তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে যা বলছে বিএনপি নেতারা



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুক্রবার (০৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে লিটার প্রতি ডিজেল কেরোসিনে ৩৪ টাকা, অকেটেন ৪৬ টাকা ও পেট্রোলের দাম ৪৪ টাকা হারে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়।এ সিদ্ধান্ত শুক্রবার রাত ১২ থেকেই কার্যকর করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো শুরু করে নেটিজেনরা। তবে আমরা বার্তা২৪ থেকে বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন বিএনপি নেতার প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেছি।

হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘ এটা চরম গণবিরোধী একটি পদক্ষেপ। এই তেলের সাথে সবকিছু সম্পর্ক যুক্ত। এখন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দাম বেড়ে যাবে এবং অন্যান্য জিনিসের দামও বেড়ে যাবে। অর্থাৎ একটি অরাজক পরিস্থিতির দিকে দেশকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে এটি একটি ভয়ংকরতম ঘটনা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং মনে করি সরকারের এই সিদ্ধান্ত অবিবেচনা প্রসূত। সরকার বারবার বলছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ না, কিন্তু তা স্বত্বেও জিনিসপত্র সহ জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া সরকারের বক্তব্যের সাথে এই কর্মকাণ্ডের কোন সাদৃশ্য নেই’।

বিএনপির মিডিয়া সেলের প্রধান জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে জ্বালানী তেলের দাম যখন কমছে তখন বাংলাদেশের সরকার প্রায় দ্বিগুন পরিমানে জ্বালানী তেলের দাম বাড়িয়েছে। এটি একটি গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। এর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই জনগন ফুঁসে উঠেছে। সরকার একদিকে অন্যায় সিদ্ধান্ত গ্রহন করছে, অন্যদিকে প্রতিবাদ করলে জনগণের উপর গুলি চালিয়ে তাদেরকে হত্যা করছে।ইতিমধ্যে দুটি তাজা প্রাণ আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছে।এই অত্যাচার আজ ঘরে ঘরে এই অত্যাচার পৌঁছে গিয়েছে এবং তারা ধীরে ধীরে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠছে’।

স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘কোনভাবেই এটাকে ভালোভাবে দেখার সুযোগ নেই। সরকার যখন চোঁখে মুখে অন্ধকার দেখে, পায়ের নীচে মাটি না থাকে তখন এসে জনগনের উপর হামলে পরে। তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়া, গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দেয়া, পানির দাম বাড়িয়ে দেয়া, বিদ্যুতের লোডশেডি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দেয়া এসব তারই লক্ষণ। জনগণ এখন নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে’।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য (দফতরে সংযুক্ত) আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একদিকে যেমন একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী অন্যদিকে এই আমরাই তো এই দেশের জনগন। জ্বালানী তেলের দাম যে হারে বাড়ানো হয়েছে এই বাড়তি পয়সা মানুষ কোথা থেকে সমন্বয় করবে। অনেকে বলছে আইএমএফ থেকে ঋণ নিতে সরকার এমনটি করেছে। বছরের পর বছর উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে, সীমাহীন দুর্নীতি করে এখন কেন বিদেশী ঋনের প্রয়োজন পরলো। দেশটা যে এখন শ্রীলংকার পথে সেটা আর জনগনের বুঝতে বাকী নেই’।

সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা: ঢাকা দক্ষিণ আ.লীগের সম্পাদক হুমায়ুনকে শোকজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা, নেতাকর্মীদের গালিগালাজ করায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বার্তা২৪.কম-কে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কর্মীদের গালিগালাজ ও সম্মেলনে কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করে সমাবেশ করার পর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে শোকজ করা হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের লালবাগ থানা ইউনিটের সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতেই বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের চার পক্ষ।

এসময় বিশৃঙ্খলা থামাতে গিয়ে মাইক হাতে নিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ হুমায়ুন কবির ‘শুয়োরের বাচ্চা’ বলে গালি দেন বিশৃঙ্খলাকারীদের।

সম্মেলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে মোট পাঁচ দফায় হাতাহাতি মারামারি হয়েছে।

মাইকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হলেও থামেনি বিশৃঙ্খলা। রাজধানীর লালবাগেই বাড়ি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের।

এসময় বিশৃঙ্খলা থামাতে গিয়ে মাইক হাতে নিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, স্লোগান বন্ধ করো। স্লোগান বন্ধ কর 'শুয়োরের বাচ্চারা'।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক মারামারি থামানোর জন্য নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মারামারি থামানোর জন্য আহ্বান করছি। বিশৃঙ্খলা করবেন না, বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থামুন আপনারা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আপনাদের মাঝে এসেছে, এর গুরুত্ব উপলব্ধি করুন আপনারা?

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, লাফালাফি, বাড়াবাড়ি করবেন না। নির্বাচনের ১৪ মাস বাকি অথচ শোডাউন দিয়ে শক্তি প্রদর্শন শুরু করেছেন। আপনারা কেউ এমপি হতে পারবেন না, নেতা হতে পারবেন না।

এছাড়া পূর্ব নির্ধারিত চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ছিল শুক্রবার বিকাল ৩টায়। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সেই সম্মেলন না করার জন্য বললেও না মেনে সম্মেলনস্থলে সমাবেশ করে চকবাজার থানার অন্তর্গত বিভিন্ন শাখা আওয়ামী লীগ। সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

;

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আর কখনো নির্বাচন হবে না: নানক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক

অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আর কখনো নির্বাচন হবে না। স্বাধীন নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

তিনি বলেন, নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নির্বাচনে বিএনপির এতো অনীহা কেন? তারা এখন গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ জুম্মা রংপুর নগরীর আলমনগরে নাসিম খান মা ও শিশু হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যদি ৩০০ আসনে জাতীয় পার্টি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, আমরা তাদের স্বাগত জানাবো। জাতীয় পার্টি মহাজোটের শরিক নয়। এখন তারা বিরোধী দল। জাতীয় সংসদে দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করছে।

পরে বাংলাদেশে বসবাসরত উর্দুভাষীদের সংগঠন এসপিজিআরসি’র প্রধান পৃষ্টপোষক মরহুম আলহাজ্ব নাসিম খানের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন এসপিজিআরসির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক ও রংপুর সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিউর রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মন্ডল, জেনেভা ক্যাম্প চেয়ারম্যান এস.কে গোলাম জেলানী, এসপিজিআরসি কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মো. শাহিদ, খুরশিদ আলম, এসপিজিআরসি চট্টগ্রামের যুগ্ম সম্পাদক সোহেল আশরাফি, রাউসা বাধ কলোনির সম্পাদক মো. রেহান, এসপিজিআরসি খুলনার সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর ও আদমজির সভাপতি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ।

;

‘আ.লীগে এখন রাজনীতি নেই, তাদের রাজনীতি হাইজ্যাক হয়ে গেছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নোয়াখালী
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগে কোন রাজনীতি নেই। আওয়ামী লীগের রাজনীতি হাইজ্যাক হয়ে গেছে। এদের রাজনীতি হাইজ্যাক করছে কিছু গোষ্ঠী যারা এখন এই দেশকে চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার কিন্তু আজকে দেশ চালাচ্ছে না।

তিনি বলেন, শিগগিরই আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। সেই রূপরেখা অনুযায়ী আগামী নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ সরকারকে আন্দোলনের মাধ্যমে পতন ঘটানো হবে।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ স্টেডিয়ামে উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে কুমিল্লায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু ও তার স্ত্রী শামীমা বরকত লাকি ওপর হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু বলেন, আগামী নির্বাচনে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলুক সরকার গঠন করা হবে। আন্দোলনে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে। তারা তাদের ভোটের অধিকার আদায় করা ছাড়া বাড়ি ফিরে যাবে না। রাজপথে আন্দোলন করেই এ সরকারের বিদায় ঘণ্টা বাঁজানো হবে। এ সময় তিনি প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে বরকত উল্ল্যার ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাখ্যা চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান আবেদের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শাহজাহান, বিএনপির উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম প্রমুখ।

;

‘শোচনীয় পতনের আশঙ্কায় দেশকে মৃত্যুপূরীতে পরিণত করছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, গণআন্দোলনের ভয় পেয়ে পুলিশকে দিয়ে হত্যা, নির্যাতন করিয়ে র‍্যাবের মতো পুলিশকে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। শোচনীয় পতনের আশঙ্কায় দেশকে মৃত্যুপূরীতে পরিণত করেছে তারা।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে মুন্সিগঞ্জে মিছিলে পুলিশের গুলিতে নির্মমভাবে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী যুবদল নেতা মো. শাওনের গায়েবানা জানাজার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন ।

এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা যখন সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তীব্র সোচ্চার হয়ে দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত চাচ্ছে, তখন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পুলিশকে দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি করে হত্যা, নির্যাতন করিয়ে সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন অব্যাহত রেখেছে। সরকার হীন রাজনৈতিক স্বার্থে সমগ্র নিরাপত্তা বাহিনীকে অন্যায়ভাবে অপব্যবহার করে ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে ।

তিনি বলেন, শহীদ শাওনের রক্ত বৃথা যাবে না। স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে হত্যা নির্যাতনের বিচার করা হবে। তিনি বলেন, শহীদের রক্ত ছুঁয়ে শপথ নিয়েছি, তাদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না ।রেরর্

;