বিয়ের ১৪ দিনের মাথায় গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

উপজেলা করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)
ছবি: প্রতীকী।

ছবি: প্রতীকী।

  • Font increase
  • Font Decrease

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের ১৪ দিনের মাথায় শ্বশুরবাড়ি থেকে আঁখি আক্তার নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রাম থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, ঘরের ভেতরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আঁখি আক্তার।

নিহত গৃহবধূ আঁখি আক্তার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের মাহাবুব মিয়ার স্ত্রী।

জানা গেছে, আঁখি আক্তারের বাবার বাড়ি ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের বনাশ্রম গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুল হান্নানের মেয়ে। বাবা ও ভাইয়ের কাজের সুবাদে আঁখি তাদের সঙ্গে নরসিংদীর মাধবদী এলাকায় থাকতেন।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে সম্প্রতি নরসিংদী থেকে আঁখিকে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন তার বাবা। এরপর গত ৩০ এপ্রিল রাজিবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের মমিন হোসেনের ছেলে মাহাবুব মিয়ার সঙ্গে আঁখির বিয়ে হয়। স্বামীর সংসারে যাওয়ার ১৪ দিনের মাথায় বৃহস্পতিবার আঁখির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত্যু নিয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলেও পুলিশের সন্দেহ থাকায় মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে আঁখির স্বামী মাহাবুব মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ না থাকায় মেয়ের বাবার জিম্মায় মাহাবুবকে ছেড়ে দেয়া হয়।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, আঁখির এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি বুঝতে পেরে আঁখিকে অন্যত্র বিয়ে দেয়া হয়।

আঁখির স্বামী মাহাবুব জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কাজে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর ১৫ মিনিট পর আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। এ সময় ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান তিনি। পরে দরজা ভেঙে তার স্ত্রীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

আঁখির বাবা আবদুল হান্নান জানান, তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। কারো বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ জানান, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :