খানাখন্দে ভরা সড়ক, মেলেনি সরকারি বরাদ্দ



হাসান মাহমুদ শাকিল, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
সড়ক যেন মরণফাঁদ/ছবি: বার্তা২৪.কম

সড়ক যেন মরণফাঁদ/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কটিতে প্রায় দুই বছর ধরে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। মেঘনা নদী হয়ে এ সড়কটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ প্রায় ২১টি জেলার সহজ যোগাযোগ মাধ্যম। কিন্তু একটু বৃষ্টিতে খানাখন্দগুলো পানি ভর্তি হয়ে কাঁদায় পরিণত হয়। এতে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটি লক্ষ্মীপুর-মজুচৌধুরীর হাট সড়ক হিসেবে পরিচিত।

তবে এ ব্যপারে জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, সরকার সড়ক সংস্কারের জন্য কোন বরাদ্দ দিচ্ছে না। এ কারণে সড়কটি খারাপ জেনেও সংস্কারের কাজ করা যাচ্ছে না। তবে যে পরিমাণ অর্থ তাদের কাছে বরাদ্দ আছে তা দিয়ে, সড়কের যেসব স্থানে বেশি সমস্যা সেগুলো মেরামত করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই সড়কটির সমস্যা সাময়িকভাবে সমাধান করা হবে।

সড়কের কাঁদা ভর্তি গর্তে যানবহন আটকে যায়

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শাকচর ইউনিয়নের বিইউ চৌধুরী ফিশারি এলাকায় সড়কের কাঁদা ভর্তি গর্তে চট্টগ্রামগামী যাত্রীবাহী বাস, বালুবাহী ট্রাক, লেগুনা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা আটকে যায়। এসময় বাসের সামনের দিক সড়কে কার্পেটিংয়ের সঙ্গে লেগে থাকতে দেখা যায়। পরে শ্রমিকরা চাকার নিচ থেকে কাঁদা সরিয়ে গাড়ি নিয়ে স্থান ত্যাগ করে।

এদিকে মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাট হওয়ায় প্রায় ১০ কিলোমিটারের সড়কটি জেলার সবচেয়ে বেশি ব্যস্ততম সড়ক। আবার মজুচৌধুরীর হাট এলাকার আশপাশে অন্তত ১০টি বালু মহাল রয়েছে। যেখান থেকে লক্ষ্মীপুরসহ আশপাশের জেলায় বালু বিক্রি হয়। মেঘনার নদী হয়ে দেশের ২১ জেলার যোগাযোগ থাকায় যাত্রীবাহীবাস প্রতিনিয়ত আসা যাওয়া করে। আর প্রতিদিনই এমন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গাড়ি চালক ও যাত্রীদের। প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে যানবাহন।

 দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গাড়ি চালক ও যাত্রীদের

জেলা সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর সড়কটি প্রশস্তসহ কার্পেটিং উল্টিয়ে নতুন করে করার জন্য প্রায় ১০০ কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছে। প্রায় ৪ মাস আগে রি-টেন্ডারও হয়। লক্ষ্মীপুর বাস টার্মিনাল থেকে মজুচৌধুরীরহাট লঞ্চঘাট পর্যন্ত সড়কটি প্রায় ১০ কিলোমিটার। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতার কারণে সড়ক উন্নয়ন কাজটির বরাদ্দ আসছে না। এই জটিলতা শেষ হতে আরও দুই মাস সময় লাগতে পারে। অন্যদিকে সড়কটি সংস্কারের জন্য কয়েকবার অনুমতি চাইলেও কোন বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি সড়ক সংস্কার করার জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। তবে জেলা অফিসের ফান্ডে যে টাকা রয়েছে তা দিয়ে সড়কের সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শাকচর ইউনিয়নের কাদিরাগোজা এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম জানান, এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা। সড়কটি দিয়ে বাইসাইকেল চালাতে গেলেও সমস্যায় পড়তে হয়। বড় ট্রাক, বাস, পিকআপ চলতেতো আরও সমস্যা বেশি। সন্ধ্যার পরই সড়কটি পুরো অন্ধকার হয়ে পড়ে। তখন যানবাহন পুরো মৃত্যুঝুঁকিতে চলাচল করে।

সড়ক উন্নয়ন কাজটির বরাদ্দ মেলেনি

ট্রাক চালক জাকির হোসেন জানান, প্রায় ২ বছর ধরে সড়কটির অবস্থা বেহাল। গত ৬ মাস থেকে সড়কের গর্তে পানি জমে কাঁদা পরিণত হয়। এতে গাড়ি আটকে যায়। এর কারণে মাঝে মাঝে গাড়ি বিকল হয়ে পড়ে।

জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত দত্ত জানান, সড়কটি নতুন করে করার জন্য টেন্ডার হয়েছে। বিভিন্ন জটিলতার কারণে বরাদ্দ আসেনি। সড়ক সংস্কারের জন্যও সরকার থেকে কোন বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না। তবে তাদের কার্যালয়ের ফান্ডে যে অর্থ রয়েছে তা দিয়ে সড়কের সমস্যাগুলো সাময়িকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

প্রসঙ্গত, মেঘনা নদীর সঙ্গে ২১টি জেলার সহজ যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় আধুনিক নৌ-বন্দরের ঘোষণা করা হয়। ২০১৭ সালের ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌ-বন্দরসহ ১৭টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ১০টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। কিন্তু এখনো পর্যন্ত নৌ-বন্দরের কাজ শুরু হয়নি।

   

সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুলনার আ.লীগ নেতাসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের অভয়নগরে চায়ের দোকানে আড্ডার সময় হেলমেট পরা দুর্বৃত্তদের চালানো গুলিতে খুলনার এক আওয়ামী লীগ নেতাসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে উপজেলার রাজঘাট এলাকায় একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। তাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- খুলনার ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আওয়ামী লীগ নেতা মোল্যা হেদায়েত হোসেন ওরফে লিটু (৫০), দামোদর গ্রামের বাসিন্দা যুবলীগ নেতা খায়রুজ্জামান সবুজ (৩২) এবং একই এলাকার যুবলীগ কর্মী নাছিম ভুঁইয়া (২৮)।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে আহতরা অভয়নগর উপজেলার রাজঘাটে এসে বাসস্ট্যান্ডের পাশে একটি চায়ের দোকানে চান পান করে আড্ডা দিচ্ছিলেন। রাত ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে করে হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি সেখানে এসে তিনজনকে লক্ষ করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। গুলির শব্দে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করেন। এরপর তাদেরকে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়। হেদায়েত হোসেনের পেটে, খায়রুজ্জামানের মুখে ও পেটে এবং নাছিম ভুঁইয়ার হাতে গুলি লেগেছে।

অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কী কারণে এবং কারা গুলি করেছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তিনজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

;

আজ চৈত্র সংক্রান্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চৈত্র মাসের শেষদিন আগামীকাল শনিবার, যা চৈত্র সংক্রান্তি নামে পরিচিত। বাংলা মাসের সর্বশেষ দিনটিকে সংক্রান্তির দিন বলা হয়।

আবহমান বাংলার চিরায়িত বিভিন্ন ঐতিহ্যকে ধারণ করে আসছে এই চৈত্র সংক্রান্তি। বছরের শেষ দিন হিসেবে পুরাতনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্য প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে থাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয়, চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন। তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির আরেক বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

চৈত্র সংক্রান্তির প্রধান উৎসব চড়ক।

চড়ক গাজন উৎসবের একটি প্রধান অঙ্গ। এ উপলক্ষে গ্রামের শিবতলা থেকে শোভাযাত্রা শুরু করে অন্য গ্রামের শিবতলায় নিয়ে যাওয়া হয়। একজন শিব ও একজন গৌরী সেজে নৃত্য করে এবং অন্য ভক্তরা নন্দি, ভৃঙ্গী, ভূত-প্রেত, দৈত্য-দানব সেজে শিব-গৌরীর সঙ্গে নেচে চলে।

চৈত্র সংক্রান্তির মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়ে আগামী রবিবার (১৪ এপ্রিল) সফলতা ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশায় দেখা দেবে নতুন ভোর। পুরনো বছরের সব জরাজীর্ণতা মুছে ফেলে রবিবার বাঙালি মিলিত হবে পহেলা বৈশাখের সর্বজনীন উৎসবে।

জরাজীর্ণতা, ক্লেশ ও বেদনার সব কিছুকে বিদায় জানানোর পাশাপাশি সব অন্ধকারকে বিদায় জানিয়ে আলোর পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার থাকবে গোটা জাতির।

এছাড়া চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে নানা ধরনের মেলা ও উৎসব হয়। হালখাতার জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাজানো, লাঠিখেলা, গান, সংযাত্রা, রায়বেশে নৃত্য, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে উদযাপিত হয় চৈত্র সংক্রান্তি।

 

;

দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আসুন, নতুন বছরে অতীতের সকল ব্যর্থতা-দুঃখ-গ্লানি পিছনে ফেলে সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করি। আগামী রোববার (১৪ এপ্রিল) সারাদেশে উদযাপিত হবে বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে তিনি আজ বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তায় (ভিডিও) দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন,
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
বর্ষ পরিক্রমায় আবারও আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে নতুন বছর। আপনারা যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন বাংলাদেশের সকল ভাইবোনকে জানাই বঙ্গাব্দ ১৪৩১-এর শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।
প্রধানমন্ত্রী কবি সুফিয়া কামালের ভাষায় উচ্চারণ করে বলেন:
‘পুরাতন গত হোক! যবনিকা করি উন্মোচন
তুমি এসো হে নবীন! হে বৈশাখ! নববর্ষ!
এসো হে নতুন।”
শুভ নববর্ষ।

;

সিলেটের চা বাগানের সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা



মশাহিদ আলী, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবিঃ বার্তা২৪.কম

ছবিঃ বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভ্রমণ প্রেয়সী মানুষের পাদচারণায় মুখরিত সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো। প্রতিবারের মতো এবারও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পহেলা বৈশাখের টানা ছুটিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে সিলেটের চা-বাগানগুলো। পরিবার পরিজন, বন্ধু বান্ধব মিলে ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করতে এক স্থান অন্য স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। চা-বাগানের দৃশ্য দেখে কেউ বইয়ের পাতায় চা-বাগানের ছবি থেকে বেশি সুন্দর বলে মন্তব্য করেছেন আর কেউই কবিতার পঙক্তি ও গানের মাধ্যমে চা বাগান নিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করছেন।

শুক্রবার (১২এপ্রিল) ঈদের দ্বিতীয় দিন ও সরকারি ছুটির তৃতীয় দিনে সিলেটের মালনীছড়া চা-বাগান ও লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা-বাগানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়।স্বজনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে সিলেটে এসেছেন অনেকেই।

সরেজমিনে সিলেটের মালনীছড়া, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সামনে লাক্কাতুরা ন্যাশনাল টি ও তারাপুর চা বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চা বাগানগুলোর উঁচু-নিচু, আঁকা-বাঁকা পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। কেউ একতারা হাতে নিয়ে গান গাইছেন। কেউবা কবিতা আবৃত্তি করছেন। আবার অনেকেই সুন্দর মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে মুঠোফোনে ও ডিএসএলআর ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করতে দেখা যায়।

সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানে গিয়ে কথা হয় বরিশাল থেকে আসা চন্দনা বিশ্বাসের সঙ্গে। বরিশালে একটি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্বে রয়েছেন।

বইয়ের চিত্র থেকে বাস্তবে সিলেটের চা-বাগানগুলো অনেক অনেক সুন্দর ও স্বর্গীয় সৌন্দর্যে ভরপুর বলে দাবি করে চন্দন বিশ্বাস বলেন, এত সুন্দর চা-বাগান আর কখনো দেখা হয়নি। এই প্রথম সিলেটে ঘুরতে এসেছি। চা-বাগান ঘুরে দেখে খুব ভালো লাগছে। এক কথায় অপূর্ব। মনে হচ্ছে প্রকৃতি যেন ঢেলে দিয়েছে। তাই আমি সবাইকে আহ্বান করছি সিলেটের চা বাগান দেখতে আসার জন্য।

সুনামগঞ্জ থেকে বেড়াতে আসেন আরেক পর্যটক আমিনুল ইসলাম। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, এখানকার সবুজ প্রকৃতির আর রূপ লাভণ্যতায় বিমুগ্ধ হয় পর্যটক দর্শনার্থীরা। এখানে ঘুরতে এসে আমরা বন্ধুবান্ধব সবাই অত্যন্ত খুশি। পরিবার পরিজন নিয়ে এখানে ঘুরতে পারার মতো পরিবেশ রয়েছে।

ভোলা থেকে সিলেটে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী বিশ্বদেব বারই বলেন, সিলেটে এমন একটি জায়গায় যা কোনো কবিতা বা বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় না। প্রকৃতির কাছাকাছি না এলে বুঝা যায় না প্রকৃতি সুন্দর। আসলে সৃষ্টিকর্তা এতো সুন্দর প্রকৃতি তৈরি করে দিয়েছেন তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। এই যে ঈশ্বর প্রদত্ত চমৎকার প্রকৃতি আর এই প্রকৃতি মনে হয় সিলেট ছাড়া আমরা আর কোথাও পাবো না।

সিলেট নগরীর বাসিন্দা ইমদাদুল হক বলেন, শহরের কোলাহল থেকে বেরিয়ে এসে খুব ভালো লাগছে। বিভিন্ন সময় আমরা অনেক জায়গায় যেতে চাইলেও নিরাপত্তা জনিত কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে যেতে পারি না। তবে এখানকার পরিবেশ অত্যান্ত ভালো। তবে আরেকটু বেশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিলে ভালো হবে। এজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ করবো এখানে নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য। কারণ প্রায় সময় শুনা যায় অনেক ঘটনা ঘটে থাকে।

পর্যটন কেন্দ্রে নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পক্ষে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রের ভেতরে না থাকলেও কেন্দ্রগুলোর বাইরে আমাদের পুলিশ সব সময় থাকে। কারো কোনো সমস্যা হলে আমাদেরকে জানালে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়াও তাৎক্ষণিক কোনো অভিযোগ থাকলে স্থানীয় থানার ওসি বা ৯৯৯ এ কল দিয়ে অভিযোগ জানানোর জন্য আহবান জানান।

;