গাইবান্ধায় কমছে বন্যার পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দি/ছবি: বার্তা২৪.কম

অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দি/ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদ ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এতে জেলার ৪টি উপজেলার অর্ধলক্ষ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। টানা ৫ দিন পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পর কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে পানি কমলেও, কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। পানিবন্দি মানুষেরা পয়ঃনিষ্কাশন, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটে ভুগছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়েছে, সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৫৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এটি গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৮২ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৫৪ সেন্টিমিটার ছিলো।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ডুবে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। একইসঙ্গে হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।

পানিবন্দি মানুষরা ঘরবাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজন, বাঁধ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিয়েছে। এতে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এ কে এম ইদ্রিস আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, এ পর্যন্ত ৪০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ২ লাখ টাকা ৪ উপজেলায় বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আরও ৬০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরু করা হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদু মতিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, এরই মধ্যে নদী ভাঙন এলাকা ও পানিবন্দি এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। পানিবন্দিদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :