দলের ভাঙন ঠেকাতে ২০১৮’র নির্বাচনে বুঝে-শুনে ফাঁদে পা দেয় বিএনপি



আকরাম হোসেন, স্টাফ করসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিএনপি লোগো

বিএনপি লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না- এমন অভিযোগ করে ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। দলটির দাবি ছিল- নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার। একই দাবি ছিল ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও। কিন্তু, নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি থেকে হঠাৎ সরে আসে। বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেয় বিএনপি। পরে বদরুদ্দোজা চৌধুরী জোট থেকে বের হয়ে গেলেও ডা. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নির্বাচনে যায় দলটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়ার কারণে বরাবরই দলের হাইকমান্ডকে দুষছে তৃণমূলের একাংশ। ড. কামালের পাতা ফাঁদ বুঝতে না পারার জন্য হাইকমান্ডকে দোষারোপ করেন। তবে বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে হাইকমান্ডের নজর ছিল সুদূরপ্রসারী। ঐক্যফ্রন্টের ব্যাপারে ভালোভাবেই জানতেন তারা। দলের ভাঙন ঠেকাতে সে সময় ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে নির্বাচনে যাওয়া। বিএনপিকে ভাঙার যে ষড়যন্ত্র তখন হয়েছিল তা বানচাল করতেও সক্ষম হয়।

দলটির একটি সূত্র জানান, নির্বাচনে না গেলে বিএনপির থেকে কিছু নেতা বের হয়ে যেত। আমরা ১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করি। স্বাভাবিকভাবে ১৮ সালের নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে মাঠ-পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একাংশের চাপ ছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিই হচ্ছে নির্বাচনমূখী। কয়েকজন নেতা নির্বাচনে যেতে উদগ্রীব ছিলেন।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী- ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট হয়। সেখানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, আ স ম আবদুর রবসহ বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। ফলে বিএনপি নির্বাচনে না গেলে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে এরা শক্তিশালী বিরোধী দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করত। অন্যদিকে বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্যের একটা অংশ ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন। এই সংখ্যাটা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের মত। এর বাইরেও কিছু দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতা ছিলেন। সে সময়ে ঐক্যফ্রন্টে যাওয়া ছাড়া বিএনপির সামনে কোনো রাস্তা ছিল না। দলের ভাঙন ঠেকাতে ঐক্যফ্রন্টে যাওয়া অপরিহার্য ছিল। এক রকম জেনেশুনে, বুঝে ফাঁদে পা দেয় বিএনপি।

বিএনপির আরেক দায়িত্বশীল সূত্র জানান, নির্বাচনে না গেলে আমাদের কিছু সাবেক সংসদ সদস্য ও তৃণমূল নেতাকর্মী ঐক্যফ্রন্টে চলে যেত। ঐক্যফ্রন্ট শক্তিশালী হত। নির্বাচনের পরিবেশও সহজ করে দিত আওয়ামী লীগ। ঐক্যফ্রন্টকে ৪০-৫০টি আসনও হয়ত দিয়ে দিত। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় এটাও বোঝাতে সক্ষম হত আওয়ামী লীগ। বিএনপির ভবিষ্যৎ রাজনীতি এখানের থেকে আরো বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে যেত।

বিএনপি নেতাদের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান অবস্থা ২০১৮ সালের মতো না। দেশের সকল মানুষ জেনে গেছে আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। বিএনপি, এমনকি আওয়ামী লীগের লোকজনও জানে শেখ হাসিনা সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পারবে না। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এটাই বোঝাতে চেয়েছি। আমরা সফলও হয়েছি। এটা বোঝানোর জন্য মাঝে কয়েকটি নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। এবার তৃণমূল থেকে নির্বাচনে যাওয়ারও কোনো চাপ নেই। দলের কেউ চায় না আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন করতে। সবাই মনে করে বিএনপির বাইরে কোনো জোট হলে সেটা আওয়ামী লীগের বি-টিম হবে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্স বার্তা২৪.কম-কে বলেন, নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এটা তৃণমূলের দাবি, তৃণমূলের মতামতের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাইকমান্ড।

২০১৮ সালে বিএনপির ভরাডুবি হলেও দীর্ঘ মেয়াদি লাভবান হয়েছে দলটি। সুশীল ও নাগরিক সমাজকে বোঝানো গেছে দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না। নির্বাচনে গিয়েই এটা বোঝানো গেছে। নির্বাচনে না গেলে এটা বোঝানো যেত না। পাশাপাশি নেতাকর্মীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছে আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। নেতাকর্মীও বুঝেছে। তৃণমূল থেকে হাইকমান্ড-এক সিদ্ধান্তে অটল। অতীতের তুলনায় বেশি সংগঠিত। এক দফায় সবাই অটল। এটাই বিএনপির অর্জন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করার পর আমরা স্থানীয় সরকার পৌরসভার, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে গিয়েছিলাম। সেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠাতা বিএনপি প্রতীকধারীরা পেয়েছিল। কিন্তু তাদেরকে গায়েবি-ভুয়া মামলা দিয়ে এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে বরখাস্ত করা হয়। ঠিকঠাক মত তাদেরকে কাজ করতে দেয়া হয় নাই। কারাগারে অনেক মারাও যান। নির্বাচন বর্জন, নির্বাচনে যাওয়া, নির্বাচিত হয়েও তো কিছু হচ্ছে না। সবটাই করে দেখেছি আমরা।

তিনি আরো বলেন, সুশীল সমাজ, দেশ নিয়ে চিন্তা করেন এমন কিছু ভালো মানুষ আমাদেরকে নির্বাচনে যেতে বলেছিল। বলেছিল আপনারা আগের নির্বাচনে যাননি, এবার যান, যেয়ে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীও বলেছিল নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। কিন্তু আমারা দেখেছি উল্টোটা হয়েছে।

নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বিএনপির উল্লেখযোগ্য কোনো নেতা দল ছেড়ে যায়নি বলে মনে করে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি বলেন, গত ১৪ বছরে জুলুম-নির্যাতনের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য কোনো বিএনপি নেতা দল ছেড়ে যায়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আমাদের কথা দিয়েছিলেন যে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। সকল রাজনৈতিক নেতাদের সামনেই কথা দিয়েছিলেন। আমরা বিশ্বাস করে তখন নির্বাচনে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেই নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। ভয়ংকরভাবে কারচুপি হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল আর নেই



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে মারা গেছেন।

বুধবার (২৯ জুন) সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ১২ জুন (রোববার) রক্তচাপ বেড়ে গেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নির্মল রঞ্জন গুহ। পরে দ্রুত তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। সে সময় তার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হলে পালস পাওয়া যায়।

পরদিন সকালে নির্মল রঞ্জনের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। হাসপাতালে তার হৃৎপিণ্ডে স্টেন্ট বসানো হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি ঠেকানো যায়নি। পরে ১৬ ‍জুন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গারপুর নেওয়া হয়।

;

বিএনপি নেতা আলাল করোনা আক্রান্ত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বিএন‌পির যুগ্ম মহাস‌চিব সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন আলাল।

বুধবার (২৯ জুন) বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বনানী প্রভা হেলথ সেন্টারে কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নিতে ১৩ জুন ভারত যাচ্ছিলেন যেতে দেওয়া হয়নি বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। গতকাল উচ্চ আদালতের নির্দেশে আবার ভারতে যাবার প্রাক্কালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করতে গিয়ে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন।

;

বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর বিএনপির রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখানে ডুবে গেছে। তাই প্রথমে তারা আবোল-তাবোল বলছিলো এখন বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে, কি বলবে বুঝতে পারছে না। আমি আশা করবো, তারা তাদের রাজনীতি পদ্মা নদীর মাঝখান থেকে উদ্ধার করতে পারবে এবং অতীতের অপকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে জনগণের কাছে যাবে।’

মঙ্গলবার বিকেলে নন্দীপাড়া মাদ্রাসা মাঠে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সবুজবাগ থানার অন্তর্গত ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ইউনিটসমূহের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবু আহমদ মন্নফী উদ্বোধক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. হুমায়ুন কবীর প্রধান বক্তা হিসেবে এবং সহ-সভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত,  সাংগঠনিক সম্পাদক আকতার হোসেন বক্তব্য রাখেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি আশরাফুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস।

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আর দেড় বছর পরে নির্বাচন। এখন বিএনপিকে দেখা যায় না, মাঝেমধ্যে গর্ত থেকে উঁকি দিয়ে তাকায় আর চোরাগোপ্তা মিছিল করে। আইনগতভাবেই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের নির্বাচন করার কোনো সুযোগ নেই সেজন্য তারা নির্বাচনে যাবে কি না, সে নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকে। তবে যতো কথাই বলুক, আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে এবং নির্বাচনের আগে গর্তের ভেতর থেকে বেরিয়ে নানা ধরণের বিভ্রান্তি ছড়াবে।’

‘আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সারাদেশ ঘুরে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনা দেখেছি, আগামী নির্বাচনেও ইনশাআল্লাহ আমাদের ধস নামানো বিজয়ের মধ্যদিয়ে তারা ভেসে যাবে’ উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘সেই বিজয় নিশ্চিত করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে। ২১ বছর ধরে যারা বুকে পাথর বেঁধে দল করেছে, সমস্ত রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে, তাদেরকেই নেতৃত্বে দরকার। যারা গত সাড়ে ১৩ বছরে নতুন আওয়ামী লীগ হয়েছে তারা বিরোধী দল দেখে নাই, শুধু ক্ষমতা দেখেছে, সুতরাং তাদেরকে নেতৃত্বে আনার কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হবে। কোনো নেতাকর্মীর উদ্ধত আচরণের জন্য আমরা দলের মর্যাদা বিসর্জন দিতে পারি না। আর মাদক, দখল-চাঁদাবাজির সাথে যুক্তদেরকে বর্জন করুন। আমাদের দলে তাদের দরকার নেই।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সংসদে বিএনপি নেতারা বলেছেন, শক্তিশালী বিরোধী দল দরকার। আমরাও চাই আপনারা শক্তিশালী হোন। কিন্তু তারা একে একে যেসব আত্মহননের সিদ্ধান্ত নেয়, সে কারণে তারা শক্তিশালী হতে পারে না। আশা করবো তারা আত্মহননের সিদ্ধান্ত পরিহার করে নিজেরা শক্তিশালী হবে, দেশের গণতন্ত্রকেও শক্তিশালী করবে।’

;

বিরোধী দল ও মতকে দমনে আরও হিংস্র রূপে সরকার: ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • Font increase
  • Font Decrease

রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে গেলে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি জানিয়ে এ বিবৃতি দেন তিনি।

পুলিশ কর্তৃক সাইফুল ইসলাম সাইফকে আটক এবং তার কোন হদিস না দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই ঘটনা আতঙ্কজনক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চট্টগ্রাম মহানগর নেতা সাইফুল ইসলাম সাইফকে এভাবে আটক ও গুম করে রাখা নির্মম মনুষ্যত্বহীনতা এবং ভয়ানক অশুভ সঙ্কেত। এর আগেও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে দুই রাউন্ড গুলি করে, তাতে সাইফুল ইসলাম সাইফ চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। আবারও তাকে একই কায়দায় আটক এবং তার কোন সন্ধান না পাওয়া গভীর উদ্বেগজনক। রাষ্ট্র পরিচালনার সকল ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে এবং ভয়াবহ আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই সরকার বিরোধী দল ও মতকে দমনে এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে।

তিনি বলেন, এটি সবার নিকট দৃশ্যমান যে, সাইফুল ইসলাম সাইফকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। সাইফুল ইসলাম সাইফ পুলিশের নিকটই আছে। তাকে এভাবে নিখোঁজ করে রাখায় দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি অবিলম্বে সাইফুল ইসলাম সাইফকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

;