পুলিশ, বিজিবি থাকবে। তবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন পরিচালনার জন্য প্রতি কেন্দ্রে দুই জন করে সেনা সদস্য থাকবে।

দলের সকল স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণের জন্য ২০২১ সাল পর্যন্ত সময় ঠিক করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে সিইসি বলেন, এটা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী এটা আইনসিদ্ধ হয়নি। আমাদের আইন অনুযায়ী, দলগুলোকে ২০২০ সালের মধ্যে সকল স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য পদ পূরণ করতে হবে। দল কিভাবে কী করছে, সেটা তাদের ব্যাপার। কোনো দল যদি শর্তটি পূরণ করতে না পারে, তখন আমরা বিবেচনা করব। এতো অগ্রিম কিছু বলা যাবে না।

এসময় নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী ও ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।