রাজপথে বাধা দিলে আন্দোলনের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে: গয়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

উন্মুক্ত রাজপথে আন্দোলনে বাধা দিলে বিকল্প পথ খুঁজতে কর্মীরা বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের অনেক পথ আছে। উন্মুক্ত রাজপথে আন্দোলনে বাধা দিলে বিকল্প পথ খুঁজতে কর্মীরা বাধ্য হবে। সেই বিকল্প পথে যদি যায় তাহলে দেশটা কি হবে তা কিন্তু আপনাদের ভাবতে হবে। সুতরাং নিরাপত্তা শুধু আমাদের প্রয়োজন নয় নিরাপত্তা সকলেরই প্রয়োজন। এদেশে নিরস্ত্র জনগণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করেছেন। তাদেরকে পরাজিত করে দেশের মাটিতে ফেরত পাঠিয়েছে। আন্দোলনের মুখে কোনো অস্ত্র ও পোশাকের ভয় দেখিয়ে কখনই সত্য কথা আড়াল করা যাবে না। সেই কারণেই বলছি মুক্তি দিন, প্রতিবাদ করতে দিন, গণতন্ত্রকে ফেতর আসতে দিন।

শনিবার (৬ মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন। লেখক ও সাংবাদিক মুশতাক আহমেদ এবং সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল।

গয়েশ্বর বলেন, গণতন্ত্র ফিরে আসলে গণতন্ত্রের প্রশাসে যারা চাকরি করবেন, তারা গর্বিত প্রশাসক হিসাবে জনগণের সামনে নিজেদেরকে হাজির হবেন। গণতন্ত্রবিহীন রাষ্ট্রে, স্বৈরাতন্ত্রের নায়িকা শেখ হাসিনাকে বাঁচানোর জন্য রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন জনগণের সেবা করা বাদ দিয়ে লাঠিচার্জ করেন, জনগণ বাধ্য হবে লাঠি কেড়ে নিতে। জনগণের দেশ জনগন ডিসাইড করবেন, জনগণের গণতন্ত্র জনগণ ফিরিয়ে আনবে। এখানে কোনো মন্ত্র-তন্ত্র কাজে লাগবে না।

তিনি বলেন, আগামীকাল ৭ মার্চ, এদিনে তারেক রহমানের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদী শক্তির নির্মূলের যে সূচনা  হয়েছে তা সারাদেশে দেখেছে। বাংলাদেশের লেখক, বুদ্ধিজীবীদের গ্রেফতার হন, বিনা বিচারে জেল থেকে লাশ হয়ে বের হন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, মুসতাকের মৃত্যু নাকি স্বাভাবিক?

সুশৃঙ্খল বাহিনী ছাড়া যুদ্ধ হয় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলের শৃঙ্খলাসহ যা কিছু আছে মেনে ঐক্যমত ও নিজেদের মধ্যে ইস্পাত কঠিন থাক দরকার। জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিটি কর্মীকে ইস্পাত কঠিন ঐক্যে মধ্যে দিয়ে আমাদের গণতন্ত্রের লড়ায়ে জিততে হবে। শহীদ জিয়ার বাংলাদেশ, গণতন্ত্রের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

সমাবেশে উপ‌স্থি‌তি ছি‌লেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূইয়া জুয়েল, সিনিয়র সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ প্রমুখ।