আ.লীগ নিজের নয়, জনগণের ভাগ্য গড়তে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ নিজের নয়, দেশের জনগণের ভাগ্য গড়তে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আমরা পদ্মা সেতু করেছি। এটা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিএনপি। বিএনপি কোন মুখে প্রশ্ন তুলে। যাদের আপাদমস্তক দুর্নীতিতে ভরা। তারা নানা প্রকল্পে দুর্নীতি করেছে। জনগণের জন্য তো কিছুই করেনি। আওয়ামী লীগ নিজের নয়, দেশের জনগণের ভাগ্য গড়তে এসেছে। করছেও তা-ই। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এই দেশে কিছু দালাল সব সময় ছিল। স্বাধীন দেশে থেকেও তাদের মনে শান্তি ছিল না। পাকিস্তানের পরাধীনতাই তাদের পছন্দ ছিল। তারা স্বাধীন দেশে থেকেও চক্রান্ত করে। এর ফলে ৭৫ এর মতো ঘটনাও ঘটে।

সারা দেশে বন্যায় কষ্ট রয়েছেন মানুষ। কিন্তু বিএনপির নেতারা কোন সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেননি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী । তিনি বলেন, বন্যায় বিএনপি নেতারা কাউকে সহায়তা দিয়েছে? দেয়নি। ঢাকায় বসে বসে বসে নানা কথা বলছে। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা দুর্গম এলাকায় গিয়ে খাদ্য বিতরণ করছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কাজ করে যাচ্ছে। সেনা বাহিনী ও বিমান বাহিনী উদ্ধার কাজ করছে। এটা নিয়েও তারা সমালোচনা করছে। এটাই হচ্ছে এদের চরিত্র।

শেখ হাসিনা বলেন, অনেকে বলছেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে কীভাবে? মিলিটারি ডিক্টেটরদের পকেট থেকে তৈরি দল; যাদের নেতারা পলাতক, সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তাদের নিয়ে নির্বাচন করতে হবে? খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক জিয়া স্লোগান দেয়, পঁচাত্তরের পরাজিত শক্তি। এটার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়, তার বাপ যে পাকিস্তানের দালাল ছিল, তার মাও পাকিস্তানী দালাল ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করতে চেয়েছিল, আদর্শগুলো একে একে মুছে ফেলেছিল, ইতিহাস মুছে ফেলেছিল, জাতীয় পিতার নামটা মুছে ফেলেছিল। এটা তো খুব স্বাভাবিক যে এই স্লোগান দেবে। তাদের পাকিস্তানী লাথি ঝাটাও পছন্দ করত। তারা তো পাকিস্তানের পদলেহনকারী।’

তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি বলেন, ‌বিএনপির এক নেতা বলেছেন তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে দেওয়া হয় না। সে তো সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। ২০০৭ সালে তারেক জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে মুচলেকা দিয়েছিল, একেবারে লিখিত দলিল যে সে আর রাজনীতি করবে না। এই শর্তে সে কারাগার থেকে মুক্তি নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমায়। এটা তো বিএনপির নেতাদের ভুলে যাওয়ার কথা না। তাকে তো কেউ বিতাড়িত করেনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী, খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া নম্বর ওয়ান দুর্নীতির অবস্থান থেকে এখন বাংলাদেশকে মর্যাদাশীল অবস্থানে নিয়ে এসেছেন বলেও মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু সব সময় সংগঠনকে গুরত্ব দিয়েছেন প্রথম আওয়ামী লীগ যখন গঠন হয়- আওয়ামী মুসলিম লিগ হিসেবে গঠন হয়েছিল। পরবর্তী ধর্ম নিরপেক্ষ চিন্তা করে আওয়ামী লীগ নাম দেন। ৭০ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনেক বড় বিষয় ছিল। কারণ বঙ্গবন্ধুর মনে হয়েছিল নির্বাচনের মধ্য দিয়েই নির্দিষ্ট হবে বাঙালির মুখপাত্র কে হবে। সে সময় অনেকেই নির্বাচনের বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ কখনো কোনো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়নি। নির্বাচনে অংশ নিয়েছে, সফলতাও পেয়েছে। ৭০ সালের ভোটেও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেট পেয়েছিল।

সরকার প্রধান বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মানুষের পাশে থেকেছে আওয়ামী লীগ। আর এটা করতে গিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের বারবার জেল-জুলুম সহ্য করতে হয়েছে। পরিবারের সদস্যরাও অসম্ভব কষ্ট করেছেন। আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছেন মানুষের উন্নয়ন করেছেন। এজন্য আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দেয় না।

৮ মাস পর দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
রওশন এরশাদ

রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

দীর্ঘ ৮ মাস থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

সোমবার (২৭ জুন) বেলা ১২টা ১০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বন্দরে অবরতণ করেন তিনি।

বিরোধী নেতা সরাসরি রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে চলে যাবেন। ঢাকায় অবস্থানকালে রওশন এরশাদ সেখানেই থাকবেন। আগামী ৩০ জুন বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে উপস্থিত থাকবেন। পরে আগামী ৪ জুলাই চিকিৎসার জন্য আবারও থাইল্যান্ড চলে যাবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্যণীয়। ঢাকা জেলার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলার নেতাদের উপস্থিতি দেখা গেছে। পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরসহ বেশিরভাগ শীর্ষনেতা ও সংসদ সদস্য সেখানে উপস্থিত হন।

;

‘বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি এখন পদ্মার গহীন অতলে নিমজ্জিত’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির কারণে বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি এখন পদ্মার গহীন অতলে নিমজ্জিত।

সোমবার (২৭ জুন) তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

;

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার: আমান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

বানবাসী মানুষের পাশে নেই সরকার

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা কবলিত অসহায় বানবাসী মানুষের পাশে সরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান।

শনিবার (২৫ জুন) নেত্রকোনা জেলা বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এদিন সকালে আমান উল্লাহ আমান ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকসহ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ ত্রাণ নিয়ে নেত্রকোনায় পৌঁছান। সেখানকার দলীয় নেতৃবৃন্দরা স্বাগতম জানান।

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার পদমশ্রী এ ইউ খান হাইস্কুল মাঠ, গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন; খালিয়াজুরী উপজেলার খালিয়াজুরী কলেজ ও হাইস্কুল মাঠ; মোহনগঞ্জ উপজেলার পাইকুড়া বাজার, তেতুলিয়া ইউনিয়ন; বারহাট্টা উপজেলা বালীজুরী প্রাইমারী স্কুল, সাওতা ইউনিয়ন এবং নেত্রকোণা সদর উপজেলার মানিকপুর ঈদগাহ মাঠ, আমতলা ইউনিয়নের বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।

এ সময় আমান বলেন, ভয়াবহ বন্যায় লাখো মানুষ কষ্টে আছেন। অর্ধাহারে, অনাহারে, বিনা চিকিৎসায় তারা কাতর হয়ে আছেন। অথচ সরকারের সেদিকে কোনো নজর নাই। একদিকে বন্যার্তদের চোখের পানি অন্যদিকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মেতে উঠেছেন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে। কোটি কোটি টাকা এই উৎসবের নামে অপচয় করা হলেও বন্যার্তদের পাশে নেই তারা।

;

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী এড়াতে ব্যাংককে জিএম কাদের!



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি পদ্মা সেতুর উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠান এড়াতে বিদেশ সফরে গেছেন বলে দলীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছেন। দেশে থাকলে নানা রকম প্রশ্ন উঠতে পারে তাই এই কৌশল বলে অনেকে মনে করছেন।

তারা মনে করছেন, জিএম কাদের আর সরকারের সঙ্গে মাখামাখা সম্পর্ক দেখাতে চান না। আবার এই মুহূর্তে পুরোপুরি বয়কট করতেও সিনিয়র নেতাদের সমর্থন পাচ্ছেন না।

দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদকে দেখার জন্যই এই সফর। তবে পার্টির এই বক্তব্য ধোপে ঠিকছে না। কারণ সোমবার (২৭ জুন) দেশে ফিরতে যাচ্ছেন রওশন এরশাদ। দুই দিন পর যিনি দেশে ফিরছেন তাকে দেখতে যাওয়া হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে। গত নভেম্বরে মুমূর্ষ অবস্থায় রওশন এরশাদকে চিকিৎসার জন্য বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এতদিন দেখতে না গিয়ে যখন সুস্থ হয়ে দেশের ফেরার প্রস্তুতি নিয়েছেন তখন দেখতে যাওয়াকে লোক দেখানো বলে মনে করছেন অনেকেই।

দলীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান প্রকাশ্য কোন ঘোষণা না দিলেও গোপনে স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান না করার জন্য। এমনকি পদ্মা সেতুর প্রস্তুতি সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলের বরিশাল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রত্না আমিন হাওলাদারকে। আওয়ামী লীগ নেতা আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সফল করতে বসেছিলেন বরিশাল অঞ্চলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে।বরিশাল-৬ আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় পার্টির এমপি রতনা আমিন হাওলাদকেও সেই সভায় ডাকা হয়। জাপার ওই এমপি ফোনে জিএম কাদের’র পরামর্শ ও যোগদানের অনুমতি চেয়েছিলেন। জিএম কাদের তাকে সাফ জানিয়ে দেন, কোনভাবেই অংশ নেওয়া যাবে না। এক পর্যায়ে সাফ জানিয়ে দেন, আবু হাসনাত আব্দুল্যাহ’র ডাকা সভায় যোগ দিলে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। পরে ওই সভায় যোগদান থেকে বিরত থাকেন রতনা আমিন হাওলাদার।

শুধু তাই নয়, বিদেশ সফরের আগে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ৭ দিনের জন্য স্থগিত করার মধ্যেও কেউ কেউ কৌশল হিসেবে দেখছেন। জিএম কাদের ২৩ জুন থাইল্যান্ড সফরে যাওয়ার আগে ঢাকা, সিলেট ও রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়ে যান। নির্দেশনায় বলা হয়েছে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য ৭ দিনের জন্য এই সিদ্ধান্ত। এখানেও কেউ কেউ ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুজে পাচ্ছেন। তারা বলছেন সিলেট ও রংপুর বিভাগে বন্যা থাকলেও ঢাকা বিভাগের বিষয়টি রহস্যবৃত।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূলত সেতুর দুই প্রান্তে থাকা ঢাকা বিভাগের লোকজন অংশ নেওয়ার কথা। যাতে ঢাকা বিভাগের নেতারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করার জন্য সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতে না পারেন। সে জন্যেই এই অবস্থান বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

সূত্র জানিয়েছে, ঢাকা বিভাগে কয়েকজন সংসদ সদস্য রয়েছেন যারা আওয়ামী ঘেষা বলে পরিচিত। তারা অতীতে আওয়ামী লীগের অনেক অনুষ্ঠানে মিছিল নিয়ে জমায়েত হয়েছেন। এমনও হয়েছে কেন্দ্রের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ কেউ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের ঠেকাতে জিএম কাদের’র বিশেষ কৌশল বলে মনে করেন খোদ দলের লোকজনেই।

জাতীয় পার্টির দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বার্তা২৪.কম-কে জানিয়েছে, পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগদান করা বা না করার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। পার্টির চেয়ার‌ম্যান, মহাসচিব দেশের বাইরে রয়েছেন। সে কারণে তারা অংশ নিতে পারছেন না। দলীয় সংসদ সদস্যরা চিঠি পেয়েছেন, তারা চাইলে অংশ নিতে পারবেন।

কেউ অংশ নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মুহূর্তে আমার জানা নেই।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পার্টির চেয়ারম্যানের প্রেস ও পলিটিক্যাল সেক্রেটারি সুনীল শুভরায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, আমি যতটুকু জানি দলীয় সংসদ সদস্যসহ যারা আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন তারা অনেকেই অংশ নিয়েছেন।

;