বিএনপির হুমকি-ধামকি যত গর্জে তত বর্ষে না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির হুমকি-ধামকি বাস্তবে যতটা গর্জে, ততটা বর্ষে না।

বুধবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর সেতু ভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপি নেতাদের রাজপথ দখলের হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, রাজপথ কোন ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি নয়, রাজপথ জনগণের সম্পত্তি, কাজেই জনগণের সম্পত্তি সুরক্ষার দায়িত্ব সরকারের।

আওয়ামী লীগের লড়াকু নেতাকর্মীদের রাজপথ দখলের হুমকি দিয়ে কোন লাভ নেই উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেই সরকারে এসেছে। রাজপথে ত্যাগ-তিতিক্ষার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।

আওয়ামী লীগ নয়, বাংলাদেশ থেকে পালানোর ইতিহাস বিএনপির এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি, রাজনীতি করবেনা বলে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে পালিয়েছে। আওয়ামী লীগের পালানোর কোন ইতিহাস নেই।

আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা আওয়ামী লীগের শিকড় এদেশের মাটি ও মানুষের অনেক গভীরে এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যত সংকট আর ষড়যন্ত্রই হোক না কেন আওয়ামী লীগ এদেশেই থাকবে। দেশের মাটি ও মানুষের মাঝে থাকবে।

ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেন, রাজপথ দখলের নামে তারা যদি আবারও জ্বালাও পোড়াও এবং আগুন সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয় তাহলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে জনগণকে সাথে নিয়ে দাঁত ভাঙা জবাব দেওয়া হবে।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৮ আগস্ট ৩টায় কাকরাইলস্থ জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ, পরদিন ৯ আগস্ট সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও সকল ইউনিট পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।

রোববার (৭ আগস্ট) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানদের এক সভায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো- চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সালমা ইসলাম এমপি এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাপা। তেলের দাম বৃদ্ধির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে দলটি। জাপার চেয়ারম্যান এক বিবৃতিতে বলেছেন, ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজিরবিহীন। জ্বালানি তেলের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি হবে। প্রমাণ হলো দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই।

;

‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়েছে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, এই সরকার দেশকে শ্রীলংকার পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের মূল্য ৯০ ডলার কমেছে। অথচ বাংলাদেশে রাতারাতি ৫০ শতাংশের ওপরে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে এই অবৈধ সরকার। এই অবৈধ সরকারের দুর্নীতির মধ্যে দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হঠাৎ করে মধ্য রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। যে ডিজেলের দাম ছিল ৮০ টাকা, তার দাম এখন ১১৪ টাকা। অকটেনের দাম ছিল ৮৮ টাকা তার দাম এখন ১৩৫ টাকা। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সবকিছুই সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার ঊর্ধ্বে চলে যাবে। সাধারণ মানুষের দুর্দশার সীমা থাকবে না। অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পরিহার করুন। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার দেশকে তালাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। এই সরকার বারবার তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তার ওপর আবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের ওপর সবকিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। জনগণ আজ দিশেহারা। আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন চৌধুরীর লিটন, শাহ আলম, আব্দুল মান্নান, সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মনজুরুল আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মাহবুবুল আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, মো. সেকান্দর, মো. সালাউদ্দিনসহ প্রমুখ।

;

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজিরবিহীন: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজীরবিহীন। জ্বালানি তেলের এমন মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি হবে। প্রমাণ হলো দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই।

শনিবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেছেন।

বিবৃতিতে বলেন, অকটেনের মূল্য এক লাফে ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। ৮৬ টাকা লিটারের পেট্রোলের দাম ৫১ দশমিক ১৬ ভাগ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। ডিজেল ও কেরোসিন এর দাম ৪২ দশমিক ৫ ভাগ বেড়ে প্রতি লিটার ৮০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়। অথচ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী ।

গত ৪/৫ মাসে বিভিন্ন স্থানে বেঞ্চমার্ক ক্রুড ওয়েলের দাম কমেছে ২৯ থেকে ৩০ শতাংশ। ইউএস বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৯ ডলারের নিচে নেমে যায়। গত মার্চে যার দর উঠেছিল ১২৪ ডলারে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয় ৯৪ ডলারে। সারাবিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, তখন দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সকল মহলকে হতাশ করেছে।

বিবৃতিতে বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বেড়ে যাবে পরিবহণ ব্যয়। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে, বাড়বে দামও। এতে রফতানি শিল্পেও বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। ভয়াবহ পরিণতির দিকে অগ্রসর হবে দেশের অর্থনীতি। হাহাকার উঠবে সাধারণ মানুষের পরিবারে। তাই, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি।

;

তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে বিএনপি নেতারা



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুক্রবার (০৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লিটার প্রতি ডিজেল কেরোসিনে ৩৪ টাকা, অকেটেন ৪৬ টাকা ও পেট্রোলের দাম ৪৪ টাকা হারে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়।এ সিদ্ধান্ত শুক্রবার রাত ১২ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো শুরু করে নেটিজেনরা। তবে আমরা বার্তা২৪ থেকে বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন বিএনপি নেতার প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেছি।

হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘ এটা চরম গণবিরোধী একটি পদক্ষেপ। এই তেলের সাথে সবকিছু সম্পর্ক যুক্ত। এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম বেড়ে যাবে এবং অন্যান্য জিনিসের দামও বেড়ে যাবে। অর্থাৎ একটি অরাজক পরিস্থিতির দিকে দেশকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে এটি একটি ভয়ংকরতম ঘটনা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং মনে করি সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবিবেচনা প্রসূত। সরকার বারবার বলছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ না, কিন্তু তা স্বত্বেও জিনিসপত্র সহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া সরকারের বক্তব্যের সাথে এই কর্মকাণ্ডের কোন সাদৃশ্য নেই’।

বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম যখন কমছে তখন বাংলাদেশের সরকার প্রায় দ্বিগুন পরিমানে জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়েছে। এটি একটি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জনগন ফুঁসে উঠেছে। সরকার একদিকে অন্যায় সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে, অন্যদিকে প্রতিবাদ করলে জনগণের উপর গুলি চালিয়ে তাদেরকে হত্যা করছে।ইতিমধ্যে দুটি তাজা প্রাণ আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছে।এই অত্যাচার আজ ঘরে ঘরে এই অত্যাচার পৌঁছে গিয়েছে এবং তারা ধীরে ধীরে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে’।

স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘কোনভাবেই এটাকে ভালোভাবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার যখন চোঁখে মুখে অন্ধকার দেখে, পায়ের নীচে মাটি না থাকে তখন এসে জনগনের উপর হামলে পরে। তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেয়া, পানির দাম বাড়িয়ে দেয়া, বিদ্যুতের লোডশেডি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দেয়া এসব তারই লক্ষণ। জনগণ এখন নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে’।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য (দফতরে সংযুক্ত) আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একদিকে যেমন একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী অন্যদিকে এই আমরাই তো এই দেশের জনগন। জ্বালানী তেলের দাম যে হারে বাড়ানো হয়েছে এই বাড়তি পয়সা মানুষ কোথা থেকে সমন্বয় করবে। অনেকে বলছে আইএমএফ থেকে ঋণ নিতে সরকার এমনটি করেছে। বছরের পর বছর উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে, সীমাহীন দুর্নীতি করে এখন কেন বিদেশী ঋনের প্রয়োজন পরলো। দেশটা যে এখন শ্রীলংকার পথে সেটা আর জনগনের বুঝতে বাকী নেই’।

;