নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির স্বাভাবিক হবে: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজশাহী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং করা হচ্ছে। তবে নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতির স্বাভাবিক হবে। একই সাথে বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির মাঠ গরমের কিছু নেই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে রাজশাহীর মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আজ সারাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার থেকে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবক্ষেত্রেই নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়েছে। নারীদের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্তা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের ভাতা চালু করেছেন। এর ফলে নারীরা স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, রাজশাহী -৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, কক্সবাজারের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম। মোহনপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ এই শোকসভার আয়োজন করে।

কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির ওপর ভর করেছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির উপর ভর করেছে। লাঠির দিন চলে গিয়েছিলো বিএনপি আবার তা ফিরিয়ে এনেছে। লাঠি নিয়ে রাজপথে যত আস্ফালন হোক, আমরা এর জবাব দিবো।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনের দিনে পতাকার সাথে লাঠি নিয়ে নামলে খবর আছে। পরিস্কার বলে দিতে চাই, সামনে খবর আছে, লাঠি নিয়ে খেলা চলেবে না। আগুন নিয়ে খেলা, অগ্নিসন্ত্রাস চলবে না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মুজিবকে হারিয়ে আমরা অমানিসার অন্ধকারে ছিলাম। এর ৬ বছর পর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিবাচিত হয়ে ফিরে এসেছিলেন রক্তভেজা দুঃখিনী বাংলায়।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছেন। তিনি দেশে এসেছিলেন বলে এসেছেন বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। তিনি ফিরেছেন বলে দেশে উন্নয়নে অর্জনের ধারা সূচিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ কাউকে রাজপথ ইজারা দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে থাকবে। আমরা জনগণের জন্য, উন্নয়ন ও অর্জনের জন্য রাজপথে নামবো।

২২ দলীয় জোটের নামে বিএনপি জগাখিচুড়ির আন্দোলনের মাঠে নেমেছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপি ইচ্ছে করে উসকানি দিচ্ছে যাতে আওয়ামী লীগ সংঘাতে জড়ায়। তারা ইচ্ছে করে আওয়ামী লীগ, পুলিশকে উসকানি দেয়।

দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবারো বিজয়ের বন্দরে পৌছাবো ইনশাআল্লাহ্‌।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

;

দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ডাক বিএনপির



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবা গণসমাবেশের ডাক বিএনপির

দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবা গণসমাবেশের ডাক বিএনপির

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ ১০ বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

বিএনপির মহাসচিব জানান, গত সোমবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলের এই সিদ্ধান্ত জানাতে আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগ দিয়ে শুরু হবে এই সমাবেশ। সর্বশেষ সমাবেশ হবে ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায়।

ফখরুল বলেন, ‘সরকারের চাল, ডাল, জ্বালানি তেল, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি, চলমান আন্দোলনে ভোলায় নুরে আলম ও আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জে শাওন, মুন্সিগঞ্জে শহিদুল ইসলাম শাওন ও যশোরে আব্দুল আলিমসহ পাঁচ নেতাকর্মী হত্যার প্রতিবাদে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে সারা দেশে বিভাগীয় গণসমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ৮ অক্টোবর চট্টগ্রামে, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহে, ২২ অক্টোবর খুলনায়, ২৯ অক্টোবর রংপুরে, ৫ নভেম্বর বরিশালে, ১২ নভেম্বর ফরিদপুরে, ১৯ নভেম্বর সিলেটে, ২৬ নভেম্বর কুমিল্লায়, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে এবং ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকায় এই গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণে দলের ঘোষিত ১৬টির মধ্যে ১৪টি সমাবেশ করেছে বিএনপি। মিরপুরের পল্লবীর সমাবেশ সংঘর্ষের কারণে পণ্ড হয় এবং লালবাগের সমাবেশ স্থগিত করা হয়। ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে। এসব কর্মসূচি করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে সারা দেশে বিএনপির পাঁচ নেতাকর্মী নিহত হয়।

বিএনপি চাচ্ছে যে কোনভাবেই হোক, আগামী বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে বা ২০২৪ সালের জানুয়ারির শুরুতে নির্ধারিত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা তাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাবে। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখবে এবং জনসাধারণকে আরও বেশী করে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা চালাবে।, 

;

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা



প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার, ভাইস চ্যান্সেলর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা

শুভ জন্মদিন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের ইতিহাসে, আধুনিক-উন্নততর বাংলাদেশ বিনির্মাণের মহাযাত্রা পথে আজ ২৮ সেপ্টেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। আজ প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন। এদিনে তিনি স্পর্শ করেছেন ত্যাগ, সংগ্রাম ও অর্জনের ঘটনাবহুল ৭৫ বছর।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতি নদী-বিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশ ও জাতির উন্নতির জন্য দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে তুনি রাষ্ট্রনায়ক থেকে নিজেকে নিয়ে গেছেন বিশ্বনেতার কাতারে আর বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে উন্নীত করেছেন মর্যাদার আসনে।

চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে অর্থনীতির প্রতিটি সূচকে। বিশ্বের কাছে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ এখন একটি রোল মডেল। বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন বিশ্বনেতাদের। মিয়ানমারে জাতিগত নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে সারা বিশ্বে হয়েছেন প্রশংসিত।


আজ দেশবাসীর মতো সারা বিশ্ব বিশ্বাস করে, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই করোনা মহামারীর পরও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এশিয়ার প্রায় সব দেশের ওপরে। মানুষের জন্য আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা, সঠিক নেতৃত্ব, সময়োচিত পদক্ষেপ, অর্থনীতিকে বাঁচাতে প্রণোদনা ঘোষণা এবং বাস্তবায়ন করে দেশের মানুষকে করেছেন ক্ষুধামুক্ত। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ-এতসব অর্জন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলেই হয়েছে।

জননেত্রী অর্জনের তালিকায় আরো আছে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত, দারিদ্র্যের হার হ্রাস, মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর ৪ মাসে উন্নীত, যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, সাক্ষরতার হার ৭৫.৬০ শতাংশে উন্নীত করা। বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ধর্মীয় শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতি দান, প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে সরকারি/বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারী নীতি প্রণয়ন, ফাইভ-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার চালুসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা'র ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে অনাড়ম্বরভাবে উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় ফজরের নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মসজিদসমূহে বিশেষ মোনাজাত ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়েছে। আজ বেলা ১১.৩০ টায় উপাচার্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনের কেক কাটা ও বিশেষ মোনাজাত করা হবে।

আমরা প্রত্যাশা করি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ, সুযোগ্য ও কুশলী নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দৃঢ়প্রত্যয়ে এগিয়ে যাবে উন্নয়নে স্বর্ণশিখরে। প্রতিরোধ করবে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ক্ষুধা, দারিদ্র, অন্ধকার ও পশ্চাৎপদতার। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পূর্ণ বাস্তবায়নের বহুমুখী কর্মযজ্ঞে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমগ্র বাংলাদেশের মতো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারও তাঁর সর্বক্ষণের সহযাত্রী।

;

বিএনপির টুকুর বক্তব্য ‘অশালীন-কুরুচিপূর্ণ’: জামায়াত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর ‘পরকীয়া প্রেম চলছে’ বলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যে বক্তব্য দিয়েছেন তা রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপির এক সমাবেশে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে যে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন তা দেশবাসীকে বিস্মিত করেছে। এটি কোনো রাজনীতিবিদের ভাষা হতে পারে না। তার এ বক্তব্য স্বৈরাচারী শাসনকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

তিনি আরও বলেন, যে মুহূর্তে দেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ন্যায্য ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন দলনিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর, সে সময় তার এ বক্তব্য জাতিকে হতাশ করেছে। তার বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়, তিনি জনগণের ভাষা বুঝতে অক্ষম এবং তিনি জনগণের ভাষায় কথা বলতে পারেন না।

জামায়াতের বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, সমাবেশে আমি বলেছিলাম আওয়ামী লীগের মুখে প্রায়ই শুনি, যেটা বুলি হয়ে গেছে। তারা প্রায়ই বলে, বিএনপি-জামায়াত, বিএনপি-জামায়াত। আমি বলছি, এখন সময় এসেছে আওয়ামী-জামায়াত, আওয়ামী-জামায়াত বলার। কেননা, ওনারা (আওয়ামী লীগ) জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে, কিন্তু বেআইনি ঘোষণা করে না। তাহলে কী আমি বলব, ওনাদের পরকীয়া প্রেম চলছে!

;