ইসি সাজানো নির্বাচনের পায়তারা করছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যেনো সাজানো নির্বাচন করতে পায়তারা চালাচ্ছে। প্রায় সকল রাজনৈতিক বিরোধীতা সত্ত্বেও কমিশন ইভিএম-এ ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাপার বনানীর কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নে এমন মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করে, ইভিএম হচ্ছে কারচুপির মেশিন। আবার নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি বলছে, সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা তাদের দায়িত্ব নয়। তাই নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারবে তাতে অনেকেরই সন্দেহ আছে। মনে হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন কোন অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে মাতামাতি করছে। অপরদিকে, দেশের মানুষ কথা বলতে পারছে না। কোন দাবিতে আন্দোলন হলে পুলিশ ও প্রতিপক্ষরা তাতে হামলা চালাচ্ছে। তাতে মনে হচ্ছে, এমন বাস্তবতায় নির্বাচন হলে লেভেল প্লেইং ফিল্ড হবে না। যেখানে সরকারের ৯০ ভাগ প্রভাব রয়েছে, পুলিশ ও প্রশাসন সকারের হাতে, এমন বাস্তবতায় সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোন সংকট নেই। কোন ভাঙনের মুখে পড়বে না জাতীয় পার্টি। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রতিপক্ষ হিসেবে জাতীয় পার্টিকে বারবার ক্ষতি করতে চেয়েছে। যারা পার্টি ছেড়ে গেছে তারা কেউ শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। এভাবে কেউ চলে গেলেও জাতীয় পার্টি দূর্বল হবে না।

তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদ আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন। আমার অসুস্থতা বা দুর্ঘটনার সংবাদে তিনি বারবার ফোন করে খোঁজ খবর নিয়েছেন। তিনি বারবার বলেছেন, আমি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হতে চাই না। তিনি বারবার সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, জাতীয় পার্টি এখন ভালোভাবে চলছে।

তিনি বলেন, প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আমাদের তিনি পরামর্শ দিতে পারেন। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা বা না করা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর এখতিয়ার। জাতীয় পার্টির শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বেগম রওশন এরশাদ এর সাথে যোগাযোগ করেছেন। শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মনে হয়েছে, তিনি কারো কথায় বা চাপে কাউন্সিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে। অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বাইরের কিছু মানুষ হয়তো, বেগম রওশন এরশাদ এর নাম ব্যবহার করে ভিন্ন এজেন্টা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। যারা জাতীয় পার্টির কেউ না, কেউ হয়তো ছিলো অনেক আগে জাতীয় পার্টিতে আবার সুর্নিদিষ্ট অভিযোগে কাউকে কাউকে পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তারা বেগম রওশন এরশাদকে অপব্যবহার করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আবার অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ প্রায় এক বছর বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি অবদান রাখতে পারছেন না। তাই পার্টির সংসদীয় দল জাতীয় পার্টির ঐক্য রক্ষা ও পার্টিকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে বাঁচাতে বেগম রওশন এরশাদকে বিরোধীদলীয় নেতা না রাখার পক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গেলো এক বছরে জাতীয় পার্টির সংসদীয় দল অসুস্থ বিরোধীদলীয় নেতার কর্মকাণ্ড নিয়ে ভাবেনি। এখন জাতীয় পার্টির স্বার্থেই বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতীয় পার্টির সংসদীয় দল তাদের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে জানিয়েছেন। এখন বিধি অনুযায়ী স্পিকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

নির্বাচনী জোট গঠনের বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে দলীয় ফোরামে আলোচনা করে জোট গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তখনকার বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার কথা বিবেচনা করে জোট গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় পার্টি। তবে, এখন আমরা তিনশো আসনেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দলকে আরো শক্তিশালী করতে নিয়মিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।

তিনি বলেন, মেগা প্রকল্প চালু হচ্ছে একটিও সময়মত শেষ হচ্ছে না সময় বাড়াতে হচ্ছে, আবার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুণ। একই সাথে যখন দেখা যায় শুধু সুইস ব্যাংকেই ৪ লাখ কোটি টাকা পাচার হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে তখন দুর্নীতির বিষয়ে আর কোন প্রশ্নের অবকাশ থাকে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে।

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত



ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত
ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২ ডিসেম্বর। সম্মেলন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মহানগর ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কমিটিতে স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভালো, রয়েছে ক্লিন ইমেজ, পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী তারাই আগামীর নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় এবং মানবিক কাজ করে আলোচনায় আসতে পেরেছেন, এমন ছাত্রনেতারাও এগিয়ে থাকবেন।

নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা হলেন- সভাপতি পদে এগিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সুমন, রুপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু নাইম, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাদ হাসান অথৈ, ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের ২নং যুগ্ম সম্পাদক রকি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেলসহ দুই ডজন পদপ্রত্যাশী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী সালমান খান প্রান্ত বলেন, করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। অপশক্তিকে রুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই আমার লক্ষ্য। ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আমি সব সময় সরব বলে প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছি বহুবার।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সুযোগ দিলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবো। ছাত্রলীগ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বিপ্লবী বাংলার বিপ্লবী সংগঠন। ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এবং মনে লালন করে। আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। দলের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও করব।

সালমান খান প্রান্ত গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াছ আহমেদের নাতি।

;

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রুপান্তরিত হবে: বাবর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রুপান্তরিত হবে: বাবর

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রুপান্তরিত হবে: বাবর

  • Font increase
  • Font Decrease

 

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ ডিসেম্বরের জনসভাকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলালীগের নেত্রী সোনিয়া আজাদের উদ্যোগে গনসংযোগ, পথসভা ও হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সোমবার ২৮ শে নভেম্বর নগরের জিইসি মোড়ে এই প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

এসময় আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এমনিতেই অধীর আগ্রহে বসে আছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তারা অনেক উচ্ছ্বসিত। কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া তারা পেতে শুরু করেছে। চট্টলবাসী জনসভাকে যেন জনসমুদ্রে পরিনত করতে পারে, তার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। বর্তমান যুগে মানুষ সব-ই জানেন। তবুও আমরা জনসংযোগ করে মানুষকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মনে করিয়ে দিতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য এই জনসভায় যেন সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

এসময়ে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সাধারণ জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রনণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা, ইসরাত হাসান, নাসরিন সুলতানা মুন্নি,আরফা বেগম,ডেইজি চৌধুরীসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

;

‘ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা, শেখ হাসিনার নৈতিকতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৮ তারিখ থেকে ৬ তারিখে করা বিএনপির আন্দোলনের ফসল নয়, এটা শেখ হাসিনার উদার  নৈতিকতার ফসল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৮ নভেম্বর)  দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন দুর্ভোগ সৃষ্টি না করতে বিএনপি নেতাদের আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীও তাদের সমাবেশের ধারে-কাছেও যাবেনা।

;

‘সমাবেশে আগুন-লাঠি নিয়ে খেলতে এলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন বাধা দিবে না সরকার তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে খেলতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপিকে এ হুঁশিয়ারি করেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সমাবেশ যেন সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ৮ ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ তারিখে করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছ।তাদের রাজনীতি হচ্ছে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও।

রাজনীতি না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে যাওয়া নেতাকে নেতা বানানো এতো সহজ নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন মানুষকে ধোকা দেওয়ার সময় শেষ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন দুনিয়ার কোন দেশে তত্বাবধায়ক সরকার আছে? আপনাদের নেত্রীই তো বলেছিলেন পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, এটা এখন মিউজিয়ামে।

ওবায়দুল কাদের বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।

কুমিল্লার সমাবেশে কোথায় গেল হাঁকডাক, জনগণের উপস্থিতি ছিল খরা,কোথায় গেল স্রোত আর ঢল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা শহরে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আবারও পিরোজপুর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে বলেন বিএনপির দুঃশাসন, অপকর্ম,ভোটচুটি,হাওয়া ভবন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাম্মি আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

;