নিজেকে কেন্দ্রীয় কমিটির ‘সদস্য’ বলে প্রচার, বহিষ্কার ছাত্রলীগ নেত্রী



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নিজেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ‘সদস্য’ বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করাতে রুমিত আয়াত সাহিদা নামে ছাত্রলীগের এক নেত্রীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের ওই নেত্রী নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্তর্গত গ্রিন ইউনিভার্সিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,‘শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার’ অপরাধে রুমিত আয়াত সাহিদাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা যায়, গত সোমবার রাতে রুমিত আয়াত তার ফেসবুক আইডিতে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘সদস্য’ পদে স্থান পেয়েছেন এমন একটি পোস্ট করেন এবং এ-সম্পর্কিত একটি ভুয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তির ছবি যুক্ত করেন। যেখানে তিনি এডিট করে নিজের নাম বসিয়ে দেন।

ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি গণমাধ্যমে বলেন, যারা ফেসবুকে নিজেদের একটু উন্নত পর্যায়ের নেতা হিসেবে জাহির করছে তারা সবাই ধরা খাবে। যারা ফটোকপি করে এসব করছে তারাও ভালোভাবে ধরা খাবে। কারণ, মূল কপি আমাদের কাছে। এ বিষয়ের জন্য আমরা নিজেরাও বিব্রত! আমাদের কিছু কাজ এখনো বাকি আছে। আশা করি, অল্প সময়ের মধ্যে আমরা তালিকা প্রকাশ করতে পারব।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলাসহ ছাত্রলীগের ১১টি কমিটি ঘোষণা করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শীর্ষ দুই নেতা। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) হল ইউনিটে শীর্ষ পদে আসতে না পারা পদপ্রত্যাশীসহ দুই শতাধিককে বিভিন্ন সম্পাদক, উপসম্পাদক, সহ-সম্পাদক ও সদস্যসহ কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়েছে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, এই সরকার দেশকে শ্রীলংকার পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের মূল্য ৯০ ডলার কমেছে। অথচ বাংলাদেশে রাতারাতি ৫০ শতাংশের ওপরে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে এই অবৈধ সরকার। এই অবৈধ সরকারের দুর্নীতির মধ্যে দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হঠাৎ করে মধ্য রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। যে ডিজেলের দাম ছিল ৮০ টাকা, তার দাম এখন ১১৪ টাকা। অকটেনের দাম ছিল ৮৮ টাকা তার দাম এখন ১৩৫ টাকা। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সবকিছুই সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার ঊর্ধ্বে চলে যাবে। সাধারণ মানুষের দুর্দশার সীমা থাকবে না। অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পরিহার করুন। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার দেশকে তালাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। এই সরকার বারবার তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তার ওপর আবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের ওপর সবকিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। জনগণ আজ দিশেহারা। আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন চৌধুরীর লিটন, শাহ আলম, আব্দুল মান্নান, সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মনজুরুল আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মাহবুবুল আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, মো. সেকান্দর, মো. সালাউদ্দিনসহ প্রমুখ।

;

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজিরবিহীন: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজীরবিহীন। জ্বালানি তেলের এমন মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি হবে। প্রমাণ হলো দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই।

শনিবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেছেন।

বিবৃতিতে বলেন, অকটেনের মূল্য এক লাফে ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। ৮৬ টাকা লিটারের পেট্রোলের দাম ৫১ দশমিক ১৬ ভাগ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। ডিজেল ও কেরোসিন এর দাম ৪২ দশমিক ৫ ভাগ বেড়ে প্রতি লিটার ৮০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়। অথচ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী ।

গত ৪/৫ মাসে বিভিন্ন স্থানে বেঞ্চমার্ক ক্রুড ওয়েলের দাম কমেছে ২৯ থেকে ৩০ শতাংশ। ইউএস বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৯ ডলারের নিচে নেমে যায়। গত মার্চে যার দর উঠেছিল ১২৪ ডলারে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয় ৯৪ ডলারে। সারাবিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, তখন দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সকল মহলকে হতাশ করেছে।

বিবৃতিতে বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বেড়ে যাবে পরিবহণ ব্যয়। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে, বাড়বে দামও। এতে রফতানি শিল্পেও বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। ভয়াবহ পরিণতির দিকে অগ্রসর হবে দেশের অর্থনীতি। হাহাকার উঠবে সাধারণ মানুষের পরিবারে। তাই, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি।

;

তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে বিএনপি নেতারা



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুক্রবার (০৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লিটার প্রতি ডিজেল কেরোসিনে ৩৪ টাকা, অকেটেন ৪৬ টাকা ও পেট্রোলের দাম ৪৪ টাকা হারে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়।এ সিদ্ধান্ত শুক্রবার রাত ১২ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো শুরু করে নেটিজেনরা। তবে আমরা বার্তা২৪ থেকে বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন বিএনপি নেতার প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেছি।

হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘ এটা চরম গণবিরোধী একটি পদক্ষেপ। এই তেলের সাথে সবকিছু সম্পর্ক যুক্ত। এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম বেড়ে যাবে এবং অন্যান্য জিনিসের দামও বেড়ে যাবে। অর্থাৎ একটি অরাজক পরিস্থিতির দিকে দেশকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে এটি একটি ভয়ংকরতম ঘটনা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং মনে করি সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবিবেচনা প্রসূত। সরকার বারবার বলছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ না, কিন্তু তা স্বত্বেও জিনিসপত্র সহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া সরকারের বক্তব্যের সাথে এই কর্মকাণ্ডের কোন সাদৃশ্য নেই’।

বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম যখন কমছে তখন বাংলাদেশের সরকার প্রায় দ্বিগুন পরিমানে জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়েছে। এটি একটি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জনগন ফুঁসে উঠেছে। সরকার একদিকে অন্যায় সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে, অন্যদিকে প্রতিবাদ করলে জনগণের উপর গুলি চালিয়ে তাদেরকে হত্যা করছে।ইতিমধ্যে দুটি তাজা প্রাণ আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছে।এই অত্যাচার আজ ঘরে ঘরে এই অত্যাচার পৌঁছে গিয়েছে এবং তারা ধীরে ধীরে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে’।

স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘কোনভাবেই এটাকে ভালোভাবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার যখন চোঁখে মুখে অন্ধকার দেখে, পায়ের নীচে মাটি না থাকে তখন এসে জনগনের উপর হামলে পরে। তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেয়া, পানির দাম বাড়িয়ে দেয়া, বিদ্যুতের লোডশেডি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দেয়া এসব তারই লক্ষণ। জনগণ এখন নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে’।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য (দফতরে সংযুক্ত) আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একদিকে যেমন একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী অন্যদিকে এই আমরাই তো এই দেশের জনগন। জ্বালানী তেলের দাম যে হারে বাড়ানো হয়েছে এই বাড়তি পয়সা মানুষ কোথা থেকে সমন্বয় করবে। অনেকে বলছে আইএমএফ থেকে ঋণ নিতে সরকার এমনটি করেছে। বছরের পর বছর উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে, সীমাহীন দুর্নীতি করে এখন কেন বিদেশী ঋনের প্রয়োজন পরলো। দেশটা যে এখন শ্রীলংকার পথে সেটা আর জনগনের বুঝতে বাকী নেই’।

;

‘বিএনপি এখন ব্যাঙের মতো ডাকছে, পুঁটি মাছের মতো লাফাচ্ছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা গোপালগঞ্জের মাটিতে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিএনপি এখন ব্যাঙের মতো ডাকছে, পুঁটি মাছের মত লাফাচ্ছে। তারা মূলত ষড়যন্ত্র করছে।

শহীদ শেখ কামালের ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শুক্রবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ফলমূল, শাকসবজি ও সরিষা বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিএনপি যদি জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, অতীতের মতো পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে তাহলে আগামী সেপ্টেম্বরে আমরা মাঠে নামবো। তখন বিএনপি পালানোর পথ খুঁজে পাবে না। কারণ আগস্ট মাস শোকের মাস। তাই আমরা শোক পালন করছি।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর সভাপতিত্বে বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপি বাসায় বসে বক্তৃতা করে আর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে। বিএনপির বিক্ষোভে যত লোক ছিল তার থেকে গাছে কাকও অনেক বেশি ছিল। আর করোনাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ ও তার নেতাকর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে অন্য কেউ দাঁড়ায়নি। তবে সবাই সতর্ক থাকবেন কারণ বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খানের সঞ্চালনায় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।

আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার ১ হাজার কৃষকের মাঝে ১৫ ধরনের সবজি, ফলমূল ও সরিষার বীজ বিতরণ করেন।

এর আগে, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান ও বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়ায় অংশ নেন।

বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল স্মরণে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ শেখ কামালকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করলেও তার স্বল্প বয়সের কর্মের মাধ্যমেই যুগ যুগ ধরে, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন তিনি আমাদের মাঝে জাগরূক থাকবেন। এই অল্প বয়সের মধ্যেই যে প্রতিভা ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর তিনি রেখেছিলেন, তাতে আমি মনে করি তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরও অনেক উপকৃত হতো। আজকের এই দিনে আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

;