যতই আক্রমণ হোক মাঠ ছাড়বে না বিএনপি



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
যতই আক্রমণ হোক মাঠ ছাড়বে না বিএনপি

যতই আক্রমণ হোক মাঠ ছাড়বে না বিএনপি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজনীতির মাঠে বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে সব সময়ই নিজেদেরকে সক্রিয় রেখেছিল বিএনপি। কিন্তু জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি দিয়ে গণমানুষের দেখা পায় দলটি মূলত জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে যখন একের পর এক কর্মসূচি দিতে থাকে। এসব কর্মসূচিতে নিজ দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারন মানুষেরও দেখা পায় দলটি। কর্মসূচিগুলোতে ব্যাপক জনসমাগমে চাঙ্গা হয়ে উঠে বিএনপির নেতাকর্মীদের মনোবল। দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যেও নব উদ্যম লক্ষ্য করা যায়।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের চাওয়া নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে জনজীবনে যে দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রতিবাদে শক্তভাবে মাঠে থাকা। একই সাথে ভবিষ্যতে তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনের যে ছক কষছে এরমধ্য দিয়ে সারা দেশে দলের মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সেই আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করা। কিন্তু সরকারে থাকা আওয়ামী লীগও বসে নেই। রাজপথে বিএনপিকে প্রতিহত করতে তারাও সর্বশক্তি প্রয়োগ করছে। কর্মসূচিতে হামলা এবং পরবর্তীতে মামলা দিয়ে বিএনপিকে আন্দোলন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে এমন অভিযোগ বিএনপির।

বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল টিপু বার্তা২৪.কমের কাছে একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন,শুধু আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে এসে আমাদের ৪জন নেতাকর্মী মারা গেছেন। আহতদের সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজারের উপরে।গ্রেফতার হয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ শতাধিক আর মামলা হয়েছে ৭২টি। সেই মামলায় নামসহ অজ্ঞাতনামা আসামীর সংখ্যা ২৫ হাজারের উপরে। বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে প্রায় ৫০ জায়গায়। আর আমাদের সমাবেশ পন্ড করতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ জায়গায়।

টিপু আরও যোগ করে বলেন, আক্রমণ যতই হোক আমাদের রাজপথ ছাড়ার কোন সুযোগ নাই। পুলিশ গুলি চালাক, টিয়ার গ্যাস মারুক, বিএনপি জনগণকে নিয়ে সেটা প্রতিরোধ করবে। সারাবিশ্ব ও দেশবাসী তো দেখছে কিভাবে নিরস্ত্র অবস্থায় বিএনপি রাজপথে মোকাবিলা করছে। সরকার ও পুলিশ যৌথভাবে জনগণের টাকায় কেনা গুলি আমাদের উপর ছুড়ছে, সেটাও সবাই দেখছে। এখন আমাদের সামনে বিকল্প কোন পথ নেই। ঘরে বসে মরার থেকে রাজপথে শহীদ হওয়ার জন্য সারা দেশে আমাদের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত হয়ে গেছে।

সম্প্রতি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকছেন পর্যায়ক্রমে দলটির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। কিন্তু সেটাও তারা নির্বিঘ্নে করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করা হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে। ১৫ সেপ্টেম্বর কয়েকবার জায়গা পরিবতর্ন করেও এবং পুলিশের অনুমতি থাকার পরও সমাবেশ করতে না পেরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমানুল্লাহ আমান বলেন,পুলিশের সহযোগিতায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ হামলা চালিয়ে যেভাবে আমাদের সমাবেশ পন্ড করলো তা নজিরবিহীন।

এর আগে ১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রমনা ও শাহবাগ থানা বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ নির্ধারিত জায়গায় করতে না পেরে অবশেষে গলির ভিতর সেটা করতে বাধ্য হয় বিএনপি। সেখানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন,কেউ গুলি করলে আমরা তাকে ছাড় দেবো না। আমরা আত্মাহুতির জন্য প্রস্তুত। আন্দোলনে গুলি চালানো হলে আমাদের আন্দোলনও ভিন্ন প্রক্রিয়ায় হবে। অবস্থা বুঝে আমরাও ব্যবস্থা নেবো।

মাঠে নির্যাতনের মাত্রা বাড়লে কি করবে বিএনপি এমন প্রশ্নে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বার্তা২৪’কে বলেন, আমরা তো ঘরেও থাকতে পারছি না। আমরা এখন আন্দোলনের মুডে আছি এবং মাঠে আছি। আওয়ামী লীগ সরকার যদি আমাদের উপর আক্রমণ না করে তবে সেটা হবে অস্বাভাবিক। আক্রমণ করবে এটাই স্বাভাবিক। তারমধ্যেই আমাদেরকে যেটা করার সেটা করতে হবে। যেহেতু ঘরে থাকতে পারছি না তাই আমাদেরকেও বাধ্য হয়ে রাজপথেই থাকতে হবে এবং নিজেদের দাবি আদায় করে নিতে হবে।

বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোন টানাপোড়েন নেই: কৃষিমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোন টানাপোড়েন নেই। আমরা একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত শহর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে দাম নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। তবুও আমরা মনিটরিং করছি। খুব জোরালোভাবে এটা তত্বাবধান করা হচ্ছে। আমরা দেখছি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্তিম ঘাটতি সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে মুনাফা করছে। সেটা নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। আমরা সেটা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ খুব সচেতন। তারা জানে দেশে কোন দুর্ভিক্ষ নাই। খাদ্য শস্যের দাম বাড়ছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে, একথা আমরা বারবার বলছি। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি বিনামূল্যে খাদ্য দেওয়ার জন্য। কম মূল্যে খাদ্য দেওয়ার জন্য। দেশে খাদ্যের হাহাকার নাই, কোন সমস্যা নাই, কোন দুর্ভিক্ষ নাই। তবে মানুষের কিছু কষ্ট আছে। যারা গরিব মানুষ, নিম্নআয়ের মানুষ, রিকশা ও ভ্যানওয়ালা তাদের সমস্যা আছে। সেটা যতটা সম্ভব মোকাবিলা করার জন্য আমরা কাজ করছি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ দিয়ে, বিনামূল্যে খাদ্য দিয়ে আমরা যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করছি।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যে কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের মৌলিক অধিকার আছে জাতীয় সমস্যা নিয়ে সমাবেশ, মিছিল ও আন্দোলন করার। কিন্তু আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্ট বলা আছে মিছিল, মিটিং, সমাবেশ সুশৃঙ্খল হতে হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে হবে। কোনক্রমেই মানুষের জীবন ও জানমালের উপর কোন হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না। জীবনমানকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না। কিন্তু আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। এই সমাবেশ থেকে পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে। যখন পুলিশের ওপর আক্রমণ করে, তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে তা নিভৃত করার। পুলিশ তাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং মাঝে মধ্যে গুলি পর্যন্ত করে। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে মিটিং করেন, তাতে কেউ বাধা দেবে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছে। তারা ২০১৩ সালে আবার ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নিবার্চনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দিবে, বিদ্যুতের লাইন তুলে ফেলবে, ট্রেনে আগুন দিবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে। আমরা এটা করতে দিব না। এখনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সক্ষম, অনেক সুশৃঙ্খল। আমাদের দায়িত্ব পুলিশকে সহযোগিতা করা। জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের।

তিনি বলেন, আমরা সারা পৃথিবীর মতামতকে সম্মান করি। বিশ্বের সকল সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমরা সম্মান করি। কিন্তু তারা যেটা বলছে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার। কিন্তু তাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে বাংলাদেশে আর কোন দিন তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা হবে না। সুপ্রিম কোর্টের রায়েও রয়েছে তত্বাবধায়ক সরকারের আইনটা অবৈধ।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকমীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

‘আ.লীগের জন্ম এই মাটিতে, শিকড় অনেক গভীরে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাটু ভাঙবে না, কোমর ও ভাঙবে না। আওয়ামী লীগের জন্ম এই মাটিতে, এই দলের শিকড় অনেক গভীরে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাটু ভাঙবে না, কোমর ও ভাঙবে না। আওয়ামী লীগের জন্ম এই মাটিতে। আওয়ামী লীগ এই মাটি থেকে উঠে আসা দল। আমাদের শিকড় অনেক গভীরে। এই মাটিতে যার জন্ম তার কোমর ভাঙবে না। আমি ভুল করিনি, ফখরুল সাহেব ভুল করেছেন।’

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। বাংলা একাডেমি অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘আওয়ামী লীগের হাটু ভেঙে গেছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি গত পরশুদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে বলেছিলাম কোমর ভাঙা বিএনপি, হাটু ভাঙা বিএনপি লাঠির উপর ভর করেছে। দেখলাম বিএনপির ফখরুল সাহেব তার জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন আওয়ামী লীগের নাকি হাটু ভেঙে গেছে। মির্জা ফখরুল হয় তো ভুলে গেছেন এটা আমার কথা না, এটা তাদের থ্রিংক ট্যাংক গণস্বাস্থ্যে জাফরউল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেছেন। বার বার বলেছেন কোমর ভাঙা বিএনপি, হাটু ভাঙা বিএনপি। আমি তাদের কথাই স্মরণ করিয়ে দিলাম হাটু ভাঙা দল লাঠির উপর ভর করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অবদান তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্যোগে আলো হাতে আমাদের বর্ণিল ঠিকানা শেখ হাসিনা। তিনি ধ্বংস স্তুপের উপর বার বার সৃস্টির পতাকা উড়িয়েছেন। ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। এদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা কি সহজ ছিলো। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করে আমাদের পাপ মোচন করেছেন। জনগণের কল্যাণ, ভাগ্য উন্নয়নের জন্যই শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য মতিয়া চৌধুরীরর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের সভাপতিমন্ডলির সদস্য আব্দুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুনন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

;

‘লাঠির সাথে জাতীয় পতাকা নিয়ে নামলে খবর আছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভূত মাথা থেকে নামিয়ে ফেলার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেছেন, বিএনপির আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ভীত নয়, আওয়ামী প্রস্তুত ও সতর্ক আছে,রাজপথ থেকেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে- কাজেই আওয়ামী লীগকে আন্দোলনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, দলের পরিচয়ে যারাই অপকর্ম করবে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না ।

বিএনপিকে আবারও হুঁশিয়ার করে ওবায়দুল কাদের বলেন, লাঠির সাথে জাতীয় পতাকা নিয়ে নামলে খবর আছে, জাতীয় পতাকার অবমাননা কোন ভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না।

বিএনপি নেতাদের নতুন করে অবরোধ ঘোষণা দেওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, তারা তাদের আগের অবরোধ না তুলে নতুন করে কেন আবার অবরোধ ঘোষণা করেছে তা জানতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জিজ্ঞাসা করতে সাংবাদিকদের পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন যথাসময়ে সংবিধানে অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে, নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার শুধুমাত্র রুটির দায়িত্ব পালন করবে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, নাট্য শিল্পী লাকী ইনাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো- ভিসি অধ্যাপক ডাক্তার ছায়েফ উদ্দিন আহমেদ ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আতিকুর রহমান   এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করেছেন সেইসব শিশুদের প্রতিনিধিদের মাঝে বিশেষ উপহার প্রদান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

;

কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির ওপর ভর করেছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোমরভাঙা, হাটুভাঙা বিএনপি লাঠির উপর ভর করেছে। লাঠির দিন চলে গিয়েছিলো বিএনপি আবার তা ফিরিয়ে এনেছে। লাঠি নিয়ে রাজপথে যত আস্ফালন হোক, আমরা এর জবাব দিবো।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩ টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সামনের দিনে পতাকার সাথে লাঠি নিয়ে নামলে খবর আছে। পরিস্কার বলে দিতে চাই, সামনে খবর আছে, লাঠি নিয়ে খেলা চলেবে না। আগুন নিয়ে খেলা, অগ্নিসন্ত্রাস চলবে না।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মুজিবকে হারিয়ে আমরা অমানিসার অন্ধকারে ছিলাম। এর ৬ বছর পর শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিবাচিত হয়ে ফিরে এসেছিলেন রক্তভেজা দুঃখিনী বাংলায়।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছেন। তিনি দেশে এসেছিলেন বলে এসেছেন বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। তিনি ফিরেছেন বলে দেশে উন্নয়নে অর্জনের ধারা সূচিত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ কাউকে রাজপথ ইজারা দেয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজপথ কারো পৈত্রিক সম্পত্তি নয়। আওয়ামী লীগ রাজপথে আছে, প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে থাকবে। আমরা জনগণের জন্য, উন্নয়ন ও অর্জনের জন্য রাজপথে নামবো।

২২ দলীয় জোটের নামে বিএনপি জগাখিচুড়ির আন্দোলনের মাঠে নেমেছে মন্তব্য করে কাদের বলেন, বিএনপি ইচ্ছে করে উসকানি দিচ্ছে যাতে আওয়ামী লীগ সংঘাতে জড়ায়। তারা ইচ্ছে করে আওয়ামী লীগ, পুলিশকে উসকানি দেয়।

দলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবারো বিজয়ের বন্দরে পৌছাবো ইনশাআল্লাহ্‌।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি।

;