ইসির ওপর কখনো প্রভাব বিস্তার করা হয়নি, হবেও না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, নির্বাচন পরিচালনার কাজে সরকারের পক্ষ থেকে কখনও নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব বিস্তার করা হয়নি, হবেও না। বরং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বদাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করা হয়ে থাকে।

সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জনমনে ধোয়াশা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত নির্বাচন কমিশন ও সার্চ কমিটি নিয়ে নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য প্রদান করে চলেছে। অথচ আমরা সকলেই জানি, নির্বাচন অনুষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের কাজ। নির্বাচন কমিশন দেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনের মধ্য থেকেই নির্বাচন পরিচালনা করে থাকে এবং নির্বাচনের সময় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকে। কোন দল বা সরকার নির্বাচন পরিচালনা করে না। নির্বাচনকালিন সরকার শুধুমাত্র তাদের রুটিন ওর্য়াক করে থাকে।

তিনি বলেন, দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে, বিএনপির শাসনামলে ক্ষমতা পাকা-পোক্ত করার জন্য কীভাবে প্রভাব খাটিয়ে নির্বাচন কমিশনকে যথেচ্ছাভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করতে মাগুরা ও মিরপুর উপ-নির্বাচনে ব্যাপক ভোট কারচুপির অভূতপূর্ব ঘটনার জন্ম দেয় তারা। গণবিরোধী অবস্থান নিয়ে অগণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে বিএনপি ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন যে নির্বাচন করেছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সমুজ্জল স্মৃতির পাতায় তা একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত আছে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই গণতন্ত্রের বিপরীত মেরুতে বিএনপির অবস্থান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে এদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নসাৎ করে অসাংবিধানিক ও অবৈধ উপায়ে ক্ষমতা দখল করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা খুনি-সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান। সেই সামরিকতন্ত্র নীতির অনুসারী বিএনপির আজ নির্বাচন কমিশন ও গণতান্ত্রিক পন্থায় গঠিত সার্চ কমিটি নিয়ে কোন আগ্রহ নেই। মূল কথা হলো- স্বৈরতন্ত্রের নীতিতে পুষ্ট বিএনপির গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি এক ধরনের অশ্রদ্ধা ও অবজ্ঞা রয়েছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল ও ক্ষমতাসীন হয়ে জোর জবরদস্তির মাধ্যমে টিকে থাকা যাদের রাজনৈতিক কৌশল তারা গণতান্ত্রিক রীতিনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হবে এটাই স্বাভাবিক।

তিনি বলেন, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন হয়ে সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান সেনাছাউনিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিল। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই বিরোধী রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার নির্যাতনের স্টিম রোলার চালিয়েছে। সেই দুঃসহ সময় কাটিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এক সময়ের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত বাংলাদেশ আজ শান্তিপূর্ণ জনপদে রূপান্তরিত হয়েছে। সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরতন্ত্রের নাগপাশ থেকে মুক্ত বাংলাদেশে আজ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত।

আওয়ামী লীগের এই শীর্ষ নেতা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক দল সর্বোপরি সকল স্তরের জনগণের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটি দেশবিরোধী চিহ্নিত রাজনৈতিক শক্তি যখন লাগাতারভাবে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকে তখন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমুন্নত রাখা কষ্ঠসাধ্য হয়ে পড়ে। তবে যে কোনো মূল্যে দেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশবিরোধী এই মহল ও তার প্রতিভূ বিএনপিকে আমরা পরাস্ত করবো। একই সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে পাকিস্তানি ভাবধারার এই প্রেতাত্মা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানাবো।

কেন ইভিএমে বিএনপির ভয়, জানালেন তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভোটকেন্দ্র দখল ও গোপনে সিল মারার অপসংস্কৃতি টিকিয়ে রাখার জন্যই ইভিএমকে ভয় পায় বিএনপি।

বুধবার (০৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড: ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো: তাজুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ড. হাছান বলেন, 'প্রথমত কেউ তো জোর করে ক্ষমতায় থাকতে পারে না, জোর করে কেউ ক্ষমতায় যেতেও পারে না। যারা জনগণের জন্য রাজনীতি করে তারা তো জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা ভাবেও না। যদিওবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জোর করে ক্ষমতায় গিয়েছিলেন। তিনি বন্দুক উঁচিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করেছিলেন এবং জোর করে ক্ষমতায় ছিলেন। আমাদের সরকার জনগণের রায় নিয়েই ক্ষমতায় আছে, পরপর তিনটি নির্বাচনে  জয়লাভ করেই আমরা সরকার গঠন করেছি।'

গত নির্বাচনে বিএনপি ডান-বাম, অতিডান-অতিবাম সবাইকে নিয়ে জোট গঠন করেছিলো এবং বিএনপি পাঁচটি আসন পেয়েছিলো উল্লেখ করেন সম্প্রচারমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'আর শুধু ইভিএম নয়, বিএনপি তো সবসময় প্রযুক্তিকে ভয় পায়। বেগম খালেদা জিয়া যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন বিনা পয়সায় সাবমেরিন কেবল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো আর তিনি বলেছিলেন এটি বসালে বাংলাদেশের গোপনীয়তা নষ্ট হবে। এই বলে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন, যে সাবমেরিন কেবল পরবর্তীতে শতশত কোটি টাকা খরচ করে  আমাদের বসাতে হয়েছে।'

হাছান মাহমুদ বলেন, 'দুনিয়ার সমস্ত উন্নত দেশে ইভিএম বা ইলেক্ট্রনিক ভোটের মেশিনের মাধ্যমে ভোট হচ্ছে যেমন ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানী, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া এমনকি মালয়েশিয়াতেও হয়। দুনিয়ার সব জায়গায় হয় আর আমাদের দেশে যখন আমাদের দল ইভিএমের মাধ্যমে ভোট করার প্রস্তাব দিয়েছে, এটি আমরা না দিয়ে অন্য কেউ দিলে উনারা পছন্দ করতেন, আমার ধারণা। আমরা প্রস্তাব দেয়ার পর থেকেই এর বিরুদ্ধে কথা বলছেন। তার মানে উনারা চায় যে, ভোট কেন্দ্র দখল, সিলমারা, যেগুলো জিয়াউর রহমান সাহেব চালু করেছিলেন, সেই অপসংস্কৃতিটা থাকুক। সেই অপসংস্কৃতিকে যদি বন্ধ করতে হয়, ভোটিং মেশিন বা ইভিএম ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু তারা এটাকে ভয় পায়।'

;

দেশের জনগণ পরিবর্তন চায়: মোশাররফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশের জনগণ চায় পরিবর্তন। জনগণ চায় এই সরকার অতি দ্রুত তার পদ থেকে পদত্যাগ করুক বা আমরা তাদের সরিয়ে দেই। সেটা করতে হলে আমাদের সকলকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে। এদেশের মানুষ আর এই সরকারকে দেখতে চায় না।

বুধবার (০৬ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুকসহ বিএনপির জনপ্রতিনিধিদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোশররফ বলেন, এখানে একজন বলেছেন -আমরা আন্দোলন করলেও সরকার যাবে, না করলেও যাবে। যদি ঘটনা সেইটায় হয় তাহলে জাতি আরেকটা অন্ধকারে প্রবেশ করবে। আর রাস্তায় নেমে আমরা যদি এদেরকে বাধ্য করতে পারি। তাহলে জনতার কাছে ক্ষমতা আসবে। সরকারের শেষ প্রচেষ্টা হিসাবে আমাদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে।

তিনি বলেন, আমরা এদেশে গণতন্ত্র পূর্ণ উদ্ধার করতে চাই। আমরা এদেশে অতিদ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এদেশের জনগণ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে। ইভিএম মেশিনে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করবে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয়তাবাদী নবীন দলের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানা প্রমুখ।

;

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জনগণের মতপ্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তাই নির্বাচনী ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

বুধবার (০৬ জুলাই) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা কতটুকু- নির্বাচন দিয়ে দেখতে বলেছন বিএনপি মহাসচিব, এই প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে আসুন,যথাসময়ে নির্বাচন হবে সংবিধানসম্মত ভাবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনেই প্রমাণ হবে - জনগণ কি ইতিবাচক রাজনীতির দিকে, নাকি নেতিবাচক রাজনীতির দিকে।

বাংলাদেশের জনগণ কি উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিবে,নাকি লুটপাটের পক্ষে রায় দিবে, এমন প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের "মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের" উদ্দেশে বলেন দেশে যে উন্নয়নের জোয়ার বইছে, মানুষ কি উন্নয়ন আর অর্জনকে ভোট দেবে - নাকি দুর্নীতিকে ভোট দেবে?

সারাক্ষণ নির্বাচন আতঙ্কে ভুগতে থাকা বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়েই আগে ভাগে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একথা সেকথা বলছেন বলে মত প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হলে বিএনপির নির্বাচনে অংশগ্রহণ নাকি দৃশ্যমান হবে, - মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের নিরপেক্ষতার কথা প্রসঙ্গে বলেন আপনাদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষতার মানদন্ড কী? তার প্রমাণ আপনারা ক্ষমতাসীন হয়ে বারবার দেখিয়েছেন।

বিএনপি নেত্রী এক সময় বলেছিলেন " দেশে শিশু আর পাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয়",দেশবাসী জানে যতক্ষণ বিএনপির ক্ষমতা দখলের পথ নিরাপদ না হবে,নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাবে - ততদিন তাদের নিরপেক্ষতার মানদন্ড নিশ্চিত হবে না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন বিএনপি যে কোন উপায়ে নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা এবং পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারার মানসিকতাই এখন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধান অন্তরায়।

জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতা দখলের রাজনীতি এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন ক্ষমতার প্রশ্নে তাদের কাছে স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র সবই সমান।

তিনি বলেন ষড়যন্ত্রের মন্ত্র ও ক্ষমতার তন্ত্রে বিভোর বিএনপির এ দেশের গণতন্ত্র, জনমত,নির্বাচন এবং রাজনীতির অর্থবহ ও কল্যাণকর কোন পন্থাতে আস্থা ছিলো না,এখনও নেই।

আওয়ামী লীগ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অনুপ্রাণিত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রকাশিত জনগণের মতামতের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার শ্রদ্ধাশীল জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস।

তিনি বলেন এদেশে এ যাবৎ নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু উন্নতি হয়েছে বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত আওয়ামী সরকারই এ উন্নতি করেছে

ওবায়দুল কাদের বলেন গনতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করেনি শেখ হাসিনা সরকার বরং অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছে।

দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি নেতারা রাতদিন সরকারের অন্ধ সমালোচনা করছেন, মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন, সংসদে আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি সময় পাচ্ছেন,বক্তব্য দিচ্ছেন পার্লামেন্টে, পার্লামেন্টের বাইরে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন বিএনপি থেকে গণতন্ত্র শিখতে চাি না,বিএনপির গনতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ,ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যা- না ভোট,সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার,আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন পদ্মাসেতু উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা বেড়েই চলছে, আর এ থেকেই হতাশায় ভুগতে থাকা বিএনপি নেতারা আবোলতাবোল বলছেন।

;

আট দিনের মাথায় ফের ব্যাংকক গেলেন রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আট দিন দেশে অবস্থানের পর মেডিকেল চেকআপের জন্য ফের থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

মঙ্গলবার (৫ জুলাই) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে ব্যাংককের পথে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান তিনি।

তার সঙ্গে রয়েছেন রংপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য পুত্র রাহ্গির আল মাহী সাদ এরশাদ ও পুত্রবধূ মহিমা সাদ।

দুপুরে রাজধানীর গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলে তাকে বিদায় জানান সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, সাবেক এমপি সালাউদ্দিন মুক্তি, পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রানী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরু, এমএ সাত্তার, মঞ্জুরুল হক সাচ্চা, সিলেট জেলা ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি মুজিবুর রহমান ডালিম, সিলেট মহানগর জাতীয় মহিলা পার্টির সভাপতি শিউল আক্তার ও হাফসা আক্তার প্রমুখ।

উল্লেখ্য গেলো ২৭ জুন দেশে ফিরে হোটেল ওয়েস্টিনে অবস্থান করেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ।

;