কালাচাঁন ও নবাবকে নিয়ে শঙ্কায় খামারি সামাদ

খন্দকার সুজন হোসেন, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মানিকগঞ্জ
কালাচাঁন ও নবাব

কালাচাঁন ও নবাব

  • Font increase
  • Font Decrease

করোনাভাইরাসের থাবায় বিধ্বস্ত সারা বিশ্ব। একই অবস্থা বাংলাদেশেরও। ভাইরাসের কারণে থমকে গেছে সাধারণ মানুষের আয় উপার্জন। যে কারণে এবারের কোরবানির ঈদে কাঁলাচান ও নবারের বিক্রি নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন খামারি সামাদ মিয়া।

আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য বড় আকারের দুইটি ষাঁড় গরু প্রস্তুত করেছেন সামাদ মিয়া। গাঁয়ের রং কালো থাকায় একটির নাম রেখেছেন কালাচাঁন। যার বয়স সাড়ে তিন বছর। আর সাদা রংয়ের ষাঁড় নবাবের বয়স চার বছর। তবে বয়সে ছোট হলেও আকার এবং ওজনে বড় হয়েছে কালা চাঁন।

প্রায় দু’বছর ধরে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি মিষ্টি লাউ, কলা, মালটাসহ দামি খাবারে অভ্যস্ত কালাচাঁন আর নবাব। তবে করোনার শুরু থেকে বন্ধ রয়েছে তাদের দামি খাবার। কুড়া, ভূষি, ভূট্টা, ছুলা, ঘাস আর খড় রয়েছে এখন তাদের খাবারের তালিকায়।

কালচাঁন, ওজন ৩৫ থেকে ৩৭ মণ

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আটকাহনিয়া এলাকার সামাদ মিয়া বার্তা২৪.কম-কে বলেন, গেলো কোরবানির ঈদে ষাঁড় দু’টি বিক্রির চেষ্টা করা হয়েছিলো। তবে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বিক্রি করা হয়নি। এবারে আবার করোনাভাইরাসের কারণে ষাঁড় দু’টির ন্যায্য বাজারদর নিয়ে চিন্তাও বেশি।

কালাচাঁন ও নবাবকে পালনে খরচ কমাতে তাদের দামি খাবার দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। কালাচাঁন আর নবাবের পেছনে এ পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। আসন্ন ঈদে ন্যায্য দামে তাদেরকে বিক্রি না করতে পারলে বেশ বিপাকে পড়তে হবে বলে জানান তিনি।

নবাব , ওজন ৩০ থেকে ৩২ মণ

কালাচাঁন আর নবাবের দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা স্বপন মিয়া জানান, বিদেশ যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় চাচার সাথে গরু পালন শুরু করি। গরু পালনে প্রচুর অর্থ আর যত্নের প্রয়োজন। লাভজনক হলে বিদেশে না গিয়ে নিয়মিত গরু পালন করবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় কৃত্রিম প্রজনন টেকনেশিয়ান আব্দুল কাদের বলেন, কালো ষাঁড়টির ওজন হবে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৩৭ মণ। আর সাদাটির ওজন হবে ৩০ থেকে ৩২ মণ। ষাঁড় দু’টি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :