সিলেটে ফুটপাতে নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের ভিড়

নাবিল চৌধুরী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ফুটপাত থেকে স্বল্প মূল্যে শীতের কাপড় কিনছেন  নিম্ন আয়ের মানুষ/ছবি: আবু বকর

ফুটপাত থেকে স্বল্প মূল্যে শীতের কাপড় কিনছেন নিম্ন আয়ের মানুষ/ছবি: আবু বকর

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটে দিনভর ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলছে না বেশিরভাগ জায়গায়। তীব্র শৈত্যপ্রবাহে ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ। কনকনে শীত থেকে বাঁচতে ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন তারা।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় সিলেট নগরের চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, বন্দরবাজার এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, শীতের প্রকোপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটপাতের দোকানগুলোতে গরম পোশাক বিক্রির হিড়িক পড়ে গেছে।

মাথার টুপি, পায়ের মোজা, হাতমোজা, মাফলার, সোয়েটার, জাম্পার, ফুলহাতা গেঞ্জি, জুতা, শাল ও চাদরে ক্রেতাদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। পণ্য ভেদে এগুলোর দাম ১শ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে। তবে দর কষাকষি করে কিছু কমেও পণ্যগুলো বিক্রি হয় বলে জানালেন বিক্রেতারা।

মানভেদে ৫শ থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে শীতের কাপড়

বিক্রেতারা জানান, ফুটপাতে শিশুদের কাপড় বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৩শ টার মধ্যে। এর বাইরে মাথার টুপি, পায়ের মোজা, হাতমোজার চাহিদা বেশি। এসবের দামও তুলনামুলক কম। এছাড়া ফুটপাতে ফুলহাতা গেঞ্জি পাওয়া যাচ্ছে ২শ থেকে ৫শ টাকায়। বিভিন্ন ধরনের শাল ও চাদর বিক্রি হচ্ছে ৩শ থেকে ৬শ টাকায়। কাপড়ের জুতা ২শ থেকে ৭শ টাকা। জ্যাকেট ৪শ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোয়েটারের মানভেদে ৫শ থেকে দেড় হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বড় শপিংমলে কাপড়ের দাম বেশি তাই ফুটপাতের দোকানই নিম্নবিত্ত মানুষের ভরসা

ফুটপাতে জুতা বিক্রেতা রফিক আহমেদ বলেন, আমার দোকানে সর্বনিম্ন ২শ টাকা থেকে ৭শ টাকার মধ্যে ছেলেদের জন্য বিভিন্ন রকমের জুতা রয়েছে। আমাদের জুতার মান ভালো। দামও কম। বড় বড় মার্কেটের ব্যবসায়ীরা এই পণ্যগুলো কয়েকগুণ মুনাফা করে বাজারে বিক্রি করে। 

ক্রেতা হাসান আলী বলেন, বড় বড় মার্কেটে গিয়ে বেশি টাকা দিয়ে কেনাকাটা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাই ওখানে না গিয়ে ফুটপাতের দোকানে কেনাকাটা করতে এসেছি।

চৌহাট্টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ফুটপাতে শিশুদের কাপড় বিক্রি করছেন সবুজ মিয়া। তিনি বলেন, ফুটপাতে শীতের কাপড় বিক্রি করছি। এখন চাহিদা বেশি। বিক্রিও ভালো হচ্ছে। ছয় বছরের ছেলে আদিয়ানের জন্য মিরাবাজার থেকে কাপড় কিনতে এসেছেন সুয়েব তালুকদার। তিনি জানান, ছেলের জন্য কাপড় কিনতে এসেছেন। বড় শপিংমলে কাপড়ের দাম বেশি তাই ফুটপাতের দোকানই আমাদের ভরসা।

আপনার মতামত লিখুন :