গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, তবে বেড়েছে দুর্ভোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
বন্যার কারণে পানিতে ডুবে গেছে  রাস্তা।

বন্যার কারণে পানিতে ডুবে গেছে রাস্তা।

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধা জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত দুইদিনে জেলার নদ-নদীর পানি বাড়েনি। ইতোমধ্যে ধীরগতিতে পানি কমতে শুরু করেছে।

তবে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও জেলায় পানিবন্দীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। টয়লেট সমস্যাসহ বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদ ও ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পায়। এতে জেলার ৪টি উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ে।

বুধবার (১ জুলাই) গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কন্ট্রোলরুম থেকে জানানো হয়, সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এছাড়া তিস্তা-করোতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে।

যা গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি ঘাট পয়েন্টে বিপৎসীমার ৮১ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৫৩ সেন্টিমিটার ছিল।

এদিকে বন্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। ডুবে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তাঘাট। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। একই সঙ্গে সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর ফসলি জমি পানিতে ডুবে গেছে। চরাঞ্চলের মানুষরা ডাকাত আতঙ্কে ভুগছে। তারা গবাদি পশু নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। এছাড়া ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা।

গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী বার্তা২৪.কমকে জানান, বন্যার্তদের জন্য এ পর্যন্ত ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বার্তা২৪.কমকে জানান, এরই মধ্যে নদী ভাঙন ও পানিবন্দী এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। পানিবন্দীদের জন্য
পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :