যাত্রী ও যানবাহন শূন্য পাটুরিয়া ফেরিঘাট

খন্দকার সুজন হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকা।

  • Font increase
  • Font Decrease

পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়তি চাপ নেই। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অনেকটাই ফাঁকা রয়েছে পাটুরিয়া ঘাট। তবে প্রাইভেটকার এবং মোটরসাইকেলে করে এখনো ঘাট এলাকায় আসছে কিছু যাত্রী। যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ না থাকার কারণে অনায়াসে নৌরুট পারপারের সুযোগ পাচ্ছে এসব যাত্রীরা।

শনিবার (২৩ মে) বেলা ১১টার দিকে সরেজমিনে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।

ফেরিতে ওঠার জন্য ঘাট পন্টুনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি নেই। হাতে গোনা দুই একজন পুলিশ ছাড়া ঘাট এলাকায় চোখে পড়েনি ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরও। অন্যান্য ঈদের তুলনায় এবার পুরোপুরি উল্টো চিত্র পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায়।

মাগুরামুখী যাত্রী আলিনূর রহমান জানান, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় গাজীপুর থেকে ঘাট পর্যন্ত আসতে ৩ বার মোটরসাইকেল বদলাতে হয়েছে। নিয়মিত সময়ের চেয়ে ভাড়াও লেগেছে কয়েকগুণ বেশি। তবে মহাসড়ক ফাঁকা থাকায় ঘাট পর্যন্ত আসতে কোনো রকমের ভোগান্তি পোহাতে হয়নি বলেও জানান তিনি।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল চালানোর বিষয়ে নাজিম হোসেন নামে এক চালক জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেকার অবস্থায় বাড়িতে বসে রয়েছেন তিনি। পেশায় লেগুনা চালক হলেও বেশ কিছুদিন ধরে বড় ভাইয়ের মোটরসাইকেল নিয়ে মহাসড়কসহ বিভিন্ন অলি গলি দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। মূলত পরিবার নিয়ে একটু ভালো থাকার জন্যই ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন তিনি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান জানান, ঈদে ঘরমুখো যাত্রী ও যানবাহন পারাপারের জন্য ১৩টি ফেরি প্রস্তুত রয়েছে। তবে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ না থাকায় ৬-৮টি ফেরি নিয়মিত চালানো হচ্ছে। যাত্রী ও যানবাহনের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পর ফেরিগুলো ঘাট এলাকা ত্যাগ করে দৌলতদিয়া ঘাটে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :